a বিএফইউজে সভাপতি ওমর ফারুক, মহাসচিব দীপ
ঢাকা মঙ্গলবার, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২, ১৭ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

বিএফইউজে সভাপতি ওমর ফারুক, মহাসচিব দীপ


খোরশেদ:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
রবিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২১, ১২:০৪
বিএফইউজে সভাপতি ওমর ফারুক, মহাসচিব দীপ

ফাইল ছবি

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) নির্বাচনে সভাপতি পদে বাসসের উপ-প্রধান বার্তা সম্পাদক ওমর ফারুক ও মহাসচিব পদে নাগরিক টিভির বার্তা প্রধান দীপ আজাদ নির্বাচিত হয়েছেন।

গতকাল শনিবার ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবসহ সারাদেশে ১০টি ভোটকেন্দ্রে বিরতিহীনভাবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত একযোগে এই ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

সভাপতি পদে ওমর ফারুক পেয়েছেন এক হাজার ২১৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবু জাফর সূর্য পেয়েছেন ৭৫৩ ভোট। আর আবদুল জলিল ভূঁইয়া পেয়েছেন ৪৮৯ ভোট।

এ ছাড়া মহাসচিব পদে নির্বাচিত দীপ আজাদ পেয়েছেন এক হাজার ৬১৭ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লায়েকুজ্জামান পেয়েছেন ৪৯৩ ভোট আর আবদুল মজিদ পেয়েছেন ৩৩০ ভোট।

নির্বাচনের পর ভোটগণনা শেষে জাতীয় প্রেস ক্লাবের মিলনায়তন মঞ্চে রাত সাড়ে ১০ টায় ফল ঘোষণা করেন বিএফইউজে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান বাংলাদেশ জার্নালের সম্পাদক শাহজাহান সরদার।

ঢাকা বিভাগে অন্যান্য পদে বিজয়ীরা হলেন সহসভাপতি পদে মধূসুদন মন্ডল (৪২৭), যুগ্ম মহাসচিব পদে শেখ মামুনুর রশীদ (৫২৮), কোষাধ্যক্ষ পদে খায়রুজ্জামান কামাল(১০৩৭), দফতর সম্পাদক পদে সেবিকা রানী (৬০৬) নির্বাচিত হয়েছেন।

কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হয়েছেন উম্মুল ওয়ারা সুইটি (১০২২), ড. উৎপল কুমার সরকার(৬৫১), নূরে জান্নাত আখতার সীমা (৬৪২) ও শেখ নাজমুল হক সৈকত (৬০৪)।

এছাড়া ঢাকা বিভাগে নারায়ণগঞ্জ সাংবাদিক ইউনিয়ন থেকে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন আফজাল হোসেন পন্টি ও হাসানুজ্জামান শামীম।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত ডিইউজে, ছায়া কমিটি ঘোষণা


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
রবিবার, ১৭ মার্চ, ২০২৪, ০৬:০৬
নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত ডিইউজে, ছায়া কমিটি ঘোষণা

ছবি সংগৃহীত

সদ্য সমাপ্ত মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অবিচল ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)’র ঘোষিত ফলাফল ও পুনরায় ভোট গণনার অভিযোগ নিষ্পত্তি না হওয়ায় তিন দফা দাবী আদায়ের লক্ষে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন পরিচালনার জন্য ২১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ ছায়া কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

আজ রবিবার বেলা ৩টায় জাতীয় প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতির সামনে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) সাবেক ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আব্দুল মজিদ এই কমিটি ঘোষণা করেছেন। এই সময় ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের একদল সদস্য উপস্থিত থেকে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দিয়ে ঘোষিত কমিটিকে সমর্থন জানান।

কমিটির সভাপতি আব্দুল মজিদ (ঢাকা ডিপ্লোমা), সিনিয়র সহ সভাপতি আশরাফুল ইসলাম (দৈনিক ইত্তেফাক), সহ সভাপতি এস এম মোশাররফ হোসেন (সাম্প্রতিক দেশকাল), সাধারণ সম্পাদক উম্মুল ওয়ারা সুইটি (দৈনিক দেশ রুপান্তর), যুগ্ম সম্পাদক আছাদুজ্জামান (দৈনিক বাংলাবাজার), কোষাধ্যক্ষ জাকির হোসেন ইমন (দৈনিক সমকাল (সাবেক), সাংগঠনিক সম্পাদক রাজু হামিদ (নাগরিক টিভি), আইন বিষয়ক সম্পাদক মাসুম আহমেদ (দৈনিক ইনকিলাব), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শাজাহান সাজু (দৈনিক সকালের সময়), দপ্তর সম্পাদক এম জহিরুল ইসলাম (দৈনিক বাংলাদেশের খবর), কল্যাণ সম্পাদক জুবায়ের চৌধুরী (সরাসরি), ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন (আজকালের খবর), নারী বিষয়ক সম্পাদক রেহেনা পারভিন (বিটিভি)। এছাড়া নির্বাহী পরিষদের সদস্য ঘোষণা করা হয়েছে খায়রুল আলম, রেজাউল করিম রেজা, রফিকুল ইসলাম সুজন, সাইফ আলী, জাহাঙ্গীর খান বাবু, শাহেদুর রহমান শাহেদ ও রাগেবুল রেজা।  

এদিকে ডিইউজের নির্বাচিত ঘোষিত ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে ভোট পুনরায় গণনার আবেদন করেছেন সিনিয়র সহ সভাপতি প্রার্থী আশরাফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রার্থী জুবায়েদ চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক প্রার্থী আছাদুজ্জামান। আবেদন করলেও এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোন সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি। এ অবস্থায় অদ্য রবিবার বেলা ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন বিএফইউজে’র সভাপতি ওমর ফারুক ও সাবেক সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান বুলবুলের নেতৃত্বে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাচনে ঘোষিত বিজয়ী প্রার্থীদের দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এ সময় ফলাফলে সংক্ষুব্ধ সভাপতি প্রার্থী আব্দুল মজিদের নেতৃত্বে ডিইউজে’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমানে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী খায়রুল আলম, কোষাধ্যক্ষ আশরাফুল ইসলাম ও জাস্টিস ফর জার্নালিষ্টের সভাপতি কামরুল ইসলামসহ একদল ডিইউজে সদস্য দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান অভিযোগ নিষ্পত্তি করার পর ক্ষমতা হস্তান্তর অনুষ্ঠান আয়োজন করার অনুরোধ জানান।

এ সময় কামরুল ইসলাম বিএফইউজের সভাপতি ওমর ফারুক বরাবর আবেদন জানিয়ে বলেন ডিইউজের গঠনতন্ত্রে উল্লেখ্য আছে ভোট সমান সমান হলে পুনরায় নির্বাচন দিতে হবে। তাই এই দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান অবৈধ। অর্থাৎ অবৈধ অনুষ্ঠান করে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নকে বিভক্ত করবেন না। এ সময় উপস্থিত সংক্ষুব্ধ সাংবাদিক নেতারা তাকে সমর্থন জানান। এই আবেদন বিএফইউজের সভাপতি ওমর ফারুক আমলে না নিয়ে দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে থাকলে সংক্ষুব্ধ প্রার্থীরা একযোগে দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান বর্জন করে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে এসে অবস্থান করেন।

এ সময় ডিইউজে কার্যালয়ে জাস্টিস ফল জার্নালিষ্টের সভাপতি কামরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এক জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত সদস্যরা ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ডিইউজের ছায়াকমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। এই কমিটি ডিইউজের সৃষ্ট জটিলতা নিরসন না হওয়া পর্যন্ত তাদের সাংগঠনিক কর্মকান্ড পরিচালনা করবেন।

জরুরী সভার পর ছায়া কমিটি ঘোষণা শেষে সংক্ষুব্ধ প্রার্থীরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতির সামনে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য জড়ো হলে বিএফইউজের সভাপতি ওমর ফারুক ঘোষিত কমিটির বিরোধিতা করে সদস্যদের সাথে বাক-বিতন্ডায় জড়িয়ে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করে ক্লাবের ভেতরে চলে যান।


বার্তা প্রেরক,
 
(শাহিন বাবু)
মহাসচিব, জাস্টিস ফর জার্নালিস্ট

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

বাংলাদেশে ৩১ ঘণ্টায় ৪ বার ভূমিকম্প ও আমাদের করনীয়


বিশেষ প্রতিনিধি, নিউজ ডেস্ক
রবিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৫, ০৮:৫৪
বাংলাদেশে ৩১ ঘণ্টায় ৪ বার ভূমিকম্প ও আমাদের করনীয়

ছবি সংগৃহীত

 

নিউজ ডেস্কঃ রাজধানী ঢাকায় ও আশপাশের এলাকায় মাত্র ৩১ ঘণ্টার মধ্যে চারবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকে শুরু করে শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত এই ধারাবাহিক কম্পন ভূতাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞদের কাছে নতুন সতর্কবার্তা যে, বাংলাদেশ বড় ধরনের ভূমিকম্পের উচ্চঝুঁকিতে রয়েছে।

দুই সেকেন্ডে রাজধানীতে দুটি ভূমিকম্পঃ
শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানী ঢাকায় পরপর দুটি ভূমিকম্প হয়। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, প্রথমটি অনুভূত হয় সন্ধ্যা ৬টা ৬ মিনিট ৪ সেকেন্ডে, যার মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৩ দশমিক ৭। এর এক সেকেন্ড পর—৬টা ৬ মিনিট ৫ সেকেন্ডে—আরও একটি ভূমিকম্প হয়, যার মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৩।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, ৩ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল বাড্ডায়। আর ৪ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল নরসিংদীতে।

এর আগে একইদিন সকালে নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় সকাল ১০টা ৩৬ মিনিটে ৩ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

গতকাল ২১ নভেম্বর ২০২৫, শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে ঢাকা, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা। এতে শিশুসহ ১০ জন নিহত এবং ছয় শতাধিক মানুষ আহত হন। আতঙ্কে ভবন থেকে লাফিয়ে পড়া, ভবন হেলে যাওয়া ও ফাটল সৃষ্টি হওয়ার মতো অনেক ঘটনা ঘটে। সবচেয়ে বেশি—৫ জনের মৃত্যু হয় নরসিংদীতে; ঢাকায় মারা যায় ৪ জন এবং নারায়ণগঞ্জে ১ জন।

পরপর ৪ বার ভূমিকম্প হওয়ার যেসব ইঙ্গিত দিচ্ছেঃ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ছোট ও মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পগুলো একটি বড় ভূমিকম্পের পূর্বাভাস। ভূতাত্ত্বিকরা দীর্ঘদিন ধরেই সতর্ক করে আসছেন যে বাংলাদেশ একটি সক্রিয় প্লেট সীমান্তে অবস্থান করছে, যেখানে যেকোনো সময় বড় ধরনের কম্পন ঘটতে পারে।

বিশেষজ্ঞ মত অনুযায়ী, বাংলাদেশে বড় ধরনের ভূমিকম্পের প্রধান উৎস দুটো। এর একটি হলো ‘ডাউকি ফল্ট’, যা ভারতের শিলং মালভূমির পাদদেশে বাংলাদেশের ময়মনসিংহ-জামালগঞ্জ-সিলেট অঞ্চলে বিস্তৃত যা প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ।

আরেকটি হলো- সিলেট থেকে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম, টেকনাফ পর্যন্ত যা সব মিলিয়ে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা পর্যন্ত বিস্তৃত। এই উৎসটিকে খুব ভয়ংকর বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

টেকটনিক প্লেটে বাংলাদেশের যে অবস্থান তাতে দুটো প্লেটের সংযোগস্থল রয়েছে- পশ্চিমে ইন্ডিয়ান প্লেট আর পূর্ব দিকে বার্মা প্লেট। আর বাংলাদেশের উত্তরদিকে আছে ইউরেশিয়ান প্লেট।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ সৈয়দ হুমায়ুন আখতার গণমাধ্যমে বলেন, ‘ভারতীয় প্লেটটি ধীরে ধীরে পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে বার্মা প্লেটের নিচে অর্থাৎ চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রামের নিচে তলিয়ে যাচ্ছে। তলিয়ে যাওয়ার কারণে একটা সাবডাকশান জোনের তৈরি হয়েছে। আর নটরিয়াস (ভয়ংকর অর্থে) এই জোনের ব্যাপ্তি সিলেট থেকে টেকনাফে বিস্তৃত। পুরো চট্টগ্রাম অঞ্চল এর মধ্যে পড়েছে। এখানে বিভিন্ন সেগমেন্ট আছে। আমাদের এই সেগমেন্টে ৮.২ থেকে ৯ মাত্রার শক্তি জমা হয়ে আছে। এটা বের হতেই হবে।’

তার মতে, নরসিংদীর মাধবদীতে যে ভূমিকম্পের উৎস ছিলো সেই এই সেগমেন্টেরই এবং নরসিংদীতে দুই প্লেটের যেখানে সংযোগস্থল, সেখানেই ভূমিকম্প হয়েছে।

অধ্যাপক হুমায়ুন আরও বলেন, ‘এখানে প্লেট লকড হয়ে ছিল ফলে অতি সামান্য ক্ষুদ্রাংশ খুলার কারণে শুক্রবারের ভূমিকম্প হয়েছে। এটিই ধারণা দেয়, সামনে বড় ভূমিকম্প আমাদের দ্বারপ্রান্তে আছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই যে বড় একটি প্লেট বাউন্ডারির খুব ক্ষুদ্র শক্তি খুলে গেলো তার মানে হলো সামনে বড় বিপদ অপেক্ষা করছে। কারণ একটু খুলে যাওয়া কিছু শক্তি বের হওয়ায় সামনে এই শক্তির বের হওয়া আরও সহজ হয়ে গেছে।’

আগের বড় ভূমিকম্পের নজিরঃ বাংলাদেশ ও আশপাশের এই অঞ্চলে আগেও ৮ মাত্রার ওপরে বড় ভূমিকম্প হয়েছে—

   * ১৮৯৭ সালে ডাউকি ফল্টে ৮.৭ মাত্রার ভূমিকম্প
   * ১৭৬২ সালে টেকনাফ-মিয়ানমার অঞ্চলে ৮.৫ মাত্রার ভূমিকম্প
   * ১৭৯৭ সালে ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্র নদীর গতিপথ বদলে যাওয়া
   * ১৮৬৮ ও ১৯২২ সালে সিলেট–মৌলভীবাজার অঞ্চলে ৭.৫ ও ৭.৬ মাত্রার বড় ভূমিকম্প হয়েছিল। এই ইতিহাস ইঙ্গিত দেয়—অঞ্চলটি দীর্ঘদিন ধরে ভূমিকম্পপ্রবণ।

কেন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে ঢাকা?
বিশেষজ্ঞদের মতে— ঢাকার অধিকাংশ ভবন বিল্ডিং কোড মেনে নির্মিত নয়। অতিরিক্ত ঘনবসতি ও সংকীর্ণ রাস্তার পাশাপাশি উদ্ধার ও দ্রুত প্রতিক্রিয়ার পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নেই। তাই বড় ভূমিকম্প হলে সবচেয়ে ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির শঙ্কা এই ঢাকা শহরেই।

অধ্যাপক হুমায়ুন আখতার বলেন, ‘মাধবদীর ভূমিকম্প দেখাচ্ছে বড় শক্তি বেরিয়ে আসার পথ খুলছে। এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ঢাকা মৃত্যুপুরীতে পরিণত হতে পারে।’

ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলের ভবনগুলোর জরুরি অডিট, বিল্ডিং কোড প্রয়োগ, উদ্ধার সক্ষমতা বাড়ানো, জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি—সবই এখন সময়ের দাবি।

সতর্কবার্তাঃ ৩১ ঘণ্টায় ৪ দফা কম্পন জানান দিচ্ছে, ভূমিকম্পের ঝুঁকি বাড়ছে এবং বড় কম্পনের সম্ভাবনাকে আর হালকা করে দেখার সুযোগ নেই। --তথ্য সূত্র যুগান্তর

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - গণমাধ্যম