a
ফাইল ছবি
আগামী বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) সিদ্ধান্ত আসবে লকডাউন আরও বাড়বে কি না। মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানান আগামী বৃহস্পতিবার এব্যাপারে সিদ্ধান্ত আসবে।
সোমবার (৫ এপ্রিল) ভার্চ্যুয়াল মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব একথা জানান।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও বলেন, দেখি সামনে কী হয়। মানুষকে তো কো-অপারেট করতে হবে। আপনারা তো বার বার বলছেন। কিন্তু এখনো পুরোপুরি কো-অপারেশন…। সবাই যদি মাস্ক ব্যবহার করে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে তাহলে তো অসুবিধা হওয়ার কথা নয়।
এখন যে পরিস্থিতি আছে এ পরিস্থিতি থাকলে কি লকডাউন বাড়ানো হবে? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, দেখি... আমরা আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত অপেক্ষা করছি।
অধ্যাপক তারেক শামসুর রেহমান
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. তারেক শামসুর রেহমান আর নেই। শনিবার উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রোজেক্টে নিজের ফ্ল্যাটে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।
এ সময় বাসায় কেউ ছিলেন না। পুলিশ দরজা ভেঙে তার লাশ উদ্ধার করে। তার মৃত্যুর কারণ এখনও জানা যায়নি। রাজউকের উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রোজেক্টের প্রকল্প পরিচালক মো. মোজাফফর আহমেদ গণমাধ্যমকে তার মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, আজ সকালে অধ্যাপক রেহমানের বাসা গৃহকর্মী আসেন এবং কলিং বেল দিলেও তিনি দরজা খোলেননি। পরে নীচে সিকিউরিটি গার্ডকে বিষয়টি জানান। এরপর আশপাশের ফ্লাটের লোকজন তাকে ডাকাডাকি করলে কোন সাড়াশব্দ পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে বেলা ১১টার দিকে তুরাগ থানার পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়। পুলিশ ফ্লাটের দরজা ভেঙে তার লাশ উদ্ধার করে।
মোজাফফর আহমেদ আরও জানান, তারেক শামসুর রেহমানের লাশটি বাথরুমের সামনে পড়ে ছিল। তিনি সেখানে বমি করেছিলেন। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দিয়েছে।
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক সদস্য তারেক শামসুর রেহমান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ও অত্র বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন।
আন্তর্জাতিক রাজনীতি, আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্ক ও বৈদেশিক নীতি নিয়ে গবেষণামূলক বেশ ক’টি গ্রন্থ রয়েছে তার। এছাড়া তুলনামূলক রাজনীতি নিয়েও তার বেশ ক’টি গ্রন্থ রয়েছে।
অআন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রির অধিকারী অধ্যাপক রেহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। অধ্যাপনার পাশাপাশি ড. রেহমান নিয়মিত কলাম লিখতেন। প্রায় প্রতিটি জাতীয় দৈনিকে তার কলাম নিয়মিত ছাপা হতো।
ড. রেহমানের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে ইরাক যুদ্ধ পরবর্তী আন্তর্জাতিক রাজনীতি, গণতন্ত্রের শত্রু-মিত্র, নয়া বিশ্বব্যবস্থা ও আন্তর্জাতিক রাজনীতি, বিশ্ব রাজনীতির চালচিত্র, উপআঞ্চলিক জোট, ট্রানজিট ইস্যু ও গ্যাস রফতানি প্রসঙ্গ, বাংলাদেশঃ রাষ্ট্র ও রাজনীতি, বাংলাদেশঃ রাজনীতির ২৫ বছর, বাংলাদেশঃ রাজনীতির চার দশক, গঙ্গার পানি চুক্তিঃ প্রেক্ষিত ও সম্ভাবনা, সোভিয়েত-বালাদেশ সম্পর্ক, বিশ্ব রাজনীতির ১০০ বছর ইত্যাদি।
ফাইল ছবি
টানা তিন দিন মাঠে থাকবে বিএনপি। অবিলম্বে খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং উন্নত চিকিৎসার দাবিতে আজ সারা দেশে লিফলেট বিতরণ এবং শনিবার সব মহানগর ও জেলা পর্যায়ে পদযাত্রা।
এছাড়া ‘অবৈধ, লুটেরা ফ্যাসিবাদী সরকারের পদত্যাগের একদফা দাবিতে’ শুক্রবার যুগপৎ আন্দোলনের ধারায় ঢাকা মহানগরসহ সব মহানগরে গণমিছিল কর্মসূচি পালন করবে। এসব কর্মসূচি সফল করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে দলটি।
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে আজ ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের প্রতিটি সাংগঠনিক থানায় লিফলেট বিতরণে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ কেন্দ্রীয় নেতারাও অংশ নেবেন। শুক্রবার ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি গণমিছিল শুরু করবে বেলা ৩টায় গুলশান-২ থেকে। গুলশান-১, তিতুমীর কলেজ হয়ে মহাখালী বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে শেষ হবে।
একই সময়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি রাজধানীর দয়াগঞ্জ থেকে গণমিছিল শুরু করবে। গণমিছিল সায়েদাবাদ ব্রিজ, ধলপুর কমিউনিটি সেন্টার, গোলাপবাগ, কমলাপুর, বৌদ্ধমন্দির হয়ে খিলগাঁও, শাজাহানপুর, ফকিরাপুল হয়ে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হবে।
শনিবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে ঢাকায় পদযাত্রা শুরু হবে।
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুল হক গণমাধ্যমকে বলেন, ‘দেশের জনগণ সরকারের পদত্যাগ চায়। নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন চায়। দাবি আদায়ে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা আন্দোলনে আছি। ঢাকা মহানগরের কর্মসূচিতে মানুষের ঢল নামবে।’
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন বলেন, ‘আমাদের হারানোর কিছু নেই, এখন অস্তিত্বের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। নেতাকর্মীরা ঘরে থাকলেও মামলা-হামলা, গ্রেফতার, গুম আর হত্যার শিকার হন। কবরে গিয়েও গায়েবি মামলা থেকে রেহাই পান না।
এ অবস্থার পরিবর্তনের জন্য যে কোনো আন্দোলনে, যে কোনো ত্যাগ স্বীকার করতে নেতাকর্মীরা প্রস্তুত আছেন।’ সূত্র: যুগান্তর