a
সংগৃহীত ছবি
আজ বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) থেকে বন্ধ হচ্ছে করোনাভাইরাস প্রতিরোধী মডার্নার টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া। একই সঙ্গে আজ থেকেই দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেওয়া শুরু হবে। গণমাধ্যমকে এমনটিই জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
গত মঙ্গলবার (১০ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের টিকা কর্মসূচির পরিচালক ডা. শামসুল হক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১২ আগস্টের পর সারাদেশে মডার্নার টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া বন্ধ এবং দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া শুরু হবে।
তবে, যেসব স্থানে উক্ত টিকার প্রথম ডোজ উদ্বৃত্ত রয়েছে, সেসব স্থানে দ্রুত প্রথম ডোজ দেওয়ার কাজ সম্পন্ন করে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া শুরু করতে হবে বলে ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।
এই নির্দেশনাটি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার খুরশীদ আলমের অনুমোদনক্রমে সারাদেশের সিভিল সার্জন, হাসপাতাল পরিচালক, টিকা কেন্দ্রসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে বলেও জানানো হয়।
ফাইল ছবি: জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ
অস্ট্রেলিয়ার পার্থ শহরে অনুষ্ঠিত চিফ অব আর্মি সিম্পোজিয়াম এবং দি ল্যান্ডওয়ার্দিনেস সিম্পোজিয়ামে অংশগ্রহণ শেষে গতকাল রবিবার দেশে ফিরেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। সফরকালে তিনি গত ২৯-৩০ আগস্ট ২০২৩'চিফ অব আর্মি সিম্পোজিয়াম-২০২৩' এবং ৩১ আগস্ট-০১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ দি ল্যান্ডওয়ার্দিনেস সিম্পোজিয়াম’ এ অংশগ্রহণ করেন।
সিম্পোজিয়ামসমূহে তিনি বিভিন্ন দেশ থেকে আসা সেনাবাহিনী প্রধানসহ উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাদের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন এবং স্ব-স্ব স্থলবাহিনীসমূহের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের মাধ্যমে পারস্পরিক আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি, পেশাদারি সম্পর্কন্নোয়ন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, সংঘাতপূর্ণ সমস্যাসমূহ মোকাবিলা, যৌথ প্রশিক্ষণ এবং স্থল বাহিনীসমূহের আধুনিকায়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
সংগৃহীত ছবি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুহিলপুরে ভিমরুলের কামড়ে জান্নাত (৫) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (৪ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে জান্নাত, মাইনুল এবং তাবাস্সুম ভিমরুলের কামড়ে মারাত্বকভাবে আহত হইলে তাৎক্ষণিক তাদেরকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিলে জান্নাত চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।
জান্নাত সদর উপজেলার সুহিলপুর ইউনিয়নের ঘাটুরা গ্রামের কাঠবাড়িয়া এলাকার হানিফ মিয়ার মেয়ে। একই ঘটনায় জান্নাতের বড় ভাই মাইনুল (৭) ও চাচাতো বোন তাবাস্সুম (৫) এর অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
জান্নাতের চাচা ফিরোজ মিয়া জানান, বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে জান্নাত তার ভাই মাইনুল ও চাচাতো বোন তাবাস্সুম বাড়ির আঙিনায় খেলা করছিল। একপর্যায়ে বাড়ির উত্তর পাশের ঝোপে খেলতে যায় তারা। সেখানে তাদের তিনজনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ভিমরুল কামড় দেয়।
তিনি আরও জানান, এতে অসহ্য যন্ত্রণায় তারা কান্নাকাটি ও চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসে। অবস্থা খারাপ হওয়ায় তাদের তিনজনকেই জরুরী শিশু বিভাগে ভর্তি করেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক রাতে জান্নাতেরর মৃত্যু নিশ্চিত করেন। বাকি দুইজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানান তিনি।
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক খান রিয়াজ মাহমুদ জিকু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভিমরুলের কামড়ে আহত হয়ে তিন শিশুকে বিকেলে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। এর মধ্যে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বাকি দুই শিশুর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।