a
ফাইল ছবি
আজ সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণে তফসিল ঘোষণা করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। আজ সকাল ১০টায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম।
তিনি জানান, বিকেল ৫টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন বৈঠকে বসবে। বৈঠক শেষে সন্ধ্যা ৭টার দিকে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন সিইসি। ওই ভাষণেই তফসিল সংক্রান্ত ঘোষণা দেওয়া হবে।
তফসিল ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আগারগাঁওয়ে কমিশন ভবন ও এর আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া কমিশন ভবনে এনআইডি সংশোধনের জন্য ব্যক্তিগত শুনানি মঙ্গলবার থেকে বন্ধ রাখা রয়েছে।
এর আগে নভেম্বরের প্রথমার্ধে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা দেওয়ার কথা জানিয়ে আসছিল নির্বাচন কমিশন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ছবি সংগৃহীত
নিউজ ডেস্ক: জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর দ্বিতীয় পর্যায়ের সপ্তম দিনের বৈঠক আজ আবারও শুরু হয়েছে। বৈঠকের আলোচ্যসূচি নির্বাচনি এলাকা নির্ধারণ, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন।
আজ বুধবার (২ জুলাই) বেলা ১১টা ৮ মিনিটে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এই বৈঠকে বিএনপি-জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন।
বৈঠকে সভাপতিত্ব করছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ। এ ছাড়া কমিশনের সদস্য সফর রাজ হোসেন, বিচারপতি এমদাদুল হক, ড. বদিউল আলম মজুমদার ও ড. আইয়ুব মিয়াও উপস্থিত রয়েছেন।
সংস্কার প্রশ্নে ঐকমত্য তৈরির লক্ষ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দ্বিতীয় পর্বে বিষয়ভিত্তিক আলোচনা করছে ঐকমত্য কমিশন। এই পর্বে মৌলিক সংস্কারের ২০টির মতো প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। এখন পর্যন্ত আলোচনা হয়েছে ৯টি বিষয়ে। ঐকমত্য হয়েছে মাত্র দুটি বিষয়ে। আর কিছু ক্ষেত্রে আংশিক ঐকমত্য হয়েছে। তবে কোনো বিষয় এখনো আলোচনার টেবিল থেকে বাদ দেওয়া হয়নি।
যেসব সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে ইতোমধ্যে আলোচনা হয়েছে সেগুলো হচ্ছে, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন, বিরোধী দল থেকে সংসদীয় কমিটির সভাপতি করা, ১০০ নারী আসনে সরাসরি ভোট, দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট সংসদ, প্রধান বিচারপতি নিয়োগ, জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল (এনসিসি) গঠন, রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকাল (এক ব্যক্তি সর্বোচ্চ কত সময় প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন) এবং সংবিধানে রাষ্ট্রের মূলনীতি। এর মধ্যে এনসিসির পরিবর্তে ‘সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ কমিটি’ গঠনের নতুন প্রস্তাব আনা হয়।
এই প্রস্তাবগুলোর মধ্যে ৭০ অনুচ্ছেদ ও বিরোধী দলগুলোকে আসনের অনুপাতে সংসদীয় কমিটির সভাপতি পদ দেওয়ার বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে। পাশাপাশি এক ব্যক্তি জীবনে সর্বোচ্চ ১০ বছর প্রধানমন্ত্রী পদে থাকতে পারবেন—এমন প্রস্তাব নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো মোটামুটি একমত হলেও এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
বিএনপি বলেছে, সংবিধানে এনসিসি বা এ ধরনের কোনো কমিটি গঠনের বিধান রাখা হবে না। এই শর্ত পূরণ হলে তারা প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকালের বিষয়টি মেনে নেবে।
এ ছাড়া নির্বাচনি এলাকার সীমানা নির্ধারণ, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপরেখা, সংবিধান সংশোধন পদ্ধতি, জরুরি অবস্থা ঘোষণার প্রক্রিয়া, স্থানীয় সরকারে নারী প্রতিনিধিত্ব, উচ্চকক্ষের নির্বাচন পদ্ধতি, জেলা সমন্বয় কাউন্সিল গঠন ইত্যাদি বিষয়ে এখনো আলোচনা শুরু হয়নি।
এর আগে গত ২৯ জুনের বৈঠকের শুরুতে আলী রীয়াজ বলেন, ‘আমরা স্বপ্ন দেখেছিলাম আবু সাঈদের শাহাদাত বার্ষিকীতে (১৬ জুলাই) সবাই মিলে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করব। কিন্তু বাস্তবে সেটি কতটা সম্ভব হবে, তা নির্ভর করছে রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর। এ বিষয়ে আমাদের এখন খানিকটা শঙ্কাও রয়েছে।’
সূত্র: ইউএনবি।
ফাইল ছবি: ডোনাল্ড ট্রাম্প
বাংলাদেশ সময় সোমবার রাত ১১ টা এবং মার্কিন সময় দুপুর ১২টায় যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দেশটির ৪৫তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করছেন।
বিবিসির প্রতিবেদন বলা হয়েছে, সাধারণত মার্কিন কংগ্রেস ক্যাপিটল হিলের সামনে শপথ অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। তবে আজ ওয়াশিংটনে প্রচণ্ড ঠাণ্ডা আবহাওয়ার কারণে (মাইনাস ১৩ ডিগ্রি) ইনডোরে অনুষ্ঠিত হবে তার শপথ অনুষ্ঠান। শপথের পরই জাতির উদেশে ভাষণ দেবেন ট্রাম্প।
ট্রাম্পের এ অভিষেক অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন চীনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হ্যান ঝেং, আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট জাভিয়ের মিলেই এবং ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিসহ অনেত অতিথি।
ট্রাম্পকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস। এ নিয়ে দ্বিতীয়বার তিনি ট্রাম্পকে শপথ পড়াবেন। অনুষ্ঠানে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও শপথ গ্রহণ করবেন।
শনিবার ওয়াশিংটন যাওয়ার পথে এনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প প্রথম দিনই রেকর্ডসংখ্যক নির্বাহী আদেশে সই করবেন বলে জানান। তিনি যেসব নির্বাহী আদেশে সই করবেন, তার অনেকগুলোই বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের গৃহীত নীতি বাতিল করা হবে। ট্রাম্প তার নতুন মেয়াদের প্রথম দিন থেকে যেসব কর্মসূচি গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তার মধ্যে গণবিতাড়ন কর্মসূচি অন্যতম। সূত্র: যুগান্তর