a
ফাইল ছবি
আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের কাছের একটি কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ শহর দখলসহ সারা দেশে তালিবানের অগ্রগতির প্রেক্ষাপটে সেখানে থাকা আমেরিকানদের যত দ্রুত সম্ভব আফগানিস্তান ত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
বৃহস্পতিবার কাবুলে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ওয়েবসাইটে দেয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে আফগানিস্তানে বসবাসরত আমেরিকানদের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে, 'যেভাবে সম্ভব দ্রুত আফগানিস্তান ত্যাগ করুন।'
আর্থিক সংকট বা অন্য যেকোনো কারণে কেউ দ্রুত আফগানিস্তান ত্যাগ করতে অসুবিধায় পড়লে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস তাদেরকে সাহায্য করার আশ্বাস দিয়েছে। তবে বলা হয়েছে, 'নিরাপত্তার অবস্থা ও লোকবলের কমতি থাকায় কাবুলসহ আফগানিস্তানে খুব কম সংখ্যক আমেরিকানকেই সহায়তা করতে পারবে দূতাবাস।'
যুক্তরাষ্ট্রের সেনা সরিয়ে নেয়ার পর থেকে দেশটিতে ইসলামপন্থী এই গোষ্ঠীর সাথে একাই লড়াই করছে আফগান সরকারের নিরাপত্তা বাহিনী।
কাবুলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার আশঙ্কা করে গত ২৭ এপ্রিল আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কর্মকর্তাদেরকে যতটা সম্ভব দূতাবাসের বাইরে থেকে কাজ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নেড প্রাইস এ সপ্তাহের শুরুর দিকে বলেছিলেন দূতাবাসের কর্মসূচীর কোন পরিবর্তন হয়নি, তবে প্রতিদিন নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সূত্র : ভয়েস অব আমেরিকা
ফাইল ছবি
ফিলিস্তিনের গাজায় কয়েক দিন ধরে চলমান অবরোধ এবং বিরামহীন ধ্বংসযজ্ঞ বন্ধে ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। তিনি বলেন, যুদ্ধেরও একধরনের নৈতিকতা রয়েছে। এসব ধ্বংসযজ্ঞ যুদ্ধের নৈতিকতা বিরোধী।
গতকাল বুধবার পার্লামেন্টে ক্ষমতাসীন একে পার্টির সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার সময় এরদোয়ান ইসরায়েলের প্রতি এ আহ্বান জানান। তিনি বলেন, প্রতিটি যুদ্ধের নীতি-নৈতিকতা আছে। সপ্তাহজুড়ে গাজায় যা চলছে, তাতে নৈতিকতার মারাত্মক লঙ্ঘন।
অবরুদ্ধ গাজায় বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া এবং বেসামরিক স্থাপনা ধ্বংসের প্রসঙ্গ টেনে এরদোয়ান বলেন, ‘মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে বাধা দেওয়া ও বেসামরিক মানুষজনের ঘরবাড়িতে বোমা হামলা করা যুদ্ধের লজ্জাজনক কৌশল। এটা যুদ্ধ নয়, এটা একটি ধ্বংসযজ্ঞ।’
এরদোয়ান আরও বলেন, ‘ইসরায়েলের ভূখণ্ডে বেসামরিক মানুষজনকে হত্যা করায়, প্রকাশ্যে সমালোচনা করি আমরা। সেই সঙ্গে গাজার নিরীহ মানুষজনের ওপর চালানো ধ্বংসযজ্ঞ ও বিরামহীন বোমাবর্ষণের মাধ্যমে হত্যার ঘটনাকেও সমর্থন করা যায় না।’
ইসরায়েলের সঙ্গে ফিলিস্তিনের সংগঠন হামাসের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের সূত্রপাত গত শনিবার। ইসরায়েলের ভূখণ্ডে ওই দিন নজিরবিহীন রকেট হামলা চালায় হামাস। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ভেদ করে মাত্র ২০ মিনিটে ৫ হাজারের মতো রকেট ছুড়ে নিজেদের শক্তির জানান দেয় সংগঠনটি।
শুধু তা-ই নয়, সীমান্ত পেরিয়ে ইসরায়েলে ঢুকে পড়েন হামাসের যোদ্ধারা। শুরুতে হতবাক হলেও দ্রুত পাল্টা জবাব দেয় ইসরায়েল। পাল্টা আক্রমণ করে গাজা উপত্যকায়। এর পর থেকে ফিলিস্তিনে মুহুর্মুহু বোমা পড়ছে। ইসরায়েলি বিমান হামলায় গাজায় অসংখ্য ভবন ধসে পড়েছে। দেখা দিয়েছে খাবারের চরম সংকট। অনেক জায়গায় নেই বিদ্যুৎ। সুপেয় পানির সংকটে ভুগছেন গাজাবাসী।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, গাজায় দুই শতাধিক জায়গায় বিমান হামলা চালানো হয়েছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে, ইসরায়েলি হামলায় মৃত মানুষের সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়েছে। অন্যদিকে, হামাসের হামলায় ইসরায়েলের মৃত্যু হয়েছে প্রায় ১ হাজার ২০০ জন। সূত্র: প্রথম আলো
সংগৃহীত ছবি
হাইতির প্রেসিডেন্ট জোভেনেল ময়েস নিজ বাড়িতে অস্ত্রধারীদের হামলায় নিহত হন। এ ঘটনায় জড়িত চার সন্দেহভাজনকে গুলি করে হত্যা করেছে দেশটির পুলিশ বাহিনী। এদিকে, হাইতিতে জরুরি অবস্থা জারি করেন দেশটির অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী ক্লড জোসেফ। খবর বিবিসির।
প্রেসিডেন্টের হত্যাকারীদের বিচারের আওতায় প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী ক্লড জোসেফ জানান, ‘আমি সবাইকে শান্ত থাকার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি । খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে আমি এবং সব মন্ত্রী কাজ করে যাচ্ছি এবং আমরা আপনাদের আশ্বাস দিতে চাই যে, হত্যাকারীরা বিচারের আওতায় আসবে।’
এ ঘটনায় জড়িত চার সন্দেহভাজনকে গুলি করে হত্যার পাশাপাশি আরও দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দেশটির রাজধানী পোর্ট-অব-প্রিন্সে বাকি সন্দেহভাজনদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা।
উল্লেখ্য, গত বুধবার স্থানীয় সময় দুপুর ১টায় একদল দুর্বৃত্তরা অস্ত্র হাতে প্রেসিডেন্টের বাসভবনে ঢুকে হামলা চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান ৫৩ বছর বয়সী প্রেসিডেন্ট। গুরুতর আহত হন তার স্ত্রী মার্টিন ময়েস।