a
ফাইল ছবি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক
আগামী রবিবার (১৯ ডিসেম্বর) থেকে দেশে করোনাভাইরাসের বুস্টার ডোজ (৩য় ডোজ) দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
আজ শুক্রবার (১৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার গড়পাড়া এলাকায় শুভ্র সেন্টারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী, মহান বিজয় দিবস ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্থানীয় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রথমে সম্মুখ সারির ডাক্তার, নার্স, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, গণমাধ্যমকর্মী এবং বয়স্কদের এই বুস্টার ডোজ প্রদান করা হবে।
করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে যে দুজনের শরীরে ওমিক্রন শনাক্ত হয়েছিল, তারা এখন ভালো ও সুস্থ আছেন। তৃতীয় কোনো ব্যক্তির শরীরে ওমিক্রন শনাক্ত হয়নি।
এর আগে গত বুধবার (১৫ ডিসেম্বর) এক অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, বুস্টার ডোজের প্রস্তুস্তি নেওয়া হচ্ছে। শিগগিরই সেই কার্যক্রম শুরু হবে।
ওবায়দুল কাদের
অবকাঠামো নির্মাণ কাজ লকডাউনের নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং শতভাগ মাস্ক পরে এসব কাজ পরিচালনা করার নির্দেশ দেন।
ওবায়দুল কাদের আজ মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) সকালে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরে প্রকৌশলীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় একথা বলেন। তিনি তার বাসভবন থেকে সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।
সামনে বর্ষাকাল, তাই বর্ষা শুরু হবার আগেই নির্মাণাধীন কাজ এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, বর্ষার আগে কাজ করার এখনই উপযুক্ত সময়।
তিনি বলেন, ১৪ তারিখ থেকে শুরু হওয়া লকডাউনে সড়কে গণপরিবহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকার কারণে রাস্তা ফাঁকা থাকবে। তাই এই সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা মেরামত করে যান চলাচলের উপযোগী করতে হবে।
মন্ত্রী সামনে যেসব প্রকল্প গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে তার পেপার ওয়ার্ক এখনই শেষ করার নির্দেশনা দিয়ে বলেন, যেন শুকনো মৌসুম এলেই নির্মাণ কাজ শুরু করা যায়।
বিগত কয়েক বছরে সড়ক যোগাযোগে বৈপ্লবিক পরিবর্তন হয়েছে এবং হচ্ছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন এসব কাজ আরও দ্রুত এগিয়ে নিতে হবে।
ঢাকা-কক্সবাজার সড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ কাজ সবচেয়ে অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য মন্ত্রী সবাইকে তাগিদ দেন।
ওবায়দুল কাদের ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক চারলেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পটি বিষয়ে বলেন, এই প্রকল্প সিলেটবাসীর দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি, তাই এই প্রকল্পের কাজ দীর্ঘদিন ঝুলে থাকলেও সম্প্রতি এর গতি পেয়েছে।
মন্ত্রী প্রকল্প বাস্তবায়নকালে বা কাজ শুরু হওয়ার আগে জমি অধিগ্রহণের বিষয়টি দ্রুততার সাথে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান।
ফাইল ছবি
বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত ১১ জন অতিরিক্ত বিচারপতি শপথ গ্রহণ করেছেন। রোববার বিকালে সুপ্রিমকোর্টের জাজেস লাউঞ্জে তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।
শপথ বাক্য পাঠের আগে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত করেন সুপ্রিমকোর্ট জামে মসজিদের ইমাম মাসুম বিল্লাহ। নবনিযুক্ত ১১ জন বিচারপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি।
শপথ গ্রহণ করা ১১ অতিরিক্ত বিচারপতিরা হলেন- জেলা ও দায়রা জজ (পিআরএল ভোগরত) মো. শওকত আলী চৌধুরী, কুমিল্লার জেলা ও দায়রা জজ মো. আতাবুল্লাহ, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আমিনুল ইসলাম, সুপ্রিমকোর্টের অ্যাডভোকেট মো. আলী রেজা, সুপ্রিমকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. বজলুর রহমান, ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশ, টাঙ্গাইল জেলা ও দায়রা জজ ফাহমিদা কাদের, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. বশির উল্লাহ, সুপ্রিমকোর্টের অ্যাডভোকেট এসএম মাসুদ হোসেন দোলন এবং অ্যাডভোকেট একেএম রবিউল হাসান।
সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার মো. গোলাম রাব্বানীর সঞ্চালনায় শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- সুপ্রিমকোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতি, কর্মকর্তা, অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন, সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো. মোমতাজ উদ্দিন ফকির ও সম্পাদক আব্দুন নুর দুলাল প্রমুখ।
এর আগে আজই রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সংবিধানের ৯৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এ বিচারপতিদের নিয়োগ দেন। এরপর আইন মন্ত্রণালয় গেজেটের মাধ্যমে তা প্রকাশ করে। সূত্র: যুগান্তর