a
সংগৃহীত ছবি
করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি উন্নতি না হওয়ায় চলমান বিধিনিষেধ আরও এক মাস বাড়ানো হয়েছে। এ বিষয়ে আজ বুধবার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত এই বিধিনিষেধ বাড়ানো হয়েছে।
এবার বিধিনিষেধে নতুন কিছু শর্ত যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সব সরকারি–বেসরকারি অফিস খোলা থাকবে। আর ঝুঁকিপূর্ণ জেলাগুলোতে স্থানীয় জেলা প্রশাসক জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে মিলে কারিগরি কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে লকডাউনসহ কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারবে।
দেশে এখন করোনাভাইরাসের ‘ডেলটা ভেরিয়েন্টের’ সামাজিক সংক্রমণ শুরু হয়েছে। সীমান্তবর্তী কয়েকটি জেলায় তা ছড়িয়ে পড়েছে। এ জন্য সারা দেশে চলমান বিধিনিষেধের পাশাপাশি বিভিন্ন জেলায় বিশেষ ‘লকডাউন’ চলছে।
ফাইল ছবি
এই মুহূর্তে সরকারের দুই চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘এই মুহূর্তে করোনা সংক্রমণ মোকাবিলা ও উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর অপতৎপরতা প্রতিরোধ করাই হচ্ছে সরকারের চ্যালেঞ্জ। এই দুই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকারি কাজের সুসমন্বয় এবং দলের ঐক্য আরও সুসংহত করা আশু জরুরি কর্তব্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।’
আজ মঙ্গলবার কক্সবাজার লিংক রোড থেকে উনচিপ্রাং পর্যন্ত ৫০ কিলোমিটার সম্প্রসারিত সড়কের উদ্বোধন শেষে তিনি এ কথা বলেন। ঢাকায় নিজ সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যুক্ত হন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এ সময় ভেদাভেদ ভুলে দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে এ লড়াইয়ের সাহসী কাণ্ডারি শেখ হাসিনার হাতকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। করোনা মোকাবিলায় সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতা কামনা করছি।’
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপি মহাসচিব লঞ্চডুবির সঙ্গে প্রাকৃতিক দুর্যোগকেও মিলিয়ে ফেলেছেন। কোনটি সরকারের দায়, কোনটি নয়—সেটিও বিবেচনায় নেওয়ার সক্ষমতা হারিয়েছে বিএনপি। সমালোচনা বিএনপিকে এমনই অন্ধ করেছে যে, এখন কালবৈশাখীর মৃত্যুর দায়ও সরকারের ওপর চাপাচ্ছে। সামনের দিনগুলোতে হয়তো দেখা যাবে বজ্রপাতে নিহতের ঘটনায়ও সরকারকে দায়ী করছে বিএনপি।’
ফাইল ছবি
ইরানে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত সালাহ আল জাওয়ায়ি বলেছেন, এবারের গাজা যুদ্ধের মধ্য দিয়ে ইহুদিবাদী ইসরায়েলের আয়ু ফুরিয়ে এসেছে।
আজ শনিবার) 'খনেয়ে মিল্লাত' সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।
ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত বলেন, ইমাম খোমেনী (রহ.) ইহুদিবাদী ইসরায়েলের পরিপূর্ণ ধ্বংসে বিশ্বাস করেছিলেন। ইসরায়েলের সাথে ফিলিস্তিনিদের ১২ দিনের যুদ্ধ ইসরায়েলের ধ্বংসের সূচনা বিন্দু হিসেবে কাজ করবে।
সালাহ আল জাওয়ায়ি বলেন, মুসলিম দেশগুলোকে ফিলিস্তিনের প্রতি পূর্ণ সমর্থন দিতে হবে। এসব দেশের সমর্থন ছাড়া প্রতিরোধ সংগ্রাম সহজে বিজয়ী হবে না।
ইসরায়েলের সঙ্গে কোনো কোনো মুসলিম দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিশ্বের সব মুসলিম দেশের উচিত ফিলিস্তিনিকে পূর্ণ সমর্থন প্রদান করা।
গত ১০ মে গাজা উপত্যকার উপর ইসরায়েলের ভয়াবহ বিমান হামলা শুরু হয় এবং তা ২১ মে পর্যন্ত চলে। এ আগ্রাসনে ২৫০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি শহীদ হন এবং আহত হন প্রায় দুই হাজার ফিলিস্তিনি।
ইসরায়েলি আগ্রাসনের মোকাবিলায় দখলীকৃত ভূখণ্ডে চার হাজারের বেশি রকেট নিক্ষেপ করে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সংগঠনগুলো।
ফিলিস্তিনিদের প্রতিরোধের মধ্যে শেষ পর্যন্ত ২১ মে মিশরের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি মেনে নিতে বাধ্য হয় ইসরায়েল। এ যুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের সংগ্রাম বিজয় হিসেবে গন্য করা হয়।