a ওমিক্রন বিদ্যুৎগতিতে ছড়াচ্ছে: ফরাসি প্রধানমন্ত্রী
ঢাকা শনিবার, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২, ৩০ আগষ্ট, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

ওমিক্রন বিদ্যুৎগতিতে ছড়াচ্ছে: ফরাসি প্রধানমন্ত্রী


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২১, ০১:৫৫
ওমিক্রন বিদ্যুৎগতিতে ছড়াচ্ছে: ফরাসি প্রধানমন্ত্রী

ফাইল ছবি

ইউরোপে বিদ্যুৎগতিতে ছড়াতে থাকা ওমিক্রন আগামী বছরের শুরু থেকেই ফ্রান্সে আঘাত হানতে পারে বলে সতর্ক করেছেন ফরাসি প্রধানমন্ত্রী জ্যাঁ কাসতেক্স। শুক্রবার তার এ সতর্কবার্তার কয়েক ঘণ্টা পরই যুক্তরাজ্য থেকে ফ্রান্সে প্রবেশে কড়াকড়ি শুর হয়।

ইউরোপে এখন পর্যন্ত যুক্তরাজ্যেই সবচেয়ে বেশি ওমিক্রনে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে; শুক্রবারও দেশটিতে প্রায় ১৫ হাজার মানুষের দেহে ভ্যারিয়েন্টটির উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে জার্মানি, রিপাবলিক অব আয়ারল্যান্ড এবং নেদারল্যান্ডসের সরকারও শুক্রবার নতুন বিধিনিষেধ জারি করেছে। ইউরোপে এখন পর্যন্ত ৮ কোটি ৯০ লাখের বেশি কোভিড রোগী শনাক্ত হয়েছে, মৃত্যু ছাড়িয়েছে ১৫ লাখ। ফ্রান্স, নরওয়ে ও ডেনমার্কে দৈনিক শনাক্ত বাড়তে দেখে দেশগুলোকে ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ অ্যাখ্যা দিয়েছে জার্মানির জনস্বাস্থ্য সংস্থা।

শনিবার দেশটি আরো ৪২ হাজার মানুষের দেহে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়ার কথা জানালেও এই সংখ্যা আগের দিনের ৫০ হাজারের তুলনায় কম।

কয়েকদিন আগে ইতালি, গ্রিস ও পর্তুগাল ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে আগতদের ক্ষেত্রে শনাক্তকরণ পরীক্ষা নেগেটিভ ফল আসার প্রমাণপত্র দেখানো বাধ্যতামূলক করেছে। যারা টিকার দুই ডোজ নিয়েছে, তাদেরও এ প্রমাণপত্র দেখাতে হবে। সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি মোকাবিলায় ফ্রান্স টিকার দ্বিতীয় ও তৃতীয় বা বুস্টার ডোজ দেওয়ার ব্যবধান কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

রেস্তোরাঁ ও দূরপাল্লার গণপরিবহনে প্রবেশের ক্ষেত্রে টিকার সবগুলো ডোজ নেওয়ার প্রমাণপত্রও লাগবে। নেদারল্যান্ডসের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে দেশে ‘কঠোর লকডাউন’ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো।

দেশটির প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুটে বলেছেন, ফ্রান্সের মতো নেদারল্যান্ডসেও জানুয়ারির মধ্যেই ওমিক্রন অন্য ভ্যারিয়েন্টগুলোকে হটিয়ে নিজের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে পারে। নভেম্বর থেকেই নেদারল্যান্ডসে বাস, রেস্তোরাঁ ও বেশির ভাগ দোকানপাট বিকাল ৫টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত বন্ধ থাকে। বড়দিনের আগেই এ বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার কথা থাকলেও ইউরোপের সংক্রমণ পরিস্থিতি দেখে ঐ বিধিনিষেধের মেয়াদ ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

মালয়েশিয়ার হাইকোর্ট খায়রুজ্জামানের প্রত্যর্পণে স্থগিতাদেশ দিয়েছে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ১৫ ফেরুয়ারী, ২০২২, ০২:৫৪
মালয়েশিয়ার হাইকোর্ট খায়রুজ্জামানের প্রত্যর্পণে স্থগিতাদেশ দিয়েছে

ফাইল ছবি

মালয়েশিয়ায় গ্রেপ্তার বাংলাদেশের সাবেক হাইকমিশনার এম খায়রুজ্জামানকে ঢাকায় ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া স্থগিত রাখার আদেশ দিয়েছেন দেশটির উচ্চ আদালত। তিনি জেলহত্যা মামলার অন্যতম আসামি ছিলেন।

মঙ্গলবার খায়রুজ্জামানের স্ত্রী রিটা রহমানের আইনজীবীর করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মালয়েশিয়ার হাইকোর্ট দেশটির অভিবাসন বিভাগকে অন্তর্বর্তীকালীন এ আদেশ প্রদান করেন।

ফ্রি মালয়েশিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খায়রুজ্জামানের আইনজীবী আদালতে যে ‘হেবিয়াস করপাস রিট’ করেছেন, সে বিষয়ে শুনানির জন্য ২০ মে পরবর্তী তারিখ রেখেছেন বিচারক মোহাম্মদ জাইনি মাজলান।

কাউকে ‘বেআইনিভাবে’ আটক করার অভিযোগ উঠলে তাকে আদালতের সামনে হাজির করার জন্য এ ধরনের রিট মামলা হয়।

আইনজীবীরা আদালতে যুক্তি দেন, খায়রুজ্জামান মালয়েশিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থী ছিলেন। তার নামে ইউএনএইচসিআরের কার্ডও ছিল। তিনি অভিবাসন আইন ‘ভঙ্গ করেননি’, ফলে তাকে আটকে রাখা ‘বেআইনি’।

আদালতের স্থগিতাদেশের পরও গত বছর মিয়ানমারের কযেকজন নাগরিককে মালয়েশিয়া থেকে ফেরত পাঠানোর ঘটনা মনে করিয়ে দিয়ে আইনজীবী এডমুন্ড বন বলেন, খায়রুজ্জামানের ক্ষেত্রে যেন তেমনটা না হয়।

তখন বিচারক বলেন, আদালতের আদেশের পরও তাকে ফেরত পাঠানো হয়েছে- এমন কিছু আমি শুনতে চাই না। আমি আশা করি, ইমিগ্রেশন বিভাগ বিষয়গুলো নিজেদের কাঁধে তুলে নেবে না।

হাইকোর্টের আদেশের ইমিগ্রেশন বিভাগের আইনজীবী উওং সিউ মুন বলেছেন, অন্তর্ববর্তীকালীন এই স্থগিতাদেশের বিষয়ে তিনি অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিসে যোগাযোগ করবেন।

ফ্রি মালয়েশিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়, খায়রুজ্জামানকে অজ্ঞাত কারণে ফেরত চায় বাংলাদেশ। খায়রুজ্জামানের স্ত্রী রীতা রহমানের দাবি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কারণে তার স্বামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

খায়রুজ্জামানকে গত ১০ ফেব্রুয়ারি মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর প্রদেশের আমপাং এলাকার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে দেশটির অভিবাসন পুলিশ।

খায়রুজ্জামানকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তরের ক্ষেত্রে গত শুক্রবার সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের একটি আদালত। এখন দেশটির হাইকোর্ট তাকে হস্তান্তরের ওপর স্থগিতাদেশ দিলেন।

সাবেক সেনা কর্মকর্তা থেকে পরে সামরিক সরকারের আমলে প্রেষণে নিয়োগ পেয়ে সেদেশে কূটনীতিকের দায়িত্ব পালন করেন খায়রুজ্জামান।

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর জেলে জাতীয় চার নেতা হত্যা মামলার অন্যতম আসামি খায়রুজ্জামানকে চাকরিচ্যুতির পর গ্রেপ্তার করা হয়।

২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতায় এলে খায়রুজ্জামান জামিনে মুক্তি পান। এরপর চাকরি ফিরে পেয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মহাপরিচালক পদে যোগ দেন তিনি।

২০০৪ সালে জেলহত্যা মামলা থেকে খালাস পান খায়রুজ্জামান। ২০০৫ সালে তিনি মিয়ানমারে বাংলাদেশ দূতাবাসে নিয়োগ পান। পরে ২০০৭ সালে সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ পান।

আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০০৯ সালে মালয়েশিয়ায় তৎকালীন বাংলাদেশি হাইকমিশনার খায়রুজ্জামানকে দেশে ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই আদেশ অগ্রাহ্য করে তিনি মালয়েশিয়ায় অবস্থান করেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

দেশে শান্তি ও অগ্রগতির জন্য সুস্থ রাজনীতির প্রত্যাশা


কর্নেল(অব.) আকরাম, কলাম লেখক, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৫, ০৫:১৭
দেশে শান্তি ও অগ্রগতির জন্য সুস্থ রাজনীতির প্রত্যাশা

ছবি সংগৃহীত

 

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা: একটি দেশের শান্তি ও অগ্রগতির জন্য সুস্থ রাজনীতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি রাষ্ট্রের সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতি মূলত সেই দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর আন্তরিকতার উপর নির্ভর করে। তবে সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতি রাতারাতি গড়ে ওঠে না; এটি দীর্ঘমেয়াদি চর্চার মাধ্যমে ধীরে ধীরে বিকশিত হয়। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমেই পরিপূর্ণতা অর্জিত হয়। পশ্চিমা বিশ্ব, বিশেষ করে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি এবং যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘ রাজনৈতিক চর্চার মধ্য দিয়ে সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু এশিয়া ও আফ্রিকার তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো এখনো সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে ব্যর্থ, যা তাদের সমাজে শান্তি ও উন্নয়নের পথে বাধা সৃষ্টি করছে।

ভারতকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং সফল গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, কিন্তু বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশ এখনো তাদের জনগণের জন্য একটি সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে পিছিয়ে রয়েছে।  

গত চুয়ান্ন বছরে বাংলাদেশ এখনো একটি সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি, এবং এর পেছনের কারণগুলো গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোর আন্তরিকতার অভাবকে এর প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হয়।

স্বাধীনতার পর শেখ মুজিব সরকারের পক্ষ থেকে সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার আন্তরিকতা দেখা যায়নি। বরং তিনি একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেন, যা গণতন্ত্রপ্রেমী জনগণ এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিরূপ প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়ে। অবশেষে এটি ১৯৭৫ সালের মধ্য আগস্টে তাঁর পতনের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

বাংলাদেশের রাজনীতি একসময় একটি সুস্থ ধারায় যাত্রা শুরু করলেও, ১৯৮১ সালের মে মাসের শেষ দিকে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নির্মম মৃত্যুতে তা অকালেই থেমে যায়। হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের শাসনামলে দেশে প্রথমবারের মতো ভণ্ডামির রাজনীতির সূচনা হয়। এরশাদের পতনের পর জনগণের মধ্যে আবারো সুস্থ রাজনৈতিক চর্চার প্রত্যাশা জাগে এবং ১৯৯১ সালের ডিসেম্বরের নির্বাচনের মাধ্যমে দ্বিদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থার যাত্রা শুরু হয়। প্রায় ১৮ বছর পর সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা পুনরায় চালু হয়। অনেকেই এটিকে তৎকালীন খালেদা জিয়ার সরকারের একটি বড় ভুল হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

আওয়ামী লীগ কৌশলে বিএনপির সংসদীয় অংশগ্রহণ এড়িয়ে যায় এবং প্রথমবারের মতো সংসদে 'ওয়াকওভার' লাভ করে। বিএনপি রাজনৈতিকভাবে পরাজিত হয় এবং আওয়ামী লীগ জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে সংসদ বর্জন করে।

১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর দেশের রাজনীতি নতুন মোড় নেয় এবং তৎকালীন খালেদা জিয়ার সরকার বাধ্য হয়ে নির্বাচনকালীন তিন মাসের জন্য একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিধান সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করে। এটি আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় রাজনৈতিক বিজয় হিসেবে দেখা হয় এবং তারা একুশ বছর পর পুনরায় সরকার গঠন করে। ফলে দ্বিদলীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতি কিছুটা গতি পায়।

তবে ২০০১ সালের জানুয়ারিতে জামায়াতের সহায়তায় বিএনপি আবার ক্ষমতায় আসে। কিন্তু ২০০৭ সালের জানুয়ারিতে বিএনপির মনোনীত রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে ক্ষমতা কেড়ে নিয়ে সেনাপ্রধান হিসেবে জেনারেল মইনউদ্দিনের ক্ষমতা গ্রহণ রাজনৈতিকভাবে একটি ভয়ানক সিদ্ধান্ত হিসেবে প্রমাণিত হয়। তিনি রাজনীতি থেকে নিরাপদে বিদায় নিতে আওয়ামী লীগের হাতে ক্ষমতা তুলে দেন।  
এরপর আওয়ামী লীগ একটি কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করে এবং সুপ্রিম কোর্টের সহায়তায় সংবিধান থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ধারাও বাতিল করে দেয়। বিএনপি কঠিন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে এবং আওয়ামী লীগের কূট রাজনীতির বলি হয়ে ওঠে। ফলে দেশের রাজনীতি ক্রমেই অসুস্থ হয়ে ওঠে এবং জনগণের মধ্যে সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতি ফিরে আসবে—এই আশাও ধীরে ধীরে মুছে যেতে থাকে।

তবে ২০২৪ সালের *জুলাই বিপ্লব* দেশের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে এক রকম যুগান্তকারী পরিবর্তন নিয়ে আসে এবং জনগণের মধ্যে ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে এক নতুন বিপ্লবী পরিবর্তনের প্রত্যাশা জাগে। জনগণ আর ভণ্ডামিমূলক রাজনীতি দেখতে চায় না।

তবুও দেশের রাজনীতি এখনো সুস্থ রূপ নেয়নি; বরং মাঠের রাজনীতিতে দলগুলোর আচরণ ও মনোভাব আশাব্যঞ্জক প্রতিচ্ছবি তৈরি করতে পারছে না। জাতীয় কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু, যেমন: সংস্কার ও নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য দেখা যাচ্ছে। সদ্য গঠিত রাজনৈতিক দল *NCP* সংস্কার এবং বিচার প্রক্রিয়া নির্বাচনপূর্ব শর্ত হিসেবে কড়াভাবে উপস্থাপন করছে।

তারপরও জনগণ এখনো আশাবাদী ও আত্মবিশ্বাসী যে, অদূর ভবিষ্যতে দেশে একটি সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতি বিকশিত হবে। এজন্য রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে প্রকৃত দেশপ্রেম জাগ্রত হওয়া জরুরি—জনগণের জন্য, দেশের জন্য।

এই জাতীয় সংকটময় মুহূর্তে যদি রাজনৈতিক দলগুলো তাদের মহৎ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়, তবে তারা নিজেদের রাজনৈতিক অস্তিত্বের জন্য কঠিন মূল্য দিতে বাধ্য হবে এবং জনগণের সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতি দেখার শেষ আশা-ভরসাটুকুও নিঃশেষ হয়ে যাবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক