a প্রথম হজের ফ্লাইট সৌদি পৌঁছেছে
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২ মাঘ ১৪৩২, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

প্রথম হজের ফ্লাইট সৌদি পৌঁছেছে


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
রবিবার, ০৫ জুন, ২০২২, ০৭:৫৯
প্রথম হজের ফ্লাইট সৌদি পৌঁছেছে

ফাইল ছবি

হজের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের প্রথম ফ্লাইটটি সৌদি আরবে পৌঁছেছে। রোববার স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে জেদ্দা বিমানবন্দরে ফ্লাইটটি অবতরণ করে।

এর আগে সকাল ৯টা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের হজ ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে যায়। বিমানমন্ত্রী মাহবুব আলী ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক বিমানবন্দরে প্রথম হজ ফ্লাইট উদ্বোধন করেন।

করোনা মহামারির কারণে গত ২ বছর বাংলাদেশ থেকে কেউ হজে যেতে পারেননি। এবার বাংলাদেশ থেকে মোট ৫৭ হাজার ৫৮৫ জন হজ পালনের সুযোগ পাচ্ছেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫৩ হাজার ৫৮৫ জন হজ পালনের জন্য যাবেন।

২০১৯ সালে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ১ লাখ ২৮ হাজার মানুষ হজ পালনের সুযোগ পেয়েছিলেন। এবার সৌদি সরকার ৬৫ বছরের বেশি বয়সস্কদের হজে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

প্রাথমিকে ৪৫ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বৃহস্পতিবার, ১০ মার্চ, ২০২২, ০৯:১৫
প্রাথমিকে ৪৫ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে

ফাইল ছবি

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪৫ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। এ লক্ষ্যে এপ্রিল মাসে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের জুলাই মাসে নিয়োগ দেয়া হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো: জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে বুধবার (৯ মার্চ) দুপুরে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সহকারী শিক্ষকের ৩২ হাজার ৫৭৭টি শূন্যপদে নিয়োগের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর গত ২০ অক্টোবর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। কিন্তু করোনা মহামারীর কারণে নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহণ সম্ভব হয়নি। ইতোমধ্যে অবসরজনিত কারণে আরো ১০ হাজারেরও বেশি সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য হয়েছে।

এতে করে বিদ্যালয়সমূহে শিক্ষক ঘাটতি দেখা দিয়েছ। এর ফলে বিদ্যালয়ে পাঠদান কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে। এ সমস্যা নিরসনকল্পে মন্ত্রণালয় আগের বিজ্ঞপ্তির শূন্যপদ ও বিজ্ঞপ্তির পরের শূন্যপদ মিলিয়ে প্রায় ৪৫ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সভায় মন্ত্রণালয়ের সচিব আমিনুল ইসলাম খান, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক আলমগীর মোহাম্মদ মনসুরুল আলম, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আবু বকর সিদ্দিক, রুহুল আমিন, মোশাররফ হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এ প্রসঙ্গে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আমিনুল ইসলাম খান বলেন, ‘জাতির উন্নয়ন, অগ্রগতি এবং একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে শিক্ষার বিকল্প নেই এবং প্রাথমিক শিক্ষা জাতির ভিত নির্মাণ করে। সরকার মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণে অঙ্গীকারবদ্ধ। এ লক্ষ্যে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে। সূত্র : বাসস

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

অপরাধ করেননি—এই আত্মবিশ্বাস থাকলে বিবৃতি ভিক্ষা করতেন না: ড. ইউনূস প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
মঙ্গলবার, ২৯ আগষ্ট, ২০২৩, ১০:২২
অপরাধ করেননি—এই আত্মবিশ্বাস থাকলে বিবৃতি ভিক্ষা করতেন না: ড. ইউনূস প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী

গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘অপরাধ করেননি, আত্মবিশ্বাস থাকলে ড. ইউনূস আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিবৃতি ভিক্ষা করে বেড়াতেন না। চলমান মামলার বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে পারি না। বিদেশিরা ড. ইউনূসের পক্ষে এত এত বিবৃতি না দিয়ে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ পাঠান।’

আজ মঙ্গলবার গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর দক্ষিণ আফ্রিকা সফর নিয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। শুরুতে প্রধানমন্ত্রী লিখিত বক্তব্য পড়েন। এরপর শুরু হয় প্রশ্নোত্তর পর্ব।

 এই পর্বে এটিএন নিউজের সাংবাদিক আরাফাত সিদ্দিকী প্রশ্ন করেন, নোবেলজয়ীসহ ১৬০ জন বিশিষ্ট নাগরিক ড. ইউনূসের বিচার স্থগিত করার আহ্বান জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হচ্ছে কি না, সেটি তাঁরা নজরে রাখবেন। তাঁরা বিগত নির্বাচন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। সরকারপ্রধান হিসেবে ড. ইউনূসের বিচার স্থগিত করার এখতিয়ার আপনার আছে কি না বা এই বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেবেন কি না। এই চিঠির বিষয়টি আপনি আমলে নিচ্ছেন কি না।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘ভদ্রলোকের যদি এতই আত্মবিশ্বাস থাকত যে তিনি অপরাধ করেননি, তাহলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিবৃতি ভিক্ষা করে বেড়াতেন না। আমাদের দেশের বিচার ব্যবস্থা সম্পূর্ণ স্বাধীন। সবকিছু আইনমতো চলে। কেউ যদি ট্যাক্স না দেয় আর শ্রমিকের অর্থ আত্মসাৎ করে, শ্রমিকের পক্ষ থেকে লেবার আদালতে মামলা হয়। আমাদের কী এমন হাত আছে যে একটা মামলা বন্ধ করে দেব? একটা চলমান মামলা প্রত্যাহার করার আমি কে? আমার তো অধিকার নেই। আমি তো হস্তক্ষেপ করতে পারি না। আমাদের সাফ কথা, দেশের আইন-আদালত, লেবার আদালত আছে। ল উইল টেক ইটস ওন কোর্স।’

ড. ইউনূসের পক্ষে বিবৃতিদাতাদের বিশেষজ্ঞ পাঠানোর আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘একজনের জন্য এত এত বিবৃতি না দিয়ে এক্সপার্ট পাঠাক। এত দরদ থাকলে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ পাঠাক। যার বিরুদ্ধে মামলা, তার সব দলিল-দস্তাবেজ তারা খতিয়ে দেখুক। সেখানে কোনো অন্যায় আছে কি, তারা নিজেরাই দেখুক। তাদের এসে দেখা দরকার, কী কী অসামঞ্জস্য আছে।’

ড. ইউনূসের মামলার প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শ্রমিক অধিকার নিয়ে অনেক কথা শুনতে হয়। আমাদের বিরুদ্ধে আইএলওতে নালিশ আর নালিশ। কিন্তু দেশে কোম্পানি আইনে আছে, প্রফিটের ৫ শতাংশ লেবার ওয়েলফেয়ারে দিতে হবে। সেটা না দেওয়ায় লেবাররা মামলা করায় তাদের স্যাক (চাকরিচ্যুত) করা হয়। স্যাক করায় আবার তারা মামলা করে। সেটা দেখার দায়িত্ব আমাদের না। এই মামলা যাতে না হয়, সেটার জন্য ঘুষ দেওয়া। ঘুষের টাকা ব্যাংকে ফ্রিজ করা। মামলা তো আমরা করিনি।’

ড. ইউনূসকে ট্যাক্সের টাকা ফেরত দিতে হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘ট্যাক্স ফাঁকিতে কেউ ধরা পড়লে তাঁকে তো ট্যাক্স ফেরত দিতে হবে। কিছু ফেরত দিচ্ছেনও।

বিশ্বব্যাপী মুদ্রাস্ফীতি, অর্থনৈতিক চাপ যেখানে সরকারের পাওনা, সেখান থেকে তো আদায় করতে হবেই। আমেরিকা, ইউরোপে ট্যাক্স ফাঁকি দিলে কি ছাড় দেয় তাদের সরকার? ফিলিপাইনের নোবেল বিজয়ীর বিরুদ্ধে ট্যাক্স ফাঁকির মামলা চলছে। বহু নোবেল বিজয়ী আছেন, যাঁরা কারাগারে বন্দীও আছেন।’

বিদেশে ড. ইউনূসের বিনিয়োগ করা অর্থের উৎস প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘সরকারি বেতন তুলতেন গ্রামীণ ব্যাংকের এমডি। সরকারি বেতনভুক্ত একজন এমডি বিদেশে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ইনভেস্ট করেন ও ব্যবসা করেন। যাঁরা বিবৃতি দিলেন, তাঁরা কি এ বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন? একটি ব্যাংকে চাকরি করে এত টাকা বিদেশে বিনিয়োগ কীভাবে করলেন। কীভাবে উপার্জন করলেন। রাজনীতিবিদ কেউ করলে তো লিখতে লিখতে কলম শেষ হয়ে যেত। দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে বলেন। দুর্নীতিবাজ ধরা পড়লে পছন্দের হলে তার কোনো দোষ নাই।’

প্রশ্নোত্তর পর্বে একাত্তর টিভির সাংবাদিক ফারজানা রূপা প্রশ্ন করেন, নোবেলজয়ী ১৬০ জন বিশিষ্ট নাগরিকের চিঠিতে শ্রমিকেরা উদ্বিগ্ন। আদালত কোনোভাবে প্রভাবিত হবেন কি না। যুক্তরাষ্ট্র স্যাংশন দেয়, ভিসা বন্ধ করে দিতে পারে। ক্ষতিপূরণ পেতে শুরু করেছে। আদালত স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবেন কি না, সেটি নিয়ে উদ্বেগ আছে।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আদালত স্বাধীনভাবে কাজ করবেন। কে বিবৃতি দিল না দিল, সেটা আদালতের দেখার দরকার কী? আদালত প্রভাবিত হবেন কেন? আদালত ন্যায়বিচার করবেন। আদালত ভয় পেলে চলবে না।

আওয়ামী লীগ সব সময় শ্রমিকদের স্বার্থ দেখেছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বড় বড় কথা বলবে আর মাঝখান থেকে শ্রমিকের টাকা আত্মসাৎ করবে। চমৎকার বাংলাদেশের লোক। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও একেবারে লাফ দিয়ে পড়ল। প্রতিদিন আমাদের লেবার নিয়ে প্রশ্নের পর প্রশ্ন করে জর্জরিত করে দেয়। শ্রমিকদের যেটা পাওনা, সেটা দিতে হবে। অল্প কিছু দিয়ে বাকিটা ঘুষ দিয়ে বন্ধ করা, এটা কি ন্যায়বিচারের কথা? এটা সততার কাজ?’
তাদের নীতিকথা কোথায় ছিল?

দেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘যখন মিলিটারি ডিকটেটররা নির্বাচন করত, তখন এই সুর কোথায় ছিল? আমাদের দেশের আতেলরা যারা এখন স্টেটমেন্ট দেয়, তখন তারা কোথায় ছিল। জিয়াউর রহমান ভোট চুরি শুরু করল, এরশাদ করল, খালেদা জিয়া করল। তখন তাদের নীতিকথা কোথায় ছিল। আমরা স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স, ছবিসহ জাতীয় পরিচয়পত্র, নির্বাচন কমিশনকে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া—এই দেশকে, নির্বাচনকে স্বচ্ছ করতে আন্দোলন, সংগ্রাম, রক্ত দেওয়া আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরাই করেছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভোট চুরির মাধ্যমে যাদের উত্থান, তাদের কাছ থেকে এখন ভোটের স্বচ্ছতার দাবি শুনতে হচ্ছে। যাদের আমলে একটা কথা ছিল, “১০টা হুন্ডা, ২০টা গুন্ডা, নির্বাচন ঠান্ডা”। যতই ভালো করি, আরও ভালো চাই, আরও ভালো চাই, এই তো। বেশি ভালো চেয়ে যখন কপাল পুড়বে, তখন বুঝবে কেমন লাগে।’ সূত্র: প্রথম আলো

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - জাতীয়