a
ফাইল ছবি । রওশন এরশাদ
বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঢাকায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে।
রওশন এরশাদের পুত্র রাহ্গীর আলমাহি সাদ এরশাদ তার আরোগ্য কামনায় দেশবাসীর নিকট দোয়া চেয়েছেন।
উল্লেখ্য, রওশন এরশাদের ফুসফুসে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধিজনিত সমস্যা রয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
ফাইল ছবি : মাহবুব তালুকদার
মানবাধিকারের আলোচনা এখন সর্বত্রে। মানবাধিকার উৎসারিত হয় ভোটের অধিকার থেকে। আমাদের সংবিধানের স্পিরিটই হচ্ছে তাই। জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা ও রক্ষা করা এখনও সুদূরপরাহত। গণতন্ত্র ও মানবাধিকার একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। একমাত্র নির্ভেজাল গণতন্ত্রই মানবাধিকারের গ্যারান্টি দিতে পারে। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও এর প্রাতিষ্ঠানিক রূপদানের জন্য অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ আইনানুগ গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই।
২। নির্বাচনি আইন ভঙ্গ করে আচরণবিধি লঙ্ঘন সুষ্ঠু নির্বাচনের গোড়া কর্তনের নামান্তর। কতিপয় সংসদ সদস্য সরাসরি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কলুষিত করেছেন। কেবল চিঠি দেওয়া ছাড়া তাদের সম্পর্কে আর কোনো ব্যবস্থা নেয়া যায়নি।
আবার কেউ কেউ সেই চিঠি উপেক্ষা করেছেন। এজন্য আইনের কঠোর প্রয়োগ অনিবার্য ছিল। কিন্তু নির্বাচন প্রক্রিয়া সংস্কার না করা হলে তাদের সম্পর্কে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব নয়। অন্যান্য যারা আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন, তাদেরকে সামান্য অর্থদন্ড প্রদান ব্যতীত অন্য কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ছাড়া আইনের কঠোর বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।
৩। সন্ত্রাস ও সংঘর্ষ যেন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের অনুসঙ্গ হয়ে উঠেছে। এখন ভোটযুদ্ধে যুদ্ধ আছে, ভোট নেই। ইউপি নির্বাচনে এখন উৎসবের বাদ্যের বদলে বিষাদের করুণ সুর বাজছে। কিন্তু নির্বাচন ও সন্ত্রাস একসঙ্গে চলতে পারে না। নির্বাচনি সন্ত্রাস প্রতিহত করতে হলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে তাদের প্রতিঘাত আরও জোরদার করতে হবে। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সন্ত্রাসের কারণ অনুসন্ধান করে তা থেকে অব্যাহতির উপায় উদ্ভাবন অপরিহার্য।
তবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন প্রথা উঠিয়ে না দিলে সন্ত্রাস ও সংঘর্ষ উত্তরোত্তর বেড়ে যাওয়ার আশংকা রয়েছে। আমরা অবশ্যই সন্ত্রাসমুক্ত নির্বাচন চাই।
৪। নির্বাচনের মৌলিক শর্ত ভোটের আগে ও পরে ব্যালট পেপারের নিরাপত্তা বিধান। আমরা যথাযথভাবে তা দিতে ব্যর্থ হয়েছি। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এর দায় এড়াতে পারবে বলে মনে হয় না। পত্রিকা মতে দেশের বেশ কয়েকটি এলাকায় যেমন টাঙ্গাইল (ডুবাইল), কুড়িগ্রাম (যাত্রাপুর), নেত্রকোণা (দূর্গাপুর), ফেনী (ছাগলনাইয়া), কুমিল্লার আদর্শ সদর (পাস্তুরি), সিরাজগঞ্জ শাহজাদপুর (জালালপুর), কিশোরগঞ্জ (ভৈরব), রাজশাহী (চারঘাট), হবিগঞ্জ (সদর), ঠাকুরগাঁও সদর (আখানগর), গোপালগঞ্জ (কোটালীপাড়া), গাইবান্ধা (জুমারবাড়ি), যশোর (কেশবপুর), সাভার (আশুলিয়া) ইত্যাদি স্থানে নির্বাচনের ব্যালট পেপার ছিনতাই হয়ে গেছে।
যে কোনো মূল্যে ব্যালট পেপারের সুরক্ষা দিয়ে এই অবস্থার অবসান ঘটানো প্রয়োজন। স্মরণযোগ্য যে, ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের পূর্ব রাতে ব্যালট পেপারের ঘটনাটি বিবিসি প্রকাশ করার পর নির্বাচন কমিশন দিনের ভোট রাতে করে বলে আমরা প্রশ্নবিদ্ধ হই। এটি কোনভাবেই কাম্য ছিল না। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
রাস্তাটির খন্ডিত ছবি
সরিষাবাড়ি প্রতিনিধিঃ সরিষাবাড়ি ৪ নং আওনা ইউনিয়নের স্থল প্রাইমারী স্কুল থেকে প্রায় ১০০ গজ দক্ষিণ-পশ্চিমে রাস্তাটি গ্রামের কিছু অসৎ লোকের কারণে চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। রাস্তার পার্শ্বে জমির মালিকরা আইলবাতর কেঁটে ছেটে ফেলার কারণে রাস্তার প্রশ্বস্থতা কমে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের চলাচলে ভীষণ কষ্ট হয়।
বিশেষ করে, ঝড়-বৃষ্টির সময় এই রাস্তা দিয়ে মানুষ একেবারেই চলাচল করতে পারেনা। গ্রামের মানুষের চলাচলে দূর্ভোগ লাগবে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ইতিমধ্যে রাস্তাটি কিছু চওড়া করতে ১,৫০,০০০/- (এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। কিন্তু সেই কাজ করা সম্ভব হচ্ছেনা, উক্ত রাস্তার পাশে একজন ব্যতিক্রমধর্মী জমির মালিক ও ৪ নং আওনা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এবং আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন সভাপতি বেল্লাল হোসেনের বিয়াইন ও মহিলা লীগ নেত্রী জমিলা বেগমের কারণে। মহিলা লীগ নেত্রী জমিলা বেগম তার লোকজন, সাবেক চেয়ারম্যান বেলালের দাপটে সবাইকে ধরাকে সরা জ্ঞান করে। প্রতিবছর রাস্তার পাশ কেটে রাস্তাটি ছোট করার কারণে গ্রামের শত শত মানুষের চলাচলে দারুণ বিঘ্ন ঘটে।
তাই রাস্তাটি সংস্কারে দেড় লক্ষ টাকা অনুদানটি যেন বাতিল না হয় এবং এলাকার মানুষের চলাচলে সমস্যা সমাধানে এলাকাবাসী প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
অত্র এলাকার জন-সাধারণ যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন, উপরোক্ত সমস্যাগুলো সমাধানকল্পে প্রয়োজনে তদন্ত সাপেক্ষে, রাস্তাটি সংস্কারের দেড় লক্ষ টাকার অনুদানটি কাজে লাগিয়ে রাস্তার কাজটি দ্রুত সম্পন্ন করা হোক।