a
ফাইল ছবি । রওশন এরশাদ
বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঢাকায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে।
রওশন এরশাদের পুত্র রাহ্গীর আলমাহি সাদ এরশাদ তার আরোগ্য কামনায় দেশবাসীর নিকট দোয়া চেয়েছেন।
উল্লেখ্য, রওশন এরশাদের ফুসফুসে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধিজনিত সমস্যা রয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
ফাইল ছবি: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র হয়তো তাকে ক্ষমতায় চায় না বলেই বাংলাদেশের এলিট ফোর্স র্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। সাম্প্রতিক যুক্তরাজ্য সফরের সময় বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন বিবিসির সাংবাদিক ইয়ালদা হাকিম। সাক্ষাৎকারের একটি অংশের ভিডিও তিনি টুইটারে শেয়ার করেছেন। বিবিসি জানতে চেয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের র্যাবের ওপর কেন নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, যে বাহিনীর ওপর তারা নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, সেটা তাদের পরামর্শেই ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়। তাদের সব প্রশিক্ষণ, সরঞ্জাম যুক্তরাষ্ট্র দিয়েছে। যেভাবে তারা এ বাহিনীবে প্রশিক্ষণ দিয়েছে, তারা সেভাবেই কাজ করছে বলে আমার বিশ্বাস। তাহলে কেন তারা এই নিষেধাজ্ঞা দিল? এটা আমার কাছেও বিরাট এক প্রশ্ন। ইয়ালদা হাকিম তখন জানতে চান, যুক্তরাষ্ট্র তাহলে কেন এটা করেছে বলে শেখ হাসিনা মনে করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি জানি না, হয়তো তারা আমার কাজ অব্যাহত থাকুক তা চায় না, আমি বাংলাদেশের জন্য যেসব উন্নতি করেছি, সেটা তারা হয়ত গ্রহণ করতে পারছে না। এটা আমার অনুভূতি।
গুরুতর’ মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ২০২১ সালের ১০ ডিসেম্বর এলিট ফোর্স র্যাব এবং এর সাবেক ও বর্তমান সাত কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র সরকার। এরপর বিভিন্ন সময় বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের অনুরোধ জানানো হলেও যুক্তরাষ্ট্রের সাড়া মেলেনি। যুক্তরাষ্ট্র বরাবরই বলে আসছে, নিষেধাজ্ঞা উঠানোর প্রক্রিয়া বেশ ‘জটিল’।
শেখ হাসিনা সাক্ষাৎকারে বলেন, একটা সময় সন্ত্রাসবাদ সব দেশের জন্যই সমস্যা হয়ে উঠেছিল। বাংলাদেশে সরকার সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে। এরপর মাত্র একটি ঘটনা (হোলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলা) ঘটেছে। বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সন্ত্রাসবাদ নিয়ন্ত্রণে রাখতে কঠোর পরিশ্রম করেছে। সূত্র: যুগান্তর
ছবি: নূরে আলম সিদ্দিকী
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি, ভাষা আন্দোলন, ৬ দফা ও স্বাধীন বাংলা ছাত্র পরিষদের অন্যতম নেতা নূরে আলম সিদ্দিকী আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
আজ বুধবার ভোররাতে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তার প্রেস সচিব কবি মৃত্যুর বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, বুধবার ভোর ৪টা ৩৭ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নূরে আলম সিদ্দিকী মারা যান। আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তার মরদেহ হেলিকপ্টার যোগে ঝিনাইদহে নেওয়া হয়েছে। সেখানে বাদ জোহর জানাজার পর গুলশানের আজাদ মসজিদে বাদ আছর তার দ্বিতীয় জানাজা হবে। এসময় নূরে আলম সিদ্দিকীকে ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়া হবে। এরপর সাভারে নিজের করা মসজিদের পাশে তাকে দাফন করা হবে।
উল্লেখ্য, সত্তরের দশকের তুখোড় ছাত্রনেতা নূরে আলম সিদ্দিকী ১৯৭০-১৯৭২ মেয়াদে ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধে ছিল তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। নূরে আলম সিদ্দিকী ৬ দফা আন্দোলন, ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণসহ তৎকালীন সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। তিনি ১৯৭৩ সালের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তৎকালীন যশোর-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালের সপ্তম ও ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে ঝিনাইদহ-২ আসন থেকে অংশ নিয়েছিলেন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন