a
ছবি: সংগৃহীত
ব্রাজিল থেকে প্রতি কেজি চিনি ৫৩ টাকায় কিনতে যাচ্ছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে ব্রাজিল থেকে ১২ হাজার ৫০০ টন পরিশোধিত চিনি ক্রয়ে অনুমোদন দিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব খান সাংবাদিকদের বলেন, প্রতি টন চিনির দাম ধরা হয়েছে ৫২৪ দশমিক ২১ ডলার। এ কেনাকাটায় বাংলাদেশি টাকায় মোট খরচ হবে ৬৫ কোটি ৯৮ লাখ ৪৯ হাজার ৩৩৭ টাকা। তথ্য মতে, প্রতি কেজি চিনির দাম ৫২ টাকা ৭৯ পয়সা পড়ছে।
টিসিবির ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে নিম্নআয়ের মানুষের মধ্যে সুলভ মূল্যে পণ্য বিপণনের জন্য এই চিনি কিনছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
বাংলাদেশ বেসরকারি রিফাইনারিগুলোতে উৎপাদিত চিনির খুচরা মূল্য ৯০ টাকা থেকে ৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে গত এক মাস ধরে বাজারে চিনির সংকটের কথা বলে এই দাম ১০০ টাকা ছাড়িয়ে ১২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। সূত্র: যুগান্তর
আজ ২২ এপ্রিল, বিশ্ব ধরিত্রী দিবস পালিত হচ্ছে। পরিবেশ সম্পর্কে জনগণকে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে ‘রিস্টোর আওয়ার আর্থ’ প্রতিপাদ্য নিয়ে এই বছর পালিত হচ্ছে বিশ্ব ধরিত্রী দিবস।
পৃথিবীকে নিরাপদ এবং বাসযোগ্য রাখার জন্য জলবায়ু সংকট এবং পরিবেশ দূষণরোধে তাত্ক্ষণিক পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তার দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য সারা বিশ্বের পরিবেশ সচেতন মানুষ আজ বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবে।
এবারের দিবসটি এমন সময় পালিত হচ্ছে যখন করোনা ভাইরাসের কারণে পুরো বিশ্বই থমকে আছে। পৃথিবীর প্রায় সব মানুষের জীবনযাপন যখন এক প্রকার থমকে আছে বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের দাপটে। ১৯৭০ সালের ঘটনা। জলবায়ু সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে রাস্তায় নেমে এসেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় দুই কোটি মানুষ। সেই থেকেই দিবসটির সূত্রপাত। ১৯৭০ সালে মার্কিন সিনেটর গেলর্ড নেলসন দিবসটির প্রচলন করেন। এ কারণে পরবর্তীকালে তাকে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত করা হয়।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে আন্দোলন এবং আলোচনা সারা পৃথিবীতে চলে আসছে। অনেক দেশ অনেক কার্যকর উদ্যোগ নিলেও, উদাসিনতার দায়ে কোনো কোনো প্রভাবশালী দেশ হয়েছে সমালোচিত। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, করোনা ভাইরাস অভিজ্ঞতা থেকে সকলকে শিক্ষা নেওয়া উচিত। এ পৃথিবীকে বসবাসযোগ্য করতে সকলেরই যথাযথ ভূমিকা থাকা উচিত।
বাংলাদেশ দিবসটি উপলক্ষে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন-পবার আজ বৃহস্পতিবার বেলা ৩টায় অনলাইনে ‘করোনা বাস্তবতায় পরিবেশ ও প্রতিবেশ ব্যবস্থা রক্ষা ও পুনরুদ্ধার চ্যালেঞ্জসমূহ’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করেছে।
ফাইল ছবি
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু হবে। আর প্রতিদিন হবে এইচএসসি, এসএসসি ও পঞ্চম শ্রেণির ক্লাস। তবে বাড়িতে করোনা রোগী থাকলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে না আসার অনুরোধ জানান তিনি।
রবিবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে জানানো হয়। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ডা. দীপু মনি বলেন, শুরুর দিকে ২০২১ সালে যারা এসএসসি ও এইচএসসি এবং ২০২১ সালে যারা এসএসসি পরীক্ষা দেবেন তাদের প্রতিদিন স্কুলে আসতে হবে। এছাড়াও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন ক্লাসে আসবে।
তিনি বলেন, ১২ সেপ্টেম্বর শুরুর দিন ৪-৫ ঘণ্টা ক্লাস হবে। পর্যায়ক্রমে ক্লাসের সংখ্যা বাড়বে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে চেকলিস্ট পূরণ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে হবে। র্যান্ডম স্যাম্পলিং করে সংক্রমণের ঝুঁকি থাকলে বন্ধ করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হতে পারে।
স্কুলে প্রবেশের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের সারিবদ্ধভাবে প্রবেশ করাতে হবে। স্কুলে আপাতত কোনো অ্যাসেম্বলি হবে না। তবে ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি বা খেলাধুলা চলবে যাতে শারীরিক ও মানসিকভাবে ভালো থাকতে পারে।