a ৫ হাজার আপত্তিকর লিংক সরানো হয়েছে ফেসবুক থেকে: বিটিআরসি
ঢাকা শুক্রবার, ৩০ মাঘ ১৪৩২, ১৩ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

৫ হাজার আপত্তিকর লিংক সরানো হয়েছে ফেসবুক থেকে: বিটিআরসি


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১১:২৩
৫ হাজার আপত্তিকর লিংক সরানো হয়েছে ফেসবুক থেকে: বিটিআরসি

গত এক বছরে ফেসবুক থেকে আপত্তিকর কনটেন্ট গণ্য করে প্রায় ৫ হাজার লিংক সরিয়েছে বিটিআরসি। সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিটিআরসির কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত এক বছরে প্রায় ১৮ হাজার ৮৩৬টি লিংক অপসারণের জন্য ফেসবুকের কাছে অনুরোধ করা হয়। যার মধ্যে ৪ হাজার ৮৮৮টি লিংক অপসারণ করা হয় এবং এখনও ১৩ হাজার ৯৮৪টি লিংক একটিভ রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বিটিআরসি কর্তৃক প্রকাশিত একটি পরিসংখ্যানে আরও জানানো হয়, ইউটিউবের কাছে ৪৬১টি লিংক অপসারণ করার অনুরোধ করলে সেখানে ৬২টি লিংক অপসারণ করা হয়। এখনও ৩৬৯টি লিংক অ্যাকটিভ রয়েছে।

সম্মেলনে পরিসংখ্যান উপস্থাপনকালে বিটিআরসির সিস্টেম এন্ড সার্ভিস বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসিম পারভেজ জানান, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তফা জব্বারের নির্দেশনা মোতাবেক সাইবার থ্রেট ডিটেকশন এন্ড রেসপন্ড (সিটিডিআর) নামের একটি কারিগরি সিস্টেম ইতোমধ্যে প্রায় ২২ হাজারেরও বেশি পর্ণোগ্রাফি এবং জুয়ার সাইটে প্রবেশ বন্ধ করা হয়েছে। 

এছাড়াও এই সিস্টেমের মাধ্যমে ডিজিটাল মাধ্যম থেকে ১ হাজার ৬০টি ওয়েবসাইট বা আপত্তিকর কনটেন্টের লিংক অপসারণ করা হয়েছে। যা এই সিস্টেমে অনুরোধের শতভাগ কার্যক্রম বলে উল্লেখ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ ধারা ৮ (১ ও ২) অনুযায়ী ডিজিটাল সিকিউরিটি এজেন্সির মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মহাপরিচাক ডিজিটাল মাধ্যম থেকে কনটেন্ট অপসারণ/ব্লক করার জন্য বিশেষ অনুরোধ করা হলে তারা এ কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

বাংলাদেশে ৯৮ শতাংশ রোগীই ডেলটায় আক্রান্ত: গবেষণা


স্বাস্থ্য ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ০৫ আগষ্ট, ২০২১, ০৩:৪৭
বাংলাদেশে ৯৮ শতাংশ রোগীই ডেলটায় আক্রান্ত: গবেষণা

সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশে বর্তমানে করোনায় সংক্রমিত রোগীদের মধ্যে ৯৮ শতাংশের শরীরে ডেলটা ধরন পাওয়া গেছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) এক গবেষণা প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিএসএমএমইউতে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য ও জিনোম সিকোয়েন্সিং রিসার্চ প্রজেক্টের সুপারভাইজার শারফুদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, দেশের ৮ বিভাগ থেকে করোনার ৩০০ নমুনা সংগ্রহ করে জিনোম সিকোয়েন্সিং করে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

উপাচার্য বলেন, ডেলটা অতি সংক্রামক ধরন। এ থেকে সুরক্ষা পেতে টিকা নিতে হবে। টিকার লাভ হলো, জটিলতা কম হয়। এতে মৃত্যুহার কমে যাবে। তবে সুরক্ষার জন্য মাস্ক পরতে হবে।

গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত করোনায় আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ৫৩ শতাংশ পুরুষ। ৯ মাস বয়স থেকে ৯০ বছর বয়সী রোগী গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তবে ৩০ থেকে ৩৯ বছর বয়সী রোগীর সংখ্যা বেশি ছিল। গত ২৯ জুন থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত রোগীদের নমুনা সংগ্রহ করে এই গবেষণা করা হয়। এতে দেখা যায়, মোট সংক্রমণের প্রায় ৯৮ শতাংশ ডেলটা ভেরিয়েন্ট। আর ১ শতাংশ বিটা ভেরিয়েন্ট। 

গবেষণার প্রথম ১৫ দিনে এই বিটা ভেরিয়েন্ট ছিল ৩ শতাংশ। এ ছাড়া এক করোনা রোগী পাওয়া গেছে, যিনি মরিসাস ভেরিয়েন্ট অথবা নাইজেরিয়ার ভেরিয়েন্টে আক্রান্ত। তবে বিষয়টি নিয়ে এখনো তদন্ত চলছে।

ভারতে শনাক্ত ভেরিয়েন্টটি ডেলটা ভেরিয়েন্ট এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় শনাক্ত ভেরিয়েন্টটি বিটা ভেরিয়েন্ট হিসেবে পরিচিত।

গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে দেশে যুক্তরাজ্যে শনাক্ত আলফা ভেরিয়েন্টে সংক্রমণের হার বেশি ছিল। মার্চ মাসের প্রতিবেদন অনুসারে, ওই সময় বিটা ভেরিয়েন্টের সংক্রমণের হার বেশি ছিল।

করোনার এই জিনোম সিকোয়েন্সিং গবেষণার প্রধান গবেষক বিশ্ববিদ্যালয়টির অ্যানাটমি বিভাগের চেয়ারম্যান ও জেনেটিকস অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজির অধ্যাপক লায়লা আনজুমান বানু। সহযোগী গবেষক ফার্মাকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান ও সহ–উপাচার্য (শিক্ষা) এ কে এম মোসারফ হোসেন। এ ছাড়া ১৪ জন গবেষক এই গবেষণায় অংশ নিয়েছেন। সূত্রঃ প্রথম আলো

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

‘পুত্রবধূ’ হিসেবে হারানো মেয়েকে ফিরে পেলেন মা



বুধবার, ০৭ এপ্রিল, ২০২১, ০১:৫৭
পুত্রবধূ হিসেবে হারানো মেয়েকে ফিরে পেলেন মা

ছেলের বিয়েতে আনন্দ কার না থাকে! চীনের এক নারীরও ছেলের বিয়েতে আনন্দের কমতি ছিল না। তবে মুহূর্তের মধ্যেই বিয়ের আনন্দ আরো দ্বিগুণ হয়ে ফিরল তার কাছে। আনন্দ অশ্রুটাও তাই বেশি ছিল। কারণ পুত্রবধূ হিসেবে যাকে আবিষ্কার করলেন বিয়ের আসরে সেই মেয়েটি তারই ২০ বছর আগে হারিয়ে যাওয়া সন্তান। গত ৩১ মার্চ চীনের জিয়াংশু প্রদেশের সুজহু এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। হবু শাশুড়ি হবু বউয়ের হাতে একটা জন্মদাগ দেখতে পান। এই জন্মদাগ তার হারিয়ে যাওয়া মেয়েরও ছিল।

তত্ক্ষণাত্ তিনি ঐ মেয়ের বাবা-মাকে প্রশ্ন করেন, এই মেয়ে তাদের নিজেদের কি না। এই প্রশ্ন শুনে মেয়ের বাবা-মা চমকে যান। কারণ বিষয়টি এতদিন গোপন ছিল। কিন্তু মেয়ের হবু শাশুড়ির চাপাচাপিতে তারা স্বীকার করেন যে, এই মেয়ে তাদের জন্মগত নয়। অনেক বছর আগে তারা রাস্তার পাশে মেয়েটিকে পান এবং সেই থেকে তারা তাকে লালনপালন করছেন। এই গল্প শুনে মেয়েটি কাঁদতে শুরু করেন এবং তার জন্মদাতা মা-বাবা সম্পর্কে জানতে চান।

এরপর মেয়েটি জানতে পারেন যে তার এই হবু শাশুড়িই তার জন্মদাত্রী মা। গল্পের এখানেই শেষ নয়। মেয়েটি চিন্তায় পড়ে যান তিনি কীভাবে তার আপন ভাইকে বিয়ে করবেন। সেই গল্পটি আরো মজার। মেয়ের মা জানান, এই ছেলে তার গর্ভজাত সন্তান নয়। মেয়ে হারিয়ে যাওয়ার পর ছেলেটিকে তিনি দত্তক নিয়েছিলেন। বায়োলজিক্যাল ভাইবোন না হওয়ায় তাদের বিয়েতে আর সমস্যা হয়নি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই তাদের আশীর্বাদ করেন এবং দ্বিগুণ আনন্দ নিয়েই বিয়ের কাজ সম্পন্ন হয়। 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - জাতীয়