a
ফাইল ছবি
টোকিও অলিম্পিকে স্কেটবোর্ডিং ক্যাটাগরিতে চমক দেখিয়েছেন জাপান ও ব্রাজিলের দুই ক্রীড়াবিদ। দুজনেই মাত্র ১৩ বছর বয়সে পদক জিতে ইতিহাসের পাতায় নাম লিখিয়েছেন। এর মধ্যে স্বাগতিকদের মোমিজি নিশিয়া জিতেছেন সোনার পদক। ব্রাজিলের রাইসা লিলে রুপা জিতে এই ডিসিপ্লিনটার আকর্ষণ আরও বাড়িয়ে দিয়েছেন।
১৩ বছর বয়সে সোনা জিতে মোমিজি জাপানের সবচেয়ে কম বয়সী হিসেবে অলিম্পিকে কীর্তি গড়লেন। এছাড়া অলিম্পিক ইতিহাসেও সবচেয়ে কম বয়সী সোনাজয়ীর তালিকায় এই কিশোরির নাম উঠে গেছে। মেয়েদের বিভাগের মতো ছেলেদের পদকও জাপানের করায়ত্তে। হোরিগোমে ইউতো জিতেছেন সোনার পদক।
স্কেটবোর্ডিং কিন্তু খুব অপরিচিত কিছু নয়। চাকা লাগানো একটি কাঠের তক্তার ওপর দাঁড়িয়ে অনেক তরুণ–তরুণীকেই ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। এটাও গতির রোমাঞ্চ উপভোগের একটা বিষয় হয়েছিল এত দিন। অলিম্পিকের ইভেন্ট হওয়াতে স্কেটবোর্ডিং নিশ্চিত করেই আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠবে।
স্পোর্টস ক্লাইম্বিং সাধারণত দেখা যেত টেলিভিশনের পর্দায়, দেয়াল বেয়ে ওপরে উঠে যাওয়ার পারদর্শিতা দেখানোর খেলা এটি। এত দিন তরুণ–তরুণীদের রোমাঞ্চ উপভোগের মাধ্যম ছিল এ খেলা। অলিম্পিকে অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এই স্পোর্টস ক্লাইম্বিংয়ে আগ্রহী হয়ে উঠতে পারেন অনেকেই।
আরিয়াক পার্কে সোমবার স্কেটবোর্ডিংয়ের মেয়েদের স্ট্রিট ফাইনালে ১৫.২৬ পয়েন্ট নিয়ে প্রথম হয়েছেন মোমিজি। ১৪.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে রুপা জিতেছেন রাইসা লিলে। ব্রোঞ্জ পাওয়া স্বাগতিকদের ফুনা নাকাইয়ামার বয়সও বেশি নয়, ১৬ বছর।
সংগৃহীত ছবি
আদালতের আদেশ পাওয়ার পর বাংলাদেশে পাবজি, ফ্রি ফায়ারের মত ‘বিপজ্জনক’ ইন্টারনেট গেইমের লিংক বন্ধ করেছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বিটিআরসি।
কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র বুধবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ডিপার্টমেন্ট অব টেলিকমকে (ডট) এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। ইতোমধ্যে পাবজি ও ফ্রি ফায়ার বন্ধ হয়ে গেছে। অন্য ‘ক্ষতিকর’ অ্যাপগুলোও বন্ধ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
কতগুলো অ্যাপ বন্ধ করা হবে জানতে চাইলে ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, টিকটক, বিগো লাইভ ও লাইকির মত অ্যাপসহ আরো বেশ কিছু অ্যাপ বাংলাদেশে বন্ধের প্রক্রিয়া তারা শুরু করা হয়েছে।
“এখন অ্যাপগুলোর লিংক বন্ধ করলেও ভিপিএন দিয়ে চালানো যায়। এসব বন্ধ করার মত সক্ষমতা আমাদের নেই। এই সব অ্যাপের কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি দিয়েও আমরা বন্ধ করার অনুরোধ জানাব।”
ফাইল ছবি
বিশ্বের ধনী ও উন্নয়নশীল দেশের সমন্বয়ে গঠিত জি-২০ সম্মেলন আজ শুরু হচ্ছে। এবারের সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তন ও করোনা মহামারী ইস্যু গুরুত্ব পাচ্ছে। গতকালই ইতালির রোমে পৌছান মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তবে ভিডিও লিংকের মাধ্যমে যুক্ত থাকছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।
এদিকে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় দরিদ্র দেশগুলোকে সহায়তা দিতে জি-২০ ভুক্ত দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। খবর সিএনএন ও রয়টার্স
করোনা ভাইরাস মহামারী শুরু হওয়ার পর এই প্রথম সরাসরি অংশগ্রহনের মাধ্যমে জি-২০ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিশ্ব নেতাদের সম্মেলনের আগে জি-২০ভুক্ত দেশগুলোর অর্থ ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীরা শুক্রবার আলোচনা করেছেন কিভাবে করোনা মহামারী এবং অর্থনৈতিক দূরাবস্থা থেকে দ্রুত মুক্তি পাওয়া যায়। অর্থমন্ত্রীরা রোমে সরাসরি বৈঠক করলেও স্বাস্থ্যমন্ত্রীরা করেছেন ভিডিও লিংকের মাধ্যমে। জি-২ ব্লকে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ভারত এবং জার্মানির মতো দেশ আছে।
বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৬০ শতাংশই এই দেশগুলোর এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে এদের ৮০ শতাংশ অবদান রয়েছে। এবারের সম্মেলনে হতাশাও আছে। কারণ চীন, জাপান, মেক্সিকো, রাশিয়া এবং সৌদি আরবের মতো দেশগুলো সম্মেলনে সরাসরি অংশ গ্রহণ করছে না।
জি-২০ এর এজেন্ডা
এবারের সম্মেলনে জলবায়ু ইস্যু বিশেষ করে কয়লা থেকে স্বচ্ছ জ্বালানির দিকে কিভাবে এগিয়ে যাওয়া যায় সেই বিষয়টি গুরুত্ব পাবে। জ্বালানির মূল্য কমানো এবং সাপ্লাই চেইন ঠিক রাখা যা বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ শিল্প প্রতিষ্ঠানকে ক্ষতিগ্রস্থ করছে সেটাও গুরুত্ব পাবে সম্মেলনে।
বিশ্ব নেতাদের এই সম্মেলনে বড় বড় কোম্পানির জন্য ন্যুনতম ১৫ শতাংশ কর আরোপের বিষয়ে একটি চুক্তি হচ্ছে। চলতি মাসেই চুক্তির বিষয়টি চূড়ান্ত হয়। বাংলাদেশ সময় কাল সোমবার থেকে স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন ২৬ শুরু হচ্ছে। তবে তার আগেই জি-২০ সম্মেলনে জলবায়ু ইস্যু গুরুত্ব পাচ্ছে। কারণ বিশ্বের কার্বন নি:সরণের ৮০ শতাংশ এই ব্লকের দেশ থেকে হয়। এই সম্মেলনে বিশ্ব নেতারা বিশ্বের তাপমাত্রা এক দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে আনার বিষয়ে পদক্ষেপ নেবেন।