a ইউরোপিয়ান গার্লস ম্যাথ অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশ প্রথমবারেই পদক
ঢাকা শুক্রবার, ২ মাঘ ১৪৩২, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

ইউরোপিয়ান গার্লস ম্যাথ অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশ প্রথমবারেই পদক


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২১, ০৪:২৮
ইউরোপিয়ান গার্লস ম্যাথ অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশ প্রথমবারেই পদক

ফাইল ছবি

ইউরোপিয়ান গার্লস ম্যাথ অলিম্পিয়াড (ইজিএমও) ২০২১- অংশগ্রহনকারী মেয়েরা রৌপ্য ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করেছে এই প্রথমবার বাংলাদেশ থেকে বিশ্বের সর্ববৃহৎ অলিম্পিয়াডে অংশ নেয়

গত ১১ ১২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হয় ইজিএমও ২০২১ ২০১২ সাল থেকেই ইজিএমও যাত্রা শুরু হয় প্রতি বছরের ন্যায় বছরও অনুষ্ঠিত হয় এই অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠান বছর করোনা মহামারীর কারনে অনলাইনে আয়োজিত হয় প্রতিযোগিতা এবার ৫৫টি দেশের ২১৩ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করে

প্রথমবার অংশগ্রহণ করেই বাংলাদেশের প্রতিযোগী নুজহাত আহমেদ দিশা ১৫ পয়েন্ট পেয়ে অর্জন করেছে রৌপ্যপদক আর রায়ান বিনতে মোস্তফা পয়েন্ট পেয়ে জয় করেছে একটি ব্রোঞ্জপদক

এছাড়া এই প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক অলিম্পিয়াডে অংশ নিয়ে আরিফা আলম সাফা তাসনিমও ভালো নম্বর পেয়েছে বাংলাদেশ দলের সর্বমোট পয়েন্ট ২৭ দলগত স্কোরে বাংলাদেশ দল ভারত, নেদারল্যান্ডসের মতো অনেক দেশের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

জাতীয় বিতর্ক উৎসবে রানার্সআপ জগন্নাথ ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি


মুন্না শেখ, জবি প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ৩০ আগষ্ট, ২০২৫, ০২:৪১
জাতীয় বিতর্ক উৎসবে রানার্সআপ জগন্নাথ ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 সরকারি তিতুমীর কলেজ কর্তৃক আয়োজিত "শহীদ তিতুমীর স্মৃতি স্মারক জিটিসি ডিসি ১ম জাতীয় বিতর্ক উৎসব ২০২৫" এ রানার্সআপ হয়েছে জগন্নাথ ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি।   আজ ৩০ আগস্ট ( শনিবার) জাতীয় বিতর্ক উৎসব ফাইনালে অংশগ্রহণ করে জগন্নাথ ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি এবং জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটি ডিবেট অর্গানাইজেশন। 

সেমিফাইনালে স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটিকে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছে  জগন্নাথ ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি। এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪টি দল।  জগন্নাথ ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটির হয়ে বিতর্ক করেন মাঈন আল মুবাশ্বির (আইন বিভাগ, ১৪ ব্যাচ), মুনিব মুসান্না ( গনিত বিভাগ, ১৬ ব্যাচ), আহনাফ তাহমিদ সাফি (রাষ্ট্রবিজ্ঞান, ১৭ ব্যাচ) এবং মাঈন আল মুবাশ্বির ডিবেটর অব দ্যা ফাইনাল হওয়ার গৌরব অর্জন করেন।  জেএনইউডিএস এর সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান বলেন,"দলের জন্য শুভকামনা এবং  জগন্নাথ ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি সবমসময়ই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে খুব গর্বের সাথে রিপ্রেজেন্ট করে আসছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে বিতার্কিকদের জন্য চলমান কার্যনির্বাহী কমিটি সর্বোচ্চ সুযোগ তৈরি এবং পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থার কাজগুলো করে যাচ্ছে। এই সাফল্যগুলো সেই ধারাবাহিক পরিশ্রমের ফলাফল এবং জুনিয়রদের জন্য অঅনুপ্রেরণা।  দলকে অভিনন্দন। দলের অন্যতম সদস্য ও ডিবেটিং সোসাইটির সাব-এক্সিকিউটিভ আহনাফ তাহমিদ শাফি বলেন, চ্যাম্পিয়ন হতে পারলে অবশ্যই আরও ভালো লাগতো তবে সাফল্যে আমি আনন্দিত। জগন্নাথ ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটির দলে ডিবেট করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রতিনিধিত্ব করাটা অত্যন্ত গর্বের ও সৌভাগ্যের বিষয়।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

ফকির আলমগীর আর নেই


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শনিবার, ২৪ জুলাই, ২০২১, ১০:৩৩
ফকির আলমগীর আর নেই

ফাইল ছবি

ফকির আলমগীরের ছেলে মাশুক আলমগীর রাজীব গণমাধ্যমকে জানান, শুক্রবার রাত ১০টার দিকে কোভিড ইউনিটে ভেন্টিলেশনে থাকা অবস্থায় ফকির আলমগীর হৃদরোগে আক্রান্ত হন। রাত ১০টা ৫৬ মিনিটে তার মৃত্যু ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।

কয়েক দিন ধরে ফকির আলমগীর জ্বর ও খুসখুসে কাশিতে ভুগছিলেন। পরে তিনি চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। চিকিৎসকের পরামর্শমতো কোভিড-১৯ পরীক্ষা করানোর পর তার করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়। তখন থেকেই তার শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। এরপর তাকে গ্রিন রোডের একটি হাসপাতালে নেয়া হয়। ওই সময় নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) প্রয়োজন পড়লে সেখান থেকে তাকে গুলশানের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
 
ফকির আলমগীরের ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা ছিল। যে কারণে জটিলতা বাড়তে থাকে। হাসপাতালে ভর্তির পর দুই ব্যাগ প্লাজমা দেয়া হয় তাকে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত করোনা থেকে সুস্থ হয়ে আর বাড়ি ফেরা হলো না জনপ্রিয় এই সংগীতশিল্পীর।

তার ছেলে মাশুক আলমগীর জানান, রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে তার বাবার অক্সিজেন স্যাচুরেশন ৪৫-এ নেমে আসে। ওই দিন থেকে চিকিৎসকেরা তাকে ভেন্টিলেশনে নেয়ার পরামর্শ দেন। ভেন্টিলেশনে নেয়ার পর থেকে তার বাবার অক্সিজেন স্যাচুরেশন ৯০ পর্যন্ত উন্নীত হয়। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। এক সময় রক্তে ও ফুসফুসে ইনফেকশন পাওয়া যায়। রক্তচাপ খুবই নেমে যায়। রক্তে ইনফেকশনের জন্য প্রায় প্রতিদিনই সকালে জ্বর আসতো। শুক্রবার নতুন অ্যান্টিবায়োটিক দেয়া শুরু করেন চিকিৎসকরা। একপর্যায়ে রাতে আবারো অবস্থার অবনতি হয়। এরপর গণসংগীতের এই শিল্পীকে মৃত্যু ঘোষণা দেয়া হয়।
 
ফকির আলমগীর ১৯৫০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা থানার কালামৃধা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা মো: হাচেন উদ্দিন ফকির, মা বেগম হাবিবুন্নেসা। শিল্পী কালামৃধা গোবিন্দ হাইস্কুল থেকে ১৯৬৬ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে জগন্নাথ কলেজে ভর্তি হন। সেখান থেকে স্নাতক পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন।

ফকির আলমগীর ষাটের দশক থেকে সংগীতচর্চা করেছেন। গান গাওয়ার পাশাপাশি বাঁশীবাদক হিসেবে তার খ্যাতি রয়েছে। বাংলাদেশের সব ঐতিহাসিক আন্দোলনে তিনি তার গান দিয়ে মানুষকে উজ্জীবিত করার চেষ্টা করেছেন। ১৯৬৬ সালে ছাত্র ইউনিয়নের সক্রিয় সদস্য ছিলেন ফকির আলমগীর। এরই ধারাবাহিকতায় ক্রান্তি শিল্পীগোষ্ঠী ও গণশিল্পীগোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে ষাটের দশকে বিভিন্ন আন্দোলন–সংগ্রামে ও ’৬৯-এর গণ–অভ্যুত্থানে গণসংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে এক বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। গণ–অভ্যুত্থান, ’৭১–এর মুক্তিযুদ্ধ ও ৯০–এর সামরিক শাসনবিরোধী গণ–আন্দোলনে তিনি শামিল হয়েছিলেন তার গান দিয়ে।
 
জনপ্রিয় গান:
দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তার কণ্ঠের বেশ কয়েকটি গান দারুণ জনপ্রিয়তা পায়। এর মধ্যে ‘ও সখিনা’ গানটি এখনো মানুষের মুখে মুখে ফেরে। ১৯৮২ সালের বিটিভির ‘আনন্দমেলা’ অনুষ্ঠানে গানটি প্রচারের পর দর্শকের মধ্যে সাড়া ফেলে। কণ্ঠ দেয়ার পাশাপাশি গানটির সুরও করেছেন ফকির আলমগীর।

ফকির আলমগীর গানের পাশাপাশি নিয়মিত লেখালেখিও করেছেন। ‘মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও বিজয়ের গান’, ‘গণসংগীতের অতীত ও বর্তমান’, ‘আমার কথা’, ‘যারা আছেন হৃদয়পটে’সহ বেশ কয়েকটি বই প্রকাশিত হয়েছে তার।

সম্মাননা ও পদক:
সংগীতের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য এ পর্যন্ত পেয়েছেন রাষ্ট্রীয় ‘একুশে পদক’, ‘শেরেবাংলা পদক’, ‘ভাসানী পদক’, ‘সিকোয়েন্স অ্যাওয়ার্ড অব অনার’, ‘তর্কবাগীশ স্বর্ণপদক’, ‘জসীমউদ্‌দীন স্বর্ণপদক’, ‘কান্তকবি পদক’, ‘গণনাট্য পুরস্কার’, ‘পশ্চিমবঙ্গ সরকার কর্তৃক মহাসম্মাননা’, ‘ত্রিপুরা সংস্কৃতি সমন্বয় পুরস্কার’, ‘ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড যুক্তরাষ্ট্র’, ‘জনসংযোগ সমিতি বিশেষ সম্মাননা’, ‘চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ড বিশেষ সম্মাননা’ ও ‘বাংলা একাডেমি সম্মানসূচক ফেলোশিপ’।

শোক:
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই বরেণ্য শিল্পীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বলে রাতে সরকারি সংবাদ সংস্থা- বাসসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়