a আওয়ামী লীগ ধান্ধা লীগে বিব্রত!
ঢাকা শনিবার, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২, ৩০ আগষ্ট, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

আওয়ামী লীগ ধান্ধা লীগে বিব্রত!


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
রবিবার, ২৫ জুলাই, ২০২১, ১০:১৬
আওয়ামী লীগ ধান্ধা লীগে বিব্রত!

সংগৃহীত ছবি

দল ও বঙ্গবন্ধু পরিবারের নাম ব্যবহার করে নিত্যনতুন দোকান, চাঁদাবাজি টেন্ডারবাজি তদবির ও কমিটি বাণিজ্য করাই লক্ষ্য, চাকরিজীবী লীগ খুলে বহিষ্কার হেলেনা জাহাঙ্গীর নামের আগে আওয়ামী লীগ যোগ করলেই আওয়ামী লীগ হয় না: বাহাউদ্দিন নাছিম।

সংগঠনের নামের আগে ‘লীগ’ ও বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্য কিংবা ‘মুক্তিযোদ্ধা’ নাম ব্যবহার করে আওয়ামী লীগের ক্ষমতার একযুগে ভুঁইফোড় সংগঠন গড়ে উঠেছে আট শতাধিক। ‘অনুমোদন’ বিহীন এসব রাজনৈতিক দোকান গড়ে তোলার মূল উদ্দেশ্য চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, তদবির ও কমিটি বাণিজ্য করা। এসব সংগঠনের নেতারা নানা সময়ে বিতর্কিত কর্মকান্ডে আলোচনায় এলেও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। ‘ধান্ধাবাজির’ এসব দোকানের নেতাদের কর্মকান্ডে বিব্রত আওয়ামী লীগ। এসব সংগঠনকে খোদ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরই ‘রাজনৈতিক দোকান’ নামে অভিহিত করেছেন। 

আর দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেছেন, নামের আগে লীগ যোগ করলেই আওয়ামী লীগ নয়। এদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। ‘বাংলাদেশ চাকরিজীবী লীগ’ নামে একটি ধান্ধাবাজির দোকান খুলে আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক উপকমিটি থেকে বহিষ্কার হয়েছেন ব্যবসায়ী হেলেনা জাহাঙ্গীর। একই সঙ্গে তাকে কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যপদ থেকেও বহিষ্কার করা হয়েছে। 

আওয়ামী লীগ নেতারা জানিয়েছেন, দলীয় নেতাদের অবশেষে ঘুম ভাঙতে শুরু করেছে। নামের আগে ‘লীগ’ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অথবা বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যদের নাম ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, কিংবা মুক্তিযোদ্ধা বা মুক্তিযুদ্ধ লাগিয়ে রাজনৈতিক দোকান খুলতে দেওয়া হবে না। যারাই এসব করবে এখন থেকে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে আওয়ামী লীগ। ইতিমধ্যে অ্যাকশন শুরু করেছেন ক্ষমতাসীন দলের নেতারা। 

‘বাংলাদেশ চাকরিজীবী লীগ’ নামের নতুন দোকান খুলে সারা দেশে জেলা-উপজেলা এমনকি বিদেশেও সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক মনোনয়ন দেওয়ার বিজ্ঞাপন দিয়ে আলোচনায় আসেন ব্যবসায়ী হেলেনা জাহাঙ্গীর। তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় মহিলাবিষয়ক উপকমিটির সদস্য ছিলেন। একই সঙ্গে ছিলেন কুমিল্লা জেলা উত্তর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য। ‘চাকরিজীবী লীগ’ খোলাসহ নানা কর্মকান্ডের কারণে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি গতকাল রাতে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, হেলেনা জাহাঙ্গীরকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি সংগঠনবিরোধী নানা কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ায় আমরা এ ব্যাপারে  নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি।

দলীয় সূত্র মতে, আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন হচ্ছে, যুবলীগ, মহিলা লীগ, কৃষক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুব মহিলা লীগ, তাঁতী লীগ, আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ ও মৎস্যজীবী লীগ। এ ছাড়া ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন হচ্ছে, জাতীয় শ্রমিক লীগ ও ছাত্রলীগ। মহিলা শ্রমিক লীগ ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ আওয়ামী লীগের ‘নীতিগত’ অনুমোদিত সংগঠন। এর বাইরে আওয়ামী লীগের সহযোগী কিংবা ভ্রাতৃপ্রতিম কোনো সংগঠন নেই।  সূত্র মতে, দল ক্ষমতায় এলেই ওরা গড়ে তোলে নিত্যনতুন লীগ। নামসর্বস্ব এসব সংগঠনের পেছনে ‘লীগ’ শব্দ জুড়ে তো দিচ্ছেই, বঙ্গবন্ধু, বঙ্গমাতা, শেখ রাসেল ও বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যের নামও জুড়ে দেওয়া হচ্ছে। এমনকি মুক্তিযোদ্ধাদের নাম ব্যবহার করেও জানান দিচ্ছে অনেক সংগঠন। এসব সংগঠনের বেশির ভাগ উপস্থিতি দেখা যায় রাজধানীতে। 

জাতীয় প্রেস ক্লাব, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, পাবলিক লাইব্রেরি, জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনসহ রাজধানীর বেশ কিছু মিলনায়তনে ওইসব ‘ভুঁইফোঁড়’ সংগঠনের উপস্থিতি। আওয়ামী লীগের কর্মসূচির সঙ্গে মিল রেখেও তাদের কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায়।

সূত্র মতে, ২০০৮ সালের আগে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, আওয়ামী শিল্পী গোষ্ঠী এবং আমরা সূর্যমুখীসহ হাতে গোনা ৪-৫টি সংগঠন ছাড়া তেমন কোনো সংগঠন বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগের কথা বলতে দেখা যায়নি। আওয়ামী লীগের গত এক যুগে শিশু লীগ থেকে শুরু করে নাপিত লীগ, চাকরিজীবী লীগসহ বিভিন্ন নামে প্রায় আট শতাধিক ভুঁইফোঁড় সংগঠন গড়ে উঠেছে। লীগ শব্দ ব্যবহার করে এমন সংগঠনের মধ্যেই রয়েছে- ‘বাংলাদেশ ইলেকট্রিক লীগ’ ‘নাপিত লীগ’, ‘ফকির লীগ’ ‘জননেত্রী লীগ’, ‘প্রবীণ লীগ’, জনসেবা লীগ, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তরুণ জনতা লীগ’ ‘ডিজিটাল লীগ’ নাগরিক লীগ’ পর্যটন লীগ, তরিকত লীগ, আওয়ামী অভিভাবক লীগ, দর্জি লীগ, তরুণ লীগ, রিকশা মালিক-শ্রমিক ঐক্য লীগ, যুব হকার্স লীগ, নৌকার মাঝি শ্রমিক লীগ, ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী লীগ, আওয়ামী ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী লীগ, ছিন্নমূল হকার্স লীগ, ছিন্নমূল মৎস্যজীবী লীগ, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী লীগ, তৃণমূল লীগ, স্বাধীনতা লীগ, হোটেল শ্রমিক লীগ, সেলুন মালিক লীগ, হকার্স লীগ, চালক লীগ, প্রচার ও প্রকাশনা লীগ, বঙ্গবন্ধু গণতান্ত্রিক লীগ, জননেত্রী শেখ হাসিনা কেন্দ্রীয় লীগ, আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগ, আওয়ামী পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধা লীগ, আওয়ামী পরিবহন শ্রমিক লীগ, আওয়ামী নৌকার মাঝি শ্রমিক লীগ, সমবায় লীগ, হারবাল লীগ, দেশীয় চিকিৎসক লীগ, পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধা লীগ, পরিবহন শ্রমিক লীগ, বঙ্গবন্ধু হোমিওপ্যাথি লীগ, আওয়ামী সজীব ওয়াজেদ লীগ, অভিভাবক সচেতনতা লীগ, বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ প্রভৃতি। এসব সংগঠনের সঙ্গে আওয়ামী লীগের ন্যূনতম সম্পর্ক না থাকলেও সংগঠনের নেতারা সচিবালয় থেকে শুরু করে বিভিন্ন অফিসে গিয়ে ভিজিটিং কার্ড ব্যবহার করে নিজেকে বড় ‘আওয়ামী লীগার’ দাবি করে অপকর্ম করে বেড়াচ্ছেন। কেউ কেউ জেলা-উপজেলায় কমিটি অনুমোদন দেওয়ার জন্য মোটা অংকের চাঁদাবাজিও করছেন।

২০১৯ সালের আগস্ট মাসে তাঁতী লীগের এক শোক সভায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এসব সংগঠনকে ‘রাজনৈতিক দোকান’ অভিহিত করে বলেছিলেন, এদেরকে প্রতিহত করতে হবে।

এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ময়ূরের পেখম লাগালেই কাক কখনো ময়ূর হয় না, তেমনি নামের আগে ‘লীগ’ শব্দ যোগ করলেই আওয়ামী লীগ হয়ে যায় না। আওয়ামী লীগ একটা আদর্শ। এটাকে ধারণ করতে হয়। দলের গঠনতন্ত্রের বাইরে কোনো সংগঠনের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সম্পর্ক নেই।

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে থাকার সময় হাতে গোনা কয়েকটি সংগঠনকে পেয়েছি আমাদের পক্ষে কথা বলার জন্য। এখন গণমাধ্যমের কল্যাণে জানতে পারছি লীগ, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযোদ্ধার শব্দ ব্যবহার করে রাজনৈতিক ধান্ধাবাজির দোকান। এসব চলতে দেওয়া যায় না। অ্যাকশন শুরু হয়েছে, চলমান থাকবে।

লেখক: রফিকুল ইসলাম রনি/সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

কারচুপি করতেই ইভিএমে ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত: জিএম কাদের


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
মঙ্গলবার, ২৩ আগষ্ট, ২০২২, ০৮:১৬
কারচুপি করতেই ইভিএমে ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত: জিএম কাদের

ফাইল ছবি

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের এমপি বলেছেন, দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। নির্বাচনের ওপর সাধারণ মানুষের কোন আস্থা নেই। দেশের সাধারণ মানুষ মনে করছে, কারচুপি করতেই ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ করতে চাচ্ছে ক্ষমতাসীনরা। দেশের মানুষ একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন প্রত্যাশা করছেন।

তিনি বলেন, ১৯৯০ সালের পর থেকে বারবার সংবিধান কাটাকাটি করে এক ব্যক্তির শাসন কায়েম করেছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। এখন সকল ক্ষমতা এক ব্যক্তির হাতে। কর্তৃত্ববাদী কোন সরকারের অধীনেই সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। আমাদের অতীতের অভিজ্ঞতার আলোকে একথা বলা-ই যায়। একই নির্বাচন কমিশন নির্দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে পারলেও দলীয় সরকারের অধীনে তা সম্ভব হয়নি।

কারণ, কর্তৃত্ববাদী সরকারের প্রার্থীদের সাথে অন্য প্রার্থীদের নির্বাচনে হলে কখনোই লেভেল প্লেইং ফিল্ড হয় না। মুক্তিযুদ্ধে চেতনা অনুযায়ী সমতা, সামাজিক ন্যায় বিচার ও মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত করতে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের বিকল্প নেই। তিনি বলেন, দুর্ণীতিতে দেশ ভেসে যাচ্ছে। অসাধু ব্যবসায়ী, আমলা আর রাজনীতিবীদদের একটি চক্র ব্যবসার নামে দেশে লুন্ঠন করছে। রাজনীতির অবস্থা এমন হয়েছে যে, নির্বাচনে যারা পরাজিত হবে, তারা যেন নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। দেশের মানুষ এমন রাজনৈতিক পরিবেশ দেখতে চায় না।  

আজ দুপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানীর কার্যালয়ে কৃষক শ্রমিক লীগের নেতৃবৃন্দ জাতীয় পার্টির শীর্ষ নেতৃবৃন্দের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে আসেন। এসময় বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের নেতৃবৃন্দকে স্বাগত জানিয়ে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, কেউ দেশ ও মানুষের কথা বললেই তাকে দমিয়ে দেয়া হচ্ছে। কেউ সরকারের সমালোচনা করলেই তাকে দেশদ্রোহী হিসেবে গণ্য করা হয়। দেশের ইতিহাস বিকৃত করা হচ্ছে রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে।

এসময় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেন, এমন বালাদেশের জন্য আমরা যুদ্ধ করিনি। দেশে মানুষের অধিকার ও মর্যাদা নেই। গণভবনের একজন কর্মচারীর যে সম্মান আছে, তা এখন মন্ত্রী ও এমপিদেরও নেই। সরকারি কর্মচারীরা এখন লাগামহীন। মানুষের সম্মান ও মর্যাদার ভারসম্য ফিরিয়ে আনতে হবে। এভাবে দেশ চলতে পারে না।

এসময় আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি, জাতীয় পার্টি মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু এমপি, জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, কো-চেয়ারম্যান কাজী ফিরোজ রশীদ এমপি, কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, কো-চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি প্রমুখ।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে তিক্ততা সৃষ্টির চেষ্টা করছে কিছু গোষ্ঠী: পররাষ্ট্রমন্ত্রী


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ০৯:২৮
যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে তিক্ততা সৃষ্টির চেষ্টা করছে কিছু গোষ্ঠী: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ফাইল ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত মধুর। তবে কিছু গোষ্ঠী তিক্ততা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে, বাংলাদেশ নিয়ে মিথ্যাচার করছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন।

স্থানীয় সময় সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের বাঙালি অধ্যুষিত জ্যাকসন হাইটসে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন, যুক্তরাষ্ট্র শাখা আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আমাদের অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। আমরা যে নীতি ও মূল্যবোধে বিশ্বাস করি, যুক্তরাষ্ট্র সেই নীতি ও মূল্যবোধে বিশ্বাস করে। বাংলাদেশ হচ্ছে সেই দেশ যেখানে গণতন্ত্রের জন্য আমরা লড়াই সংগ্রাম করেছি। আমরা জনগণের ভোটে জয়লাভ করলেও ১৯৭১ সালে আমাদের সরকার গঠন করতে দেয় নাই। বরং আমাদের উপর গণহত্যা চালানো হয়েছিল। তখন বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।

ড. মোমেন বলেন, আমরা স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলাম গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য। এজন্য স্বাধীনতা যুদ্ধে আমাদের ত্রিশ লক্ষ মানুষের প্রাণ দিতে হয়েছে। পৃথিবীর কোথাও গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্য এতো অল্প সময়ে এতো মানুষ আত্মত্যাগ করেনি। আমরা পৃথিবীর মধ্যে একমাত্র জাতি যারা গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্য এতো বড় ত্যাগ স্বীকার করেছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্র গণতন্ত্রে ও মানবাধিকারে বিশ্বাস করে। তাই যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আমাদের মতের, চিন্তার মিল আছে। নীতিগতভাবে আমাদের দু'দেশের মধ্যে মিল রয়েছে। তবে তাদের কোনো কোনো ব্যক্তি বিশেষ হয়তো আমাদের উন্নয়ন পছন্দ করছেন না, তাদের ব্যাপারে সজাগ থাকতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

কেউ বাংলাদেশ নিয়ে মিথ্যাচার করলে তাদেরকে চ্যালেঞ্জ করতে দলমত নির্বিশেষে প্রবাসী বাংলাদেশিদের রুখে দাঁড়াতে আহ্বান জানান তিনি। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - রাজনীতি