a নেই পুরান ঢাকার বাহারি ইফতারের আয়োজন
ঢাকা শুক্রবার, ২ মাঘ ১৪৩২, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

নেই পুরান ঢাকার বাহারি ইফতারের আয়োজন


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন:
বুধবার, ২১ এপ্রিল, ২০২১, ০৯:৫৭
নেই পুরান ঢাকার বাহারি ইফতারের আয়োজন

ফাইল ছবি

চলছে রহমত বরকতের মাস পবিত্র মাহে রমজান। প্রত্যেক বছর পবিত্র রমজান মাসে উপলক্ষে রাজধানী পুরান ঢাকার শত বছরের ঐতিহ্যবাহী ইফতারির বাজারে বাহারি ইফতারির দোকান সাজিয়ে বসেন ব্যবসায়ীরা। ঢাকার বিভিন্ন যায়গা থেকে মানুষ  আসে সেখানে ইফতার কিনতে।

কিন্তু বর্তমান করোনা পরিস্থিতি, মহামারী প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের কারণে গত বছরের ন্যায় এবছর ও সে ধরনের উৎসবমুখর ইফতারির বাজার দেখা যাচ্ছে না। কিছু পরিমান দোকান দেখা গেলেও সেখানে আর আগেরমত জৌলস পাওয়া যায় না।

এবার সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ ঠেকানোর জন্য চলমান সর্বাত্মক লকডাউনে রীতিমতো হাহাকার তৈরি হয়েছে সর্বত্ব। ইফতারির প্রসঙ্গ আসলেই চোখে ভাসবে চকবাজারের ইফতারির কথা। দোকানিদের বক্তব্য পুরান ঢাকার মানুষ অন্যদের চেয়ে ভোজন রসিক হিসেবে পরিচিত থাকলেও সরকারি বিধিনিষেধের কারণে এবার সব যায়গায় উল্টো চেহারা দেখতে হচ্ছে। 

সব যায়গায় চলাচলে নিয়ন্ত্রণ থাকায় অনেকেই স্থানীয় হোটেল-রেস্তোরাঁ থেকে ইফতারি কিনে ইফতার করছেন। সরকারি নির্দেশনার ভিত্তিতে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত হাতে গোনা কয়েকটি দোকান খোলা থাকলেও ক্রেতা না থাকায় বিক্রেতাদের মনে তেমন আনন্দ নেই। নেই তেমন হাক ডাক। করোনার কারনে বিক্রেতারা তেমন বেশি কিছু আইটেম তৈরিও করছে না ব্যবসায় ক্ষতি হওয়ার আশংকায়। 

এছাড়া লকডাউন তদারকির দায়িত্বে নিয়োজিত থাকা পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সর্বত্রই টহল দিতে দেখা যাচ্ছে চকবাজারসহ পুরো এলাকায়। সীমিত পরিসরে ইফতার ও বাজারে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ব্যাপক তৎপরভাবে কাজ করছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

দারিদ্র্যের কষাঘাতে মৃত্যু যেন না হয়!


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
রবিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২১, ০৮:৪৩
দারিদ্র্যের কষাঘাতে মৃত্যু যেন না হয়

ফাইল ছবি

কান্নাভেজা চোখে বসেছিল তখন সবাই। হ্যাঁ করোনা আছে। তাই বলে পেটের ক্ষুধা যে লক ডাউন মেনে চলতে পারেনা। রাজধানী ঢাকা শহরের কামরাঙ্গীর চর এলাকায় সবচেয়ে কঠোর পরিশ্রম যারা করে তাদের মধ্যে রিকশাওয়ালাদের কথা না বললেই নয়। কেউ কেউ তো আবার সারাদিন রিক্সা চালানোর পরে রাতে যোগ দেয় ভিন্ন  কিছু শ্রমজীবীদের সাথে। গ্রামে বড় পরিবারের ঘানি টানতে টানতে হাড়-পাঁজর এক করা পরিশ্রম তাদের। 

সপ্তাহ জুড়ে লকডাউনে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন যেমন থেমে থাকেনি, প্রয়োজন অপ্রয়োজনে অনেকেরই বাইরে যাওয়া ও থেমে থাকেনি। কিন্তু আর যাই হোক তিন বেলা খাবারের নিশ্চয়তা তো ছিল। যখন পেটের দায়ে করোনা মহামারীর এত বাজে অবস্থা কে তুচ্ছ করেই ঘর থেকে বের হতে হলো অমান্য করতে হলে সরকারি নিষেধাজ্ঞা, তখন তা অবশ্যই ছোট কোনো বিষয় নয়!

ঘরে স্ত্রী সন্তান যখন ক্ষুধায় কাতর তখন কাজ না করে কি করে বসে থাকা যায় ঘরে? এমন আরও অনেক অভিব্যক্তি নিয়েই রোজের টাকা আনতে বের হতে হয় ঘর থেকে। পুলিশি তৎপরতা এবং জরিমানার ভয় তো আছেই। কিন্তু পেট তো তা মানে না।

অন্তত তিন, চারটে ক্ষেপ চাই। একশ টাকা রিকাশার জমা, একশ টাকা থাকার খরচ আর একশ টাকা কিছু খাবারের জন্য হলেও।

পড়াশোনা না থাকায় বাচ্চা কাচ্চাদের মাস শেষে পাঁচশ টাকার চিন্তা টা না হয় নাই-বা করলাম। সামনে ঈদ বাড়িতে বাবা-মায়ের জন্য কিছুতো পাঠাতে হবে। গত বছরে না বাড়িতেই ছিলাম সবাই দেখেছে কাজ নাই, টাকা নাই, তবু  ঈদ চলে গেছে।কিন্তু এবার আশায় আছে সবাই।

একথা ভাবতেই কান্না করছিলেন তারা। অপেক্ষা ছিলো সার্জন যদি একটু মায়া করে রিকশাটা ছেড়ে দেয় অন্তত আজকের খাবারের  টাকাটা জোগাড় করার সুযোগ হতো।
জরিমানা দেওয়ার পয়সা তো নেই। সে কথা বলে লাভও নেই। লাঠির বারি চারটা দিলেও চলবে। কিন্তু খাবার ছাড়া যে ঘরে যাওয়া যাবে না।

চোখের সামনেই রিকশাটা উল্টো করে রেখে বসে আছেন তারা। হ্যাঁ সব রিকশাই যে ধরছে এমন না। যারা বসে আছে তারা কপাল চাপড়ে ভাবছে কি দেখে ঘর থেকে বের হয়েছি আজ।
অপেক্ষার প্রহর যেন দীর্ঘ হয়। বেলা ৯ টা থেকে আটকে আছে। সময় যেন পার হচ্ছে না কোনোভাবেই। সেহেরীতে পান্তা ভাতের আয়োজন হলেও চলবে। রোজার মাস সারাদিন না খেয়ে চালিয়ে দিলেও সন্ধ্যায় ইফতার আয়োজন করতে না পারলে বাচ্চা গুলোর চোখের দিকে তাকানো যায় না।

গত বছরের লুঙ্গিগুলো এ বছর পরা যাছে না। নতুন শাড়ী দিতে না পারলেও অন্তত একটা বোরখা কিনে যে দিতেই হবে। বাচ্চার জন্য একটা নতুন জামা আর নামাজ পড়ার জন্য একটু আয়োজন।

এরকম হাজারো স্বপ্ন আর ভাবনাগুলো যেন চোখের সামনে মাটি চাপা দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ছাড়া উপায় নাই। তবে কি দরিদ্রের ঘরে জন্ম নেওয়া পাপের ফল এটা?

এ লক ডাউন যদি ঈদ অবধি চলে কেমন করে কি হবে? এসব ভাবনা বাদ দিয়েই বার বার সার্জন এর কাছে গিয়ে চলছে আকুতি মিনতি।

অবশেষে বেলা ১২ টার ঠিক কিছু আগে যখন ছাড়া হলো যেন কান্না চোখের একটুখানি স্বস্তি এলো। সৃষ্টিকর্তার কাছে শুকরিয়া আদায় করে একটুখানি পেটের চাহিদা মেটাবার চেষ্টা করার জন্য আবার নামলো রাস্তায়।

ত্রাণের অপেক্ষায় যদিও মনে কিছুটা ভরসা আসে, তবে পাওয়া না পাওয়ার শঙ্কাও জাগে মনে।
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

জাতীয় পার্টি নির্বাচনে সরে যেতে পারে বলে সন্দেহ করছে সরকার


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৩, ০৫:০৬
জাতীয় পার্টি নির্বাচনে সরে যেতে পারে বলে সন্দেহ করছে সরকার

ফাইল ছবি

জাতীয় পার্টি আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে সরে যেতে পারে বলে সন্দেহ করছে সরকার। গতকাল সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর এ সন্দেহ প্রকাশ করেছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেছেন, জাতীয় পার্টিকে বিশ্বাস করা যায় না। সরকারের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই মন্ত্রী আজ মঙ্গলবার গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এই দুই মন্ত্রী গতকালের মন্ত্রিসভার বৈঠকে ছিলেন।

দুই মন্ত্রী বলেছেন, মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী আগামী ৭ জানুয়ারির নির্বাচন নিয়ে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের বেশ কিছু পরামর্শ দেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ওই দুই মন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় আগামী নির্বাচনে জাতীয় পার্টির অংশগ্রহণ নিয়ে কয়েকজন মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তাঁরা আওয়ামী লীগের ‘স্বতন্ত্র’ প্রার্থীদের বিষয়েও কথা বলেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে যেতে ব্যবস্থা নিতেও তাঁরা প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন।

মন্ত্রীদের অনুরোধ নাকচ করে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় পার্টি আগামী নির্বাচনে কী করবে, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। শেখ হাসিনা আরও বলেন, জাতীয় পার্টি রওশন এরশাদ, তাঁর ছেলে রাহগির আল মাহি এরশাদ (শাদ এরশাদ) ও মসিউর রহমানকে নির্বাচন থেকে সরিয়ে রেখেছে। তারা কখন কী করবে, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দিকে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আর সবাইকে সেদিকেই যেতে হবে। নির্বাচন কারও জন্য অপেক্ষা করবে না। নির্বাচন হবেই।

সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় পার্টি কয়েক দফায় আওয়ামী লীগের সঙ্গে বৈঠক করেছে। ৭ জানুয়ারির ভোটে আসন ভাগাভাগি নিয়েই মূলত সেসব বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

জাতীয় পার্টির সূত্র বলছে, তারা চায় তাদের চাহিদামতো ৩০ থেকে ৩৫টি আসন থেকে ‘আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থীদের’ সরিয়ে নেওয়া হোক, যাতে জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা সহজে জিতে আসতে পারেন।

জাতীয় পার্টির এ চাওয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, ‘সবাইকেই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে।’

বৈঠকে উপস্থিত দুই মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীকে ‘দলীয় স্বতন্ত্র প্রার্থীদের’ প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে বিরত রাখার অনুরোধ করলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তাঁর কিছু বলার নেই। সূত্র: প্রথম আলো

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - অন্যান্য

সর্বোচ্চ পঠিত - অন্যান্য

অন্যান্য এর সব খবর