a ফায়ার সার্ভিস কর্মী দীপুর খালি গলায় গাওয়া গান ভাইরাল
ঢাকা বুধবার, ৩০ পৌষ ১৪৩২, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

ফায়ার সার্ভিস কর্মী দীপুর খালি গলায় গাওয়া গান ভাইরাল


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
সোমবার, ২৬ জুলাই, ২০২১, ১১:৩২
ফায়ার সার্ভিস কর্মী দীপুর খালি গলায় গাওয়া গান ভাইরাল

ফাইল ছবি

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স আমাদের সুরুক্ষা দিতে দিন-রাত প্রস্তুত থাকেন। সর্বদা প্রস্তুত থাকতে হয় মানুষের বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়তে। তবে এত সবের মাঝে কতটুকুই বা সময় নিজেকে দিতে পারেন? তার পুরোটাই অজানা তাদের। কিন্তু সেই অবসরে যদি মনের সুখে গান গেয়ে ফেলেন, আর সেই গান মানুষ মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে শুনছেন তাহলে ব্যাপারটা অস্বাভাবিক হয়ে দাঁড়ায়।

তবে সম্প্রতি এই অস্বাভাবিক ব্যাপারটিকেও স্বাভাবিক করেছেন দীপু নামের একজন ফায়ার সার্ভিসের কর্মী। ‘আমার মতো এতো সুখী নয় তো কারো জীবন…’ এই গানটি বাবা কেন চাকর চলচ্চিত্রে নায়ক রাজ রাজ্জাকের ঠোঁটে শোনা গেছে। এই গানের সঙ্গে চোখের জল ঝরেছে বাংলা চলচ্চিত্রের কত শত দর্শকের। এই গানটি গেয়েছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মী দীপু।

উক্ত ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছেন দীপু একটি অব্যবহৃত তরলের প্লাস্টিকের ড্রামের মতো পাত্রের মধ্যে বসে সেটাকেই বাদ্যযন্ত্র বানিয়েছেন। নিজে সেটা বাজাচ্ছেন আর গাইছেন- ‘আমার মতো এতো সুখী, নয়তো কারো জীবন, কি আদর স্নেহ ভালোবাসায়, জড়ানো মায়ার বাধন, জানি এ বাঁধন ছিঁড়ে গেলে কভু, আসবে আমার মরণ…’ খালিদ হাসান মিলুর অসংখ্য জনপ্রিয় গানের মধ্যে একটি এই গান।

মিলুর গানটি মানুষ শোনেন এখনো। তবে ফায়ার সার্ভিসের কর্মী দীপুর খালি গলায় গাওয়া এই গান শুনেছেন এক কোটি ২০ লাখ মানুষ। অবিশ্বাস্য হলেও। ফেসবুকের ওই পেইজের মাধ্যমে ১২ মিলিয়ন বার শোনা হয়েছে গানটি।

দীপুর গানটি ভাইরাল হলেও দীপুর সবিস্তার পরিচয় জানা যায়নি। জানা যায়নি কোন ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে বসে তিনি গানটি গেয়েছেন। একটি ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে গানটি ভাইরাল হয়েছে। আর পেইজটিও চালানো হয় দেশের বাইরে থেকে।

উল্লেখ্য, সোশ্যাল মিডিয়ার আদলে দীপুর মতো হাজার হাজার মানুষ তাদের সোশ্যাল এক্টিভিটিসের মাধ্যমে তাদের মেধার বিকাশ করে থাকে এবং নিজেদের তুলে ধরে। 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

ইরাকে জেগে উঠেছে প্রায় সাড়ে তিন হাজার বছরের পুরাতন শহর


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ০৯ জুন, ২০২২, ১২:৪১
ইরাকে জেগে উঠেছে প্রায় সাড়ে তিন হাজার বছরের পুরাতন শহর

ফাইল ছবি: ইরাকে টাইগ্রিস নদীর পানি কমে হঠাৎ জেগে উঠা শহরটির ছবি

শহরটি প্রায় ৩ হাজার ৪০০ বছরের পুরাতন। তবে এত দিন পানির নিচে ছিল পুরো শহরটি। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বেড়েছে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন। দেখা দিয়েছে তীব্র খরা। এতে টাইগ্রিস নদীর পানি কমে হঠাৎ জেগে উঠতে শুরু করেছে প্রাচীন এই শহরটি। খবর ইউরো নিউজের

ইরাকের উত্তরাঞ্চলে এতোদিন টাইগ্রিস নদীতে ডুবে ছিল প্রাচীন এ শহরটি। প্রাচীন মেসোপটেমিয়া সভ্যতার নানা নিদর্শন ছড়িয়ে–ছিটিয়ে আছে দেশটিতে। ওই নদীতে পানির স্তর নেমে যাওয়ায় চলতি বছরের শুরু থেকে শহরটির বিভিন্ন স্থাপনা ধীরে ধীরে ভেসে উঠতে থাকে।

জার্মান ও কুর্দিশ প্রত্নতত্ত্ববিদেরা জানান, এটি প্রাচীন মিত্তানি সাম্রাজ্যের সময়কার একটি শহর। শহরটিতে একটি প্রাসাদ রয়েছে। আরও রয়েছে কয়েকটি বড় আকারের ভবন। ধারণা করা হচ্ছে, খ্রিষ্টপূর্ব ১৫৫০ থেকে ১৩৫০ সাল পর্যন্ত এই শহরটিতে মানুষ বসবাস করতো।

ইরাকের এই প্রাচীন শহরের খননকাজে যুক্ত রয়েছেন জার্মানির তুবিনজেন ইউনিভার্সিটির প্রত্নতত্ত্ববিদেরা। গতকাল মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বিশ্ববিদ্যালয়টি জানায়, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর একটি ইরাক। দেশটির মসুল অঞ্চলে কয়েক মাস ধরে উষ্ণ আবহাওয়া ও বাড়তি তাপমাত্রা বজায় রয়েছে। মসুল বাঁধের পানিও দ্রুত কমছে। এর জের ধরে টাইগ্রিস নদীর পানি শুকিয়ে যাওয়ায় মসুল–সংলগ্ন স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্তান অঞ্চলের কিমুনেতে অবস্থিত ব্রোঞ্জ যুগের প্রাচীন এই শহরের সন্ধান পাওয়া গেছে।

কুর্দিস্তান আর্কিওলজি অর্গানাইজেশনের চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ কাসিম, জার্মানির ফ্রেইবুর্গ ইউনিভার্সিটির প্রত্নতত্ত্ববিদ ইভানা পুলজিজি ও জার্মানির তুবিনজেল ইউনিভার্সিটির প্রত্নতত্ত্ববিদ পিটার পিফেলজনার ইরাকে ভেসে ওঠা প্রাচীন এই শহর নিয়ে গবেষণা শুরু করেছেন। তাঁদের দলের যৌথ উদ্যোগে খননকাজ পরিচালনা করা হচ্ছে।

প্রত্নতত্ত্ববিদেরা বলছেন, ভয়াবহ ভূমিকম্পের কারণে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল প্রাচীন শহরটি। সেটাও ১৩৫০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দের দিকে। পরে ধীরে ধীরে আস্ত শহরটি টাইগ্রিসে তলিয়ে যায়। এখন আবারও প্রাকৃতিক দুর্যোগের (খরা) কারণে ডুবিয়ে যাওয়া শহরটি আস্তে আস্তে জেগে উঠতে শুরু করেছে। সূত্র: প্রথম আলো

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ নেতা মিখাইল গর্বাচেভ আর নেই


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ৩১ আগষ্ট, ২০২২, ১১:১৪
সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ নেতা মিখাইল গর্বাচেভ আর নেই

ফাইল ছবি: মিখাইল গর্বাচেভ

সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ নেতা মিখাইল গর্বাচেভ আর নেই। মঙ্গলবার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৯১ বছর।

রুশ সংবাদ সংস্থার বরাতে বিবিসি ও রয়টার্স গর্বাচেভের মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছে। রাশিয়ার সেন্ট্রাল ক্লিনিকাল হাসপাতাল এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘গুরুতর ও দীর্ঘকালীন অসুখে ভুগে মিখাইল গর্বাচেভ আজ মারা গেলেন।’

রুশ বার্তা সংস্থা ইন্টারফ্যাক্স জানিয়েছে, গর্বাচেভের মৃত্যুতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন শোক জানিয়েছেন।

মিখাইল গর্বাচেভ বিশ্বে নন্দিত ও নিন্দিত দুটোই। এক সময়ের কমিউনিস্ট নেতা ছিলেন গর্বাচেভ। রাশিয়ায় দীর্ঘসময় ধরে চলা সমাজতন্ত্রের পতন হয়েছিল তার নেতৃত্বেই। ওই পতনের মধ্য দিয়ে বিশ্বে স্নায়ুযুদ্ধের অবসান ঘটে।

তাই সমাজতন্ত্রবাদীদের কাছে নিন্দিত গর্বাচেভ স্নায়ুযুদ্ধের অবসান ঘটানোর জন্য অনেকের কাছে নন্দিত। অনেক রুশ গর্বাচেভকে ঘৃণা করেন।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, পরাশক্তি থেকে রাশিয়াকে দুর্দশাগ্রস্ত দেশের কাতারে নিয়ে আসার জন্য অনেক রুশ এখনও গর্বাচেভকে ক্ষমা করতে পারেন নাই।

সোভিয়েত পতনের পর নিজেও ক্ষমতা হারান গর্বাচেভ।  এর পর পশ্চিমা দেশগুলোতে বক্তৃতা দিয়েই সময় পার করেছেন। ১৯৯৯ সালে স্ত্রী রাইসা গর্বাচেভের মৃত্যুতে অনেকটাই ভেঙে পড়েন তিনি।

১৯৯৬ সালে পরিবর্তিত রাশিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন গর্বাচেভ, তবে ভোট পেয়েছিলেন মাত্র ৫ শতাংশ।

রাশিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের এক সময় কড়া সমালোচক ছিলেন গর্বাচেভ। তবে ২০১৪ সালে পুতিনের নির্দেশে যখন ক্রিমিয়া দখল করে রাশিয়া, তখন তার পক্ষেই ছিলেন তিনি। গত বছর গর্বাচভের ৯০তম জন্মদিনে তাকে আবার প্রশংসায় ভাসিয়েছিলেন স্বয়ং পুতিন। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - অন্যান্য

সর্বোচ্চ পঠিত - অন্যান্য

অন্যান্য এর সব খবর