a
ফাইল ছবি
দেশে পৌঁছেছে চীন থেকে কেনা সিনোফার্মের আরো ৫০ লাখ ডোজ করোনা টিকার চালান।
গতকাল শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ১টার দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে এসব টিকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কর্মরত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ডা. শাহরিয়ার সাজ্জাদসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা টিকার চালান গ্রহণ করেন। আজ শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে ডা. শাহরিয়ার সাজ্জাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
টিকা বুঝে নেওয়ার পর তা সংরক্ষণের জন্য টঙ্গীর বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের সংরক্ষণাগারে পাঠানো হয় বলে জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এই কর্মকর্তা।
এর আগে বাংলাদেশকে দুই দফায় ১১ লাখ টিকা উপহার দিয়েছে চীন। প্রথম দফায় দিয়েছে পাঁচ লাখ ডোজ এবং দ্বিতীয় দফায় দিয়েছে ছয় লাখ ডোজ। গত ৩ জুলাই বাণিজ্যিকভাবে কেনা ২০ লাখ টিকার প্রথম চালান দেশে আসে। আর ১৭ জুলাই দ্বিতীয় দফায় আরও ২০ লাখ টিকা এসেছে। এরপর ৩০ জুলাই আসে আরো ৩০ লাখ টিকা।
সংগৃহীত ছবি
চীন সরকারের উপহার দেয়া করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সিনোফার্মের ১১ লাখ ডোজ টিকার প্রদান কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। আগামী শনিবার (১৯ জুন) থেকে সারাদেশে এ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।
এ টিকা দেশের সকল সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, জেলা সদর হাসপাতাল, সরকারি জেনারেল হাসপাতাল এবং ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের নির্দিষ্ট কেন্দ্র থেকে দেয়া হবে।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের লাইন ডাইরেক্টর (এমএমসি অ্যান্ড এ এইচ) ও সদস্য সচিব করোনা ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনা কমিটির পক্ষে ডাক্তার মো. শামসুল হক স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) এ তথ্য জানান।
ফাইল ছবি
বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে জো বাইডেন প্রশাসনের কাছে লেখা ছয় মার্কিন কংগ্রেসম্যানের চিঠির প্রতিবাদ জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসরত বাঙালিদের সংগঠন ‘কংগ্রেস অব বাংলাদেশি আমেরিকান ইনকরপোরেশন।’ সংগঠনটি পালটা চিঠি পাঠিয়ে তথ্যের সত্যতা চ্যালেঞ্জ করেছে।
চলতি বছরের ১৭ মে বাইডেন প্রশাসনের কাছে চিঠি পাঠান ছয় রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান ব্যারি মুর, টিম বার্চেট, ওয়ারেন ডেভিডসন, বব গুড, স্কট পেরি ও কিথ সেলফ। সেখানে বাংলাদেশের মানবাধিকার ও আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতি নিয়ে নানা অভিযোগ করা হয়।
ওই চিঠির প্রতিবাদে ২৬ আগস্ট ২৬৭ প্রবাসী বাংলাদেশির সই করা চিঠিতে উল্লিখিত তথ্যের সত্যতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘বাইডেন প্রশাসনের কাছে লেখা ছয় কংগ্রেসম্যানের চিঠিতে আমাদের জন্মভূমি সম্পর্কে মিথ্যা ও অসম্পূর্ণ তথ্য দেওয়া হয়েছে। এটি আমাদের অনুভূতিকে আহত করছে।’
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী, মার্কিন সরকারি উচ্চপদে কর্মরত বাংলাদেশি এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত তরুণরাই মূলত ওই সংগঠনের সদস্য।
উল্লেখ্য সংগঠনটি প্রায় একযুগ আগে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত হয় বলে জানানো হয়। সূত্র: যুগান্তর