a বিরোধীদের আটক ও হেফাজতে মৃত্যু দ্রুত পর্যালোচনার আহ্বান: জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার
ঢাকা শনিবার, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২, ৩০ আগষ্ট, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

বিরোধীদের আটক ও হেফাজতে মৃত্যু দ্রুত পর্যালোচনার আহ্বান: জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ, ২০২৪, ০৭:২৫
বিরোধীদের আটক ও হেফাজতে মৃত্যু দ্রুত পর্যালোচনার আহ্বান: জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

বাংলাদেশে বিরোধী দলের হাজার হাজার নেতা-কর্মী আটক ও হেফাজতে বেশ কয়েকজনের মৃত্যুর খবরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক। সেই সঙ্গে এসব ঘটনা দ্রুত পর্যালোচনার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (৪ মার্চ) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের ৫৫তম অধিবেশনে এমন প্রতিক্রিয়া জানান তিনি। পরে বিজ্ঞপ্তি আকারে তার কথা বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।

ভলকার তুর্ক বলেছেন, বাংলাদেশ নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন এই কারণে, বিরোধী দলের হাজার হাজার নেতা-কর্মী আটক রয়েছেন। গত অক্টোবর থেকে হেফাজতে বেশ কয়েকজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আমি যে কোনো ধরনের রাজনৈতিক সহিংসতার নিন্দা করলেও রাজনৈতিক সংলাপ ও সমঝোতাকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে এই সমস্ত ঘটনার দ্রুত পর্যালোচনার আহ্বান জানাচ্ছি।

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার আরও বলেন, বিচারব্যবস্থাকে ব্যবহার করে মানবাধিকারকর্মী, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দকে হয়রানি করার অভিযোগে আমি এখনো উদ্বিগ্ন। আমি আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কথিত গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের তদন্তকে উৎসাহিত করছি। সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

এখনই সময়, নতুবা কখনোই নয়: ড. শেখ আকরাম আলী


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বৃহস্পতিবার, ০৫ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০২:৪০
এখনই সময়, নতুবা কখনোই নয়: ড. শেখ আকরাম আলী

ছবি সংগৃহীত

 

নিউজ ডেস্ক: প্রতিটি মুহূর্ত এখন বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি জাতি এই সত্যটি বুঝতে ব্যর্থ হয়, তবে এমন দুর্ভোগ পোহাতে হবে যা আমাদের কাছে অজানা। সম্প্রতি আমরা বাংলাদেশিরা শুধু ফ্যাসিস্ট হাসিনা শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে নয়, তার প্রভু ভারতের বিরুদ্ধেও ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের মাধ্যমে এক ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করেছি।  

১৯৭৫ সালের নভেম্বরে এমন একটি বিপ্লবের অভিজ্ঞতা আমাদের হয়েছিল, যেখানে অভ্যন্তরীণ ও বহিরাগত শত্রুদের সম্মিলিত শক্তির বিরুদ্ধে বিজয় অর্জিত হয়। তবে এইবারের বিজয় নিঃসন্দেহে ভারত-হাসিনা যৌথ শক্তির বিরুদ্ধে একটি ইতিহাস গড়া অর্জন।  

১৯৭৫ সালের নভেম্বরে বিপ্লব এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের মধ্যে কিছু মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। ১৯৭৫ সালের বিপ্লবের পরবর্তী পরিস্থিতি এতটা কঠিন ছিল না, যতটা কঠিন বর্তমান বিপ্লবের পরবর্তী সময়। তখন ভারত এতটা শক্তিশালী ছিল না এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের এত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল না। কিন্তু এখন ভারত যথেষ্ট শক্তিশালী এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক দৃঢ়।  

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য হলো নেতৃত্ব। ১৯৭৫ সালে আমরা জিয়াউর রহমানের মতো একজন মহানায়ক পেয়েছিলাম, যিনি সেই বিপ্লবের ফসল। বর্তমানে ড. ইউনুসের মতো বিশ্ববিখ্যাত নেতা থাকলেও তিনি জিয়াউর রহমানের মতো নায়কোচিত গুণাবলী বহন করেন না। তাছাড়া তিনি বিপ্লবের ফসল নন; বরং একজন পছন্দের নেতা।  

বর্তমান বিপ্লবের পরবর্তী সময় জাতির জন্য এক বিশাল চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা এমন এক সংকটময় সময় অতিক্রম করছি, যা এক প্রকার যুদ্ধাবস্থার মতো। এই পরিস্থিতির মাঝে থেকে বিজয় অর্জনের কোনো বিকল্প নেই।  

প্রতিভার সন্ধান এখন জরুরি:
বর্তমানে দেশে প্রচুর সৎ, অভিজ্ঞ, প্রতিভাবান বিভিন্ন পেশাজীবির পাশাপাশি উদ্যমী অবসরপ্রাপ্ত বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা রয়েছেন, যারা দেশসেবার জন্য সদা প্রস্তুত। তাদের পেশাগত দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে কাজে নিয়োগ করা গেলে প্রশাসনে অনেকটা গতিশীলতা আনা সম্ভব।  

একজন অভিভাবক নেতার প্রয়োজন:
এই সংকটময় সময়ে জাতির অভিভাবক হিসেবে একজন অভিজ্ঞ যুদ্ধনায়ক প্রয়োজন, এবং ড. কর্নেল অলি আহমদ হতে পারেন সেই নেতৃত্বের সঠিক ব্যক্ত। তিনি একমাত্র জীবিত মুক্তিযোদ্ধা নায়ক, যিনি জাতির রক্ষাকর্তা জিয়াউর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন।  

বিপ্লবী সরকার গঠন:
বিপ্লবের পরে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনার জন্য এবং পরাজিত বাহিনীর সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার জন্য বিপ্লবী সরকার গঠন একটি ঐতিহাসিক ঐতিহ্য। বর্তমান সরকার নিজেদের বিপ্লবী সরকার হিসেবে ঘোষণা করতে পারে। এটি তাদের কাজে আরও গতিশীলতা আনবে এবং জনগণও বিপ্লবের সাফল্যের জন্য আরও উৎসাহিত হবে।  

সংস্কার ও ঐক্যের গুরুত্ব:  
শিক্ষা ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সংস্কার এখন অপরিহার্য, যা সময়ের সঙ্গে করা যেতে পারে। সংবিধান সংস্কারও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদসহ প্রেসিডেন্সিয়াল শাসনব্যবস্থায় যেতে পারি। জনগণের অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত করে এমন নতুন আইন প্রণয়নে বিচার বিভাগের মতামত থাকা উচিত। প্রয়োজনীয় সংস্কারের পরে যত দ্রুত সম্ভব জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত।  

জাতীয় ঐক্য এখন সবচেয়ে জরুরি। যদি জাতি বিএনপি নেতৃত্বাধীন জাতীয়তাবাদী শক্তির অধীনে ঐক্যবদ্ধ হয়, তবে যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব। পাশাপাশি জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ইসলামী শক্তির ঐক্যও সময়ের দাবি।  

জনগণের সম্প্রীতি রক্ষা:
দেশে যে কোনো সময় হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা বাধানোর প্রচেষ্টা হতে পারে। তবে হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা যে কোনো মূল্যে নিশ্চিত করতে হবে। জাতি যেন জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ থাকে। শান্তি বজায় রাখতে দেশের প্রতিটি এলাকায় নাগরিক কমিটি গঠন করা যেতে পারে।  

মিডিয়ার ভূমিকা:  
বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে মিডিয়াকে সঠিক পথে চলতে উৎসাহিত করা জরুরি। বিপ্লবের আগে যারা জনগণের বিরুদ্ধে কাজ করেছে, তাদের ছাড়া বাকিদের ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করতে হবে। মিডিয়াকে জনগণ ও দেশমুখী হতে হবে এবং জাতীয় ঐক্যের জন্য কাজ করতে হবে।  

কূটনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক:  
বহিরাগত হুমকি মোকাবিলায় কূটনীতি একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। চীনের মতো আন্তর্জাতিক শক্তি এবং পাকিস্তানের মতো আঞ্চলিক শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় করা এখন সময়ের দাবি। ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পেশাদারিত্বের ভিত্তিতে পরিচালিত হওয়া উচিত।  

এখনই সময় একটি নিরাপদ এবং নতুন বাংলাদেশ গড়ার। যদি আমরা এখন এটি করতে ব্যর্থ হই, ভবিষ্যতে আর কখনোই তা সম্ভব হবে না। দয়া করে জেগে উঠুন, ঐক্যবদ্ধ হোন এবং সরকারের হাত শক্তিশালী করুন। জনগণের ঐক্যই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। বিজয় আমাদের হবেই, ইনশাআল্লাহ।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

পাঁচটি রাষ্ট্রের সরকার প্রধানদের স্বাগতম জানিয়েছে বিএনপি


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ১৬ মার্চ, ২০২১, ০৯:১০
Mosharof

ফাইল ফটো: ড. মোশাররফ

পাঁচটি রাষ্ট্রের সরকার প্রধানদের ঢাকা সফরকে স্বাগত জানিয়েছে বিএনপি। মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের দলের পক্ষ থেকে এসব কথা বলেন ড. মোশারফ হোসেন।

তিনি বলেন, গত বছর মার্চ মাসে দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রামণ ও মৃত্যুর হার যে পরিমাণ ছিল এখন তার চাইতে বেশি। তারপরও যে দুঃসাহস করে বিদেশী মেহমানরা ঢাকা আসছেন তাতে আমরা স্বাগত জানাই। তবে বিদেশী মেহমানদের আগমন উপলক্ষে আমাদের সকল রাজনৈতিক ও সামাজিক অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়েছে ১০ দিনের জন্য এটা কাম্য নয়। 

ড. মোশাররফ বলেন, বিভিন্ন দেশের সরকার প্রধানরা অতীতেও এদেশে এসেছেন। সার্ক সম্মেলন হয়েছে ৭টি দেশের সরকার প্রধানগণ এসেছিলেন। তখন সেসব কর্মসূচি পালন করতে অন্যসব বন্ধ করে দেয়া হয়নি। এই খবর যদি অন্যান্য রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানরা জানেন তাহলে তারাও লজ্জা পাবেন। সেজন্য আমরা সরকারকে বলব, ১০ দিনের জন্য যেভাবে রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মসূচি পালন বন্ধ করে দিয়েছেন সেটা প্রত্যাহার করুন এবং  সব কিছু স্বাভাবিকভাবে চলতে দিন। স্বাভাবিক অবস্থায় বিদেশি মেহমানরা এদেশে আসুক, আমরা তাদের স্বাগত জানাই।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ড. মোশাররফ বলেন, ভারতের সঙ্গে আমাদের তিস্তা  পানির সমস্যা অনেক পুরনো এবং এসব বিষয়ে অনেক কথা হয়েছে। এর আগে যখন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ হয় তখন ভারত সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয় তিস্তা চুক্তির বিষয়ে তাদের কোনো আপত্তি নেই, তবে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকার এটাতে রাজি হচ্ছে না। আর এখন আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ১০ বছর আগে নাকি তিস্তাচুক্তির পাতায় পাতায় সই হয়ে রয়েছে। তাহলে এর মধ্যে কি রহস্য রয়েছে? 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - মতামত