a আজ জগন্নাথ দেবদের রথযাত্রা উৎসব
ঢাকা রবিবার, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২, ১৫ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

আজ জগন্নাথ দেবদের রথযাত্রা উৎসব


অমৃত রায়, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন:
সোমবার, ১২ জুলাই, ২০২১, ১২:১৬
আজ জগন্নাথ দেবদের রথযাত্রা উৎসব

ফাইল ছবি

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বারো মাসে তের পার্বন। গতকাল ১২ জুলাই, ২০২১, ২৭ আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ সোমবার রথযাত্রা উৎসব। এই উৎসব হিন্দুদের কাছে একটি পূণ্য তিথিও। এই পূণ্য তিথিতে শ্রীজগন্নাথ ধামপুরী ছাড়াও বাংলাদেশ সহ ভারতবর্ষের বিভিন্ন জায়গায় পালিত হয়।

হিন্দুদের বিশ্বাস রথের দড়ির স্পর্শ করলে (দড়ি টানলে) পূণ্য লাভ হয়। শাস্ত্রমতে রথযাত্রার পূণ্য তিথিতে যে কোনও কাজ শুরুর ক্ষেত্রে শুভ।

তবে করোনা মহামারীর কারণে  এ ঐতিহ্যবাহী উৎসবে আমেজ প্রায় শূন্য। সারাদেশের মন্দির প্রাঙ্গণেই সীমিত পরিসরে এবং যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে রথটানা ও অন্য ধর্মীয় অনুষ্ঠানমালা আয়োজিত হবে। করোনার কারণে গতবছরও অনুরূপভাবে সীমিত পরিসরে রথযাত্রা উৎসব উদযাপিত হয়েছিল।

বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নির্মল কুমার চ্যাটার্জী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, সীমিত পরিসরে রথযাত্রা আয়োজন বিষয়ে সারাদেশের পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতাদের নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী, কেবল মন্দির পরিচালনা কমিটির সদস্যদের অংশগ্রহণে ও ধর্মীয় রীতিনীতি অনুযায়ী মন্দিরের ভেতরে রথটান ও পুজোসহ অন্যান্য ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে। স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে মন্দিরের বাইরে কোন ধরনের শোভযাত্রা কিংবা ভক্ত সমাবেশ করা হবে না।

প্রতিবছর চন্দ্র আষাঢ়ের শুক্লপক্ষের তৃতীয়া তিথিতে এই রথযাত্রা শুরু হয়। এর নয়দিনের মাথায় অনুষ্ঠিত হয় উল্টো রথযাত্রা। এবারের উল্টো রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২০ জুলাই। রথযাত্রার মতো উল্টো রথযাত্রাও উদযাপিত হবে সীমিত পরিসরে।

জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উৎসব উপলক্ষে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণ ভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) ঢাকা’র সীমিত পরিসরের অনুষ্ঠানমালা আজ শুরু হচ্ছে। ইসকনের স্বামীবাগ আশ্রম মন্দিরের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব মেনে বিশ্বশান্তি ও মঙ্গল কামনায় অগ্নিহোত্র যজ্ঞ ও সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে দুপুর ১২টায় মন্দিরের ভেতরেই রথটান অনুষ্ঠিত হবে। ২০ জুলাই উল্টো রথযাত্রাও একইভাবে আয়োজিত হবে।

ধামরাইয়ের ঐতিহ্যবাহী যশোমাধবের রথযাত্রাও সীমিত পরিসরে আয়োজিত হবে। এছাড়া পুরান ঢাকার তাঁতীবাজারের জগন্নাথ জিউ ঠাকুর মন্দির, জয়কালী রোডের রামসীতা মন্দির এবং শাঁখারীবাজার একনাম কমিটিসহ রাজধানীর অন্যান্য মন্দির ও দেশের বিভিন্ন মন্দিরেও সীমিত পরিসরে রথটান অনুষ্ঠিত হবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

মুমিনের ভাবনায় নতুন বছর


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
রবিবার, ০২ জানুয়ারী, ২০২২, ১০:১৭
মুমিনের ভাবনায় নতুন বছর

প্রতিকী ছবি

দিন শেষে রাত আসে। রাতের অপেক্ষা ফুরায়। আবার রাত শেষে দিন আসে। দিনের অপেক্ষা ফুরায়। মাস ফুরিয়ে নতুন মাস আসে, বছর ফুরিয়ে আসে নতুন বছর। এভাবেই একসময় দেখতে দেখতে আমাদের জীবনটাও ফুরিয়ে যাবে। পাড়ি জমাতে হবে অন্ধকার গহিন কবরের শেষ ঠিকানায়। সময়ের পালা-বদলে পুরনো একটি বছরকে বিদায় জানিয়ে আগমন করেছে নতুন আরেকটি বছর। নতুন বছর ঘিরে নানা জনের নানা ভাবনা থাকে।

এ ক্ষেত্রে একজন মুমিনের ভাবনা হলো, আমার জীবনের মূল্যবান একটি অংশ চলে গেছে। আমি মৃত্যুর আরও কাছাকাছি পৌঁছে গেছি। কারণ আল্লাহ মানুষকে সুনির্দিষ্ট একটি সময় দিয়ে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। এ সময়ের কোনো হেরফের বা কমবেশি হবে না। যার জন্য যতটুকু সময় নির্ধারিত, ততটুকু ফুরিয়ে গেলেই জীবন শেষ হয়ে মৃত্যুর ডাক এসে যাবে।

কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘যখন কারও নির্ধারিত সময় উপস্থিত হবে তখন আল্লাহ তাকে কিছুতেই অবকাশ দেবেন না। তোমরা যা কিছুই কর আল্লাহ সে সম্পর্কে সবিশেষ অবহিত।’ সুরা মুনাফিকুন।

তাই একটি বছরের উপসংহারে দাঁড়িয়ে মুমিনের মানসপটে প্রশ্ন উত্থাপিত হয় যে একটি বছর তো আমি শেষ করেছি, কিন্তু যে মহান উদ্দেশ্যে আল্লাহ আমাকে এ পৃথিবীতে পাঠালেন যেমনটি তিনি কোরআনে বলেছেন ‘আমি জিন ও মানুষকে কেবল এজন্যই সৃষ্টি করেছি যে তারা আমার ইবাদত করবে।’ সুরা জারিয়াত।

সে পথে আমি কতটুকু অগ্রসর হয়েছি? জীবনের চূড়ান্ত গন্তব্য জান্নাতের দিকে কতটা এগিয়ে যেতে পেরেছি? এর জন্য পাথেয় সংগ্রহ করেছি কতটুকু? নাকি এখনো উদাসীনতার আবর্তে ঘুরপাক খাচ্ছি?

কোরআনে আল্লাহ এমন লোকদের উদ্দেশ করে বলেন, ‘যারা ইমান এনেছে তাদের কি এখনো সময় হয়নি আল্লাহর স্মরণে এবং যে সত্য অবতীর্ণ হয়েছে তাতে তাদের অন্তর বিগলিত হবে?  তারা কি তাদের মতো হবে না, যাদের আগে কিতাব দেওয়া হয়েছিল। এরপর যখন তাদের ওপর দিয়ে দীর্ঘকাল অতিক্রান্ত হলো, তখন তাদের অন্তর শক্ত হয়ে গেল এবং আজ তাদের অধিকাংশই অবাধ্য।’ সুরা হাদিদ।

অতএব নতুন বছরে একজন মুমিনের কর্তব্য হলো বিগত বছরের ভুলত্রুটি সংশোধন করা এবং সেগুলোর জন্য তওবা করে নতুন বছরে নির্ভুল ও পাপমুক্ত জীবনযাপনের জন্য প্রত্যয়ী হওয়া। পরকালে আল্লাহর সামনে হিসাব-নিকাশের মুখোমুখি হওয়ার আগে পৃথিবীতেই জীবনের হিসাব-নিকাশ করে নেওয়া। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

লেখক: মাওলানা মাহমূদ হাসান তাসনীম, ইসলামবিষয়ক গবেষক।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আইনজীবীদের আবারও আদালত বর্জনের ঘোষণা


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
মঙ্গলবার, ০৭ ফেরুয়ারী, ২০২৩, ০৯:৩৮
আইনজীবীদের আবারও আদালত বর্জনের ঘোষণা

ফাইল ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আইনজীবীরা আবারও আদালত বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জেলা আইনজীবী সমিতির সভা শেষে এ ঘোষণা দেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি তানভীর ভূঞা।

তিনি বলেন, আইনমন্ত্রীর আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা দুইটি আদালত ছাড়া বাকি আদালতে যাওয়া শুরু করেছিলাম। আমরা বিশ্বাস করি না তিনি মিথ্যা আশ্বাস দিয়েছেন। আমরা ধরে নিয়েছি তিনি অপারগ। তাই তিনি বলতে পারছেন না। কিন্তু আইনজীবীরা তা মানতে পারছেন না। এ কারণে ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সকল আদালত বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন আইনজীবীরা।

তিনি আরও বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার, পুরাতন কাচারি এলাকায় সম্পদ সংরক্ষণ, দুই বিচারকের অপসারণ ও নাজির মোমিনের শাস্তির দাবি মানা না হলে আইনজীবীরা তাদের আন্দোলন অব্যাহত রাখবে।

সর্বশেষ কর্মসূচি অনুযায়ী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আইনজীবীরা জেলা ও দায়রা জজ এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর আদালত বর্জন কর্মসূচির ঘোষণা দেন। ১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ সভা করে আইনজীবীরা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

১ ডিসেম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এ আইনজীবীরা মামলা দাখিল করতে গেলে বিচারক মোহাম্মদ ফারুক মামলা না নিয়ে আইনজীবীদের সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ করেন আইনজীবীরা। এ ঘটনায় ২৬ ডিসেম্বর সমিতির সভা করে আইনজীবীরা ১ জানুয়ারি থেকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মোহাম্মদ ফারুকের আদালত বর্জনের ঘোষণা দেয়। এদিকে বিচারকের সঙ্গে অশোভন আচরণের অভিযোগে ৪ জানুয়ারি কর্মবিরতি পালন করেন আদালতের কর্মচারীরা। এ অবস্থায় জেলা জজ, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ ও আদালতের নাজির মোমিনুল ইসলামের অপসারণ চেয়ে ৫ জানুয়ারি থেকে আদালত বর্জনের লাগাতার কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন আইনজীবীরা। ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আইনজীবীদের দাবি পূরণ না হলে ওইদিন বিশেষ সাধারণ সভা করে সব আদালত বর্জনের মতো কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানানো হয়েছিলো। সাধারণ সভায় উপস্থিত আইজীবীদের মতামতের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

এছাড়াও বিচারকের সঙ্গে অশোভন আচরণ ও অশালীন শ্লোগান দেওয়ার অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আইনজীবী সমিতির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ২৪ আইনজীবীকে দু’দফায় তলব করেছেন উচ্চ আদালত। এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আইনজীবীদের সঙ্গে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বৈঠকের পর দুটি আদালত বাদে বর্জনের কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - ধর্ম

সর্বোচ্চ পঠিত - ধর্ম

ধর্ম এর সব খবর