a
সংগৃহীত ছবি
গতকাল ৭মে শুক্রবার আল আকসা মসজিদে নামাজের উদ্দেশ্যে জড়ো হওয়া হাজার হাজার ফিলিস্তিনিদের উপর ভয়াবহ তান্ডব চালিয়েছে ইসরায়িলি সেনাবাহিনী।
নির্বিচার গুলিতে আহত হয়েছে অন্তত ১৮০ জন ফিলিস্তিনি। এর মধ্যে ৮০ জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছে রেড ক্রিসেন্ট। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে জুমাতুল বিদার পর থেকেই ইসরায়িলি দখল দারিত্বের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করা হয় শেখ জাররাহসহ পুর্ব জেরুজালেমের বিভিন্ন স্থানে।
ইফতারের পর রমজানের বিজোড় রাত্রিতে লাইলাতুল কদর সন্ধানে নামাজ আদায় করার জন্য আল আকসা মসজিদে একত্রিত হয় হাজার হাজার ফিলিস্তিনিরা। এসময় তাদের উপর পশুর মত হামলে পড়ে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর একটি দল। এমনকি যারা নামাজে ছিলেন তারাও এ হামলা থেকে রক্ষা পায়নি।
নামাজে আসা মুসুল্লিদের লক্ষ্য করে চালানো হয় গুলি এবং তাদেরকে মসজিদ থেকে পিটিয়ে বের করে দেওয়া হয়। তাদের উপর ছোড়া হয় বেশ কিছু টিয়ারশেল। এই সময় কয়েকজন ফিলিস্তিনিকে আটকও করা হয়।
ফাইল ছবি
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেছেন, কয়েক দিন আগে একজন প্রতিমন্ত্রীকে বলতে শুনলাম, "আমি রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দিয়ে দেব। সংসদে তুলব।" সাঈদ খোকন বলেন, ইসলাম থেকে নিজেকে ত্যাগ করে দেখেন দুই দিন মন্ত্রী থাকতে পারেন কি না।
গত শনিবার (১৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ জমিয়তে আহলে হাদিসের দশম বর্ধিত কেন্দ্রীয় কাউন্সিল অধিবেশন ও নবম কেন্দ্রীয় জেনারেল কমিটির পঞ্চম সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এসময় সাঈদ খোকন আরও বলেন, তিনি কিন্তু মুসলমান। নামও মুসলমান।
ঢাকার আশুলিয়ার বাইপাইলে ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজির ক্যাম্পাসে বাংলাদেশ জমিয়তে আহলে হাদিসের আহ্বায়ক ও সাবেক আইজিপি বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ রুহুল আমীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আলহাজ এ কে এম রহমতুল্লাহ। প্রফেসর ড. দেওয়ান আবদুর রহীম ও সাবেক সচিব এম এ সবুরসহ জমিয়তে কাউন্সিলরবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সাঈদ খোকন বলেন, আপনি ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম থেকে বাদ দিয়ে দেবেন? আপনি কি দলীয় ফোরামে আলোচনা করেছেন? আপনি একজন প্রতিমন্ত্রী। মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনা করেছেন? আপনি একজন সংসদ সদস্য। স্থায়ী কমিটিতে আলোচনা করেছেন? কোনো ফোরামেই করেননি। কিন্তু বলে দিলেন- রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম মানি না, এটা বাদ। সরকারের অনুমতি নেননি, দলের অনুমতি নেননি, প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি নেননি। একটা কথা বলে দিলেন। এ দায়িত্ব কি দল নেবে? এ দায়িত্ব কি সরকার নেবে?
সাঈদ খোকন বলেন, এটা কি মুসলমানের কাজ হলো? কোনো মুসলমান এটা করতে পারে? রাষ্ট্র তো দূরের কথা। রাষ্ট্র তো অনেক বড় ব্যাপার। ১৭ কোটি মুসলমানের দেশ। ৯৫ শতাংশ মুসলমান। রাষ্ট্র তো অনেক দূরের ব্যাপার। সাহস থাকলে বলেন না-আমি ইসলাম থেকে নিজেকে খারিজ করে দিলাম। কলিজার পাটা যদি থাকে তাহলে ‘আমি ইসলাম মানি না’ বলে খারিজ হয়ে যান। আপনাকে কে আটকাবে?
তিনি বলেন, নিজেকে মুসলমান দাবি করেন আবার ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বলবেন। মানুষ চিৎকার করলে বলবেন মানুষ চেঁচামেচি করে। এটা কী রকম কথা?
আমি বলি এরা নামে মুসলমান। অনেকেই আছেন নামে মুসলমান। আসলে এরা ইসলামের বিরুদ্ধে কাজ করে। আরে তোমার ইসলাম ভালো না লাগলে ছেড়ে চলে যাও। কেউ তোমারে রাইখা দেবো না বাইন্দা। এ দেশে কোটি কোটি মুসলমান আছে। তুমি দুই চার জন (ইসলাম থেকে) চলে গেলে কী আসবে আর যাবে? কিন্তু দাবি করবা মুসলমান আর ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বলবা এইটা আমরা মানব না। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
সংগৃহীত ছবি
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়া শেষ করেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে।
আজ শনিবার (৩ জুলাই) দুপুরে জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, মানুষ ঈদুল ফিতরে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে গ্রামে যাওয়ার ফলেই করোনা সংক্রমণ এতটা বেড়েছে। গত ঈদে নিষেধ করা সত্ত্বেও মানুষ বাড়ি গিয়েছিল, তখন সরকারের কথা শুনলে এখন হয়তো পরিস্থিতি এতটা খারাপ হতো না বা সংক্রমণও এতটা বাড়ত না।
প্রধামন্ত্রী বলেন, টিকার জন্য সব দেশের সঙ্গেই যোগাযোগ করা হচ্ছে। আমরা দেশের ৮০ শতাংশ মানুষকে টিকা দেব। যত বেশি মূল্যই হোক না কেন জনগণ বিনামূল্যেই পাবেন করোনার টিকা।