a
ফাইল ছবি
পবিত্র কোরআনে বর্নিত যাক্কুম গাছ যা দেখতে মারাত্মক ভয়াবহ। তাফসিরে এসেছে এই গাছ জাহান্নামীদের খাদ্য হিসেবে দেওয়া হবে। এই গাছ সৌদি আরবের তায়েফ অঞ্চলে দেখা যায়।
মক্কা থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরে তাইফ শহর অবস্থিত। সে শহরটি চারদিকে শীতল পাহাড় দ্বারা বেষ্টিত। এখন এই অঞ্চলে যাক্কুম গাছও সমৃদ্ধ হচ্ছে। এটি প্রচুর বড় বড় তীক্ষ্ণ কাঁটযুক্ত একটি গাছ। পবিত্র কুরআনে সুরা আল-ওয়াকিয়াহ এর ৫২ নং আয়াতে বলা হয়েছে, এই গাছের ফল হবে জাহান্নাম বাসীদের জন্য খাদ্য স্বরূপ। "লায়া'কিলুনা মিন সাজারীম মিন যাক্কুম' অর্থাৎ-"তোমরা অবশ্যই যাক্কুম গাছ থেকে খাবে"
সুরা সাফফাতে আল্লাহ আরো বলেন, (62) إِنَّا جَعَلْنَاهَا فِتْنَةً لِّلظَّالِمِينَ (63) إِنَّهَا شَجَرَةٌ تَخْرُجُ فِي أَصْلِ الْجَحِيمِ (64) طَلْعُهَا كَأَنَّهُ رُءُوسُ الشَّيَاطِينِ (65) فَإِنَّهُمْ لَآكِلُونَ مِنْهَا فَمَالِئُونَ مِنْهَا الْبُطُونَ (66) ثُمَّ إِنَّ لَهُمْ عَلَيْهَا لَشَوْبًا مِّنْ حَمِيمٍ (67) ثُمَّ إِنَّ مَرْجِعَهُمْ لَإِلَى الْجَحِيمِ (68)
অর্থাৎ, আপ্যায়নের জন্য কি এটিই উত্তম না যাক্কুম বৃক্ষ? সীমালংঘনকারীদের জন্য আমি এ সৃষ্টি করেছি পরীক্ষাস্বরূপ। এ বৃক্ষ জাহান্নামের তলদেশ হতে উদগত হয়, এর মোচা শয়তানের মাথার মত সীমালংঘনকারীরা তা ভক্ষণ করবে এবং তা দিয়ে উদর পূর্ণ করবে। তার উপর অবশ্যই ওদের জন্য ফুটন্ত পানির মিশ্রণ থাকবে। অতঃপর অবশ্যই ওদের প্রত্যাবর্তন হবে জাহান্নামের দিকে। (স্বা-ফ্ফাতঃ ৬২-৬৮)
এছাড়া আল্লাহ তায়ালা বিভিন্ন সুরায় উল্লেখ করেছেনঃ * সূরা আল-ইসরা এর ৬০ নং আয়াতে। * সূরা আদ-দুখান এর ৪৩ নং আয়াতে * এবং সূরা আল-ওয়াকিয়াহ এর ৫২ নং আয়াতে সহ মোট ৮ বার ব্যবহৃত হয়েছে।
এই খাবার মূলত জেনাকারী বা ব্যভিচারী স্ত্রী-পুরুষদের খাওয়ানো হবে। আল্লাহপাক আমাদের সকলকে জেনা ব্যভিচার থেকে হেফাজত করুন-আমীন।
ফাইল ছবি
মদিনার মসজিদে কুবার সাবেক ইমাম শায়খ ড. মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ জুরবান আল গামিদি ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
শনিবার (৭ আগস্ট) মসজিদে নববিতে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে জান্নাতুল বাকিতে তাকে দাফন করা হয়।
বিখ্যাত কুবা মসজিদে ইমাম ও দায়ি হিসেবে অনেক বছর দায়িত্ব পালন করেন শায়খ মুহাম্মদ। পাশাপাশি তিনি মদিনার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি সবার কাছে অত্যন্ত প্রিয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন। খুবই বিচক্ষণ ও গভীর জ্ঞানের অধিকারী একজন ইসলামী ব্যক্তিত্ব ছিলেন। সামাজিক কাজে নেতৃত্বচর্চার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আবেগঘন ভাষায় বক্তৃতা প্রদান করতেন তিনি।
তার মৃত্যুতে মসজিদে কুবার বর্তমান ইমাম অধ্যাপক ড. সুলাইমান বিন সলিমুল্লাহ আল রাহিলি এক টুইট বার্তায় বলেন, ‘আমার প্রিয় গুরু ও শিক্ষক শায়খ মুহাম্মদ বিন জুরবান আল গামিদি মারা গেছেন। তিনি উচ্চমাধ্যমিক স্তরে আমাদের প্রিয় শিক্ষক ছিলেন।’
ফাইল ছবি
করেছে রাশিয়া। ইউক্রেনীয় বাহিনীর অবস্থানে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী। শুধু গতকাল রোববারই পূর্বাঞ্চলে ইউক্রেনীয় বাহিনীর প্রায় ৪০০টি অবস্থানে গোলাবর্ষণ করা হয়েছে। রাত্রিকালীন ভাষণে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এসব কথা বলেছেন। খবর রয়টার্সের।
চলতি মাসে দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খেরসন থেকে নিজেদের বাহিনী প্রত্যাহার করে নেয় রাশিয়া। এসব সেনার কিছু অংশকে পূর্বাঞ্চলীয় দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়। শিল্পাঞ্চলটি দনবাস হিসেবে পরিচিত।
জেলেনস্কি বলেন, ‘দোনেৎস্ক অঞ্চলে আগের মতো ভয়াবহ লড়াই চলছে। যদিও বিরূপ আবহাওয়ার কারণে আজ তুলনামূলক কম হামলা হয়েছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এখনো রুশ গোলাবর্ষণের পরিমাণ অনেক বেশিই হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘লুহানস্ক অঞ্চলে লড়াইয়ের সময় আমরা ধীরে এগোচ্ছি। আজ দিন শুরুর পর পূর্বাঞ্চলে এখন পর্যন্ত ৪০০ গোলা হামলার ঘটনা ঘটেছে।’
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেন, দক্ষিণাঞ্চলে দখলদারদের সম্ভাবনাকে অব্যাহত ও খুব সুচিন্তিতভাবে ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু বলেননি।
গতকাল দিনের শেষ দিকে জেলেনস্কি প্রশাসনের উপপ্রধান কিরিলো তিমোশেঙ্কো বলেন, দক্ষিণ ইউক্রেনের খেরসন অঞ্চলে একটি আবাসিক ভবনে গোলাবর্ষণ করেছে রুশ বাহিনী।
রুশ বাহিনী সরে গেলে সম্প্রতি আঞ্চলিক রাজধানী খেরসন শহরের ফের নিয়ন্ত্রণ নেয় ইউক্রেনীয় বাহিনী। তবে সেখানে বিদ্যুৎ না থাকায় পানির সংকট দেখা দিয়েছে। শীতে ঘর গরম রাখারও কোনো ব্যবস্থা নেই।
আগের দিন কিয়েভ দাবি করেছিল, দক্ষিণাঞ্চলে দূরপাল্লার গোলা হামলায় প্রায় ৬০ জন রুশ সেনা নিহত হয়েছেন। চার দিনের মধ্যে দ্বিতীয়বার একক হামলায় রুশ বাহিনীর মধ্যে ব্যাপক হতাহতের এমন দাবি করেছে ইউক্রেনীয় বাহিনী। সূত্র: প্রথম আলো