a
ফাইল ছবি
ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা ঘটেছে সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলীয় আসির প্রদেশে। এতে অন্তত ২০ ওমরাহযাত্রী নিহত হয়েছেন। একইসঙ্গে আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২৯ জন। খালিজ টাইমস, গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় সোমবার (২৭ মার্চ) সৌদির দক্ষিণাঞ্চলীয় আসির প্রদেশের আকাবা শার নামক স্থানে একটি সেতুর সঙ্গে যাত্রীবাহী একটি বাসের সংঘর্ষ হয় এবং উল্টে গিয়ে এটিতে আগুন ধরে যায়। হতাহতরা ওমরাহ পালন করতে মক্কায় যাচ্ছিলেন। ব্রেকজনিত সমস্যার কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।
দুর্ঘটনার পর রেড ক্রিসেন্ট দলসহ জরুরী পরিষেবা সংস্থাগুলো দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতের উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করেন। একইসঙ্গে তারা এলাকাটি ঘিরে রাখে।
রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আল-এখবারিয়া হতাহতের সংখ্যা নিশ্চিত করে বলেছে, নিহতদের মধ্যে বিভিন্ন দেশের নাগরিক রয়েছেন। তবে তারা কোন দেশের নাগরিক এবং পরিচয় কী তা তাৎক্ষণিক প্রকাশ করা হয়নি। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ছবি
বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর কাছে খুতবা পাঠ পৌঁছে দিতে সৌদি আরব সরকার বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এবার আরাফার বিস্তৃত প্রাঙ্গণে হাজিদের উদ্দেশ্যে হজের যে খুতবা পাঠ করা হবে সেখানে বাংলাসহ ১০টি ভাষায় অনুবাদ করা হবে।
সেখানে দু’টি প্লাটফর্মে সেটি সম্প্রচার করা হবে বলে জানিয়েছেন সৌদির পবিত্র দুই মসজিদের পরিচালনা বিভাগের প্রধান শায়খ ড. আবদুর রহমান আল সুদাইস।
যে সকল ভাষায় সম্প্রচারিত হবে সেগুলো হলো- বাংলা, ইংরেজি, ফ্রেন্স, তুর্কি, মালাইউ, চায়নিজ, উর্দু, ফার্সি, রাশিয়ান ও হাউসা। শায়খ ড. আবদুর রহমান আল সুদাইস, ইসলামের সুমহান বার্তা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দুই পবিত্র মসজিদের খাদেম কর্তৃক গৃহীত হারামাইন শরীফাইন ও আরাফা'র খুতবার তাৎক্ষণিক অনুবাদ প্রকল্পের অংশ হিসেবে, মসজিদে হারাম ও মসজিদে নববী পরিচালনা পরিষদ (আর রিয়াসা আল আম্মা) জানিয়েছে, উক্ত খুতবা বিশ্বের এই দশটি ভাষায় সরাসরি (লাইভ) সম্প্রচার করা হবে।
চলতি বছরে আরাফার দিনের খুতবা দেবেন মক্কার মসজিদুল হারামের ইমাম ও খতিব শেখ ড. বন্দর বিন আবদুল আজিজ বালিলা। রাজকীয় এক ডিক্রির মাধ্যমে সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান এই নির্দেশ জারি করেন।
গ্র্যান্ড মসজিদের ইমামের দায়িত্ব ছাড়াও শেখ বন্দর কাউন্সিল অব সিনিয়র স্কলার্সেরও সদস্য। আরাফার দিনে খুতবার দায়িত্ব দেয়ার পর সৌদি বাদশাহ সালমানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন শেখ বন্দর বালিলা।
করোনাকালে দ্বিতীয় বারের মতো সীমিত সংখ্যক হাজিদের অংশগ্রহণে হজ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। গতকাল শনিবার (১৭ জুলাই) থেকে সৌদির বিভিন্ন স্থান থেকে হাজিরা মক্কার মসজিদুল হারামে এসে তাওয়াফ শুরু করেছেন। এবারের জিলহজ মাসের নবম দিন আরাফার দিন অনুষ্ঠিত হবে পবিত্র হজ। সূত্র: দ্যানিউজগ্লোরি।
ফাইল ছবি
কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চকরিয়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী মাইক্রোবাস পুকুরে পড়ে ঘটনাস্থলেই নারী ও শিশুসহ ৭জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো ৪জন।
রোববার সকাল ১০টার দিকে চকরিয়া পৌরসভার কমিশনার পাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা হয়।
নিহতরা হলেন- চকরিয়ার ইসমাইল হোসেনের স্ত্রী হাজেরা বেগম (৪০), কক্সবাজারের কোনাপাড়া এলাকার প্রদীপের স্ত্রী পূর্ণিমা (৩৫), তার চার বছরের ছেলে স্বার্থক, চকরিয়ার রাম মাস্টারের ছেলে রতন বিজয় (৫০), তার স্ত্রী মধুমিতা (৪৫) ও কক্সবাজারের কোনাপাড়ার মৃত সঙ্করের স্ত্রী রানি রুদ্র (৬৫)। এছাড়া আনুমানিক ২৫ বছর বয়সী মৃত আরেক নারী রয়েছেন। তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সহায়তায় হতাহতদের উদ্ধার করে প্রথমে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। নিহতদের লাশ সেখানে রাখা হয়েছে। তবে আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ডা: ফয়সাল এ তথ্য জানিয়েছেন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, কক্সবাজার থেকে যাত্রী নিয়ে মাইক্রোবাসটি চট্টগ্রাম যাচ্ছিল। সড়ক ১০টার দিকে চকরিয়ার পৌরসভার কমিশনার পাড়া এলাকায় এসে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ে গেলে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।