a
ফাইল ছবি
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় কিছু কিছু জায়গায় মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। এ কারণে দেশের বেশ কিছু এলাকার নৌবন্দরকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এদিকে এ বৃষ্টিতে ইতোমধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় রাস্তায় পানি জমে গেছে।
আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক বলেন, ‘এই বৃষ্টি সারাদিনই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হতে পারে। তবে কোথাও টানা বৃষ্টি হবে না।’ আগামীকাল এই বৃষ্টি কমে আসতে পারে বলে জানান।
আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ বিহার, পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে ।
আগামী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়; ঢাকা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এর ফলে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। সূত্র: ইত্তেফাক
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সাইফুল আলম, ঢাকা: মাননীয় কৃষি উপদেষ্টা মহোদয় এর দৃষ্টি আকর্ষণে ১০ দফা দাবিসূমহ নিয়ে লং মার্চ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলন করে কৃষক ঐক্য পরিষদ বাংলাদেশ।
আজ ২৭/০৪/২০১৫ ইং বিকাল তিনটায় জাতীয় প্রেসক্লাব ঢাকার তৃতীয় তলায় মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খা হলে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ বলেন, জুলাই-আগস্ট ২০২৪ এর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রদর্শন ও বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। ছাত্র জনতার আন্দোলনের ফসল বিগত পতিত সরকারের অবসান পরবর্তী আপনার ও আপনাদের মত ব্যক্তিত্বকে রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে পেয়ে আমরা বাংলাদেশের আপমর কৃষক সমাজ আনন্দিত ও গর্বিত। আপনাদের শক্তিশালী ও দৃঢ় নেতৃত্বে দেশের কৃষি খাতকে আগামী দিনের কৃষি অর্থনীতিতে শক্তিশালী বুনিয়াদ তৈরি করবে বলে আমরা কৃষক সমাজ বিশ্বাস করি। কিন্তু আপনাকে সম্মানের সহিত জানাতে চাই যে, আমাদের কৃষির উপর বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার দুই তৃতীয়াংশ নির্ভরশীল কিন্তু কৃষকরা এখনও অবহেলিত ও ন্যায্য অধিকার বঞ্চিত।
কৃষিই আমাদের একমাত্র অবলম্বন। কিন্তু অতীব দুঃখের বিষয় এই যে আমরা সবসময়ই আমাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্যে পাই না। আমরা লক্ষ্য করেছি যে কৃষি পণ্য বিপণনে অরাজক পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং স্থানীয় পর্যায়ে ফড়িয়া, পরিবহন সংশ্লিষ্ট লোকজনের অসহযোগিতা এবং মজুদকারী চক্রের তৎপরতায় আমরা আমাদের বিনিয়োগকৃত পুঁজি হারিয়ে ফেলছি।
সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা যৌক্তিক কতগুলো দাবিগুলো তুলে ধরেন। দাবীগুলো হল-
১) আলু, পেয়াঁজ কমিশন গঠন, উপজেলা ভিত্তিক কাচাঁমাল সংরক্ষনাগার ও রপ্তানী কেন্দ্র স্থাপন করা।
২) ঢাকাসহ সারাদেশে কৃষকের বাজার স্থাপন করা।
৩) কৃষি প্রনোদনা ও কৃষিঋণ বিতরণ সহজ করা ও সরকারিভাবে ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা বৃদ্ধি করা।
৪) সিন্ডিকেট মুক্ত করে উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা।
৫) কৃষিপণ্য পরিবহনে চাঁদাবাজি, টোলপ্রথা বাতিল করা ও কৃষিপণ্য পরিবহনে রেল বগি বরাদ্দ করা।
৬) কৃষকদের জন্য খাস ও পতিত জমি বরাদ্দ করা সহ কৃষকদের জন্য বিশেষ ভাতা চালু করা ।
৭) সরকারীভাবে কৃষিবীমা চালু করা ও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা।
৮) সরকারী হাসপাতালে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে, বেসরকারী হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ৫০ ভাগ ছাড়ে চিকিৎসা সেবা প্রদান নিশ্চিত করা।
৯) জাতীয় সংসদ,অন্যান্য জাতীয় কমিটি, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মাসিক সভায় অনুপাতিকহারে কৃষক প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করা।
১০) বীজ ও সার সিন্ডিকেট মুক্ত করে ডিলারদের ছয় মাসের প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করা, প্রযুক্তি ও অ্যাপস আধুনিকায়ন ও বাস্তবমুখী করা।
এমতাবস্থায় সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে উপরোক্ত বিষয়ে আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। অতএব মহোদয় সমীপে আকুল আবেদন এই যে, দেশের কৃষকদের অভিভাবক হিসেবে অধিকার বঞ্চিত কৃষক ও কৃষিজীবী বিপুল জনগোষ্ঠীর স্বার্থে কৃষি পণ্যের ন্যায্য মূল্যে ও উপরোক্ত দাবীগুলো বাস্তবায়নের জন্য আপনার মূল্যবান কার্যক্রম কামনা করছি।
সর্বশেষ তারা আশা পোষণ করে বলেন, আমরা আশা করি আপনার সদয় সহযোগিতায় দেশের কৃষি ও কৃষকের উন্নতির এক মাইল ফলক স্থাপিত হবে ইনশা আল্লাহ্।
ফাইল ছবি
চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি তার স্বামী রকিব সরকারের সঙ্গে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এরইমধ্যে তারা আলাদা থাকছেন। শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তায় এমনটাই জানিয়েছেন এই চিত্রনায়িকা।
মাহিয়া মাহি ভিডিও বার্তায় বলেন, 'আমরা দুজন মিলেই এরকম সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের মধ্যে কিছু বিষয় নিয়ে বনিবনা হচ্ছেনা। তবে রকিব খুব ভালো মানুষ। তাকে আমি সম্মান করি। অনেক কেয়ারিং সে। খুব দ্রুতই আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদের দিকে যাচ্ছি। কবে, কীভাবে সম্পন্ন হবে সেটাও দুজন মিলেই ঠিক করব। সে আরও বলে, 'আপনারা আমার ছেলে ফারিশের জন্য দোয়া করবেন। যেন ওকে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারি।'
উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর রাকিব সরকারকে বিয়ে করেন মাহি। তাদের একমাত্র পুত্র সন্তানের নাম ফারিশ। বিয়ের প্রায় আড়াই বছরের মাথায় আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন এই দম্পতি।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে সিলেটের ব্যবসায়ী পারভেজ মাহমুদ অপুকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন মাহি। সেই সংসার ৫ বছর টিকেছিল। এরপর পারভেজ মাহমুদ অপুর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর রাকিব সরকারকে বিয়ে করেন অভিনেত্রী। সূত্র: বিডি প্রতিদিন