a
ফাইল ছবি
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় কিছু কিছু জায়গায় মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। এ কারণে দেশের বেশ কিছু এলাকার নৌবন্দরকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এদিকে এ বৃষ্টিতে ইতোমধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় রাস্তায় পানি জমে গেছে।
আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক বলেন, ‘এই বৃষ্টি সারাদিনই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হতে পারে। তবে কোথাও টানা বৃষ্টি হবে না।’ আগামীকাল এই বৃষ্টি কমে আসতে পারে বলে জানান।
আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ বিহার, পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে ।
আগামী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়; ঢাকা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এর ফলে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ছবি
উত্তর আফ্রিকার দেশ মরক্কোতে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে প্রায় ৩০০ জন নিহত ও ১৫৩ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
স্থানীয় সময় শুক্রবার রাত ১১টা ১১ মিনিটে এই ভূমিকম্প আঘাত হানে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৮ এবং এর উৎপত্তি আটলাস পর্বতমালার ওকাইমেদেনের স্কাই রিসোর্টের কাছে।
ইউএসজিএস-এর তথ্যানুযায়ী, এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের মধ্যে মরক্কোতে আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প এটি। ১৯০০ সালের পর সেখানে ৬ মাত্রার কোনও ভূমিকম্প আঘাত হানেনি।
ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পুরাতন মারাখেস শহর। সেখানে অসংখ্য বাড়ি-ঘর ধসে পড়েছে। পুরাতন এই শহরটিতে সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। শহরটি ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলের খুব কাছাকাছি অবস্থিত।
রাষ্ট্র পরিচালিত আল-আউলা টেলিভিশন দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, রিপোর্টটি প্রচার হওয়া পর্যন্ত ভূমিকম্পে অন্তত ২৯৬ জন নিহত ও ১৫৩ আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সূত্র: সিএনএন, বিবিসি, আল জাজিরা
ফাইল ছবি
৪ দিনের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো শুক্রবার মধ্য রাতের পর ফেসবুক, মেসেঞ্জার ও ইনস্টাগ্রামে আবারও সমস্যার সৃষ্টি হয়।
ইনস্টাগ্রামে ছবি শেয়ার করা ও ফেসবুক মেসেঞ্জারে মেসেজ পাঠাতে না পারার কথা জানান অনেক ব্যবহারকারীরা। খবর ব্লুমবার্গের
এব কথা স্বীকার করে ফেসবুক সমস্যার জন্য ক্ষমাও চেয়েছে। যদিও বৃহত্তর ক্ষেত্রে শুক্রবার পরিসেবায় কোনও সমস্যা তৈরি হয়নি।
এর আগে সোমবার রাতে দীর্ঘক্ষণ, কোথাও কোথাও সাত ঘণ্টার কাছাকাছি বন্ধ ছিল ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রাম পরিসেবা। এক সপ্তাহের চার দিনের মধ্যেই ফের সমস্যায় পড়লেন ব্যবহারকারী।
শুক্রবার ফেসবুকের পক্ষ থেকে একটি পোস্ট করে লেখা হয়েছে, আমরা জানি কিছু ব্যবহারকারী আমাদের অ্যাপ ব্যবহার করতে গিয়ে সমস্যার মুখে পড়েছেন। যত দ্রুত পরিসেবা স্বাভাবিক করা যায়, তা চেষ্টা আমরা করে যাচ্ছি। সমস্যার জন্য ক্ষমা চাইছি।