a
সংগৃহীত ছবি
করোনা প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় জাপানে কয়েকটি অঞ্চলে জরুরি অবস্থার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। টোকিও, ওসাকা, হোগো ও কিওটোতে ১১ মে জরুরি অবস্থা শেষ হওয়ার কথা ছিল।কিন্তু এখন তা বাড়িয়ে মাসের শেষ পর্যন্ত করা হয়েছে। খবর-বিবিসির
জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা জানিয়েছেন, আইচি ও ফুকুওকাকেও জরুরি অবস্থার আওতাভুক্ত করা হয়েছে। জরুরি অবস্থার মেয়াদ বাড়ানো নিয়ে জাপান সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশটিতে নির্ধারিত সময়ে অলিম্পিকের আয়োজন নিয়েও সন্দেহ তৈরি করেছে।
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দীর্ঘদিন ধরে জাপানে জরুরি অবস্থা জারি রয়েছে।জরুরি অবস্থার আওতায় বন্ধ থাকবে পানশালা ও রেস্তোরাঁগুলো। এছাড়া সিনেমা হল ও কারাওকে পার্লারের মতো স্থানগুলোও বন্ধ রাখতে হবে।
সংক্ষিপ্ত কিন্তু শক্তিশালী এই জরুরি অবস্থা জারির মাধ্যমে জাপান সরকার দেশে মহামারি করোনার চুতর্থ ঢেউ ঠেকানোর ব্যাপারে আশাবাদী বলে মন্তব্য করেছেন করোনা প্রাদুর্ভাবের মধ্যে দায়িত্ব নেওয়া জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা।
ফাইল ছবি
বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন শেখ হাসিনা সরকার দুর্বল হলে তা ভারত ও আমেরিকা কারও পক্ষেই সুখকর হবে না বলে মনে করে নয়াদিল্লি। বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন নিয়ে আমেরিকার বর্তমান ভূমিকায় ভারত যে খুশি নয়, ওয়াশিংটনকে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে সেই বার্তাও। একাধিক স্তরের বৈঠকে বাইডেন প্রশাসনকে এ কথা জানিয়েছে নয়াদিল্লি। সূত্রের বরাতে এ খবর জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার।
নয়াদিল্লির নানা কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকায় সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন হোক এটা ওয়াশিংটনের মতো ভারতও চায়। কিন্তু যেভাবে হাসিনা সরকারকে অস্থির করার জন্য আমেরিকার তরফ থেকে বিভিন্ন পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে, তা প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে ভারত তথা দক্ষিণ এশিয়ার সার্বিক নিরাপত্তার জন্য ইতিবাচক নয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আর তিন সপ্তাহ পরেই নয়াদিল্লিতে এক মঞ্চে বসবেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার আগে ভারতের এই বার্তা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
কূটনৈতিক মহলের বরাতে আনন্দবাজার আরও বলছে, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মনে করছে কাবুলের পাশাপাশি ভারতের অন্য প্রতিবেশী সম্পর্কে আমেরিকার নীতিও নয়াদিল্লির জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে অস্বস্তি বাড়াচ্ছে। ভারতের সঙ্গে দীর্ঘতম স্থলসীমান্ত রয়েছে বাংলাদেশের। ফলে বাংলাদেশের যে কোনও প্রতিকূল পরিস্থিতি ভারতেও প্রভাব ফেলে।
সূত্রের বরাতে আনন্দবাজার বলছে, নয়াদিল্লি এ কথাই বাইডেন প্রশাসনকে জানিয়েছে যে জামায়াতকে আস্কারা দিলে একদিকে যেমন ভারতের আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাস বাড়তে পারে, তেমনই চিনের প্রভাব বাংলাদেশে অনেকটাই বেড়ে যাবে, যা কাঙ্ক্ষিত নয় ওয়াশিংটনেরও।
মনে হচ্ছে, আমেরিকা জামাতকে বরাবর রাজনৈতিক ইসলামিক সংগঠন হিসাবেই দেখানোর চেষ্টা করে। মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে তাকে তুলনা করে আমেরিকা।
বাংলাদেশের জন্য পৃথক একটি ভিসানীতি ঘোষণা করেছে বাইডেন প্রশাসন। সূত্রের বরাতে আনন্দবাজার উল্লেখ করেছে, বিষয়টি উচিত বলে মনে করছে না নয়াদিল্লি। এই ভিসানীতির ফলে বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন যারা বানচাল করার চেষ্টা করবে, তারা আমেরিকায় প্রবেশের অধিকার পাবে না। ভারতের কূটনৈতিক শিবির মনে করছে, আমেরিকার প্রশাসন সরাসরি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নাক গলাতেই নিজের দেশের আইন প্রয়োগ করে বাংলাদেশের জন্য পৃথক ভিসানীতি গ্রহণ করলো।
অনন্দবাজারের প্রতিবেদন আরও বলছে, সম্প্রতি বাংলাদেশের আওয়ামী লীগের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল নয়াদিল্লি গিয়ে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব তথা দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করে গিয়েছেন। সেখানে তারাও বার্তা দিয়েছেন, আঞ্চলিক স্থিতি বজায় রাখার প্রশ্নে বিএনপি ও জামায়াত বিপজ্জনক। সূত্র: ইত্তেফাক
ছবি: এম.এস প্রতিদিন
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শরীয়তপুর জেলার সখিপুর থানাধীন আরশীনগর ইউনিয়নের ৮ ও ৯নং ওয়ার্ডে গতকাল বুধবার ১২মে (২৯ রমজান) ৬০টি অস্বচ্ছল পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরন করেন বন্ধন যুবকল্যাণ সংগঠন নামের এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃ রাসেল গাজী, সহ-সভাপতি আনিসুর রহমান উকিল, উপদেষ্টা সদস্য আলাউদ্দিন মিয়া বাচ্চু, যুগ্ন- সাধারণত সম্পাদক, কিরন উকিল, দপ্তর সম্পাদক, আবু সুফিয়ান বালা, প্রচার সম্পাদক, মোঃ মামুন ফকির, সহ- ক্রিড়া বিষয়ক সম্পাদক, মিলন উকিল, সজিব বেপারিসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অত্র এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা মাস্টার মোঃ রফিকুল ইসলাম সরদারের সুযোগ্য সন্তান জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার চৌকস কর্মকর্তা মোঃ ফয়সাল আহমেদ এর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় মোহাম্মদ রাসেল গাজি,কিরন উকিল, সায়মন হাসান, মামুন ফকির সহ সবার সহযোগিতায় বন্ধন যুব কল্যাণ ফাউন্ডেশন নামের একটি মানবিক সেবামূলক সংগঠন গড়ে তোলা হয়।
প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক সেবামূলক কাজের সাথে জড়িত থেকে সমাজের কল্যাণমূলক কাজে নিরলসভাবে আত্ননিয়োগ করে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য কাজ করছে এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। এবারের ঈদে ৬০টি অস্বচ্ছল পরিবারের মাঝে ঈদের খাদ্য সামগ্রী হিসেবে (সেমাই চিনি, গুঁড়া দুধ, মসলা) প্রদান করা হয়।
বন্ধন যুব কল্যান ফাউন্ডেশন সামাজিক ও মানবিক কাজে ভিন্নমাত্রা যোগ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চায়। সংগঠনটি উন্নত সমাজ গড়ে তুলতে সকলের সাহায্য, সহযোগিতা ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রত্যাশা করে।