a নবাবগঞ্জে অসহায় কৃষকের ধান কেটে দিলো ছাত্রলীগ নেতারা
ঢাকা সোমবার, ২৯ পৌষ ১৪৩২, ১২ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

নবাবগঞ্জে অসহায় কৃষকের ধান কেটে দিলো ছাত্রলীগ নেতারা


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শুক্রবার, ২১ মে, ২০২১, ১১:৩২
নবাবগঞ্জে অসহায় কৃষকের ধান কেটে দিলো ছাত্রলীগ নেতারা

ফাইল ছবি

 

জীবন যেখানে থমকে আছে বদলে গেছে জীবনযাত্রা, অসহায় এর পাশে ঠিক তখনি তরুণ যুবা। অর্থনৈতিক মন্দা আর এমন বর্তমান পরিস্থিতে গরীব কৃষকরাও পাচ্ছে না ধান কাটার দিনমজুর। পাকা ধান নিয়ে এখন মহাবিপাকে তারা। এমতাবস্থায় তীব্র রোদ মাথায় নিয়ে কৃষকের জমির ধান কেটে দিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নেতা সৌরভ সরকার সবুজ ও তার সহকর্মীরা।

ঢাকা ১নং আসনের মাননীয় এম পি প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ খাতের উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এর আস্থা ভাজন ও নির্বাচনী প্রচারণার বিশেষ দায়িত্ব বহনকারী সৌরভ সরকার সবুজ ইতোপূর্বে নানা দূর্যোগে অসহায় মানুষদের পাশে ছিলো এবং সামর্থ্য অনুযায়ী সহয়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।

আজ ২১মে শুক্রবার ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার যন্ত্রাইল ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের হরিষকুল গ্রামে নিজ এলাকায় অসহায় কৃষক যতীন্দ্র মন্ডলের জমির ধান কেটে বাড়ি পৌঁছে দেন তারা। এসময় সবুজ ছাড়াও সুমন, দোলন, সৈকত, নয়ণ, রহিদাস,তপন ধান কেটে দিতে সহোযোগিতা করেন।

ঢাকা ১ আসন নির্বাচনে ছাত্রলীগ কতৃক নির্বাচন পরিচালনা সমন্বয় কমিটির সাবেক সদস্য ও  দোহার নবাবগঞ্জ ছাত্রকল্যাণ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিল্পবী সাধারণ সম্পাদক সৌরভ সরকার সবুজের  নেতৃত্বে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ৩১ শতাংশের অধিক জমির ধান কেটে দেন। সকাল ৮ টা থেকে শুরু করে ধাপে ধাপে দুপুর ৩ টা পর্যন্ত ধান কাটেন তারা।

অসহায় কৃষক যতীন্দ্র মন্ডল জানান," করোনার কারণে দিনমজুর পাচ্ছিলাম না। তাই সবুজকে জানালে ওরা এসে আমার ধান কেটে দিয়ে যায়।"

এ বিষয়ে সবুজ সরকার  বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার কৃষিবান্ধব সরকার এবং বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নির্দেশনা অনুযায়ী একজন কর্মী হিসেবে আমি আমার দায়িত্বটুকু পালন করেছি। এমন বিপদের সময়ে আমরা বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কর্মীরা সবসময় অসহায়ের পাশে ছিলাম, আছি এবং থাকবো ইনশাআল্লাহ ।" এসম তিনি দেশবাসীকে অসহায় কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

রাজধানীতে মেঘলা আকাশ ও ছিটেফোঁটা বৃষ্টিতে জনমনে স্বস্তি


খোরশেদ আলম, মুুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ১৫ মার্চ, ২০২৩, ১০:০৫
রাজধানীতে মেঘলা আকাশ ও ছিটেফোঁটা বৃষ্টিতে জনমনে স্বস্তি

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

বেশ কিছু দিন যাবত ঢাকাসহ সারাদেশে মৃদু তাপদাহ বয়ে যাচ্ছে। এসময়ে বৃষ্টি না হওয়ায় এমন তাপদাহ হওয়ার অন্যতম কারণ বলে আবহাওয়াবিদরা বলে আসছিলেন। চারিদিকে ধুলোর পাশাপাশি গরম। নগরবাসীদের একদম স্বস্তি ছিলনা। আজ সকাল থেকে বৃষ্টি আসার আগমন লক্ষ্য করে অনেকের মাঝে স্বস্তি বিরাজ করছে।

বিশেষ করে রাজধানীতে আজ বুধবার সকালে মেঘলা আকাশ থেকে যে সামান্য ছিটেফোঁটা বৃষ্টি হলো, তা একটু হলেও স্বস্তিদায়ক।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আজ দেশের কয়েকটি জেলায় বৃষ্টি হবে। তবে রাজধানীতে আংশিক মেঘলা থাকবে, তবে দীর্ঘস্থায়ী হবে না।

গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ছয়টায় দেওয়া আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, কুমিল্লা, যশোর ও কুষ্টিয়া অঞ্চলসহ ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু–এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

রাজধানীতে সকাল থেকেই আজ মেঘলা আকাশ এবং মেঘের তর্জন-গর্জন হচ্ছে। কিছু কিছু জায়গায় সামান্য বৃষ্টিপাত হয়েছে।

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

বাংলাদেশে রাজনৈতিক খেলা


কর্ণেল আকরাম, লেখক ও কলামিস্ট: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৪, ১২:৪৬
বাংলাদেশে রাজনৈতিক খেলা

ফাইল ছবি

 

নিউজ ডেস্কঃ রাজনৈতিক খেলা দেশের জাতীয় রাজনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি শেষ পর্যন্ত সংবিধান দ্বারা নির্ধারিত একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে। রাজনৈতিক খেলা সংবিধানে অনুমোদিত এবং দেশের সব প্রধান রাজনৈতিক দলগুলি জাতীয় নির্বাচনে চূড়ান্ত খেলার অংশগ্রহণ করে। চূড়ান্ত খেলা দুটি প্রধান রাজনৈতিক দলের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয় এবং যারা সংসদে অধিক সিট পায় তারা সরকার গঠন করে। এটি বিশ্বের প্রায় সব গণতান্ত্রিক দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির একটি সাধারণ প্রথা, যার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতও রয়েছে।  

রাজনৈতিক খেলার একটি দীর্ঘ ঐতিহ্যবাহী ইতিহাস রয়েছে এবং এটি প্রথম শুরু হয় ইংল্যান্ডে ১৬৮৯ সালের বিল অব রাইটসের পর। সেখানে উইগ পার্টি এবং টোরি পার্টি রাজনৈতিক খেলা শুরু করেছিল, এবং পরবর্তীতে তারা যথাক্রমে কনজারভেটিভ পার্টি এবং লেবার পার্টি নামে পরিচিত হয়। যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক খেলা দীর্ঘদিন ধরে দ্বিদলীয় রাজনীতি হিসেবে চলে আসছে, যা এখন একটি রাজনৈতিক সংস্কৃতির রূপে পরিণত হয়েছে।  

ভারতে ব্রিটিশ শাসনের শেষ পর্যায়ে ১৯৩৫ সালের নির্বাচনে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের মধ্যে দ্বিদলীয় রাজনৈতিক খেলা শুরু হয় এবং এর চূড়ান্ত ফলস্বরূপ ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দেশভাগ ঘটে। পাকিস্তানের সূচনা থেকে রাজনৈতিক খেলা সুষ্ঠু ও ন্যায্যভাবে অনুষ্ঠিত হয়নি এবং এর চূড়ান্ত পরিণতি ছিল পাকিস্তানের ভাঙন এবং ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের জন্ম। পাকিস্তানে রাজনৈতিক খেলা পুরো বিশ বছর ধরে ন্যায্যতার অভাবে চলে এবং ভারত বাংলাদেশ দলের পাশে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের জন্য খেলা জিততে সাহায্য করে।  

বাংলাদেশের শুরু পাকিস্তানের মতোই ছিল এবং খুব শীঘ্রই ১৯৭৫ সালের শুরুতে বাকশাল ঘোষণার মাধ্যমে রাজনৈতিক খেলায় সুষ্ঠুতা শেষ হয়ে যায়। আমাদের জন্য এটি খুব দুঃখজনক যে আমাদের দেশে একদলীয় রাজনীতি প্রবর্তিত হয়।  

এটি শুধুমাত্র জিয়াউর রহমানই ছিলেন যিনি দেশে বহু দলীয় রাজনীতি চালু করেছিলেন যাতে সুষ্ঠু রাজনৈতিক খেলা হতে পারে, তবে এটি দীর্ঘস্থায়ী ছিল না এবং এরশাদ শাসনামলে সুষ্ঠু রাজনৈতিক খেলা বন্ধ হয়ে যায়।  

১৯৯০ সালে এরশাদের পতনের সাথে পরিবর্তন আসে এবং সুষ্ঠু রাজনৈতিক খেলার সুযোগ আসে, এবং বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো দ্বি-দলীয় রাজনীতি শুরু হয়। এটি ভালভাবে চলছিল এবং দেশে একটি সুষ্ঠু রাজনৈতিক সংস্কৃতি শুরু হয়েছিল। তবে এরশাদ পতনের পর পরই যে নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি শুরু হয়েছিল, তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। মঈন-ফকর সরকার দেশের রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করে এবং একটি মনগড়া নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনতে পেরেছিল, যার ফলে সুষ্ঠু রাজনীতি ধ্বংস হয় এবং একদলীয় রাজনৈতিক খেলা আবার ফিরে আসে, যা ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের মাধ্যমে একদলীয় রাজনীতি পতন পর্যন্ত চলে।  

দেশের পুরো জাতি সুষ্ঠু রাজনৈতিক খেলার প্রত্যাশায় ছিল, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি আমাদের ভাল সংকেত দিচ্ছে না। এটি মনে হচ্ছে নতুন চ্যালেঞ্জগুলি আমাদের সামনে রয়েছে যা শুধু সাম্প্রতিক বিপ্লবের মাধ্যমে অর্জিত ঐক্যকেই নয়, দেশের রাজনীতিকে স্থিতিশীলতা থেকেও বিপথে চালিত করতে পারে।  

এমন সম্ভাবনা রয়েছে যে, কিছু বিদেশী শক্তির পৃষ্ঠপোষকতায় তথাকথিত "কিং পার্টি" উঠতে পারে এবং ছাত্রদের নেতৃত্বে একটি নতুন রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় আসবে, দেশের একটি প্রধান রাজনৈতিক দলের সহযোগিতায়।  

এটি দেশের জন্য এবং জাতির জন্য ভালো সংকেত নয়, এবং দেশ আবার এক কঠিন সংকটে পড়বে, যা খুব শীঘ্রই সমাধান হবে না।  

এখন জাতীয় ঐক্য অত্যন্ত প্রয়োজন এবং বিএনপি যে জাতীয় সরকার প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছে তা আমাদের এই সংকট থেকে উত্তরণে সাহায্য করতে পারে, ইনশাআল্লাহ।  

 

লেখকঃ সম্পাদক, মিলিটারি হিস্ট্রি জার্নাল  

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - কৃষি ও আবহাওয়া

সর্বোচ্চ পঠিত - কৃষি ও আবহাওয়া

কৃষি ও আবহাওয়া এর সব খবর