a
মুক্তা দাশ
কাঠফাটা রোদ্দুর
ঝলমলে আলোর ঝলকানি চারদিকে !
শুধু বেহাগ টাই অনবরত বুলেট-বিদ্ধ করছে
মনের গভীরে এঁকে দিচ্ছে, কালো মেঘের ঘনঘটা।
অথচ দেখো,, রোদ্দুরে কেমন নেয়ে উঠছে প্রকৃতি
নতুন কুড়িতে চকচকে সবুজ প্রাণ ডালে ডালে...
গাছে গাছে !
প্রকৃতি মুচকি হাসে,,, বিদ্রুপের কোলাজে !
অসহায় আমজনতা তবুও ভীষন ভীড় মাড়িয়ে চলে, সবুজ ঘাসের বুকে চালায় বুলডোজার । ভুলে যায় ,,
ভুলে যায় ! বাতাসে এখন রাজত্ব "করোনা" র !!!
জানো তো.,,, আমিও ভুলে যাই সবুজে !
ছুঁয়ে থাকি ,,, জড়িয়ে রাখি তোমাকে ...!!
বিষাদ উবে যায় মুহূর্তের ছোঁয়ায়
দুরে আছো,, তবুও তো ছুঁয়ে ই থাকো, ডাকো নিভৃতে নিরবে ক্ষণে ক্ষণে ইথারের স্পর্শে !!
কাঠফাটা রোদ্দুর !
ভিজে নেয়ে একাকার !!
হাঁচি-কাশি সামলাতে নাক-মুখ একাকার ।
গরমে,, গরম ভাপ চোখে অশ্রু টলটল
বিষাদের নিনাদে তোমার শ্রী বদন সমুজ্জ্বল !!
ভাগ্যও মুচকি হাসে ! বলে....
"সবেতেই তুমি আছো জড়িয়ে
শুধু
ভাগ্যে -ই নেই এ জন্মে আমার"।।
ফাইল ছবি
ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী তার ফেসবুকে নিজের জীবনের ঋণ নিয়ে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। পাঠকের জন্য তা হুবহু তুলে ধরা হলো: ‘ঋণ করলে আত্মার অপমৃত্যু ঘটে, আম্মু এই কথাটা প্রায়ই বলতেন।
কথাটা আমিও মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি ও মানি। প্রিয়নবী হজরত মুহাম্মদ (সঃ) বলেন, ‘শহীদ ব্যক্তির সব গুনাহ ক্ষমা করা হবে। কিন্তু ঋণ ছাড়া।’ (মুসলিম, হাদিস : ১৮৮৬) ‘মুমিনের আত্মা তার ঋণের সঙ্গে ঝুলন্ত থাকে, যতক্ষণ না তা পরিশোধ করা হয়।’ (তিরমিজি, হাদিস: ১০৭৮) গতরাতে ভালো বোধ করছিলাম নাহ। অসুস্থ অবস্থায় ভাবছিলাম, কৃতজ্ঞতার ঋণ তো অনেকের কাছেই ঢের রয়েছে, তবে কারো নিকট কোন আর্থিক ঋণ রয়েছে কিনা।
বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে হল ও ক্যাম্পাসের কোন দোকান, ক্যান্টিন বা কোথাও আমি স্বেচ্ছায়-স্বজ্ঞানে একটি টাকাও ফাও বা বাকি খাইনি। অনেক সময় অনুজরা আমার জ্ঞাতসারে বঙ্গবন্ধু হলের মনির ভাই, রশিদ ভাই ও ক্যান্টিনে ডালিমের কাছে কিছু বাকি খেতো, যা ১/২ দিনে চাওয়ার আগেই শোধ করে দিয়েছি। অনেকের একান্ত প্রয়োজনে ধার দিয়েছি, কিন্তু কোনদিন নিজের প্রয়োজনে কারো কাছ থেকে টাকা ধার নিয়েছি বলে স্মরণে নেই।
তবুও, কারো নলেজে যদি আমার কাছে পাওনার কোন হিসেব থাকে, অনুগ্রহপূর্বক জানাবেন। আল্লাহ সবাইকে সম্পূর্ণ ঋণমুক্ত হয়ে কবরে যাওয়ার তাওফিক দিন।
ফাইল ছবি
দেশে করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন ঠেকাতে বেশ কিছু দিক-নির্দেশনা আরোপ করতে যাচ্ছে সরকার। আগামী সাত দিনের মধ্যে এ সংক্রান্ত নির্দেশ জারি করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
মন্ত্রিসভা বিভাগের সঙ্গে আলোচনার একদিন পর ওমিক্রন ঠেকাতে সরকারের নেওয়া সিদ্ধান্ত গণমাধ্যমকে জানান মন্ত্রী।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা কেবিনেটের সঙ্গে গতকাল মিটিং করেছি। বেশ কিছু পরামর্শ ও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এগুলো এখনো ফাইনাল না। কেবিনেট থেকে এগুলো ফাইনাল করা হবে। এর আগে যে আলোচনা হয়েছে, করোনাভাইরাস রুখতে হবে একারনেই এ সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, যানবাহনে মাস্ক ছাড়া চলাচল করা যাবে না। যারা চলাচল করবেন তাদের জরিমানার মধ্যে পড়তে হবে। পরিবহনের মধ্যে বাস থাকবে, ট্রেন থাকবে এবং লঞ্চ থাকবে এটা একটা সিদ্ধান্ত মোটামুটি হয়েছে। আমাদের প্রস্তাবনায় রয়েছে। তারপর বাস এবং অন্যান্য যানবাহনে যাত্রী অর্ধেক নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, রেস্টুরেন্ট-হোটেল সেখানেও মাস্ক পড়ে যেতে হবে। মাস্ক ছাড়া গেলে দোকানদারসহ উভয়ের ফাইন হবে। দোকানের সময়সীমাও কমিয়ে আনা হয়েছে। রাত ৮টা পর্যন্ত ১০টার পরিবর্তে, এটাও প্রস্তাব করা হয়েছে। টিকা নেওয়ার জন্য তাগাদা দেয়া হয়েছে। রেস্টুরেন্টে খেতে গেলে ভ্যাকসিন কার্ড অবশ্যই দেখাতে হবে।
স্কুল চলবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে। সংক্রমন বেশি বৃদ্ধি পেলে স্কুলের বিষয় চিন্তাভাবনা করা হবে, এটাকে চালানো যাবে কিনা। এখনো আমরা সে সিদ্ধান্ত নেইনি, সে পরিস্থিতি এখনো বিরাজ করছে না।
তিনি বলেন, অনেকে জিজ্ঞেস করে লকডাউন দেওয়া হবে কিনা, পাশের দেশে তো দিয়েছে। আমরা এখনো সে চিন্তা করছি না। যদি পরিস্থিতি হাতের বাহিরে চলে যায়, সংক্রমন অনেক বৃদ্ধি পায় তাহলে লকডাউনের চিন্তা মাথায় আছে। পাশাপাশি আমাদের বর্ডারগুলো স্ক্রিনিং আরো জোরদার করা হয়েছে এবং কোয়ারেন্টিনে যারা থাকবে তারা যাতে বাহিরে ঘোরাফেরা না করে এজন্য পুলিশ পাহারা দেওয়া হবে। এ বিষয়ে বিশেষ দৃষ্টি দিতে বলা হয়েছে।
‘ডিসি এসপিদের বলা হয়েছে তারা এ নির্দেশ যখন পাবে তা যেন দ্রুত বাস্তবায়ন করেন। আগে ১৫ দিন সময় দেয়ার কথা বলা হয়েছিলো কিন্তু আজ প্রপোজ করেছি ১৫ দিন নয় সাত দিন দেয়ার জন্য। এটা কেবিনেট সচিবকে বলা হয়েছে তিনিও একমত পোষণ করেছেন। এটা সাত দিন পরেই নির্দেশগুলো বাস্তবায়ন কার্যকর শুরু হবে।’
করোনা আক্রান্তের সংখ্যা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগের কথাও তুলে ধরেন তিনি।
জাহিদ মালেক বলেন, আপনারা জানেন যে পৃথিবীতে ওমিক্রন বৃদ্ধি পাচ্ছে, পাশের দেশেও বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমাদের দেশেও কিছু রোগী পাওয়া গেছে যারা ওমিক্রনে আক্রান্ত। আমরা লক্ষ্য করছি সপ্তাহখানেক যাবত করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। গত ১০ দিন আগেও এটা ২০০ থেকে আড়াইশর মধ্যে ছিলো। গতকাল এটা পৌণে ৭শ হয়ে গেছে। যেভাবে বাড়ছে এটা আশঙ্কাজনক।’ সূত্র: যুগান্তর