a আগামীকাল ঢাকায় দুই দলের শোডাউন ঘিরে উদ্বেগ-উৎকন্ঠা
ঢাকা শনিবার, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২, ১৪ মার্চ, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

আগামীকাল ঢাকায় দুই দলের শোডাউন ঘিরে উদ্বেগ-উৎকন্ঠা


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বুধবার, ২৬ জুলাই, ২০২৩, ১২:১৩
আগামীকাল ঢাকায় দুই দলের শোডাউন ঘিরে উদ্বেগ-উৎকন্ঠা

ফাইল ছবি

আাগামীকাল একই দিনে ও প্রায় একই সময়ে রাজধানীতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ‘সমাবেশ’ এবং বিএনপির ‘মহাসমাবেশ’ ঘিরে দেশ জুড়ে বিরাজ করছে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা এবং অনুষ্ঠেয় দুই দলের এই শোডাউনকে কেন্দ্র করে রয়েছে নানামুখী শঙ্কাও।

শুধু আওয়ামী লীগ ও বিএনপিই নয়, একই দিনে রাজধানীর আরও অন্তত ১০টি স্থানে সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে বিএনপির মিত্র দল—জোটসমূহ। 

বিএনপির মিত্র জোট ১২ দলীয় জোট, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট ও গণতন্ত্র মঞ্চ এদিন পৃথক পৃথক স্থানে সমাবেশ করবে। সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা ড. কর্নেল অলি আহমদের (অব.) এলডিপি, মোস্তফা মোহসীন মন্টু-সুব্রত চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন গণফোরামসহ অন্যান্য মিত্র দলও পৃথকভাবে সমাবেশ করবে। 

এদিকে চরমোনাই পীরের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশও (আইএবি) আগামীকাল বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে প্রতিবাদ সমাবেশের ডাক দিয়েছে। গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য এদিন সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ ডেকেছে। একই দিনে রাজধানীতে এতগুলো সমাবেশ ও মহাসমাবেশ করার ঘোষণায় একদিকে যেমন তীব্র যানজটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, তেমনি শঙ্কা রয়েছে সংঘাত-সহিংসতারও।

গত শনিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যুবদল-ছাত্রদল-স্বেচ্ছাসেবক দলের ব্যানারে ‘তারুণ্যের সমাবেশ’ করে বিএনপি।           

সেই সমাবেশ থেকে আগামীকাল মহাসমাবেশ করার ঘোষণা দেওয়া হয়। নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে কিংবা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহাসমাবেশের অনুমতি চেয়ে ইতিমধ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন (ডিএমপি) পুলিশ কমিশনারের কাছে চিঠি দিয়েছে বিএনপি। সংবিধানে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহাল করে ও সংসদ ভেঙে দিয়ে সরকারের পদত্যাগের এক দফার আন্দোলন ঘোষণার পর এটিই বিএনপির প্রথম মহাসমাবেশ।

শনিবার বিএনপি যখন মহাসমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করে, ঐদিন আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগের সমাবেশ ছিল বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে। ঐ সমাবেশ থেকে ‘তারুণ্যের জয়যাত্রা’ নামে সমাবেশ করার ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সমাবেশ হওয়ার কথা ছিল সোমবার। পরে সেদিনই রাতে জানানো হয়, সমাবেশ হবে বৃহস্পতিবার। যুবলীগ-ছাত্রলীগ-স্বেচ্ছাসেবক লীগের ব্যানারে আগামীকাল জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে এই সমাবেশ করবে আওয়ামী লীগ। এতে ঢাকা মহানগর ছাড়াও গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, ঢাকা জেলা এবং ময়মনসিংহ জেলার তিন সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও অংশ নেবেন।

জনমনে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা থাকলেও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সংঘাতের আশঙ্কা নেই। আওয়ামী লীগ শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করবে। তবে কেউ আঘাত করলে সমুচিত জবাব দেওয়া হবে।

তবে সংঘাতের আশঙ্কা করছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, একই দিনে পালটা কর্মসূচি দিয়ে আওয়ামী লীগ উসকানি দিচ্ছে, তারা দেশকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে। কোনো ধরনের সংঘাতের ঘটনা ঘটলে সেটির দায় আওয়ামী লীগ ও সরকারকেই নিতে হবে বলে উল্লেখ করেছেন ফখরুল। সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যুর ভয়াবহতায় গণফোরামের উদ্বেগ


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
রবিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২১, ১১:৩৯
করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যুর ভয়াবহতায় গণফোরামের উদ্বেগ

ফাইল ছবি

বীর মুক্তিযোদ্ধা ও গণফোরাম নেতা মোস্তফা মোহসীন মন্টু, সংবিধান প্রনয়ন কমিটির অন্যতম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী অধ্যাপক ড. আবু সাইয়িদ এবং গণফোরাম এর মূখপাত্র সিনিয়র এডভোকেট সুব্রত চৌধুরী এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন-সরকারের উদাসীনতা, অব্যবস্থাপনা ও সিদ্ধান্তহীনতায় পরিস্থিতি ক্রমাগত অবনতির দিকে যাচ্ছে। করোনাকালে পর্যটন কেন্দ্রগুলো খুলে দেওয়ায় এবং গণ পরিবহন ও মার্কেটগুলো একবার বন্ধ করে আবার খুলে দেওয়া, প্রণোদনার নামে জনগণের সাথে প্রতারণা ও দূর্নীতিকে প্রশ্রয় দেওয়ায় পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণ এর বাইরে চলে যাচ্ছে।

একদিকে রমজানকে সামনে রেখে চাল, ডাল, তেল এবং শাক-সবজিসহ জীবন ধারণের জন্য নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পত্রের দাম বেড়েই চলছে। সরকারের কোন পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। টিসিবি'র মাধ্যমে কম দামে যে সকলখাদ্য দ্রব্য বিক্রয় করা হত, তার দামও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। করোনার বিস্তাররোধে সরকারের আমদানীকৃত টিকার এখনো দেখা মিলছেনা। সীমিত পরিসরে সমাজের সুবিধা ভোগীরা করোনার টিকা পাচ্ছে, কিন্তু ব্যাপক জনগোষ্ঠীকে টিকা দানের আওতায় আনা সম্ভব হচ্ছেনা।

এই মর্মে নেতৃবৃন্দ আরো উদ্বেগ প্রকাশ করছেন যে, করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় এখন আকাশচুম্বী। সংকটময় ও আতঙ্কময় পরিস্থিতে হাসপাতালগুলো কসাইখানায় পরিণত হয়েছে। করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসার নামে সেখানে রোগীদের ও স্বজনদের সর্বশান্ত করা হচ্ছে। আইসিইউ তে রোগীকে নিতে পারলে কোন কথাই নেই। প্রতিদিন হাজার থেকে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসা ব্যয় চাপিয়ে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট ওষুধের দাম নাগালের বাইরে।

১ বছর সময় কালের মধ্যে আইসিইউ এর সংখ্যা বাড়াতে সরকারের কোন কার্যকর উদ্দ্যোগ বা ম্যাথা ব্যথা নেই। বসুন্ধারা কনভেনশন সেন্টারে পার্শে সরকারী অর্থ ব্যয়ে গত বছর যে বিশাল আকারের অস্থায়ী হাসপাতাল তৈরি করা হয়েছিল তা করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসায় কোন কাজে আসে নাই। বরং জনগণের বিশাল অংকের অর্থের অপচয় হয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মহাখালীস্থ এক স্থাপনাকে আবারো বিশাল অংকের টাকা ব্যয়ে হাসপাতাল বানানো হচ্ছে। এইভাবে একটার পর একটা হাসপাতাল বানানো হচ্ছে কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছেনা।

কোভিড ১৯ আক্রান্তদের চিকিৎসার নামে এক শ্রেণীর সরকার ঘনিষ্ঠ অসাধু তাবেদাররা রাতারাতি শত কোটির টাকার মালিক বনে যাচ্ছে। সরকারের উদাসীনতা ও অব্যবস্থাপনা দূর্নীতিকে প্রশ্রয় দান এবং দক্ষতা ও জবাবদিহিতার অভাবে করোনা আক্রান্ত পরিস্থতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে এবং চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ছে। সরকারের একের পর এক সিদ্ধান্তহীনতার কারণে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবাহ রূপ ধারণ করেছে ।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

চুক্তি করলেও অ্যান্টার্কটিকা বর্তমানে হুমকির মুখে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন, ২০২১, ১১:১৪
চুক্তি করলেও অ্যান্টার্কটিকা বর্তমানে হুমকির মুখে

সংগৃহীত ছবি

১৯৫৯ সালে অ্যান্টার্কটিকা চুক্তি সই হয়েছিল। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মহাদেশটি হুমকির মুখে পড়েছে। চুক্তিতে ঐ মহাদেশকে যুদ্ধ, অস্ত্র ও পরমাণু বর্জ্য থেকে মুক্ত রাখতে একমত হয়েছিলেন বিশ্বের নেতৃবৃন্দ।

এই চুক্তিতে বলা হয়েছিল, ঐ অঞ্চলে কোনো একক দেশের নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। সব দেশের বিজ্ঞানীরা মিলেমিশে সেখানে বৈজ্ঞানিক গবেষণা করবেন। ঐ অঞ্চলকে ‘শান্তি ও বিজ্ঞানের জন্য নিয়োজিত একটি প্রাকৃতিক সংরক্ষিত এলাকা’ হিসেবে ধরে রাখতে একমত হয়েছিলেন নেতারা।

পরে ১৯৭৬ সালে ঐ চুক্তির মাধ্যমে অ্যান্টার্কটিকায় প্রাকৃতিক সম্পদের খোঁজ চালানোর ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

ওই কারণে অনেক দিন পর্যন্ত অ্যান্টার্কটিকা তার নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ধরে রাখতে পেরেছে। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অ্যান্টার্কটিকার বরফ গলা শুরু করেছে।

এই শতাব্দীতে তাপমাত্রা বৃদ্ধি দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখার অঙ্গীকার করেছেন বিশ্বনেতারা। যে নীতি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে তাতে তাপমাত্রা প্রায় তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে জার্মানির গবেষণা সংস্থা ক্লাইমেট অ্যাকশন ট্র্যাকার।

গত মাসে ‘নেচার’ জার্নালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন জানা গেছে, বিশ্বের তাপমাত্রা যদি তিন ডিগ্রি বাড়ে তাহলে অ্যান্টার্কটিকার বরফ গলার হার অনেক বেড়ে যাবে এবং সে হারে সমুদ্রের পানির উচ্চতাও বাড়বে।

অস্ট্রেলিয়ার ফ্লিন্ডার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসবিদ আলেসান্দ্রো আন্তোনেল্লা অ্যান্টার্কটিকার পরিবেশগত রাজনীতি নিয়ে বই লিখেছেন। তিনি বলছেন, অ্যান্টার্কটিকা চুক্তি সই করা দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানির মতো বিশ্বের সবচেয়ে বড় দূষণকারী দেশ রয়েছে।

নতুন করে দূষণকারী দেশের তালিকায় যুক্ত হওয়া চীন, ভারত এবং ব্রাজিলও ঐ চুক্তির সঙ্গে আছে। এটা এক ধরনের ভণ্ডামি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - রাজনীতি