a জামালপুর ২ আসনে এমপি প্রার্থী এএসএম আবদুল হালিম গুলশান অফিসে সাক্ষাৎকার ও আবেগ আপ্লূত পরিবেশের সাক্ষী
ঢাকা বুধবার, ১১ চৈত্র ১৪৩২, ২৫ মার্চ, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

জামালপুর ২ আসনে এমপি প্রার্থী এএসএম আবদুল হালিম গুলশান অফিসে সাক্ষাৎকার ও আবেগ আপ্লূত পরিবেশের সাক্ষী


আরাফাত আলম, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৫, ০৪:৪৮
জামালপুর ২ আসনে এমপি প্রার্থী এএসএম আবদুল হালিম গুলশান অফিসে সাক্ষাৎকার ও আবেগ আপ্লূত পরিবেশের সাক্ষ

ছবি সংগৃহীত

প্রিয় ইসলামপুরবাসী, আমার প্রিয় নেতাকর্মীবৃন্দ,
আসসালামু আলাইকুম।

আজ সন্ধ্যায় ময়মনসিংহ বিভাগ, ফরিদপুর ও কুমিল্লার আগামী সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীগণকে গুলশান দলীয় কার্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান এক মতবিনিময় সভায় ডেকেছিলেন।
এ সভায় জনাব তারেক রহমান এক অভূতপূর্ব, আবেগঘন ও নির্দেশমূলক বক্তব্য প্রদান করেন। এটি শুধু একজন নেতার বক্তব্য নয়, এটি একজন রাষ্ট্রনায়কের ভাষণ। এ ভাষণে আমরা আবেগাপ্লুত না হয়ে পারিনি।

তিনি বলেছেন, নিজেদের অস্তিত্বের জন্য দলকে ভালোবাসতে হবে। দলে অনৈক্য কখনোই কাম্য নয়। দলে শুধু ঐক্য চাই — চাই ইস্পাত-কঠিন ঐক্য। ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই।
তিনি আরও বলেন, পরস্পরের মধ্যে বিভেদ কখনোই কাম্য নয়। পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ ও বন্ধুত্বই ঐক্য প্রতিষ্ঠা করতে পারে। নেতাকর্মীদের মধ্যে কটু কথা ও অশোভন বচন দলের জন্য অমঙ্গল বয়ে আনে। এজন্য অশ্লীল বাক্য সর্বদা পরিত্যাজ্য।

তিনি আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, এই দলের, দলের নেতাকর্মীদের জন্য এবং এ দেশের আপামর জনসাধারণের জন্য তার পিতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান জীবন দিয়েছেন। তাঁর মাতা, গণতন্ত্রের মাতা বেগম খালেদা জিয়া — যিনি নেতাকর্মী এবং এ দেশের মানুষকে নিজের সন্তানের চেয়েও বেশি ভালোবাসেন — তিনিও এই জনগণের জন্য ছয়বার মৃত্যুকূল থেকে ফিরে এসেছেন। কিন্তু এদেশের মানুষকে ফেলে তিনি কোথাও যাননি।

দেশমাতার এই নিঃস্বার্থ ত্যাগের তুলনা হয় না। এসব কথা বলতে গিয়ে জনাব রহমান অশ্রু সংবরণ করতে পারেননি। তিনি বলেন, দল, দলের নেতাকর্মী এবং দেশের সাধারণ মানুষকে ভালোবাসলেই সত্যিকারের দেশপ্রেমিক হওয়া যায়। দলে বিভেদ কমিয়ে আনতে হলে পরস্পরের মধ্যে শ্রদ্ধাবোধ অন্তরে ধারণ করতে হবে। দলীয় কর্মকাণ্ডে মিথ্যাচার ও অপপ্রচার বন্ধ রাখতে হবে।

তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে দলীয় কোনো কোনো কর্মকাণ্ডে অকারণ মিষ্টান্ন বিতরণ ইত্যাদি তাঁকে ক্ষুব্ধ করেছে। এজন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের কাজ না হয়, সে নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি আরও দুঃখ প্রকাশ করেছেন এই কারণে যে, আজকের সভায় শুধুমাত্র প্রার্থীদের ডাকা হয়েছিল; কিন্তু অনেকেই অনেক নেতাকর্মীকে সঙ্গে এনেছেন, ফলে রাস্তায় এবং অফিস প্রাঙ্গণে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে, এমনকি যান চলাচলেও বিঘ্ন ঘটেছে। এজন্য তিনি ক্ষুব্ধতা ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতে এমনটি না করার অনুরোধ জানিয়েছেন।

দলকে তিনি তাঁর বক্তব্যে আমাদের নিজ নিজ সন্তানের সঙ্গে তুলনা করেছেন। এই সন্তানকে লালন-পালন করা, বড় করে তোলা, সুষ্ঠুভাবে গড়ে তোলা, এর নিরাপত্তা ও মঙ্গল দেখা — এ দায়িত্ব আমাদের, দলীয় নেতাকর্মীদের। দলের প্রতি আমাদের সবার স্নেহ, ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা থাকা বাঞ্ছনীয় এবং কর্তব্য।

মাননীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মনোনয়ন প্রসঙ্গে বলেন, যেসব নির্বাচনী এলাকায় একাধিক প্রার্থী রয়েছেন, সেখানে মাত্র একজনকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে। এর ব্যত্যয় ঘটানোর কোনো সুযোগ নেই। কাজেই একজন খুশি হবেন, অন্যজন নমিনেশন না পেলে অখুশি হবে — এটাই স্বাভাবিক। দলের স্বার্থে এবং দেশের স্বার্থে আমাদের এটি মেনে নিতে হবে। এজন্য পরস্পরের মধ্যে হিংসা, বিবাদ বা অনৈক্য সৃষ্টি করা যাবে না।
কারো প্রতি কোনো কটু কথা বা অশালীন বাক্য ব্যবহার করা ঠিক হবে না। মনে রাখতে হবে, মানুষের মনে দুঃখ দেওয়া দৈহিক আঘাতের চাইতেও অনেক কঠিন ও ক্ষতিকর।

মাননীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আজকে যে ভাষণ দিয়েছেন, তা দিকনির্দেশনামূলক তো বটেই — তার এই ভাষণের মধ্যে অন্তর্নিহিত রয়েছে বাংলাদেশের গণমানুষের আকাঙ্ক্ষা। আগামী দিনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল যেন সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারে, সে লক্ষ্যেই তিনি শুধু একজন সত্যিকারের নেতার মতো নয় — একজন রাষ্ট্রনায়কের মতো মূল্যবান ভাষণ প্রদান করেছেন।

তবে তিনি মনোনয়ন কবে ঘোষণা করবেন, সে বিষয়ে কিছু বলেননি। সুতরাং, মনোনয়ন নিয়ে কোনো নেতাকর্মীর দুশ্চিন্তার কারণ নেই।

সকলকে ধন্যবাদ ও শুভকামনা জানাচ্ছি।
_________________________________________
এ.এস.এম. আব্দুল হালিম
বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

জাতীয় ঐক্য সমন্বয় পরিষদ-এর উদ্যোগে ১৯ দফা দাবী বাস্তবায়নের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন


আরাফাত, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ১৭ মার্চ, ২০২৫, ১০:০৭
জাতীয় ঐক্য সমন্বয় পরিষদ-এর উদ্যোগে ১৯ দফা দাবী বাস্তবায়নের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

আরাফাত আলম, বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা: বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান ও জাতীয় ঐক্য সমন্বয় পরিষদের প্রধান সমন্বয়কারী, সাবেক মন্ত্রী এম. নাজিম উদ্দিন আল-আজাদ  ১৭ মার্চ, সোমবার, জাতীয় প্রেসক্লাবে জহুর হোসেন চৌধুরী হলে জাতীয় ঐক্য সমন্বয় পরিষদ-এর উদ্যোগে সাংবাদিক সম্মেলনে নিম্নোক্ত ১৯ দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিসমূহ:
১। জুলাই-আগস্ট ২০২৪ গণহত্যাসহ সকল গুম, নির্যাতন, শাপলা চত্বরে খুন ও বিডিআর হত্যা এবং ভোটাধিকার হরণের বিচার দ্রæত সম্পন্ন করতে হবে। ফ্যাসিস্ট ও তাদের দোসরদেরও বিচার করতে হবে এবং রাজনীতি করা থেকে বিরতসহ তাদেরকে অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে।

২। সকল প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পূর্ণ করে জাতীয় নির্বাচন করতে হবে যৌতিক সময়ের মধ্যে।

৩। জাতীয় ঐক্যমতের সরকার চাই, দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট সংসদ চাই, ঔপনিবেশিক শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তন চাই, শাসক ও শোষকের অবসান চাই।

৪। অত:পর গণপরিষদ নির্বাচন করে গণপরিষদ সদস্যদের ভোটে সংবিধান সংশোধন করতে রাষ্ট্রিয় ব্যবস্থাপনায় মৌলিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে জুলাই-আগষ্ট গণ অভ্যুত্থানের চেতনা সমৃদ্ধ নতুন সংবিধান পণয়ন করার দাবি জানাই।  যেন আর কোন ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরাচার সৃষ্টি হতে না পারে এবং নির্বাচন কমিশনের উপর রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ হয়। যাতে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করা যায় সেই ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

৫। সরকার শুধুমাত্র কয়েকটি দলের সাথেই সংলাপ করে সংলাপ হয়ে গেছে বলে জাতীকে জানিয়ে যাচ্ছে। জাতীয় জণমত জরিপে যাছাইয়ের মাধ্যম ছাড়া হতে পারে না। এটি একটি চুড়ান্ত পদক্ষেপ নয় বলেও জাতি মনে করে। সরকারের নিকট আমাদের স্পষ্ট বক্তব্য হলো দেশের সকল রাজনৈতিক দলগুলোর সামাজিক সংগঠন, নাগরিক সংগঠন ও নাগরিক, পেশাজীবিসহ সকল পর্যায়ের স্টেক হোল্ডারদের সংগে আলোচনা করে সকল জাতীয় গুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিলে প্রকৃপক্ষে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আমাদের নিকট প্রতীয়মান হয়। এটাই বাস্তবতা এবং এটাই সময়ের দাবি। আমাদের জানা মতে, দেশে ১৫০-১৬০ টির মতো রাজনৈতিক দল রয়েছে। ২০২৩ সালে নির্বাচন কমিশনকে ৯৩টি দল নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছে, সে সকল দলের সংগে সংলাপ করতে হবে অন্যথায় এ সংলাপও সিদ্ধান্তসমূহ অর্থবহ হবে না।

আমাদের জানা মতে দেশে ফ্যাসিবাদ ও তাদের দোসর ছাড়া প্রায় ৯৩টির মতো রাজনৈতিক দল রয়েছে। যাদের নিবন্ধন নেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে রেজিস্ট্রেশনের জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

৬। অবিলম্বে মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় চাউল, তেল, পানি-বিদ্যুৎ-গ্যাস- জ্বালানী তেলসহ সকল দাহ্য পদার্থের দাম কমাতে হবে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। ব্যবসায় সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দিয়ে জনমনে স্বস্তি আনতে হবে। মূদ্রাস্ফীতি কমাতে হবে। ব্যাংকিং খাত শক্তিশালী করতে হবে। অর্থনৈতিক মুক্তি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। নাগরিকদের কর্মসংসংস্থান সৃষ্টি করতে পারলেই প্রকৃত গণতন্ত্রের পথে যাওয়া সহজ হবে। ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। অর্থনৈতিক সচল করাসহ সকল ধরনের চাঁদাবজি বন্ধ করতে হবে।
৭। সরকারের উপদেষ্টাদের আরো তৎপর ও শক্তিশালী হতে হবে।

৮। সরকারের দেশ চালাতে যদি সমস্যা মনে করেন বা তাদের নিকট যদি ভার মনে হয় তাহলে আমাদের স্পষ্ট বক্তব্য হলো প্রয়োজনে পূর্ণাঙ্গ ক্যাবিনেট করে জাতীয় সরকার বা বিকল্প সরকার গঠন করতে হবে। যাতে করে শক্তিশালীভাবে দেশ পরিচালিত হয় এবং ছাত্র জনতার গণ আন্দোলনের চেতনাকে ধারণ করতে হবে। আমরা চাই এই সরকার যাতে ব্যর্থ না হয়ে সফলতা অর্জন করে। এ বিষয়ে গণভোট (জবভবৎবহফঁস) জনগণের মতামত নেওয়া যেতে পারে।

৯। দেশের ভাবমূর্তি তুলে ধরতে কূটনৈতিক মিশনে ফ্যাসিস্টদের দোসরদের প্রত্যাহার করে দেশ প্রেমিক যোগ্যদের নিয়োগ দিতে হবে। বিশেষত: ভারতে বসে ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার হাসিনা দেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। ভারতের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দেশপ্রেমিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

১০। প্রশাসনের সকল স্তরে ফ্যাসিস্ট ও তাদের দোসরদের প্রত্যাহার করে বা বরখাস্ত করে দেশপ্রেমিক যোগ্যদের নিয়োগ অবিলম্বে কার্যকর করতে হবে।

১১। সংসদ সদস্যদের সংখ্যা ৫০০তে উন্নীত করতে হবে। দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট রাষ্ট্র ব্যবস্থায় উচ্চকক্ষে ২০০ জন সদস্য (সিনেটর) করতে হবে। এক্ষেত্রে আমাদের প্রস্তাবগুলো সংসদ সদস্যদের খরচ কমাতে হবে।

১২। শিক্ষা কমিশন গঠন করতে হবে। যাতে থাকবে আলেম ওলামাসহ জ্ঞানী ব্যক্তিগন। ফ্যাসিস্টদের শিক্ষা ব্যবস্থা বাতিল করে দেশ ও জাতীর কল্যাণে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষাসহ বিশ্ব মানের শিক্ষা ব্যবস্থা প্রনয়ন করতে হবে। জুলাই গনঅভ্যুথানকে আমরা ধারন করি, সম্মান করি এই চেতনা অব্যাহত থাকুক।

১৩। আন্দোলনে সকল শহীদদের ক্ষতিপুরন দিতে হবে। দ্রু তাদের ক্ষতিপুরনের ব্যবস্থা করতে হবে। সকল আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যয় নির্বাহ করা। তাদের জন্য কর্ম সংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। সারা দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা সাফল্য ফিরিয়ে আনতে হবে।

১৪।    আমরা বাংলাদেশ কে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিনত করতে চাই। যা বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাড়াতে পারে। অর্থনৈতিক মুক্ত ও অর্থনৈতিক বৈষম্য নূন্যতম পর্যয়ে থাকে। রাজনীতি নয় রাজনীতি নয় জননীতিতে কাজ করতে হবে। সাম্য, ন্যায় বিচার ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে।

১৫।    এছাড়াও আমরা জাতীয় ঐক্য ও গন মানুষের সরকার প্রতিষ্ঠার লক্ষে ও রাজনৈতিক সমাজিক ও পেশাদারকে ঐক্যবদ্ধ করে ঐক্যবব্ধ বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে জাতীয় ঐক্য সমন্বয় পরিষদ এর  আরো পরিসর বৃদ্ধি করতে হবে।

১৬।     কৃষক-শ্রমিক মেহনতী মানুষের অধিকার সংরক্ষণে সকল প্রকার জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নীতিমালা অনুসরণ করা হবে।
১৭।    কুরআন ও সুন্নাহ পরিপন্থী কোনো আইন পাস করা যাবে না।

১৮।    রাষ্ট্রীয় সকল মৌলিক প্রশ্নে জাতীয় ঐক্যমত্য বাংলাদেশী জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠাকরণ এবং উদার গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে গতানুগতিক রাজনৈতিক ধারা পরিবর্তন করা।

১৯। তেল, গ্যাস, কয়লা ইত্যাদি উৎসের পাশাপাশি পানিসম্পদ থেকে বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যবস্থা করা, এছাড়া নিরাপদ পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করে  জাতীয়ভাবে বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধান করা। জনগণের গোচরীভুক্ত করে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সকল চুক্তি সম্পাদন করা।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান, জাতীয়ঐক্য সমন্বয় পরিষদের সমন্বয়কারী ও মিডিয়া উইং চীপ শেখ মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় ঐক্য সমন্বয় পরিষদের প্রধান সমন্বয়কারী ও সাবেকমন্ত্রী এম. নাজিম উদ্দিন আল-আজাদ আরও বলেন, বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আরও দৃঢ়ভাবে দেশকে পরিচালনা করতে অন্যান্য দলের ন্যায় তাদের সমন্বয় পরিষদের সকল দলের সার্বিক সহযোগিতা থাকবে। পাশাপাশি তিনি জাতীয় ভীত মজবুত করতে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন সংস্কার কমিশন গঠন প্রক্রিয়াকে অভিনন্দন জানান। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, কমিশনগুলো যাতে দ্রুত সংস্কার সম্পন্ন করে দেশে সকল ধরণের নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করা সহজতর হয়।

পাশাপাশি জুলাই আগষ্টে ছাত্র জনতার গণ অভ্যু্ত্থানের মধ্যদিয়ে দীর্গ ১৬ বছর ধরে জগদ্দল পাথরের ন্যায় জাতির ঘাঁড়ের উপর জবরদস্তি চেপে বসে সম্পূর্ণ ফ্যাসিবাদ শাসনের মাধ্যমে এদেশের সকল রাজনৈতিক দলের কণ্ঠরোধ করে দেওয়া হয়েছিল। একইসাথে গণ অভ্যুত্থান প্রতিহত করতে ফ্যাসিবাদ সরকারের দলীয় মন্ত্রী, এমপি, ছাত্র ও শ্রমিক সংগঠনের নেতা কর্মিরা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কায়দায় ছাত্র জনতা তথা বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মিদের ওপর গুলিবর্ষণ, হত্যা, গুম, নির্যাতন, আয়নাঘরে রেখে অমানবিক পরিস্থিতির মধ্যে তাদের মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে। তাদের সঠিক বিচার করে যৌক্তিক সময়ের মধ্যে জাতীয় সরকার গঠন করে জনগনের প্রত্যাশিত অবাধ-নিরপক্ষ ও অংশগ্রহন মূলক জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সমন্বয় পরিষদের সকল দলের চেয়াম্যান, মহাসচিবসহ দলের কর্মী। উপস্থিত দলের চেয়ারপার্সনরা হলেন: জাতীয় মুক্তিদলের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এটিএম মমতাজুল করিম, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান সেকেন্দার আল মনি, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের চেয়ারম্যান এ. আর. এম. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, স্বাধীন পার্টির চেয়ারম্যান মির্জা আজম, ফেডারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান প্রফেসর এ আর খান, বাংলাদেশ জনতা পার্টির চেয়ারম্যান এসএম মোস্তাফিজু ররহমান, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজু, অ্যাপ্লাইড ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান প্রিন্সিপাল এম আর করিম, বাংলাদেশ পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, বাংলাদেশ স্বাধীন পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোঃ জুয়েল সমট্রা চিসতী, সিটিজেন পার্টির চেয়ারম্যান ড. আসলাম আল মেহেদী,বাংলাদেশ ইসলামী সাম্যবাদী দল পার্টির চেয়ারম্যান মুফতি নুরুল আমিন, বি.আর.পি পার্টির চেয়ারম্যান মোঃ হারুন অর রশিদ হিরু, বাংলাদেশ মানবাধিকার আন্দোলন পার্টির সভাপতি চেয়রম্যান খাজা মহিবউল্লাহ শান্তিপুরী, স্বদেশ পার্টির চেয়ারম্যান মোঃ আনিছুর রহমান, মানবাধিকার ও পরিবেশ উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান অধ্যাপক খোরশেদ আলম প্রমুখ।

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৯:০২
কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ

ফাইল ছবি

আফগানিস্তানের কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি ডিগ্রিধারী ভাইস চ্যান্সেলর মুহাম্মদ ওসমান বাবুরিকে সরিয়ে দিয়েছেন তালেবান নেতারা। তাঁর জায়গায় বসানো হয়েছে আরও কম যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যাচেলর অব আর্টস (বিএ) ডিগ্রিধারী মুহাম্মদ আশরাফ ঘাইরাতকে। এ ঘটনার প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৭০ জন শিক্ষক পদত্যাগ করেছেন। গত বুধবার এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা এএনআই।

ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে কাবুলের সবচেয়ে বড় এই বিশ্ববিদ্যালয়ে আশরাফ ঘাইরাতকে নিয়োগের ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকে ক্ষোভ জানিয়েছেন। সমালোচকেরা আশরাফ ঘাইরাতের গত বছরের একটি টুইট সামনে তুলে ধরছেন। ওই টুইটে তিনি সাংবাদিক হত্যাকে সমর্থন জানিয়েছিলেন।

আফগানিস্তানের সংবাদ সংস্থা খামা বলেছে, আফগানিস্তানের সেরা একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে বুদ্ধিজীবী ও অভিজ্ঞ পিএইচডি ডিগ্রিধারী ব্যক্তিকে বাদ দিয়ে ব্যাচেলর ডিগ্রিধারী কাউকে নিয়োগ দেওয়ার ঘটনায় মানুষ ক্ষুব্ধ। এতে অনেক তালেবান সদস্যও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এ নিয়োগের সমালোচনা করে তাঁরা বলছেন, আশরাফ ঘাইরাতের চেয়েও যোগ্যতাসম্পন্ন লোক নিয়োগ দেওয়া যেত।

আশরাফ ঘাইরাত এর আগের সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চাকরি করেছেন। তিনি আফগানিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মূল্যায়ন কমিটির প্রধান ছিলেন।

এর আগে গত সোমবার তালেবান সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়টির নাম থেকে সাবেক আফগান প্রেসিডেন্ট বুরহান উদ্দিন রাব্বানির নাম বাদ দেয়। তারা এর নাম দিয়েছে কাবুল এডুকেশন ইউনিভার্সিটি। ২০০৯ সালে আত্মঘাতী হামলায় বুরহান উদ্দিন রাব্বানি মারা গেলে তাঁর নামানুসারে বিশ্ববিদ্যালয়টির নামকরণ করা হয়।

আফগানিস্তানের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ এবং এর নাম কোনো রাজনৈতিক বা জাতিগত নেতার নামে হতে পারে না। উল্লেখ্য, এর আগে আফগান তালেবানের শিক্ষামন্ত্রী শেখ মৌলভি নুরুল্লাহ মুনিরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছ। ভিডিওতে তাঁকে উচ্চশিক্ষার প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে কথা বলতে শোনা যায়।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - রাজনীতি