a সাংবাদিক সমাজের এক পথিকৃৎ শরচ্চন্দ্র পন্ডিত
ঢাকা শুক্রবার, ১৮ পৌষ ১৪৩২, ০২ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

সাংবাদিক সমাজের এক পথিকৃৎ শরচ্চন্দ্র পন্ডিত


অমৃতরায়, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২১, ০২:৪০
সাংবাদিক সমাজের এক পথিকৃৎ শরচ্চন্দ্র পন্ডিত

ফাইল ছবি

শরচ্চন্দ্র পণ্ডিত বাংলা সাহিত্যের পাঠক সমাজে দাদাঠাকুর নামেই পরিচিত। তিনি ছিলেন একজন বাঙালি কথাশিল্পী ও সাংবাদিক৷ যিনি মুখে মুখে ছড়া, হেঁয়ালী ও হাস্য কৌতুক রচনা করতেন। তার রচিত নানান হাসির গল্প বাঙলা সাহিত্যের অমর কীর্তি৷ তার প্রকাশিত বিখ্যাত গ্রন্থ বোতল পুরাণ।

জন্ম ২৭ এপ্রিল ১৮৮১ সিমলাদ্দি, বীরভূম জেলা , বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি, বৃটিশ ভারত আর মৃত্যুবরণ করেন ২৭ এপ্রিল ১৯৬৮। অবস্থান করেছেন  জঙ্গীপুর, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গে। পেশা হিসেবে সাংবাদিকতা, বিদ্রূপাত্মক সাহিত্য রচয়িতা, কবি, সামাজিক সমালোচক, গীতিকার। তবে  কৌতুক ও কবিতা রচয়িতা, সামাজিক সমালোচক হিসেবে ভালো পরিচিত ছিলেন।

শরচ্চন্দ্র মুর্শিদাবাদ জেলার জঙ্গীপুর মহকুমার দফরপুর গ্রামে বাস করতেন। তাঁর জন্ম মাতুলালয়ে বীরভূম জেলার নলহাটি থানার অন্তর্গত সিমলাদ্দি গ্রামে। পিতা দরিদ্র ব্রাহ্মণ হরিলাল পণ্ডিত। শৈশবেই তিনি পিতা-মাতাকে হারান। কিন্তু তাঁর পিতৃব্য রসিকলাল তাঁকে কোনদিনই তাঁদের অভাব বুঝতে দেননি। তাঁর স্নেহ-ভালবাসা বেড়ে ওঠা দরিদ্র পরিবারের সন্তান শরচ্চন্দ্র জঙ্গিপুর হাইস্কুল থেকে এন্ট্রান্স পাশ করে বর্ধমান রাজ কলেজে এফ.এ. ক্লাসে ভর্তি হন কিন্তু আর্থিক কারণে পড়া শেষ করতে পারেননি।

জঙ্গীপুরে তিনি অত্যন্ত সাধারণ জীবন যাপন করতেন কিন্তু অত্যন্ত তেজস্বী মানুষ ছিলেন। চারিত্রিক দৃঢ়তায় ছিলেন আধুনিক কালের বিদ্যাসাগর। মাত্র ২১ বৎসর বয়সে ১৯০২ খ্রিস্টাব্দে 'পণ্ডিত প্রেস' নামে একটি হস্তচালিত ছাপাখানা রঘুনাথগঞ্জে স্থাপন করেন তিনি। তার একক প্রচেষ্টায় 'জঙ্গীপুর সংবাদ' নামে একটি সাপ্তাহিক সংবাদপত্র প্রকাশ করতে থাকেন। এই পত্রিকা বাংলার বলিষ্ঠ মফস্বল সাংবাদিকতার প্রথম উদাহরণ। পণ্ডিত প্রেসে তিনিই ছিলেন কম্পোজিটর, প্রুফ রিডার, মেশিনম্যান। সমস্ত কিছুই একা হাতে কর‍তেন।

পরবর্তীকালে তিনি তাঁর ছাপাখানার বিবরণ দিতে গিয়ে বলতেন " আমার ছাপাখানার আমিই প্রোপাইটর, আমি কম্পোজিটর, আমি প্রুফ রিডার, আর আমিই ইঙ্ক-ম্যান। কেবল প্রেস-ম্যান আমি নই। সেটি ম্যান নয় - উওম্যান অর্থাৎ আমার অর্ধাঙ্গিনী। ছাপাখানার কাজে ব্রাহ্মণী আমাকে সাহায্য করেন, স্বামী-স্ত্রীতে আমরা ছাপাখানা চালাই।"

এছাড়া তার প্রকাশিত 'বিদুষক'পত্রিকায় বেরতো তার নিজের রচিত নানা হাসির গল্প ও হাস্য কৌতুক। বিদূষক পত্রিকা রসিকজনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। দাদাঠাকুর নিজে কলকাতার রাস্তায় রাস্তায় গিয়ে বিক্রি করতেন এই পত্রিকা। প্রাক স্বাধীনতার সময় কলকাতার রাস্তায় গান গেয়ে 'বোতল পুরান' পুস্তিকাটি ফেরি করতে গেলে ব্রিটিশ পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে আসে, তাদের জন্য তৎক্ষণাৎ বানিয়ে ইংরেজিতে গান ধরলেন তিনি।

শ্বেতাঙ্গ পুলিশ খালি গা ও খালি পায়ের এমন এক হকারকে ইংরেজিতে গান গাইতে দেখে হতবাক হয়ে যায় এবং শুধু উৎসাহ জোগাতেই আট কপি বখশিস দেয়। তার কাব্যপ্রতিভা, রসবোধ ও প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব ছিল সহজাত। ইংরেজি ভাষাতে যে প্যালিনড্রোম বা উভমুখী শব্দ আছে সেরকম বাংলায় শব্দ সৃষ্টি করেছেন। হিন্দি ও ইংরেজিতেও কাব্য লিখেছেন তিনি। তার ব্যাঙ্গাত্বক কবিতাগুলি ছিল সমাজের অত্যাচারী কুপ্রথার বিরুদ্ধে জলন্ত প্রতিবাদ স্বরূপ। স্বয়ং নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু তাকে শ্রদ্ধা করতেন।

সাংবাদিক সমাজের জন্য তিনি এক প্রেরনার উৎস। তার কাজের ধারাকে যদি সত্যিকার অর্থে বহন করে নেওয়া যায় তবে সাহিত্য, শিল্পকর্মই নয় জীবনের এক নিদারুণ মর্মার্থও উঠে আসবে সকলের সামনে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

বৌলাইবাড়ির সন্তান সাঈদ আহমদ আনীস


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শনিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২১, ০১:০৭
বৌলাইবাড়ির সন্তান সাঈদ আহমদ আনীস

সাঈদ আহমদ আনীস

ভারাক্রান্ত হৃদয় বেদনায় আচ্ছন্ন। করোনাকালের এ কঠিন অন্ধকার তাঁকে এবং তাঁর সহধর্মিণীকে পরপারে চলে যেতে হলো। আমি বিশ্বাস করি মানুষকে বা প্রাণকূলের জীবনকে মহান সৃষ্টিকর্তা নিজেই দান করেন এবং যেকোনো উছিলায় তিনিই জীবনকে নিয়ে নেন। তিনি সৃষ্টি করেন, আবার তিনিই লুপে নেন তাঁর ইচ্ছেমতো। 

এই মহাজাগতিক ভ্রম্মান্ড তাঁর নিয়ন্ত্রণাধনী আমাদের কোন হাত নেই সেখানে। তবে যাই হোক মনুষ্য জগতের এ বিশ্বে মানুষের কৃতকর্ম ইহকাল এবং পরকালের জন্য মঙ্গলকর হয়ে প্রতিভাত হয়। মানুষের সুন্দর কর্মের মাধ্যমে ইহজগতের নানা পরিসরে মানব মনে জায়গা করে নেয়া মানুষ প্রজন্মান্তরে নিদর্শন হয়ে বেঁচে থাকে। সমাজে অনেক গুণী মানুষ তাঁদের কৃতকর্মেরগুণে আমাদের মনে অমর হয়ে বেঁচে রয়েছেন। 

সাঈদ আহমদ আনীস তেমনই একজন সুজন মানুষ। সাঈদ আহমদ আনীস স্কুল জীবন থেকেই প্রগতিশীল সংগঠন উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত হন। তিনি উনসত্তরের ছাত্র আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার জহির রায়হানের 'জীবন থেকে নেয়া' ছবিতে অভিনয়ে সুযোগ পান। গানের জগতে তাঁর ঐকান্তিক বিচরণ ছিল। তিনি ভারত থেকে আগত প্রখ্যাত কন্ঠশিল্পী সুচিত্রা মিত্র, দেবব্রত বিশ্বাস প্রমুখের সঙ্গে তিনি একুই মঞ্চে গানে অংশগ্রহণ করেন।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পূর্বাহ্নে পিতা মনিরউদ্দীন ইউসুফ যখন বঙ্গবন্ধুর সাথে সাক্ষাত্ করেন তখন সাঈদ আহমদ আনীস সঙ্গে ছিলেন কথোপকথনের এক পর্যায়ে তাঁর 'সকল ছাত্র মিলে আমরা কি শান্তি কমিটি তৈরি করবো' জিজ্ঞাসার জবাবে বঙ্গবন্ধু বলেন, 'শান্তি কমিটি না, সংগ্রাম কমিটি তৈরি করো।' ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিন সাঈদ আহমদ আনীস সেই সকাল থেকে বিমানবন্দরে অপেক্ষা করেন এবং বঙ্গবন্ধুকে বহনকারী গাড়ির পেছনে মিছিলে অংশ নিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সভায় যোগদান করেন। তিনি তা দেশাত্মবোধ থেকে দেশপ্রেমে অবদান রেখেছেন।

সাঈদ আহমদ আনীস, বাবার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সবসময়ই লেখালেখির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। ১৯৯৩ থেকে সমকালীন সময়ে বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়া এবং অনলাইন পোর্টালে তাঁর লেখা গদ্য প্রকাশিত হয়েছে।
 
একজন সাহিত্যসেবী হিসাবে তাঁর যথেষ্ট পরিচিতি রয়েছে। পিতা কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত কালান্তক প্রকাশনীকে দীর্ঘদিন সফলভাবে পরিচালনা করেছেন।

সাঈদ আহমদ আনীস বাংলা একাডেমির আজীবন সদস্য, বৃহত্তর ময়মনসিংহ সাংস্কৃতিক ফোরামের আজীবন সদস্য, কিশোরগঞ্জ সমিতি ও কিশোরগঞ্জ লাইব্রেরির সদস্য, বাংলা- উর্দু সাহিত্য ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, হাসনরাজা ফাউন্ডেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক,  সাহিত্য সমাজ উন্নয়ন কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, আন্তর্জাতিক নজরুল চর্চাকেন্দ্রের সদস্য, মনিরউদ্দীন ইউসুফ গবেষণা কেন্দ্রকরে সদস্য ও মনিরউদ্দীন ইউসুফ সাহিত্য পরিষদের নির্বাহী সদস্য হিসেবে সামাজিক এবং সাহিত্যকর্মে নিবেদিত ছিলেন।

তিনি ১৯৫৩ সালের ৭ অক্টোবর ময়মনসিংহ শহরের কৃষ্টপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা প্রখ্যাত অনুবাদক ও সাহিত্যিক মনিরউদ্দীন ইউসুফ- মাতা সাজেদা খাতুন। তিনি জগন্নাথ কলেজ থেকে ১৯৭৮ সালে বি এ পাশ করেন।

ব্যক্তিজীবনে সাঈদ আহমদ আনীস সহজ-সরল স্পষ্টভাষী মানুষ। তিনি বন্ধু এবং আত্মীয়বতসল এবং ধর্মপরায়ণ আধুনিক মানুষ। ধর্মান্ধতায় তিনি কষ্ট পেতেন। সঙ্গীত ও চলচ্চিত্র তাঁর অন্যতম জায়গা হিসেবে দেখতে পাই। ১৯৭৪ সালে আয়কর বিভাগে কর্মজীবন শুরু করেন এবং ১৯১৪ সালে সহকারী কমিশনার হিসাবে অবসর নেন।
 
তাঁর সাথে আমাদের যে সখ্যতা ও আত্মীয়তা ছিল তা আমাদের মনে চিরদিন অটুট হয়ে থাকবে। আমরা তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা করি এবং পরপারে তিনি এবং তাঁর সহধর্মিণী যেনো শান্তিতে থাকেন আল্লাহ'র কাছে সে প্রার্থনা জানাই। আমিন

----চৌধুরী নূরুল হুদা

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

বাংলাদেশের সিরিজ জয়


ক্রীড়া ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ২৫ জুলাই, ২০২১, ১১:০৬
বাংলাদেশের সিরিজ জয়

ফাইল ছবি

বড় লক্ষ্য তাড়া করে দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে সিরিজ নিশ্চিত করল টাইগাররা। এর মধ্য দিয়ে জিম্বাবুয়েকে ৫ উইকেটে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজও জিতল বাংলাদেশ। হারারেতে রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে ১৯৪ রানের লক্ষ্যে পৌঁছেছে ৫ উইকেট আর ৪ বল হাতে রেখেই। তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে নিয়েছে ২-১ ব্যবধানে। একই সঙ্গে টি-টোয়েন্টিতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড গড়ল বাংলাদেশ।

হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে দ্বিতীয় ইনিংসের শুরু থেকেই মারমুখী ছিলেন সৌম্য। প্রথম ওভারে একটি করে চার ও ছয় হাঁকান তিনি। ইনিংসের তৃতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলেই সাফল্য পায় জিম্বাবুয়ে। মুজারাবানির বল উড়িয়ে মারতে গিয়ে ৩০ গজে সহজ ক্যাচ তুলে দেন ৩ রান করা নাইম। 

অষ্টম ওভারে লুক জঙ্গওয়েকে দুটি ছক্কা হাঁকিয়ে ঝড় তোলার আভাস দেন সাকিব। কিন্তু একই ওভারে ফের উড়িয়ে মারতে গিয়ে লং অনে মেয়ার্সের তালুবন্দী হন তিনি। টাইগার অলরাউন্ডার ফেরেন ১৩ বলে ২৫ রান করে।

এরপর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে সঙ্গে নিয়ে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন সৌম্য। তবে দীর্ঘসময় অনেক ধীরে খেলেন তিনি। একসময় এ ওপেনারের নামের পাশে ছিল ৩৬ বলে ৩৭ রান। তবে এরপরই বেরিয়ে আসেন খোলস থেকে।

৪০ বলে ক্যারিয়ারের পঞ্চম অর্ধশতকের মাইলফলক স্পর্শ করেন সৌম্য। কিন্তু অতি আক্রমণাত্মক হতে গিয়ে আউট হন তিনি। জঙ্গওয়ের বলে সাজঘরে ফেরার আগে ৪৯ বলে ৬৮ রান করেন এই ওপেনার। ছোট্ট ক্যামিও ইনিংস খেলে আফিফ ফেরেন ১৪ রানে। 

এ ম্যাচে অনবদ্য ছিলেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তিনি যখন মাঠ ছাড়েন তখন দলের জয় অনেকটাই নিশ্চিত। চাকাভার দুর্দান্ত ক্যাচে পরিণত হওয়ার আগে ২৮ বলে ৩৪ রান করেন তিনি।

নুরুল হাসানকে সঙ্গে নিয়ে বাকী পথ সহজেই পাড়ি দেন শামীম পাটোয়ারি। দুজনে ম্যাচ শেষে অপরাজিত থাকেন ১ ও ৩১ রানে। জিম্বাবুয়ের জঙ্গওয়ে ও ব্লেসিং মুজারাবানি দুটি এবং ওয়েলিংটন মাসাকাদজা একটি করে উইকেট শিকার করেন।

এর আগে, এই অলিখিত ফাইনালে টস জিতে আগে ব্যাট করে বাংলাদেশকে ১৯৪ রানের লক্ষ্য দেয় জিম্বাবুয়ে। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৩ রান করে জিম্বাবুয়ে। রবিবার সিরিজের শেষ তথা সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস হেরে ফিল্ডিংয়ে নামে বাংলাদেশ। 

তবে মোস্তাফিজুর রহমানকে ছাড়া টাইগারদের বোলিং লাইনআপ যে একেবারেই ছন্নছাড়া, তা আরও একবার দেখা গেল। তিন পেসার তাসকিন, সাইফউদ্দিন, শরীফুল এবং মেহেদী হাসানের জায়গায় নামা বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ বেদম মার খেয়েছেন। একমাত্র সাকিবকেই একটু বুঝে শুনে খেলেছে জিম্বাবুয়ে।

এভাবেই শেষ হয় ২২ বলে ৬ ছক্কায় চাকাভার ৪৮ রানের ইনিংস। যিনি নাসুমের এক ওভারে ৩টি সহ সাকিবের ওভারেও ছক্কা মেরেছেন। নাসুমের আগের ওভারে তো রিভার্স সুইপে ছক্কা মারেন তিনি! একই ওভারের পঞ্চম বলে অধিনায়ক সিকান্দার রাজাকে ফেরান সৌম্য। এই তারকা অল-রাউন্ডার দুই বল করে 'ডাক' মারেন। শেষ পর্যন্ত ওয়েসলি মাধেভেরে, রেগিস চাকাভা ও রায়ান বার্লের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৩ রানের পাহাড় গড়েছে জিম্বাবুয়ে।

উল্লেখ্য, এর আগের ম্যাচে ১৬৬ রান করেই সহজে জিতে গিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। হারারেতে সিরিজ নির্ধারণী টি-টুয়েন্টিতে বাংলাদেশকে আরও বড় লক্ষ্য দিয়েছে স্বাগতিকরা। অলিখিত ফাইনালে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৩ রান তুলেছে সিকান্দার রাজার দল। বাংলাদেশের বিপক্ষে যা জিম্বাবুয়ের সর্বোচ্চ সংগ্রহ। এর আগে ২০১৬ সালে বাংলাদেশ সফরে এসে খুলনায় ১৮৭ রান করেছিল তারা। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

সর্বশেষ - শিল্প ও সাহিত্য