a
ফাইল ছবি
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে রাঙামাটি জেলার আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহসান হাবীব মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে তিনি মারা যান।
রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের চিকিৎসক পুলিশ সুপার ডা. মনোয়ার হাসানাত খান বলেন, ‘করোনায় আক্রান্ত হয়ে রাঙামাটি জেলার আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহসান হাবীব রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। করোনার ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট দ্বারা আক্রান্ত হয়ে গত ৫ জুলাই থেকে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন তিনি। এছাড়া তার অ্যাজমার সমস্যাও ছিল।’
এপিবিএনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহসান হাবীব ও তার স্ত্রী করোনায় আক্রান্ত হয়ে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরুর পর ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত ১০১ জন পুলিশ সদস্য মারা গেছেন। আক্রান্ত হয়েছেন ২৩ হাজারেরও বেশি সদস্য।
ফাইল ছবি
আজ ১০মে সোমবার সকাল ৬টা থেকে আগামী ১৫মে এবং ঈদের দিন ও ঈদের পরদিন রাত ১০টা পর্যন্ত বিবিয়ানা ও বাঙ্গুরা গ্যাসক্ষেত্র কারিগরি কাজের জন্য আংশিক বা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।
তিতাস কর্তৃপক্ষ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করেছে যে, জাতীয় গ্যাস গ্রিডের সক্ষমতা বাড়ানো এবং জরুরি কিছু রক্ষণাবেক্ষণের জন্য এই গ্যাসক্ষেত্র বন্ধ থাকবে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত গ্যাস সংকট থাকবে যেসব এলাকায় তা হলো এলেঙ্গা, টাঙ্গাইল, নরসিংদী, জয়দেবপুর, ধনুয়া, আমিনবাজার, আশুলিয়া, সাভার, মানিকগঞ্জ, মাধবদী, ভুলতা, আড়াইহাজার, তারাবো ও আশপাশের এলাকায় গ্যাসের চাপ কম থাকবে।
গ্রাহকদের এই সাময়িক অসুবিধার জন্য তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে।
ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতায় বসার মাত্র পাঁচ সপ্তাহ পার হতে না হতেই লিজ ট্রাসের ক্ষমতা টালমাটাল অবস্থায় পড়েছেন। এবার লড়ছেন গদি রক্ষার লড়াইয়ে। গুঞ্জন চাউর হচ্ছে ক্ষমতা হারাতে যাচ্ছেন লিজ। এরই মধ্যে খবর এলো ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুয়েলা ব্রাভারম্যান পদত্যাগ করেছেন।
স্থানীয় সময় বুধবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে তিনি প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাসের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। খবর বিবিসির।
লিজ ট্রাস ইতোমধ্যে নিজ দলের এমপিদের ব্যাপক অসন্তোষের মুখে রয়েছেন। এমন সঙ্কটময় সময়ে সুয়েলা ব্রাভারম্যানের পদত্যাগ দেশটির সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে আরও অশান্তি বাড়াবে।
এর আগে, ট্যাক্স ইস্যুতে পদত্যাগ করেন অর্থমন্ত্রী কাওয়াসি কোয়ারতেং। এরপরই গুঞ্জন ওঠে প্রধানমন্ত্রীকেও শিগগির পদত্যাগ করতে হতে পারে।
বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়, সুয়েলা মন্ত্রিপরিষদের দুটি নীতি ভঙ্গ করেন। প্রথমত সরকারি কাজে তিনি ব্যক্তিগত ই-মেইল ব্যবহার করেন। দ্বিতীয়ত তিনি এমন একজন ব্যক্তিকে সরকারি নথি প্রদান করেন, যার কাছে এ নথি দেওয়ার কথা নয়।
পদত্যাগপত্রে সুয়েলা ব্রাভারম্যান প্রধানমন্ত্রী ট্রাসের সমালোচনা করেছেন। বিশেষ করে ট্রাসের নীতির কঠোর সমালোচনা করেন তিনি। ট্রাসকে তিনি লেখেন, ‘এই সরকারের নির্দেশনা নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন। আমাদের ভোটারদেরকে প্রধান প্রধান যেসব প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল আমরা শুধু তা ভঙ্গই করিনি বরং নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতিগুলোকে, যেমন সামগ্রিক অভিবাসন সংখ্যা হ্রাস করা, অবৈধ অভিবাসন বন্ধ করা, বিশেষ করে ছোট ছোট নৌকায় করে বিপজ্জনকভাবে সমুদ্র পাড়ি দিয়ে আশ্রয়প্রার্থীদের আসা বন্ধা করার মতো প্রতিশ্রুতির প্রতি সম্মান রাখার বিষয়ে এই সরকারের স্বদিচ্ছা নিয়েও আমার গুরুতর উদ্বেগ রয়েছে।’
তিনি আরও বলেছেন, ‘সরকারের ভুলের দায় স্বীকার করতে হবে এবং সরকারকে জনগণের উপর নির্ভর করতে হবে। আমরা ভুল করিনি এমন ভান করা এবং জিনিসগুলো জাদুকরিভাবে ঠিক হয়ে যাবে আশা করাও ঠিক নয়।’
এদিকে, এতো কিছুর পরও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করার কোনো পরিকল্পনা নেই লিজ ট্রাসের। তার রাজনৈতিক মুখপাত্র বুধবার (১৯ অক্টোবর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এ মাসের শেষের দিকেও লিজ ট্রাস ক্ষমতায় থাকবেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে তিনি পদত্যাগ করছেন না। সূত্র: ইত্তেফাক