a অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহসান হাবীব করোনায় মারা গেলেন
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২ মাঘ ১৪৩২, ০৫ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহসান হাবীব করোনায় মারা গেলেন


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শুক্রবার, ১৬ জুলাই, ২০২১, ১০:৪৭
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহসান হাবীব করোনায় মারা গেলেন

ফাইল ছবি

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে রাঙামাটি জেলার আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহসান হাবীব মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে তিনি মারা যান।

রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের চিকিৎসক পুলিশ সুপার ডা. মনোয়ার হাসানাত খান বলেন, ‘করোনায় আক্রান্ত হয়ে রাঙামাটি জেলার আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহসান হাবীব রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। করোনার ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট দ্বারা আক্রান্ত হয়ে গত ৫ জুলাই থেকে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন তিনি। এছাড়া তার অ্যাজমার সমস্যাও ছিল।’

এপিবিএনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহসান হাবীব ও তার স্ত্রী করোনায় আক্রান্ত হয়ে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরুর পর ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত ১০১ জন পুলিশ সদস্য মারা গেছেন। আক্রান্ত হয়েছেন ২৩ হাজারেরও বেশি সদস্য।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

কুখ্যাত ফারুক ওরফে লাদেন ধারালো রামদা দিয়ে কূপ দেয় দুলাল মিয়ার হাটুতে


কাজল, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ০৫ অক্টোবর, ২০২১, ০৪:২৭
কুখ্যাত ফারুক ওরফে লাদেন ধারালো রামদা দিয়ে কূপ দেয় দুলাল মিয়ার হাটুতে

ফাইল ছবি

হবিগঞ্জ জেলা শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার সুরাবই টিলার নিকটস্থ জসিম মিয়ার বাড়ীর উঠানে গত ০১-১০-২০২১ইং সকাল ৭-৩০ মিনিটে পূর্ব শত্রুতার জেরে দুলাল মিয়া ৩৯ কে হাটুতে কূপ দেয় একই উপজেলা ও একই গ্রামের মৃত হাসিম মিয়ার ছেলে কুখ্যাত ফারুক ওরফে লাদেন। 

গুরুতর আহত দুলালকে এলাকাবাসী ও তাঁহার আত্মীয় স্বজন উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় দুলাল মিয়া স্বাক্ষরিত এক এজাহার শায়েস্তাগঞ্জ থানায় দাখিল করা হয়। যাহা নং ০২-তাং ০২-১০-২০২১ইং ধারা ৪৪৭/৩২৩/৩২৬/৩০৭/৫০৬ জি আর মোকদ্দমা নং ৯২/২০২১ ইং শায়েস্তাঃ সাধাঃ ডাঃ ৪৩০৯(৩)/১- তাং ০২-১০-২০২১ইং। 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, একই গ্রামের জসিম মিয়া কুখ্যাত ফারুক ওরফে লাদেন এর ভয়ে  নিজ ঘরবাড়ি ভেংগে নিয়ে অন্যত্র বসবাস করার প্রস্তুতি নেয়। পুরাসুন্দা গ্রামের মৃত হাজি মুতি মিয়ার পুত্র দুলাল মিয়া ৩৯ জসিম মিয়ার স্ত্রীকে বলে ভাবী ঘর দোর ভেংগে ফেলছেন কেনো? ইহা বলার সাথে সাথেই  ফারুক মিয়া ওরফে লাদেন রামদা দিয়া দুলাল প্রানে হত্যার উদ্দ্যেশ্যে কূপ দেয়। প্রাণ ভয়ে দুলাল লাফ দিলে মাটিতে পড়ে যায়। কূপটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে দুলালের বাম পায়ের হাটুতে পড়ে, হাটুটির প্রায় অর্ধেক দায়ের আঘাতে কেটে যায় এবং অবস্থা অতি গুরুতর।  

প্রথমে কূপ ও পরে শরীরের বিভিন্ন অংশে জখম করে। জখমী দুলাল মিয়া হাসপাতালে ভর্তি হয়, যার রেজিঃ নং ১৬১১৮ তাং ০১-১০-২০২১ ইং। 

এ বিষয়ে শায়স্তাগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত  মোঃ মুর্শেদ আলম এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। জখমীর স্বাক্ষরিত আবেদন আমরা পাইয়া তদন্ত করি,  তদন্তে প্রাথমিক সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় এফ আই আর মূলে আসামীকে গ্রেফতার করতে অভিযান পরিচলনা করা হচ্ছে। আসামী পালিয়ে আছে, তবে অনতিবিলম্বে আসামীকে ধৃত করে বিজ্ঞ কোর্টে সোপর্দ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

পরিবারের সবাইকে হত্যা করে কাউন্সিলরকে তুলে নিয়ে বিয়ে করার হুমকি!


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
রবিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২১, ১০:১৮
পরিবারের সবাইকে হত্যা করে কাউন্সিলরকে তুলে নিয়ে বিয়ে করার হুমকি

ফাইল ছবি

নারায়ণগঞ্জের আলোচিত কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদকে ব্যাকমেইল করে ও হুমকি ধমকি দিয়ে এক মহিলা তাকে বিয়ের করার জন্য তুলে নেয়ার চেষ্টা করেছিল। এমনকি তার স্ত্রীসহ পরিবারের সবাইকে হত্যার হুমকি দিয়েছিল সেই নারী। 

শনিবার (২৪ এপ্রিল) রাতে ফেসবুকে লাইভে এসে কান্নাজড়িত কণ্ঠে এসব অভিযোগ করেন কাউন্সিলর খোরশেদ। এ সময় তার পাশেই ছিলেন স্ত্রী আফরোজা খন্দকার লুনা। লাইভের শেষের দিকে স্ত্রীও কথা বলেন এবং রাষ্ট্রের কাছে তার স্বামী ও পরিবারের নিরাপত্তার দাবি জানান। 

ফেসবুক লাইভে খোরশেদ জানান, সাইদা শিউলি নামে ওই নারী ভয়ংকর চরিত্রের অধিকারী। তার সঙ্গে প্রশাসন ও উচ্চ মহলের বিভিন্ন দফতরের উচ্চ পদস্থ ব্যক্তিদের উঠাবসা। তিনি একজন ব্যবসায়ী ও তিনবার বিয়ে করেছেন। ওই নারীর দুটি সন্তান বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন এবং এক মেয়ে দশম শ্রেণিতে পড়াশুনা করেন।
  
খোরশেদ বলেন, ‌‘আমি করোনার শুরু থেকেই করোনায় আক্রান্তদের সেবা দিয়েছি ও সম্মুখে থেকে লডাই করে দাফন সৎকার কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। একপর্যায়ে গত মে মাসে আমি ও আমার স্ত্রী করোনায় আক্রান্ত হই। তখন অক্সিজেনের অভাবে আমার স্ত্রীকে একপর্যায়ে আইসিইউতে ভর্তি করাতে হয়। তখন একটি সংবাদের নিচে ওই মহিলা কমেন্ট করে জানান, তিনি অক্সিজেন দিতে চান এবং আমার সঙ্গে ফেসবুকে যোগাযোগ করে অক্সিজেন সিলিন্ডার দেন। তখন থেকেই তিনি আমার সঙ্গে ফেসবুকে বন্ধু তালিকায় যুক্ত হন এবং কথা বলা শুরু করেন।’

‘একপর্যায়ে আমি বুঝতে পারি তার মতলব ভিন্ন। আমি তাকে তখন দূরে সরাতে চেষ্টা করি এবং বোঝাই। এরপর তার ভার্সিটি পড়ুয়া ছেলেকেও আমি এসব ঘটনা জানাই, তখন সে আমাকে বলে তার মা হয়তো দুষ্টুমি করছে, এরকম কিছু সম্ভব নয়। কাজ হবে না বুঝে পরবর্তীতে নভেম্বর-ডিসেম্বরে তার ভগ্নিপতিকে জানাই। এতে তিনি আরও ক্ষুব্ধ হন এবং আমার পেছনে উঠেপড়ে লাগেন।’  

তিনি আরও বলেন, ‘সম্মানকে ভয় পাই বলেই এতদিন মুখ খুলিনি। আমি ধৈর্য ধরেছি। কারণ, আল্লাহ হয়তো একটি ফয়সালা করবেন। তবে দুদিন আগে নারায়ণগঞ্জের স্থানীয় দুটি পত্রিকায় আমাকে জড়িয়ে এ সংক্রান্ত নিউজ হওয়ায় আমি নিজেই বিষয়টি সবার কাছে বলতে এসেছি। আমার পাশে থাকার জন্য আমি আমি সাংবাদিক, আমার রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ও প্রতিপক্ষের কাছে কৃতজ্ঞ।’  

খোরশেদ বলেন, ‘২১ জানুয়ারির পর থেকে হোয়াটস অ্যাপে, ম্যাসেঞ্জারে, টেলিফোনে আমাদের হুমকি দিচ্ছেন এবং হত্যার হুমকি জানাচ্ছেন ওই মহিলা। আমার পরিবারের সবাইকে মারাত্মক মানষিক অত্যাচার করছেন। সর্বশেষ আমার স্ত্রী ও সন্তান নকিবকে তুলে নিয়ে হত্যা করবে বলেও হুমকি দেন। আমি এসব ঘটনায় শুরু থেকেই সরকারি সংশ্লিষ্ট সব দফতর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে লিখিতভাবে জানিয়েছি এবং অবহিত করেছি। বিভিন্ন ঘটনা ঘটার পর পরই তাদের অবহিত করা হয়।’  

তনি বলেন, ‘আমার বাড়ি একটি মরা বাড়ি হয়ে গেছে। একের পর এক লাশ দাফন করি। আবার আমার বাচ্চাদের থেকে এসব কারণে লুকিয়ে থাকতে হয়। ওদের জীবনের ভয়ে আছি আমি। আমার ছেলে মেয়ে আমার চিন্তায়, পারিবারিক অশান্তিতে অসুস্থ হয়ে গেছে। এটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। এই ঘটনার কারণ কি? আমি এসব থেকে মুক্তি চাই আল্লাহর সাহায্যের মাধ্যমে।’  

তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন মানুষকে ব্যবহার করে তিনি আমাদের জ্বালাতন করতেন। এতদিন কষ্ট সহ্য করেছি, আর পারছি না। অনেকে লজ্জায় আমার কাছে জিজ্ঞাসা করতে পারেন না। আপনাদের কাছে এ ঘটনার বিচার চাই। সাংবাদিক ভাইরা লেখনি ও প্রচার প্রচারণার মাধ্যমে আমাকে এ অবস্থা থেকে বাঁচান। আমি এ নির্যাতন থেকে মুক্তি চাই। আমি আমার পরিবারের কাছেও ক্ষমা চাই এসব ঘটনায়।’  

কাউন্সিলর খোরশেদের স্ত্রী আফরোজা খন্দকার লুনা বলেন, ‘আমাদের ওয়ার্ডের সচিবকে ফোন দিয়ে বলেছেন, আমাকে ও আমার পরিবারের সবাইকে ঐ মহিলা হত্যা করবে। আমার সাথে তার সব কথার রেকর্ড আছে। সাংবাদিকসহ যে কেউ চাইলে আমরা এসব রেকর্ডিং দেব। আমি আমার স্বামী ও পরিবারের নিরাপত্তা চাই রাষ্ট্রের কাছে।’  

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - সারাদেশ