a
ফাইল ছবি
পবিত্র ঈদুল ফিতর ও সাপ্তাহিক ছুটি উপলক্ষে চার দিন বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ থাকার পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দরে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানি পুনরায় শুরু হয়েছে।
আজ ১৭মে সোমবার সকালে ভারতের ত্রিপুরায় মাছ রপ্তানি করে পুনরায় দুই দেশের বাণিজ্য আরম্ভ হয়।
আখাউড়া স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম ও ব্যবসায়ী রাজীব উদ্দিন ভূঁইয়া জানান, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে গত ১৩ মে থেকে ১৬ মে পযর্ন্ত এ চার দিন ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের সিদ্ধান্তে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য কার্যক্রম বন্ধ রাখতে হয়েছিল।
আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে আবারও এ কার্যক্রম শুরু হলো। তাছাড়া আখাউড়া ইমিগ্রেশন ইনচার্জ আবদুল হামিদ নিশ্চিত করেছেন উভয় দেশের স্থলবন্ধর বন্ধ থাকলেও আটকেপড়া পাসপোর্টধারী যাত্রীদের পারাপার স্বাভাবিক ছিল।
ফাইল ফটো:
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মামুনুল হককে নিয়ে কুরুচি ভাষায় মন্তব্য করায় সুনামগঞ্জের শাল্লায় গ্রেফতার ঝুমন দাসের গ্রামে মামুনুল হকের অনুসারীরা হামলা চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে হেফাজত নেতা মামুনুল হককে নিয়ে অশালীন মন্তব্য করায় সুনামগঞ্জের শাল্লায় গ্রেফতার করা হয়েছে ঝুমন দাসকে।
বুধবার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার নোয়াগ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় গ্রামটিতে অন্তত ২০ ঘরবাড়ি ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ পাওয়া যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মামুনুল হকের অনুসারীরা লঠিসোটা হাতে মিছিল নিয়ে ওই গ্রামে হামলা করে। হামলার আগেই আগাম খবর পেয়ে বাড়ি ছেড়ে হাওরে আশ্রয় নেন নোয়াগ্রামের ঝুমন দাসের আশে-পাশের লোকজন। ফলে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে।
ভুক্তভোগী শৈলেন্দ্র দাস জানান, যে ছেলেটি ফেসবুকে মামুনুল হকের বিরুদ্ধে কটুক্তি করেছে তাকে তারা গতকাল ধরে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছে। এরপর গ্রামের অন্যান্যদের আশ্বস্ত করা হয়েছিলো আর কিছু হবে না। কিন্তু সকালেই লাঠিসোঠা নিয়ে কয়েকশ’ মানুষ পুলিশ ও উপজেলা চেয়ারম্যানের সামনেই হামলা চালায়।
তারা আগাম খবর পেয়ে গ্রামের নারীসহ পুরুষরা শিশুদের নিয়ে হাওরের আশ্রয় নেয়। এরপর বাড়ি ফিরে এসে দেখে ঘরের আসবাব ভাংচুর করা হয়েছে। এ সময় তিনি অভিযোগ করেন তার ঘরে থাকা স্বর্ণ ও টাকাও লুট করে নিয়ে যায়।
শাল্লা থানার ওসি নাজমুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, যে ছেলেটি ফেসবুকে আল্লামা মামুনুল হককে নিয়ে কটূক্তি করেছিল, তাকে ধরে গতরাতেই গ্রামের লোকজন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু সকালে হঠাৎ শতাধিক লোকজন লাঠিসোটা নিয়ে নোয়াগ্রামের দিকে মিছিল নিয়ে যাচ্ছে এমন খবর পেয়ে পুলিশও তাদের পিছু নেয়। কিন্তু কিছু লোক আগেই নদী পার হয়ে নোয়াগ্রামে হামলা চালায়। এ সময় ঝুমন দাসের বাড়িসহ প্রায় ২০ বাড়িঘরে ভাঙচুর হয়।
ওসি জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ওই গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। গত সোমবার শাল্লার পাশের উপজেলা দিরাইয়ে হেফাজতের একটি সমাবেশে বক্তব্য দেন হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব আল্লামা মামুনুল হক।
ফাইল ছবি
রাজধানী ঢাকার রাস্তা থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও গাড়ি পার্কিং বন্ধে হাইকোর্টের রায় না মানায় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান মিঞা, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসকে আদালত অবমাননার নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ(এইচআরপিবি)-এর পক্ষে বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) নোটিশটি পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।
আইনজীবী মনজিল মোরসেদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘রেজিস্ট্রি ডাকযোগে নোটিশটি পাঠানো হয়েছে। নোটিশ পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে রায়ের নির্দেশনা অনুসারে পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ করা হয়েছে। না নিলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
এর আগে এইচআরপিবির পক্ষে ২০১৫ সালে এই বিষয়ে জনস্বার্থে রিট আবেদন করা হয়। তখন আদালত রুল জারির পাশাপাশি অন্তবর্তীকালীন আদেশ দেন। অনুমোদনহীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, অবৈধ স্থাপনা অপসারণের কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয় রুলে।
একইসঙ্গে যেসব ভবনে গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গায় নকশাবহির্ভূত স্থাপনা তৈরি করা হয়েছে, রাজউক চেয়ারম্যানকে (মো. আনিছুর রহমান মিঞা) ৬০ দিনের মধ্যে সে তালিকা দিতে নির্দেশ প্রদান করা হয়। সূত্র: ইত্তেফাক