a আগুন আতঙ্কে দিন কাটছে ঠাকুরগাঁওবাসীর
ঢাকা রবিবার, ২৫ মাঘ ১৪৩২, ০৮ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

আগুন আতঙ্কে দিন কাটছে ঠাকুরগাঁওবাসীর


হানিফ, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন:
রবিবার, ০২ মে, ২০২১, ১০:০৪
আগুন আতঙ্কে দিন কাটছে ঠাকুরগাঁওবাসীর

সংগৃহীত ছবি

রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ডের কারনে ঠাকুরগাঁওয়ে একটি গ্রামের মানুষ প্রায় ১ মাসেরও বেশি সময় ধরে আগুন আতঙ্কে রয়েছে। হঠাৎ হঠাৎ আগুন লেগে পুড়ে যাচ্ছে ঘরবাড়িসহ প্রয়োজনীয় সব মালামাল। আগুনের কারনে এ পর্যন্ত প্রায় ২০টি পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। আগুন আতঙ্কে প্রায় পরিবারই সন্তানদের নিয়ে খোলা আকাশেঁর নিচে দিনযাপন করছেন।

আকস্মিকভাবে ঘটা এ অগ্নিকান্ডের উৎস ও সূত্রপাতও গ্রামবাসীসহ সকলের কাছেই একটি ধাধা মনে হচ্ছে। এ ঘটনায় ফায়ার সার্ভিস ও প্রশাসন বলছে, অসাবধানতার কারণেই এমন দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা আছে বলে মনে করা হচ্ছে। এছাড়া এ ঘটনার পেছনে কেউ জড়িত আছে কি না সে বিষয়েও তৎপর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ঘটনাস্থলে বর্তমানে প্রতিটি জায়গায় পুলিশ ও গ্রাম পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

ধাধার মত এমন আগুনের ঘটনাটি ঘটেছে ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার চাড়োল ইউনিয়নের সাবাজপুর গ্রামে। ইতোমধ্যে আগুনে পুডে নি:স্ব হয়েছে কয়েকটি পরিবারের বসতভিটা। তাদের ভিতর আমেনা বেগম, নূর আলম, মোতালেব, মকসেদ আলীসহ সাবাজপুর গ্রামের প্রায় ২০ টি পরিবারের শতাধিক লোকজন। 

আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দাবি, অলৌকিকভাবে প্রতিদিন বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় ৩-৪ বার আগুন ধরছে। কখনো রান্নাঘরে,  কখনও ঘরের চালাতে, এমনকি ঘরের ট্রাঙ্কের ভিতরও আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। গত ২০ দিনে প্রায় শতাধিকবার আগুন লেগেছে ২০টি পরিবারের বাড়িগুলোতে। আগুন নেভানোর জন্য নিজস্ব উদ্যোগে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বৈদ্যুতিক পানির পাম্প স্থাপন করেছেন গ্রামের লোকজন। এছাড়া বালতি,ড্রাম ভরে পানি সাজিয়ে রাখতে দেখা যায়।

গ্রামবাসী জানায় গত মাসের ২৯ তারিখে শবে বরাতের রাতে প্রথম আগুন দেখা যায়। ওইদিন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও পরদিন ৩০ মার্চ আগুনে ৩টি পরিবারের ঘরবাড়িসহ আসবাবপত্র পুড়ে যায়। এখন পর্যন্ত প্রায় ২০টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, আর এভবেই তাদের প্রতিটি ক্ষণ কাটছে আগুন আতঙ্কে। গ্রামবাসীরা এখন এ আতঙ্ক থেকে মুক্তি পেতে প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

বোনের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক, অন্তঃসত্বা করে গর্ভপাত



বুধবার, ০৭ এপ্রিল, ২০২১, ০৩:২৮
বোনের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক, অন্তঃসত্বা করে গর্ভপাত

নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে (১৫) দিনের পর দিন সৎ ভাই মেহেদি হাসানের (২২) কাছে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছিল। এতে পর পর  দুবার অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে সে। ঘটনা কাউকে জানালে তাকে ও তার বাবাকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীর।

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলায় এ ঘটনাটি ঘটেছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সৎ ভাই মেহেদি হাসান (২২) ওই স্কুলছাত্রীকে শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করে। এতে প্রথমেও একবার অন্তঃসত্ত্বা হয় সে। সন্তান প্রসবের পর মেহেদি তাকেও হত্যা করে বলে অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগী মেয়েটি সংবাদ মাধ্যমকে জানায়, তাদের মা বিষয়টি জানার পর তার পায়ে পড়ে মাফ চেয়ে এমন কাজ দ্বিতীয়বার না করার কথা দেয় সে। কিন্তু দ্বিতীয়বারও বোনকে জোর করে শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করে মেহেদি। এতে করে ফের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে ভুক্তভোগী।

এমন ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর ভুক্তভোগীর বাড়ি গিয়ে কথা হলে মেহেদির বাবা সংবাদ মাধ্যমকে জানান, ১২ বছর আগে পাঁচ মেয়ে ও দুই ছেলে রেখে মারা যান তার স্ত্রী। পরে তিনি পাশের ইউনিয়নের এক বিধবা নারীকে বিয়ে করেন। সেই নারীর একটি মেয়ে (ভুক্তভোগী) থাকায় তাকেসহ বাড়িতে তোলেন তিনি।

ছেলেটির বাবা আরও জানান, পাঁচ মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। তারা শ্বশুরবাড়ি থাকেন। বড় ছেলে তাবলীগ জামায়াতে থাকায় দুটি ঘরের একটি বাড়ি বানিয়ে সেখানে বসবাস শুরু করেন তারা। একটি ঘরে স্ত্রীসহ তিনি এবং অন্য ঘরে থাকত মেহেদি ও তার এই বোন (ভুক্তভোগী)। দুজনই শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে মেহেদি কলেজছাত্র ও ভুক্তভোগী নবম শ্রেণির স্কুল ছাত্রী।

ভুক্তভোগী ওই মেয়ে জানিয়েছে, ইংরেজিতে পারদর্শী হওয়ায় বড় ভাইকে মাঝে মাঝে পড়াতো সে। একসাথে পড়তে বসায় মেহেদি তার দিকে কুনজর দিতো। পড়ার সময় মজার ছলে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে হাত দিতো। একদিন কুপ্রস্তাব দেয় সে। রাজি না হলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেয় মেহেদি।

ওই স্কুল ছাত্রী মেয়ে বলে, ‘একদিন মেহেদি আমাকে কু প্রস্তাব দেয়। রাজি না হলে বাবাকে মেরে ফেলে মায়ের কাঁধে দোষ চাপানোর কথা বলে। এই ভয়ে আমি কিছু বলতে পারতাম না। বিভিন্ন সময় শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিতো মেহেদি। একদিন ঘরে কেউ না থাকায় জোর করে শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করে আমাকে।’

ওই স্কুল ছাত্রী জানায়, এরপর থেকে লাগাতার তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করত মেহেদি। বাবাকে হত্যা করা ছাড়াও বিভিন্ন হুমকি দেওয়ায় নির্যাতন মুখ বুঝে সহ্য করত। এর মধ্যে একবার অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে সে। মেহেদি তার পেটের বাচ্চা নষ্ট করার জন্য বিভিন্নরকম ওষুধ খাওয়াতো। একদিন তাদের মা বিষয়টি বুঝতে পেরে মেয়েকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তখন সে মাকে পুরো বিষয়টি খুলে বলে। ছেলেকে প্রশ্ন করতেই মায়ের পা ধরে নিজের ভুল শিকার করে মেহেদি। তার মেয়েকে বিয়ে করবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেয় মেহেদি।

ভুক্তভোগী ছাত্রী জানায়, বাচ্চা নষ্ট হয়েছে ধারণা ছিল মেহেদির। কিন্তু গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ১০টার দিকে প্রসব ব্যাথা ওঠে তার। রাতেই নিজের ঘরে একটি ছেলে সন্তান জন্ম দেয় সে। এদিকে সন্তান জন্ম নেওয়ায় বিপাকে পড়ে মেহেদি। পরে মায়ের কোল থেকে সন্তানকে কেড়ে নিয়ে যায় সে। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, ‘তার সন্তানকে হত্যা করেছে মেহেদি।’

ওই ভুক্তভোগী আরও জানান, মাকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি মোতাবেক তাকে বিয়ে করবে দোহাই দেখিয়ে আবারও তার সঙ্গে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক করে মেহেদি। বর্তমানে সে দুমাসের অন্তঃসত্ত্বা। এই খবর পেয়ে পালিয়ে যায় মেহেদি। অজ্ঞাত স্থান থেকে বিভিন্ন নম্বারের মাধ্যমে কল দিয়ে ঘটনা কাউকে জানালে প্রাণে মেরে ফেলবে বলে ভুক্তভোগীকে হুমকি দিচ্ছে সে।

বিষয়টি নিয়ে মেহেদির বড় বোনের সাথে কথা বলতে তার মুঠোফোনে কল করা হলে রাগান্বিত হয়ে তিনি বলেন, ‘কে আপনি? আপনি এত কিছু জানেন কীভাবে?’ এরপর সাংবাদিক পরিচয় দিলে ফোন কেটে দেন তিনি।

এ বিষয়ে মেহেদির বাবা সংবাদ মাধ্যম জানান, তিনি ঘটনাটি জানেন। এ কারণে ছেলের সাথে তার তেমন সম্পর্ক নেই।

ছেলেটির বাবা বলেন, ‘এমন কুলাঙ্গার ছেলে যেন কারও ঘরে জন্ম না নেয়। সে আমাকেও মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। আমি আইনের আশ্রয় নেব।’

বিষয়টি নিয়ে রাজামেহার ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনা আমার ইউনিয়নে হচ্ছে আমার জানা নেই। আমি খোঁজ-খবর নিচ্ছি। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগীকে যেকোনো সহায়তা করা হবে।’

এ বিষয়ে দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহিরুল আনোয়ার সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘ভুক্তভোগীর পরিবার থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে ভুক্তভোগীকে যেকোনো আইনি সহায়তা দেওয়া হবে।’

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

ঢাকায় যে পরিমাণ টাকা আছে সারাদেশে তা নেই


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ০৫ মে, ২০১৯, ০২:২৮
ঢাকায় যে পরিমাণ টাকা আছে সারাদেশে তা নেই

ঢাকা জেলায় যে পরিমাণ টাকা আছে, সারা দেশ মিলিয়েও তা নেই। আবার ঋণ ও আমানতের পরিমাণের দিক দিয়ে সবচেয়ে পিছিয়ে বরিশাল। রংপুরের মানুষেরা ব্যাংকে যতটুকু আমানত রেখেছে, তার চেয়ে তাদের ঋণ বেশি। এ হিসাব বাংলাদেশ ব্যাংকের।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে ব্যাংকগুলোর ঋণ ও আমানতের অঞ্চলভিত্তিক একটি চিত্র তুলে ধরে। দেখা যায়, দারিদ্র্যপ্রবণ বিভাগ রংপুরে মানুষের মাথাপিছু আমানত সবচেয়ে কম। মাথাপিছু আমানত বেশি ঢাকায়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাবে গত বছরের সেপ্টেম্বরে দেশের ব্যাংকগুলোতে আমানত ছিল প্রায় ১০ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা। পাঁচ বছর আগে ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে আমানতের পরিমাণ ছিল ৫ লাখ ৮১ হাজার কোটি টাকা। বাজারে ব্যাংকের দেওয়া ঋণের পরিমাণ ৮ লাখ ৫৯ হাজার কোটি টাকা, যা পাঁচ বছর আগের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি।

কোন বিভাগে কত
বিভাগ হিসেবে আমানত ও ঋণ ঢাকায় বেশি। ঢাকা বিভাগের ব্যাংকের শাখাগুলোতে মোট আমানত এসেছে ৬ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা, যা দেশের মোট আমানতের প্রায় ৬১ শতাংশ।

এর পরে রয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগ। সেখানে আমানতের পরিমাণ ২ লাখ ২৮ হাজার কোটি টাকা, যা মোট আমানতের প্রায় ২২ শতাংশ। আমানতের দিক দিয়ে এর পরের অবস্থানে রয়েছে খুলনা। ওই বিভাগে আমানতের পরিমাণ ৪৩ হাজার কোটি টাকা।

এ ছাড়া সিলেটে ৪২ হাজার কোটি, রাজশাহীতে ৪০ হাজার কোটি, রংপুরে ২০ হাজার কোটি, বরিশালে সাড়ে ১৯ হাজার কোটি ও ময়মনসিংহে ১৫ হাজার কোটি টাকার আমানত রয়েছে।

আরো পড়ুন: হার্ট অ্যাটাক করে হাসপাতালে ভর্তি সৌরভ গাঙ্গুলি

ঋণ বিতরণের দিক দিয়েও ঢাকা স্বাভাবিকভাবেই এগিয়ে। এই বিভাগে দেশের ব্যাংক-ব্যবস্থার মোট ঋণের ৬৭ শতাংশ বিতরণ করা হয়েছে। পরিমাণের দিক থেকে তা ৫ লাখ ৭৯ হাজার কোটি টাকা।

চট্টগ্রামে ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ৬১ হাজার কোটি টাকা, যা মোট ঋণের প্রায় ১৯ শতাংশ। ঋণ বিতরণে এর পরে রয়েছে খুলনা, পরিমাণ প্রায় ৩৪ হাজার কোটি টাকা।

এ ছাড়া রাজশাহীতে প্রায় ৩৩ হাজার কোটি, রংপুরে ২০ হাজার কোটি, ময়মনসিংহে ১২ হাজার কোটি, সিলেটে ১০ হাজার কোটি ও বরিশালে ৯ হাজার কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করা হয়েছে।

মাথাপিছু আমানতে পিছিয়ে রংপুর

বিভাগের আকার ও জনসংখ্যার কারণে পরিমাণগত দিক বিবেচনায় সঠিক চিত্র না-ও পাওয়া যেতে পারে। মাথাপিছু হিসাবই আসল চিত্র দেয়। সেদিক দিয়েও এগিয়ে ঢাকা। এই বিভাগে মানুষের মাথাপিছু আমানতের পরিমাণ দেড় লাখ টাকার মতো।

চট্টগ্রামে এর পরিমাণ ৭০ হাজার টাকা। এ ছাড়া সিলেটে মাথাপিছু আমানত ৩৭ হাজার, খুলনায় ২৪ হাজার, বরিশালে ২১ হাজার, রাজশাহীতে ১৯ হাজার, ময়মনসিংহে ১১ হাজার ও রংপুরে ১১ হাজার টাকার কিছু কম।

মাথাপিছু ঋণও ঢাকায় বেশি। এই বিভাগে মাথাপিছু ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ৩৯ হাজার টাকার মতো। চট্টগ্রামে মাথাপিছু ঋণ ৪৯ হাজার টাকা। এ ছাড়া খুলনায় ১৯ হাজার, রাজশাহীতে ১৫ হাজার, রংপুরে ১১ হাজার, ময়মনসিংহে ১০ হাজার, বরিশালে ৯ হাজার ৭০০ ও সিলেটে ৯ হাজার টাকার মাথাপিছু ঋণ রয়েছে।

ব্যবসা-বাণিজ্য ঢাকাকেন্দ্রিক

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন জেলায় কলকারখানা ও ব্যবসা করলেও ঋণ নিয়েছেন রাজধানীর ব্যাংকের শাখাগুলো থেকেই। বেশির ভাগ চাকরিজীবী ঢাকায় অবস্থান করায় আমানতও এখানেই বেশি জমা পড়ছে।

এ জন্যই ঢাকায় বড় বড় করপোরেট শাখা খুলেছে ব্যাংকগুলো। আর এলাকার চেয়ে ঢাকার শাখাগুলোতে মিলছে অতিরিক্ত সুযোগ-সুবিধা।

এদিকে চট্টগ্রাম বিভাগে বড় বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থাকলেও আমানত ও ঋণ সেভাবে নেই। গত পাঁচ বছরে ঋণও সেভাবে বাড়েনি। চট্টগ্রাম বিভাগের ২ লাখ ২৭ হাজার ৫৩৫ কোটি টাকা আমানতের মধ্যে চট্টগ্রাম জেলার আমানতই ১ লাখ ৫১ হাজার ৬১০ কোটি টাকা।

আর বিভাগের ১ লাখ ৬০ হাজার ৮৮২ কোটি টাকা ঋণের মধ্যে ১ লাখ ৩৭ হাজার ২২০ কোটি টাকা ঋণই চট্টগ্রাম জেলায়। ২০১৩ সালে শুধু চট্টগ্রাম জেলায় আমানত ও ঋণ ছিল যথাক্রমে ৭৭ হাজার ৯৫৩ কোটি ও ৭৪ হাজার ৬৯৮ কোটি টাকা।

চট্টগ্রামে কর্মরত ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, বড় ব্যবসায়ীদের বড় অংশই ঢাকার প্রধান শাখা বা করপোরেট শাখার সঙ্গে লেনদেন করে। তাই ঋণও ওই শাখায়।

আর চট্টগ্রামের সব শাখার ঋণ দেওয়ার সীমাও বেশি নয়। চট্টগ্রামে যা ঋণ রয়েছে, তার বড় অংশই আবার খাতুনগঞ্জ, আগ্রাবাদ শাখায়।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / এম এ
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - সারাদেশ