a
সংগৃহীত ছবি
জামালপুরে ইসলামপুরে বানভাসীদের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি ৪ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ৬০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির চরম সংকট দেখা দিয়েছে।.
শনিবার যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র নদ নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় জেলার ৬ টি উপজেলায় পানি বন্দি হয়ে পরেছে প্রায় ৬০ হাজার মানুষ। বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে ১হাজার হেক্টর ফসলের ক্ষেতসহ গোচারণ ভূমি, বসতবাড়ি, কাঁচা পাকা সড়ক ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।.
ঘরের ভিতর পানি উঠায় রান্না করা বন্ধ হয়ে গেছে। পানিবন্দী মানুষের মাঝে দেখা দিয়েছে খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, শিশু খাদ্য ও গো-খাদ্যের চরম সংকট। বন্যা দুর্গত এলাকায় পানিবন্দী মানুষ মানবেতর জীবন যাপন করছে।.
ফাইল ছবি
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষণে জামালপুর জেলা যমুনা নদীর পানি বাড়ছে। এ নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু করেছে। আজ বুধবার সকালে মেলান্দহ উপজেলার ঘোষেরপাড়া এলাকায় উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষণে জামালপুরে যমুনা নদীর পানি বাড়ছে। এ নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু করেছে।
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষণে জামালপুরে যমুনা নদীর পানি বেড়ে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নদীর পানি ১৪ সেন্টিমিটার বেড়েছে। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে যমুনার পানি বিপৎসীমার ৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এতে নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। নদীতীরবর্তী অঞ্চলের মানুষের মধ্যে পানিবন্দী হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জামালপুর কার্যালয়ের পানি পরিমাপক আবদুল মান্নান আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গণমাধ্যমকে বলেন, কয়েক দিন ধরেই যমুনার পানি বৃদ্ধি পাচ্ছিল। তবে গতকাল রাত থেকে পানি খুব দ্রুত বাড়ছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনার পানি ১৪ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নদীতীরের নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। আগামী দুই দিন আরও কিছুটা পানি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে নদীতীরবর্তী এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হবে। তবে বড় ধরনের কোনো বন্যার আশঙ্কা নেই বলে তিনি জানান।
ইসলামপুর উপজেলার চিনাডুলী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আবদুস সালাম বলেন, যমুনার একদম তীরবর্তী ইউনিয়ন চিনাডুলী। যমুনার পানি বিপৎসীমার ওপরে উঠলেই সবার আগে এই ইউনিয়নের বেশ কিছু গ্রাম প্লাবিত হয়। ইতিমধ্যে বলিয়াদহ, পশ্চিম বাবনা, হাড়গিলাসহ কয়েকটি গ্রামের ফসলি জমি প্লাবিত হয়েছে। আর কয়েক সেন্টিমিটার পানি বাড়লেই এলাকার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়বেন। সূত্র: প্রথম আলো
ফাইল ছবি
বছর ঘুরে অফুরন্ত রহমত নিয়ে ফিরে এলো মাগফিরাত ও নাজাতের মাস রমজান। রমজান আসে আমাদের অন্তরজগৎ প্রস্তুত করতে। যেন সেখানে খোদাভীতি জায়গা করে নিতে পারে।
বুধবার (১৪ এপ্রিল) থেকে শুরু হয়েছে পবিত্র রমজান মাস। পৃথিবীজুড়ে থাকা মুসলিমদের রমজান মাসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশ দলের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম , সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল।
‘পবিত্র এই রমজান মাসে মহান আল্লাহ যেন সবার কষ্ট কমিয়ে দেন, রহমত নাজিল করেন এবং জীবনকে সমৃদ্ধ করেন। সবাইকে রমজান মোবারক,’ নিজের ফেসবুক পেইজে লেখেন মুশফিক।
তামিম লেখেন, ‘সকলকে পবিত্র রমজানের শুভেচ্ছা। সবাই সুস্থ ও নিরাপদে থাকুন।’
নিজের ফেইসবুক পেইজে সাকিব লেখেন, ‘দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে আমাদের প্রয়োজন ধৈর্য ও সহানুভূতি। একমাত্র আল্লাহ তায়ালা আমাদের এই কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করার শক্তি দিতে পারেন। আসুন পবিত্র রমজান মাসে আমরা সবাই মিলে আমাদের দেশ ও জনগণের মঙ্গলের জন্য প্রার্থনা করি। সবাইকে রমজানুল মোবারক।’
তিন জনের কেউই অবশ্য এই মুহূর্তে দেশে নেই। বাংলাদেশ দলের সঙ্গে শ্রীলঙ্কায় কোয়ারেন্টিনে আছেন তামিম ও মুশফিক। অন্যদিকে আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলতে ভারতে আছেন সাকিব আল হাসান।
এছাড়া রমজানের শুভেচ্ছা জানালেন, রুবেল হোসেন-তাসকিন আহমেদও। পেসার রুবেল তার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে লিখলেন, আলহামদুলিল্লাহ, রমজানের চাঁদ দেখা গিয়েছে সবাইকে মাহে রমজানের শুভেচ্ছা।