a
সংগৃহীত ছবি
জামালপুরে ইসলামপুরে বানভাসীদের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি ৪ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ৬০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির চরম সংকট দেখা দিয়েছে।.
শনিবার যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র নদ নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় জেলার ৬ টি উপজেলায় পানি বন্দি হয়ে পরেছে প্রায় ৬০ হাজার মানুষ। বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে ১হাজার হেক্টর ফসলের ক্ষেতসহ গোচারণ ভূমি, বসতবাড়ি, কাঁচা পাকা সড়ক ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।.
ঘরের ভিতর পানি উঠায় রান্না করা বন্ধ হয়ে গেছে। পানিবন্দী মানুষের মাঝে দেখা দিয়েছে খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, শিশু খাদ্য ও গো-খাদ্যের চরম সংকট। বন্যা দুর্গত এলাকায় পানিবন্দী মানুষ মানবেতর জীবন যাপন করছে।.
ফাইল ছবি
হবিগঞ্জ জেলা বানিয়াচং উপজেলার আলম বাজার টম টম ষ্ট্যান্ড হইতে হিয়ালা, মকরমপুর সাংগর, ইকরামে যাতায়াতে যাত্রীদের চরম দূর্ভোগ পোহাতে হয়। জনবহুল এই এলাকার এলজিইডির রাস্তা ভেঙ্গে চুরমার।
অপরদিকে এসব রাস্তায় একমাত্র বাহন টম টম চালক যা যাত্রীদের মোটেও সম্মান দিতে জানেনা। গাদাগাদি করে ও অধিক ভাড়ায় যাত্রী বহন করে থাকে। কোন ভদ্রলোক তাদের এ অনিয়মের প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করার সাহস রাখেননা। কারণ তাদের সিন্ডিকেট এর কবল থেকে মান সম্মান যাই হোক প্রাণ বাঁচিয়ে গন্তব্যে পৌছাই যেন কঠিন।
উল্লেখিত এলাকাটি কৃষি নির্ভর হওয়ায়, একমাত্র যাতায়াতের রাস্তাটি ট্রাক্টর চলাচল করে আরোও ক্ষতি করেছে। হবিগঞ্জ উমেদনগর শিল্ল এলাকার মালিকদের মালামাল পরিবহনের গাড়ীগুলো চলাচল এই রাস্তায় করার কারণে এসব রাস্তা নষ্ট হওয়ার বড় কারণ। তারা ধান কিনে তাদের বয়লার মিলে নিয়ে যায় এবং এসব এলাকা থেকেই বেশীরভাগ পণ্য সরবরাহ করে থাকেন। কিন্তু সাধারণ মানুষ এসব ভাঙ্গা রাস্তায় চলাচলে ব্যাপক দুর্ভোগের সম্মুখীন হন। কিন্তু তারা সচেতন না হওয়ায় এসব মেরামতের ব্যাপারে সরকার বা শিল্প মালিকদের পক্ষ থেকে কেউ উদ্যোগী হচ্ছেনা।
তাই, সাধারণ মানুষের দূর্ভোগ চরম আকার ধারণ করায় সরকার এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন, যত দ্রুত ভাঙ্গা রাস্তা মেরামত করে জনগণের চরম দুর্ভোগ থেকে রক্ষা করা হোক। আর এলাকার সাধারণ মানুষ মনে করেন এসব বেহালকৃত রাস্তাঘাট মেরামতে ও রাস্তাঘাটে বেহাল পরিস্থিতির দিকে নজর দিয়ে উমেদনগর শিল্প মালিকরা জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে সরকারের পাশাপাশি তারাও ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারেন।
ফাইল ছবি
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে পুলিশের অভিযানের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করার পর বাধা দেওয়ায় পুলিশের সঙ্গে স্থানীয়দের ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে র্যাব পুলিশ যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। এদিকে, পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে স্থানীয় জনগন।
সোমবার সকালে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজী বিহারী কলোনি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এর আগে রবিবার দিবাগত রাতে পুলিশ বাড়ি বাড়ি অভিযান চালিয়ে ৩০ জনকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায় বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন।
গ্রেফতারকৃতদের মুক্তির দাবিতে সকাল থেকে আদমজী বিহারী কলোনির সড়ক ও মূল সড়ক অবরোধ করে রাখে আন্দোলনকারীরা। পরে পুলিশ তাদের বাধা দিলে তারা রাস্তা ছাড়বেন না বলে জানায়ন। এক পর্যায়ে পুলিশ ধাওয়া দিলে পুলিশের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে তারা। এ সময় পুলিশও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লাঠিচার্জ, টিয়ারসেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে।
উল্লেখ্য, শুক্রবার জুমার নামাজের সময় আদমজী শাহী মসজিদে ভারতে মহানবীকে নিয়ে কটূক্তির কথার প্রতিবাদে ইমামের বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত। ইমামের বক্তব্য চলাকালে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) সৈয়দ আজিজুল হক তাকে থামিয়ে বলেন, ‘ভারতের ঘটনা ভারতে থাকুক, এখানে আমরা কোনো বিশৃঙ্খলা যেন না করি। ’
এ সময় তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে মসজিদের ভেতরে মারধর করে মুসল্লীরা। এক পর্যায়ে স্থানীয় কাউন্সিলর মতিউর রহমান মতি ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান তাকে উদ্ধার করে সদর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে তাকে রাজারবাগ পুলিশ লাইনস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় শনিবার (১১ জুন) সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মির্জা শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে ৫০ জনের নাম উল্লেখ করে ১২৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। এই মামলার আসামি ধরতেই নাকি রবিবার দিবাগত রাতে অভিযানে চালায় পুলিশ।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান জানান, পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে আছে। আমরা ঘটনাস্থলে অবস্থান করছি, বিস্তারিত পরে জানানো হবে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন