a
সংগৃহীত ছবি
জামালপুরে ইসলামপুরে বানভাসীদের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি ৪ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ৬০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির চরম সংকট দেখা দিয়েছে।.
শনিবার যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র নদ নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় জেলার ৬ টি উপজেলায় পানি বন্দি হয়ে পরেছে প্রায় ৬০ হাজার মানুষ। বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে ১হাজার হেক্টর ফসলের ক্ষেতসহ গোচারণ ভূমি, বসতবাড়ি, কাঁচা পাকা সড়ক ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।.
ঘরের ভিতর পানি উঠায় রান্না করা বন্ধ হয়ে গেছে। পানিবন্দী মানুষের মাঝে দেখা দিয়েছে খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, শিশু খাদ্য ও গো-খাদ্যের চরম সংকট। বন্যা দুর্গত এলাকায় পানিবন্দী মানুষ মানবেতর জীবন যাপন করছে।.
ফাইল ছবি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর উপজেলার কোড্ডা গাউছিয়া দাখিল মাদ্রাসা মাঠে গত- ২০ এপ্রিল, ২৫ এপ্রিল ২ ধাপে ১৩০ টি বিধবা পরিবারকে ও ১৯ এপ্রিল মজলিশপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ৪০ টি মোট ১৭০ টি বিধবা পরিবারকে অরফান ইন নিড ও গ্লোবাল ওয়ান কান্ট্রি বাংলাদেশের অর্থায়নে রমাদান ফুড্স ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
ত্রাণ সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে, চাউল, আটা, মুশুর ডাল, ছোলা, চিনি, খেঁজুর, লবন, চা পাতা, লাক্স সাবান, হুইল সাবান ইত্যাদি প্রায় ২,৭০০ টাকার ১১ প্রকার খাদ্য পণ্য প্রত্যেকটি পরিবারকে দেয়া হয়।
খাদ্য পণ্য বিতরনে সার্বিক তত্বাবধানে ছিল, এ.আর.ডি. উন্নয়ন সংস্থা ও কোড্ডা জাগরণ সংস্থা ব্রাহ্মণবাড়িয়া। ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, এ.আর.ডি. মানবাধিকার সংস্থার প্রধান উপদেষ্ঠা ও কোড্ডা জাগরন সংস্থার সাধারন সম্পাদক জনাব মোঃ সিদ্দিকুর রহমান রেজভী, প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট লোকমান হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, স্বপ্নতরী সমাজ উন্নয়ন সংস্থার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নির্বাহী পরিচালক মোঃ তাহের উদ্দিন ভূঁইয়া, সদর উপজেলার আওয়ামীলিগের সাধারন সম্পাদক এম.এ.এইচ মাহাবুবুল আলম, বাসুদেব ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া, আসাদ মাষ্টার, বিশেষ অতিথি হিসেবে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, এ.আর.ডি. (ফিহাপ) সমন্নয়কারী ও সাংবাদিক মোহাম্মদ আলমগীর উসমান ভূঁইয়া, সদর উপজেলা যুবলীগ নেতা পরশ চৌধুরী।
অনান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বাসুদেব ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য তৌহিদ মিয়া, ইউপি সদস্য লিপি বেগম, রুমা আক্তার, সাংবাদিক জায়েদুর রহমান (রতন), মিজানুর রহমান রেজভী ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
ফাইল ছবি
বন্যার কারণে স্থগিত হয়ে যাওয়া চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ঈদুল আজহার পর শুরু হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
আজ বুধবার উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবু বকর ছিদ্দীক নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান।
আবু বকর ছিদ্দীক বলেন, দেশে সার্বিক বন্যার কারণে ঈদের আগে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হবে না। ঈদের পর পরীক্ষা নিতে হবে। আর এসএসসি পরীক্ষা পিছিয়ে যাওয়ার কারণে এইচএসসি পরীক্ষাও পিছিয়ে যাবে।
এ বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা গত ১৯ জুন শুরু হওয়ার কথা ছিল। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী এসএসসি পরীক্ষা শেষ হতো ৬ জুলাই। কিন্তু সিলেটসহ সারা দেশে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় গত ১৭ জুন এই পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। সূত্র: বিডি প্রতিদিন