a
ফাইল ছবি
আজ ১০মে সোমবার সকাল ৬টা থেকে আগামী ১৫মে এবং ঈদের দিন ও ঈদের পরদিন রাত ১০টা পর্যন্ত বিবিয়ানা ও বাঙ্গুরা গ্যাসক্ষেত্র কারিগরি কাজের জন্য আংশিক বা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।
তিতাস কর্তৃপক্ষ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করেছে যে, জাতীয় গ্যাস গ্রিডের সক্ষমতা বাড়ানো এবং জরুরি কিছু রক্ষণাবেক্ষণের জন্য এই গ্যাসক্ষেত্র বন্ধ থাকবে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত গ্যাস সংকট থাকবে যেসব এলাকায় তা হলো এলেঙ্গা, টাঙ্গাইল, নরসিংদী, জয়দেবপুর, ধনুয়া, আমিনবাজার, আশুলিয়া, সাভার, মানিকগঞ্জ, মাধবদী, ভুলতা, আড়াইহাজার, তারাবো ও আশপাশের এলাকায় গ্যাসের চাপ কম থাকবে।
গ্রাহকদের এই সাময়িক অসুবিধার জন্য তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে।
ফাইল ছবি
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার উথলী রেলস্টেশনে তেলবাহী ট্রেনের চারটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। এর ফলে খুলনার সাথে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।
রোববার রাত ১টার দিকে উথলী স্টেশনের সামনে লুপ লাইনে বগিগুলো লাইনচ্যুত হয়। এ ঘটনার পর উথলী রেলওয়ে স্টেশনের পার্শ্ববর্তী দর্শনা, আনছারবাড়ীয়া ও সাবদালপুর স্টেশনে চারটি যাত্রীবাহী ট্রেন আটকা পড়েছে।
সোমবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঈশ্বরদী থেকে উদ্ধারকারী রিলিফ ট্রেন এসে উদ্ধার কাজ শুরু করেছে।
উথলী রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ আলী গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, খুলনা থেকে ডিজেল নিয়ে নাটোরের উদ্দেশে ৩০টি বগি নিয়ে মালবাহী ট্রেনটি উথলী রেলওয়ে স্টেশনে আসে। ক্রসিংয়ের জন্য ট্রেনটি ২ নম্বর লাইনে নেয়া হয়। রোববার রাত ১২টা ৪০ মিনিটের সময় ক্রসিং শেষে ট্রেনটি নাটোরের উদ্দেশে ছাড়ে। ট্রেনটি ২ নম্বর লাইন থেকে ১ নম্বর লাইনে ঢোকার ১৪/১৫ নম্বর পয়েন্ট অতিক্রম করার সময় চারটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এ কারণে এলাইনে ট্রেন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
তিনি আরো জানান, এ ঘটনার পর ঈশ্বরদী থেকে সকাল সাড়ে ৭ টার সময় উদ্ধারকারী রিলিফ ট্রেন ঘটনাস্থলে পৌঁছিছে। ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হতে বেলা ১২ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
সংগৃহীত ছবি
মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে ভারি বৃষ্টিপাত, পাহাড়ি ঢলের কারণে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে প্লাবিত হয়েছে নদীর তীরবর্তী কয়েক'শ গ্রাম। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে সহস্রাধিক পরিবার।
এদিকে আগামী পাঁচ দিন সারাদেশে বৃষ্টিপাত ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। এতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হতে পারে জানানো হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবারের পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আগামী সাত দিন দক্ষিণ-পূর্ব পার্বত্য অববাহিকা অঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলায় ভারি বর্ষণের কারণে ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে। বৃষ্টিপাতের ওপর নির্ভর করে আগামী তিন থেকে সাত দিন দেশের উত্তরাঞ্চলে তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার, ব্রহ্মপুত্রসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মেঘনা অববাহিকায় পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে। ভারি বর্ষণের ফলে আকস্মিক বন্যা হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর আরো জানায়, মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। আজ শুক্রবার ময়মনসিংহ, ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের বেশির ভাগ জায়গায় এবং রংপুর ও খুলনা বিভাগের অনেক স্থানে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে। পাঁচ দিন আবহাওয়া অপরিবর্তিত থাকবে। আজ ও আগামীকাল শনিবার দেশজুড়ে ভারি বর্ষণ হতে পারে।