a কোড্ডা গ্রামে ১৭০ পরিবারকে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ
ঢাকা শনিবার, ৩ মাঘ ১৪৩২, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

কোড্ডা গ্রামে ১৭০ পরিবারকে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ


জায়েদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
মঙ্গলবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২১, ১১:৫০
কোড্ডা গ্রামে ১৭০ পরিবারকে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ

ফাইল ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর উপজেলার কোড্ডা গাউছিয়া দাখিল মাদ্রাসা মাঠে গত- ২০ এপ্রিল, ২৫ এপ্রিল ২ ধাপে ১৩০ টি বিধবা পরিবারকে ও ১৯ এপ্রিল মজলিশপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ৪০ টি মোট ১৭০ টি বিধবা পরিবারকে অরফান ইন নিড ও গ্লোবাল ওয়ান কান্ট্রি বাংলাদেশের অর্থায়নে রমাদান ফুড্স ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

ত্রাণ সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে, চাউল, আটা, মুশুর ডাল, ছোলা, চিনি, খেঁজুর, লবন, চা পাতা, লাক্স সাবান, হুইল সাবান ইত্যাদি প্রায় ২,৭০০ টাকার ১১ প্রকার খাদ্য পণ্য প্রত্যেকটি পরিবারকে দেয়া হয়।

খাদ্য পণ্য বিতরনে সার্বিক তত্বাবধানে ছিল, এ.আর.ডি. উন্নয়ন সংস্থা ও কোড্ডা জাগরণ সংস্থা ব্রাহ্মণবাড়িয়া। ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, এ.আর.ডি. মানবাধিকার সংস্থার প্রধান উপদেষ্ঠা ও কোড্ডা জাগরন সংস্থার সাধারন সম্পাদক জনাব মোঃ সিদ্দিকুর রহমান রেজভী, প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট লোকমান হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, স্বপ্নতরী সমাজ উন্নয়ন সংস্থার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নির্বাহী পরিচালক মোঃ তাহের উদ্দিন ভূঁইয়া, সদর উপজেলার আওয়ামীলিগের সাধারন সম্পাদক এম.এ.এইচ মাহাবুবুল আলম, বাসুদেব ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া, আসাদ মাষ্টার, বিশেষ অতিথি হিসেবে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, এ.আর.ডি. (ফিহাপ) সমন্নয়কারী ও সাংবাদিক মোহাম্মদ আলমগীর উসমান ভূঁইয়া, সদর উপজেলা যুবলীগ নেতা পরশ চৌধুরী। 

অনান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বাসুদেব ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য তৌহিদ মিয়া, ইউপি সদস্য লিপি বেগম, রুমা আক্তার, সাংবাদিক জায়েদুর রহমান (রতন), মিজানুর রহমান রেজভী ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ভাষানচর বালুমহলের উপর চাঁদপুর নৌ- প্রশাসনের হয়রানি বন্ধের আহবান


সাইফুল আলম, বিশেষ প্রতিনিধি
শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৫, ০৯:১৩
ভাষানচর বালুমহলের উপর চাঁদপুর নৌ- প্রশাসনের হয়রানি বন্ধের আহবান

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

সাইফুল আলম, ঢাকা:  গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত ইজারাদার মেসার্স মনির এন্টারপ্রাইজ এর মুন্সিগঞ্জ সদর ভাষানচর বালুমহল এর উপরে চাঁদপুর অঞ্চলের নৌ- প্রশাসন কর্তৃক বার বার হয়রানি এবং সন্ত্রাসী ও ষড়যন্ত্রকারী অসৎ উদ্দেশ্যে ভাষানচর বালুমহল, সরকারী রাজস্ব বন্ধের পায়তারা, গত ১২/১১/২০২৫ ইং তারিখে মতলব উত্তর থানা, চাঁদপুরে ষড়যন্ত্র ও হয়রানী মূলক মিথ্যা মামলায় ভাষানচর বালুমহল পরিচালনাকারী মেসার্স সূচনা এন্টারপ্রাইজ এর মালিক মোঃ গোলাম কিবরিয়া মিয়াজীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে আজ ১৪/১১/২০২৫ইং সকাল ১০:৩০ ঘাটিকায় ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন ব্যবসায়ী সমাজ।
 
উক্ত সংবাদ সম্মেলনে মেসার্স সূচনা এন্টারপ্রাইজ এর সমন্বয়কারী মোঃ মোস্তাফিজুল করিম মজুমদার লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। তিনি বলেন, মেসার্স মনির এন্টারপ্রাইজ ও সূচনা এন্টারপ্রাইজর আয়োজনে আজকের এই সংবাদ সম্মেলনে আমরা জানাচ্ছি যে গত ১৮ই মে ২০২৫ ইং তারিখে মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসক কর্তৃক ৬ কোটি পঞ্চাশ লক্ষ টাকার মূল্যে ভাষানচর বালু মহল মনির এন্টারপ্রাইজ এর নামে ইজারা পাই।

আমাদের সরকার কর্তৃক ইজারাকৃত মুন্সিগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার ভাষানচর বালু মহলটি বুঝিয়ে পাওয়ার পরে তাহা বন্ধের জন্য একটি সন্ত্রাসী গুষ্টি আমাদের ব্যাবসায়ীক প্রতিপক্ষ চাঁদপুর অঞ্চলের নৌ-প্রশাসনকে ভুল তথ্য দিয়ে বারবার হয়রানি ও বালু মহলটি বন্ধের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।

 আমরা উক্ত বিষয়টি মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের নিকট অভিযোগ করার পরেও তাদের হয়রানি বন্ধ হচ্ছে না। মহল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান সূচনা এন্টারপ্রাইজের কর্মকর্তা কর্মচারিচারীদের উপরে প্রায় সময়ে সশস্ত্র অবস্থায় হামলা চালায়। বালুরমহলে থাকা ড্রেজার ও বাল্কহেড উপর হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে । ইহাতে আমাদের কোম্পানি ও বাল্কহেড ড্রেজার ব্যবসায়ীগণ মারাত্মকভাবে যান মালের ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।

আমরা ইজারাকৃত সরকারি রাজস্ব সরকারের কোষাগারে জমা দানে মারাত্মক ভাবে বাঁধার সম্মুখীন হচ্ছি। উল্লেখ থাকে যে গত ১২ই নভেম্বর ২০২৫ ইং তারিখ সকাল আনুমানিক ১০.৩০ ঘটিকার সময়ে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড চাঁদপুর জোন এর একটি টহল টিম মহনপুর মতলব উত্তর লঞ্চ ঘাট সংলগ্ন হইতে একটি স্পিডবোর্ডে অবস্থান করা পাঁচ জন ব্যক্তিকে সন্দেহ মূলক ভাবে আটক করে, যাহা আমাদের বালু মহলের সীমানায় কয়েক কিলোমিটার বাহিরে।

আটককৃত ব্যক্তিদের নামে মতলব উত্তর থানা চাঁদপুর ১২/১১/২০২৫ ইং তারিখে কোস্ট গার্ড মোহনপুর আউট পোস্ট মোহনপুর বাংলাদেশ কোর্ড গার্ড এর সদস্য সানোয়ার হোসেন (৪৭) পিও এফসি -অন একটি মামলার রুজু করে।উক্ত মামলায় ভাষান চর বালুমহল মুন্সিগঞ্জ এর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স সূচনা এন্টারপ্রাইজ এর মালিক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক জনাব গোলাম কিবরিয়া মিয়াজীকে ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে আসামি করা হয়। যাহাতে আমরা গভীর উদ্বেগ ও জোর প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

১০০ সুন্দরী মডেল পিয়াসার অধীনে


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ০৩ আগষ্ট, ২০২১, ০৮:২১
১০০ সুন্দরী মডেল পিয়াসার অধীনে

ফাইল ছবি

বিপথগামী মডেল ফারিয়া মাহবুব পিয়াসার অধীনে ছিল ১০০ সুন্দরী। তাদের দিয়ে ধনীর দুলালদের নিজের ফাঁদে ফেলতেন পিয়াসা। ব্ল্যাকমেলিং করে দিনের পর দিন তাদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছেন মোটা অঙ্কের টাকা। বারিধারায় আড়াই লাখ টাকার অভিজাত ফ্ল্যাটে বসবাস, কোটি টাকার বিলাসবহুল গাড়ি কিংবা আলিশান জীবনযাপনের জন্য এর বাইরে তার কোনো আয়ের উৎস সম্পর্কে কোনো তথ্য পায়নি তদন্তকারী সংস্থা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। 

অন্যদিকে, পিয়াসার অন্যতম সহযোগী গ্রেফতার মরিয়ম আক্তার মৌ-ও একই কায়দায় ধনীর দুলালদের ব্ল্যাকমেলিং করার তথ্য পেয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। রাতে বাসায় পার্টির নামে বিত্তবান পরিবারের যুবকদের ডেকে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও করে প্রতারণাই ছিল তাদের অন্যতম পেশা। রবিবার রাতে গ্রেফতারের পর পিয়াসা এবং মৌ দুজনকেই পৃথক দুটি মামলায় তিন দিনের রিমান্ডে নিয়েছেন দুই তদন্তকারী কর্মকর্তা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিনোদনজগতে প্রতিষ্ঠা না পেয়ে মূলত টিকে থাকার জন্যই বিপথগামী হয়েছেন পিয়াসা এবং তার সহযোগীরা। কেউ ভয়ংকরভাবে মাদকাসক্ত হয়ে হারিয়েছেন সৌন্দর্য্য। কারও বিরুদ্ধে হচ্ছে মাদক কারবারের মামলা। প্রতারণা বা নির্যাতনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে মডেল-নায়িকার বাসায় অভিযান চালাতে গেলেই পুলিশ পাচ্ছে ইয়াবা, মদসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য। মৌ তার বাসায় মিনি বার বানিয়ে মাদকদ্রব্য বিক্রি করছিলেন। রবিবার ছিল পিয়াসার জন্মদিন। জন্মদিনের পার্টির জন্য তিনি এবং তার সহযোগীরা প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তবে এর আগেই তার বাসায় হাজির হয় পুলিশ।

এর আগে গত শনিবার রাতে একসময়ের জনপ্রিয় নায়িকা সিমন হাসান একার রামপুরার উলনের বাসায় অভিযান চালিয়ে ইয়াবা, গাঁজা ও মদ উদ্ধার করে পুলিশ। গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগ তদন্তে একার বাসায় গিয়েছিল পুলিশ। ডিবির যুগ্ম কমিশনার (উত্তর) হারুন অর রশীদ গণমাধ্যমকে জানান, ‘পিয়াসা ও মৌ দুজনই একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য। এদের অধীনে রয়েছে ১০০-১৫০ সুন্দরী রমণী। টার্গেটকৃত ব্যক্তিদের পেছনে লেলিয়ে দিয়ে তাদের বাগে আনতেন তারা। পরে হাতিয়ে নিতেন মোটা অঙ্কের টাকা। মান-সম্মানের ভয়ে ওই ব্যক্তিরা কারও কাছে মুখ খুলেননি। পিয়াসা এবং মৌ-এর ব্যাংক হিসাব খতিয়ে দেখা হবে।

সূত্র বলছে, পিয়াসা রাজধানীর বারিধারা, উত্তরা এবং গুলশানের কয়েকটি বাসায় মাঝে মধ্যেই পার্টির আয়োজন করতেন। ওই পার্টিতে আমন্ত্রণ জানানো হতো বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রভাবশালী ব্যক্তিদের। প্রতিটি পার্টিতেই গোপন ক্যামেরা বসাতেন পিয়াসা। রাখা হতো মদ, ইয়াবাসহ বিভিন্ন নেশাজাতীয় দ্রব্য। একপর্যায়ে টার্গেটকৃত ব্যক্তি নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে কৌশলে তাকে গোপন একটি কক্ষে পাঠিয়ে দেওয়া হতো। পরবর্তীতে ওইসব দৃশ্য সামনে রেখেই তার কাছ থেকে নিয়মিতভাবে হাতিয়ে নেওয়া হতো মোটা অঙ্কের অর্থ। সর্বশেষ একটি অভিজাত বিপণিবিতানের মালিকের সুন্দরী স্ত্রীর সঙ্গে অন্য এক ব্যক্তির কথিত সম্পর্কের বিষয়টিকে পুঁজি করে তার কাছ থেকে মোটা অঙ্গের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল পিয়াসা গং। তবে তিনি বেঁকে বসায় সবকিছু এলোমেলো হয়ে যায়। ভিত নড়ে যায় তাদের অপকৌশলের। তবুও অভিযানকারী কর্মকর্তাদের শুরুর দিকে দফায় দফায় হুঙ্কার ছেড়েছেন পিয়াসা। হুমকি দিয়েছিলেন তাদের দেখে নেওয়ার।

যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশীদ বলেন, এ চক্রটির অদ্যোপান্ত আমরা বের করব। বনানীর রেইনট্রি হোটেলের নেপথ্য ভূমিকা ছিল পিয়াসার। তার বিষয়ে অনেক অভিযোগ আমরা পাচ্ছি। সব তথ্যই আমরা আমলে নিয়ে গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছি। রবিবার রাতে রাজধানীর বারিধারা এলাকার ৯ নম্বর রোডে মডেল ফারিয়া মাহবুব পিয়াসার বাসায় অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় পিয়াসার ঘরের টেবিল থেকে চার প্যাকেট ইয়াবা জব্দ করে ডিবি। পরে তার রান্নাঘরের ক্যাবিনেট থেকে নয় বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়। অভিযানের একপর্যায়ে ফ্রিজ খুলে একটি আইসক্রিমের বাক্স থেকে সিসা তৈরির কাঁচামাল ও বেশ কয়েকটি ই-সিগারেট পাওয়া যায়। ডিবির একই দল রাত সাড়ে ১২টার দিকে মোহাম্মদপুরের বাবর রোডের ২২/৯ নম্বর বাড়ির নিচতলায় আরেক মডেল মৌ-এর বাসায় অভিযান চালায়। ড্রয়িং রুমের পাশেই একটি মিনি বার পায় ডিবি। বাসার ভিতরের বেডরুমের একটি ড্রয়ার থেকে পাঁচ প্যাকেট ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

ডিবির সূত্র জানায়, ২০১৭ সালের মে মাসে বনানীর রেইনট্রি হোটেলে দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার এজাহারে নাম ছিল ফারিয়া মাহাবুব পিয়াসার। সেই মামলার আসামি তার সাবেক স্বামী বলেও দাবি করেন পিয়াসা। এনটিভির রিয়েলিটি শো ‘সুপার হিরো সুপার হিরোইন’র প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া পিয়াসা দুই-একটি বিজ্ঞাপনচিত্রে কাজ করেন। কয়েক বছর ধরে হাই সোসাইটিতে ব্ল্যাকমেলিং কারবারে জড়িয়ে পড়েছেন তিনি। মৌ মিডিয়ায় প্রতিষ্ঠা পায়নি। তবে মডেল পরিচয় দিয়ে বাসা ভাড়া নিয়ে অবৈধ কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছিলেন। কয়েকটি পরিবার পুলিশের কাছে পার্টির ফাঁদে ফেলে জিম্মি করে টাকা এবং বিভিন্ন সুবিধা আদায়ের অভিযোগ করেছে। তবে সেসব পরিবারের পরিচয় প্রকাশ করেননি ডিবির কর্মকর্তারা।

গতকাল গুলশান থানায় দায়ের করা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পুলিশের মামলায় পিয়াসাকে এবং মোহাম্মদপুর থানায় একই আইনে পুলিশের মামলায় মৌকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন ডিবির তদন্ত কর্মকর্তারা। ঢাকা মহানগর হাকিম আদালত দুজনেরই পৃথকভাবে তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করে। রিমান্ড আবেদনে মৌ-এর বাসায় নাচ ও গানের আসরের আড়ালে টাকার বিনিময়ে মদ-ইয়াবার কারবারে আরও দুই-তিনজন জড়িত বলে উল্লেখ করা হয়। পিয়াসার বাসায় বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য উদ্ধারের পর তথ্য পাওয়া গেছে মাদকবিক্রেতা ও সেবনকারী চক্রে তার সম্পর্ক আছে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - সারাদেশ