a
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সরিষাবাড়ি প্রতিনিধি: পুরো নাম মোঃ আলাউদ্দিন আলা, জামালপুর, সরিষাবাড়ি উপজেলাধীন ৪ নং আওনা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের স্থল গ্রামের বাসিন্দা। তৃণমূল বিএনপির একজন সহজ সরল মানবিক উদার ও ত্যাগী কর্মী। বিগত স্বৈরাচার হাসিনার সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে দফায় দফায় রাজনৈতিক মামলা-হামলা, নির্যাতন ও লুট-পাটের শিকার। সেই দু:সময়ে বিএনপির নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে সুখ দুঃখ ভাগাভাগি করে চলতেন। তার ডাক নাম আলা, এলাকার লোকজন এ নামেই ডাকেন এবং তিনি তিন সন্তানের জনক। নিজে লেখাপড়া না জানলেও সন্তানদের তিনি লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছেন।
আলা, অন্যান্য গ্রামের গৃহস্থের মতো কৃষি কাজের পাশাপাশি গরু, ছাগল, হাঁস-মুরগী পালন করেন। বলা চলে, একজন স্বচ্ছল কৃষক! আলা ন্যায়-নীতির এই দুর্ভিক্ষ সমাজে সর্বশ্রেণি মানুষের কাছে নীতিবান একজন সুন্দর মনের মানুষ হিসেবেই পরিচিত। এজন্য এলাকার সবাই তাকে ভালোবাসে।
চায়ের দোকানে কথার ফাঁকে কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে শোনা গেল, যে দলে আলাদের মতো মানুষ আছে সে দলের কোন পতন নেই। আলাদের মতো সহজ সরল এই মানুষগুলো দলের জন্য সবকিছু উজাড় করে দিতে প্রস্তুত! এই দল পাগল মানুষটি সহজ সরল হওয়ায় সবাই তাকে ভালবাসে।
বিগত স্বৈরচার আন্দোলনগুলোতে নানা ভয়ভীতি, হুমকি উপেক্ষা করে আলা বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করতে কার্পণ্য করতেননা কখনো। উপজেলা-জেলা বিভিন্ন দলীয় প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করতেন এবং কেন্দ্রীয় কোন প্রোগ্রাম থাকলে তিনি দলের অন্যান্য নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে এবং কখনো নিজের পকেট থেকে পয়সা খরচ করে নেতা-কর্মীদের বহর বাড়ানোর চেষ্টা করতেন বলে জানা যায়।
ভবিষ্যতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে আলাউদ্দিন আলার মতো ত্যাগী নেতা প্রতিটি ভাতৃপ্রতিম দলে বা সংগঠনে থাকলে এরা দলের বা নেতার যে কোন বিপদ-আপদে একজন আদর্শিক সৈনিক হিসেবে পাশে থাকবে অতন্ত্র প্রহরী হিসেবে।
আলা, আপনাকে ছালাম দিছেন। এবং ওর সাক্ষাৎ কার টা আপনার কাছে আশা করেন। ও বিভিন্ন জনের কাছে বলছেন আমার মনের কথা মাছুম ভাইয়ের আত্মীয় বড় সাংবাদিক উনি লেখবেন। আপনি অনেক ব্যাস্ততার মধ্যে থাকেন তাই লেখা টা খসড়া করে দিলাম। বিষয় টা দেখবেন। ভালো থাকুন দোয়া রইলো।
নতুন রাস্তার ছবি: চান্দুর মোড় থেকে শ্রী রবির বাড়ি পর্যন্ত
সরিষাবাড়ি প্রতিনিধি: জামালপুর, সরিষাবাড়িতে ৪ নং আওনা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডে চান্দুর মোড় থেকে শ্রী রবির বাড়ি পর্যন্ত এলাকার লোকজনের স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে দীর্ঘ রাস্তাটি নির্মাণ করা হয়।
আওনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিনারা আশরাফ ব্যক্তিগতভাবে সহযোগিতার পাশাপাশি এলাকার যুব সমাজকে সাথে নিয়ে আবাল, বৃদ্ধ সকলেই সহযোগিতা করে রাস্তাটি সম্পন্ন করা হয়।
৪ নং আওনা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মিনারা আশরাফের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্যভাবে রাস্তাটি নির্মাণ করতে যারা অবদান রেখেছেন তারা হলেন- মনিরুজ্জামান মাছুম, ফিরোজ আলম সোহাগ, সাইম সরকার, আবুল কালাম আজাদ, আব্দুল মোতালেব দ্বিপন, কর্ণেল, বেল্লাল হোসেন, বাচ্চু মিয়া, রাজ্জাক, আসাদ, ছালাম, সাইদুল দোকানদার, রেজা দোকানদার, খোকন দোকানদার, আনছার আনিস, মামুন প্রমুখ।
ছবি সংগৃহীত
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরাজিত জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা অভিযোগ করেছেন, “সরকারের সঙ্গে প্রথমে নিজেদের পছন্দের লোকদের সমঝোতা করেছেন জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতারা। পরে বাকিদের ‘নগ্ন’ করে রাস্তায় ছেড়ে দিয়েছেন তারা। যার প্রতিফলন সারাদেশে দলের ব্যাপক ভরাডুবি।”
রবিবার রাজধানীতে এক সংবাদ সম্মেলনে জাপার পরাজিত প্রার্থীরা এসব কথা বলেন। এসময় তাদের সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন। পরাজিত প্রার্থীরা বলেন, ‘লোভ-লালসার রাজনীতি কর্মীরা করেন না, করেন নেতারা। তাদের বলির পাঁঠা আমরা। অনেকে পাশে থাকার আশা দিলেও পরে আর থাকেননি। দেখা পর্যন্ত করেননি চেয়ারম্যান জিএম কাদের। তবুও নির্বাচনে ভালো কিছু করতে উৎসাহ নিয়ে কাজ করেছিলাম। কিন্তু আর্থিক ও মানসিক সাহায্য পাইনি। তবে ভুলভ্রান্তি পেছনে ফেলে সামনে এগুতে হবে। জনগণের আস্থার দাম দিতে হবে।’
জাপার কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা বলেন, ‘চেয়ারম্যান-মহাসচিবের প্রতি আহ্বান দলকে বাঁচান। বহিষ্কার অব্যাহতি বাদ দিয়ে সবাই দলের হয়ে কাজ করবো। দলকে সুসংগঠিত করুন। দল কেউ ভাঙতে পারবে না। আপনাদের নেতৃত্বেই এগিয়ে যাবো।’
শফিকুল ইসলাম সেন্টু বলেন, ‘ভয়াবহ অবস্থা দলের। এজন্য দায়ী চেয়ারম্যান-মহাসচিব। ভিক্ষা নিয়েও সেটার মধ্যে জালিয়াতি করেছেন তারা। আপনাদের পোস্টার দেখে আওয়ামী লীগও লজ্জা পায়। আপনাদের ভেলকিবাজি সবাই বুঝে গেছে। তবে ক্ষতি হয়েছে দলের। সব দায় চেয়ারম্যান-মহাসচিবের। আঘাতপ্রাপ্ত আর বহিষ্কার লোক একা হয়ে গেছে।’
সাইফুদ্দিন মিলন বলেন, ‘নির্বাচনে না গেলে জাতীয় পার্টি হিরো হতো। জিএম কাদের অনেক কিছু করেছেন দলের জন্য। তার সব শ্রম বৃথা হয়ে যাবে। আপনার বিকল্প নেই। সঠিক নেতৃত্বে আসার আহ্বান জানাই।’