a
সংগৃহীত ছবি
মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে ভারি বৃষ্টিপাত, পাহাড়ি ঢলের কারণে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে প্লাবিত হয়েছে নদীর তীরবর্তী কয়েক'শ গ্রাম। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে সহস্রাধিক পরিবার।
এদিকে আগামী পাঁচ দিন সারাদেশে বৃষ্টিপাত ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। এতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হতে পারে জানানো হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবারের পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আগামী সাত দিন দক্ষিণ-পূর্ব পার্বত্য অববাহিকা অঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলায় ভারি বর্ষণের কারণে ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে। বৃষ্টিপাতের ওপর নির্ভর করে আগামী তিন থেকে সাত দিন দেশের উত্তরাঞ্চলে তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার, ব্রহ্মপুত্রসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মেঘনা অববাহিকায় পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে। ভারি বর্ষণের ফলে আকস্মিক বন্যা হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর আরো জানায়, মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। আজ শুক্রবার ময়মনসিংহ, ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের বেশির ভাগ জায়গায় এবং রংপুর ও খুলনা বিভাগের অনেক স্থানে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে। পাঁচ দিন আবহাওয়া অপরিবর্তিত থাকবে। আজ ও আগামীকাল শনিবার দেশজুড়ে ভারি বর্ষণ হতে পারে।
ছবি: সংগৃহীত
নবান্ন মানে নতুন ধানের উৎসব। নতুন চালের রান্না উপলক্ষে আয়োজিত উৎসবই নবান্ন উৎসব। সাধারণত অগ্রাহায়ন মাসে আমন ধান পাকার পর এই উৎসব শুরু হয়। অগ্রহায়ন মাস আসতে আর মাত্র পাঁচ দিন বাকি। ইতোমধ্যে দিনাজপুরের কাহারোলের গ্রামসহ অন্যান্য স্থানে নবান্ন উৎসবের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে দেখা গেছে, নবান্নকে সামনে রেখে গৃহীনিরা নতুন ধানের চালের আটা তৈরিতে ব্যস্ত । গৃহবধূরা ঢেঁকিতে চাল কুটছে। আর এই চালের গুড়ো দিয়ে নানা রকমের পিঠা তৈরি করেন তারা।
এদিকে নবান্ন উৎসব উপলক্ষে কৃষকের ঘরে ঘরে চলছে ঘর-দোয়ার পরিস্কার পরিছন্নের কাজ। গ্রামের বধূরা সকাল হতে বিকাল পর্যন্ত বাড়ির উঠানসহ বিভিন্ন কাজকর্ম ব্যস্ত রয়েছেন, যেন তাদের দম ফেলারও সময় নেই।
এছাড়া কৃষকের ঘরে ঘরে বিভিন্ন ধরনের খাবার তৈরির প্রস্তুতি চলছে। নতুন ধানের চাল তৈরি হবে পায়েস, খিরসহ নানা জাতের পিঠা-পুলি। আসন্ন নবান্নকে কেন্দ্র করে হাটবাজারগুলোতে নারকেল, গুড়সহ নানা উপকরণের বিক্রিও বেড়েছে। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ছবি
বাংলাদেশের বিপক্ষে গতকাল প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ২৩ রানের হারের পর রাতে ভাল ঘুম হয়নি অস্ট্রেলিয়ানদের। টাইগারদের স্বল্প পূজিঁর বিপক্ষে মাত্র ১০৮ রানে গুড়িয়ে গিয়েছিল। সিরিজে সমতা আনতে আজ দ্বিতীয় ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাটিংই বেছে নেয় অস্ট্রেলিয়া। টাইগার বোলারদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ১২১ রানে গুটিয়ে য়ায় অজিদের ইনিংস। আজকের ম্যাচে জিততে হলে বাংলাদেশকে করতে হবে ১২২ রান।
বেশ দেখেশুনে শুরু করেন তাদের দুই ওপেনার অ্যালেক্স কারে আর গ্লেন ফিলিপে। আজ বুধবার মিরপুর শেরে বাংলায় এবারও স্পিন দিয়ে বোলিং শুরু করে বাংলাদেশ। অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আক্রমণে নিয়ে আসেন মাহেদি হাসানকে। টাইগার অফস্পিনারের প্রথম ওভার থেকে মাত্র ১ রান তুলতে পারে অস্ট্রেলিয়া।
দ্বিতীয় ওভারেই নাসুম আহমেদের ওপর চড়াও হন কারে, জোড়া বাউন্ডারি হাঁকান। তবে পরের ওভারে এসে এই ওপেনারকে সাজঘরের পথ দেখিয়েছেন মাহেদি। ওভারের তৃতীয় বলে ঘূর্ণি বুঝতে না পেরে কারে (১১ বলে ১১) তুলে দেন মিড অফে। নাসুম নেন সহজ ক্যাচ। ১৩ রানে প্রথম উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। মার্শ-হ্যানরিকস জুটি অস্বস্তিতে ফেলেছিল বাংলাদেশকে। ঠিক তখনই ত্রাতা হয়ে আসেন সাকিব আল হাসান। ৩০ রান করা হ্যানরিকসকে বোল্ড করে ফেরালেন সাজঘরে। ১৫তম ওভারের দ্বিতীয় বলে স্লগ সুইপ খেলতে চেয়েছিলেন হ্যানরিকস, বল ব্যাট মিস করে তার শরীর স্পর্শ করে ভেঙে দেয় স্ট্যাম্প। ৩টি চার ও ১টি ছয়ে ২৫ বলে ৩০ রান করে হ্যানরিকস।
মোস্তাফিজের স্লোয়ারে বোল্ড হয়ে ফিরলেন জস ফিলিপে। বুঝতেই পারেননি ফিলিপে। খেলতে চেয়েছিলেন লেগ সাইডে কিন্তু ব্যাটে-বল এক করতে পারেননি। দ্য ফিজের স্লোয়ার ভেঙে দেয় ফিলিপের লেগ স্ট্যাম্প। ১৪ বলে ১০ রান করেন ফিলিপে। এর পর বিপদজনক হয়ে ওঠা মার্শকে সাজ ঘরে ফেরান শরিফুল ইসলাম। ৪২ বলে ৪৫ রান করে আউট হন মার্শ।
অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক ম্যাথু ওয়েডকে বোল্ড করে ম্যাচে টাইগারদের নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আসেন কাটার মাস্টার মোস্তাফিজ। ম্যাথু ওয়েডকে আউটের পর অ্যাশটন আ্যাগারকে আউট করে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগিয়ে তুলে ছিলেন মোস্তাফিজ। টাইগার বোলারদের মধ্যে মোস্তাফিজ ৩টি এবং শরিফুল ইসলাম ২ উইকেট লাভ করেন।