a
ফাইল ছবি
জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব মোঃ আইয়ূব আলী, তিন বারের নির্বাচিত মেম্বার, চতুর্থবারে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দিতায় তিনি ৩০০ ভোটের ব্যবধানে অকৃতকার্য হন।
মুক্তসংবাদ প্রতিদিনের সংবাদ প্রতিবেদনে জানা যায়, মরহুম মোঃ মহরম আলীর পুত্র মোঃ আইয়ূব আলী বদরগঞ্জ বাজার কমিটিরও সভাপতি। তিনি বদরগাজী জামে মসজিদ ও একটি কিন্ডার গার্ডেন প্রতিষ্ঠা করেন।
মোঃ আইয়ূব আলী দেউন্দি বস্তি এলাকায় নিজ ভূমিতে হেলথ্ সেন্টার প্রতিষ্ঠা করে দিয়ে গরীবদের ফ্রি স্বাস্থ্য প্রদান নিশ্চিত করেছেন। তিনি যে কোন দুর্যোগ সময়ে মানুষের পাশে সাহায্যের হাত বাড়ান এবং সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার কারণে সবার নিকট অত্যন্ত জনপ্রিয়।
তিনি নও মুসলিম হাসান মাহমুদের একমাত্র অভিভাবক। আরো কিছু নও মুসলিম এর দেখ ভাল তিনি নিজেই করে থাকেন বলে এলাকার বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তি সূত্র থেকে জানা যায়। উল্লেখ্য, নও মুসলিম হাসান মাহমুদের ফার্মেসীটিও করে দেন দানবীর এই আইয়ূব আলী।
ব্যক্তি জীবনে আইয়ূব আলী মেম্বারের ৪ ছেলে, ৫ মেয়ে ও ১ স্ত্রী। বড় মেয়ে বিবাহিত, অন্যান্যরা বিভিন্ন স্কুলে-কলেজে অধ্যয়নরত।
সংগৃহীত ছবি
আগামী রবিবার (১ আগস্ট) থেকে রফতানিমুখী শিল্প-কারখানা স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা রাখার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
শুক্রবার বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপ-সচিব মো. রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ১ আগস্ট সকাল ৬টা থেকে রফতানিমুখী সব শিল্পকারখানা বিধিনিষেধের আওতা বহির্ভূত রাখা হলো।
করোনা মহামারি রোধে ঈদের পর ২৩ জুলাই থেকে কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ করার পর থেকেই সব শিল্প-কলকারখানা বন্ধ রাখা হয়। আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্ত এই বিধি-নিষেধ চলাকালে শিল্প-কলকারখানা বন্ধ রাখার কথা ছিল।
তবে গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সঙ্গে এক বৈঠকে চলমান সর্বাত্মক লকডাউনের মধ্যেই পোশাক শিল্পসহ সব ধরনের কারখানা খুলে দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে অনুরোধ জানান বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমইএ, ঢাকা চেম্বার ও এফবিসিসিআইয়ের নেতারা।
সংগৃহীত ছবি
মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে ভারি বৃষ্টিপাত, পাহাড়ি ঢলের কারণে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে প্লাবিত হয়েছে নদীর তীরবর্তী কয়েক'শ গ্রাম। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে সহস্রাধিক পরিবার।
এদিকে আগামী পাঁচ দিন সারাদেশে বৃষ্টিপাত ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। এতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হতে পারে জানানো হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবারের পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আগামী সাত দিন দক্ষিণ-পূর্ব পার্বত্য অববাহিকা অঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলায় ভারি বর্ষণের কারণে ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে। বৃষ্টিপাতের ওপর নির্ভর করে আগামী তিন থেকে সাত দিন দেশের উত্তরাঞ্চলে তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার, ব্রহ্মপুত্রসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মেঘনা অববাহিকায় পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে। ভারি বর্ষণের ফলে আকস্মিক বন্যা হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর আরো জানায়, মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। আজ শুক্রবার ময়মনসিংহ, ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের বেশির ভাগ জায়গায় এবং রংপুর ও খুলনা বিভাগের অনেক স্থানে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে। পাঁচ দিন আবহাওয়া অপরিবর্তিত থাকবে। আজ ও আগামীকাল শনিবার দেশজুড়ে ভারি বর্ষণ হতে পারে।