a
ফাইল ছবি
ইমরান খানকে বৃহস্পতিবার নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়েছেন তিরিশ বছর বয়সের এক যুবক, নাম ইবতিসাম।
ইমরানের ওপর যখন গুলি চালানো হচ্ছিল, তখন হামলাকারীর ঠিক পেছনেই ছিলেন তিনি।
ঠিক সময়ে হামলাকারী যুবকের বন্দুক ধরা হাতটি টেনে নেন তিনি। লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে ছয় রাউন্ড গুলি, যা হয়তো ইমরানের বুকে লাগতে পারত।
তবে তা না লেগে গুলি এসে লাগে ইমরানের পায়ে। জখম হলেও এ যাত্রায় প্রাণে বেঁচে যান পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। খবর জিওটিভির।
হামলা করার মুহূর্তের একটি ছবি বন্দি হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরায়। সেখানে বন্দুক হাতে দেখা যাচ্ছে হামলাকারীকে। তবে তার বন্দুকটির নল আকাশের দিকে তাক করা।
কারণ পেছন থেকে তার বন্দুক ধরা হাতটি টেনে ধরেছেন ওই যুবক। তার পরনে লাল-সাদা-নীল একটি টি-শার্ট। তাকে জাপটে না ধরলে ইমরান খানের সঙ্গে আরও অনেকেরই প্রাণ যেতে পারত। সেই পরিণামের কথা ভেবেই ওই যুবককে নায়কের আসনে বসিয়েছেন অনেকেই। সূত্র: যুগান্তর
ছবি সংগৃহীত
ইসরায়েল অভিমুখী একটি ব্রিটিশ তেলের ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী ‘হুথি’। এডেন উপসাগরে চালানো এই হামলায় ট্যাংকারটিতে আগুন ধরে যায়। এরই মধ্যে হামলার দায় স্বীকার করে হুথির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের নৌ শাখা এই হামলা চালিয়েছে।
হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারিয়া এক বিবৃতিতে বলেছেন, বেশ কয়েকটি উপযুক্ত নৌ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ‘মারলিন লুয়ান্ডা’ নামের ব্রিটিশ ট্যাংকারটিতে সরাসরি আঘাত করা হয়েছে।
ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে লোহিত সাগর দিয়ে চলাচল করা পশ্চিমা জাহাজগুলোতে সরাসরি হামলা শুরু করেছে গত দুই মাস যাবত। ফলে গত ২ মাসে সেখান দিয়ে সব ধরণের বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল ৪৫ শতাংশ কমে এসেছে।
আমেরিকার নানা পদক্ষেপেও কমানো যাচ্ছে না বিদ্রোহী গোষ্ঠীটির হামলা। হুদিদের দাবি, গাজায় যুদ্ধবিরতি ও মানবিক সহায়তা দ্রুত কার্যকর করা। সূত্র: প্রেসটিভি, বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি । প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
প্রত্যেকটি সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ও মুজিব আদর্শের কর্মীদের কমপক্ষে তিনটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ কৃষক লীগ আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করে এই আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি সবাইকে একটি করে বনজ, ফলদ ও ভেষজ গাছ রোপণের আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন প্রাঙ্গণে একটি বনজ, একটি ফলদ ও ভেষজ গাছ রোপণ করে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
প্রধানমন্ত্রী জানান, কৃষক লীগের উদ্যোগে প্রতি বছর আওয়ামী লীগ ও অন্যান্য সহযোগী সংগঠন বৃক্ষরোপণ করে। এবারও কৃষক লীগের উদ্যোগে দেশব্যাপী ব্যাপক বৃক্ষরোপণ শুরু হবে।