a
চোখের জলই যেন এখন আছমা বেগমের একমাত্র সম্বল। এবারের কঠোর লকডাউনে অভাবের তাড়নায় আছমা বেগম রাজধানীর রাস্তায় মাস্ক বিক্রি করা শুরু করেছেন, এর আগে তিনি গৃহকর্মীর কাজ করতেন।
কিন্ত আছমা আগে যে বাড়িতে কাজ করতেন, সেই বাড়ির মালিকের চাকরি চলে যাওয়ায় তারাও এখন গ্রামের বাড়িতে চলে গেছেন। আর তাই আছমা বেগম কঠোর লকডাউনের মধ্যে কর্মহীন হয়ে পড়ে।
তিন সন্তানের জননী। স্ট্রোক করার পর থেকে স্বামী এখন পর্যন্ত কোন কাজ করতে পারে না। আছমার কাজের টাকা দিয়েই তাদের সংসার চলতো। তাই তিনি মানিকনগর তার বাসা থেকে একটি কাজের সন্ধানে বের হয়েছিল। কিন্ত এ কঠোর লকডাউনে কোন কাজের ব্যবস্থা করতে না পেরে মাস্ক বিক্রির কথা ভাবেন। দোকানে গিয়ে তিনি দেখেন এক বক্স মাস্ক কিনতে লাগে ১১০ টাকা অর্থাৎ এক প্যাকেট মাস্কের দাম ১১০ টাকা। কিন্তু আছমার কাছে ছিল মাত্র ৯০ টাকা। এক প্রকার আকুতি-মিনতি করেই তিনি এক প্যাকেট মাস্ক কিনে বিক্রি শুরু করেন সন্তানদের মুখে দু'মুঠো খাবারের ব্যবস্থা করতে।
ফাইল ছবি
ঢাকা মহানগর পুলিশের ১৮ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পুলিশ পরিদর্শককে (নিরস্ত্র) পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে বদলি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার পুলিশ সদরদপ্তরের অতিরিক্ত আইজি (ফিন্যান্স) অতিরিক্ত দায়িত্বে অ্যাডিশনাল আইজি (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) আবু হাসান মুহম্মদ তারিক স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি আদেশ দেয়া হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে-যাত্রাবাড়ী থানার বিএম ফরমান আলীকে খাগড়াছড়ির এপিবিএন ও বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টারে, শাহবাগ থানার মো. মোস্তাজিরুর রহমানকে বরিশালের ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, তেজগাঁও থানার মোহাম্মদ মহসীনকে সুনামগঞ্জের ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, গুলশান থানার মো. মাজহারুল ইসলামকে খাগড়াছড়ির এপিবিএন ও বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টারে, পল্টন থানার মনির হোসেন মোল্লাকে রংপুর রেঞ্জে বদলির আদেশ বাতিল করে সুনামগঞ্জের ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, মতিঝিল থানার মো. আবুল কালাম আজাদকে পিরোজপুরের ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে ও পল্লবী থানার অপূর্ব হাসানকে ঠাকুরগাঁওয়ের ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে বদলি করা হয়েছে।
এছাড়া মো. আবু সাঈদ আল মামুনকে চট্টগ্রাম রেঞ্জের বান্দরবানে ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, আনিচুর রহমান মোল্লাকে ময়মনসিংহ রেঞ্জের শেরপুরের ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, কাজী মাইনুল ইসলামকে নেত্রকোনার ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, শেখ শাহানুর রহমানকে খাগড়াছড়ির এপিবিএন ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, আবু আনসারকে জামালপুরের ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, মোহাম্মদ রিজাউল হককে সিলেটের ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামকে এসবি ঢাকার বদলির আদেশ বাতিল করে খাগড়াছড়ির এপিবিএন ও বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টারে, কাজী আবুল কালামকে ঢাকা রেঞ্জে বদলির আদেশ বাতিল করে খাগড়াছড়ির এপিবিএন ও বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টারে, মুন্সী সাব্বির আহমদকে লালমনিরহাটের ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, মো. মাহাবুব রহমানকে গাইবান্ধার ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, বিএম মশিউর রহমানকে রাঙামাটির এপিবিএন পিএসটিএস বেতবুনিয়ায় বদলি করা হয়েছে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
বল হাতে বেশ কয়েক ম্যাচে জ্বলে উঠলেও নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফেরার পরে ব্যাট হাতে দলকে বড় ইনিংস উপহার দিতে পারছিলেন না দেশসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। ব্যাট হাতে ব্যর্থ সাকিবের সমালোচনায়ও মেতে উঠেছিলেন কেউ কেউ। সেটা হয়তো বুঝতে পেরেছিলেন তারই সতীর্থ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম।
তাই তো জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সাকিবের দূর্দান্ত ৯৬ রানের ম্যাচজয়ী ইনিংসের পর এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে মুশফিক প্রশ্ন তুললেন, সামান্য কয়েকবার ব্যর্থ হলেই লোকে সাকিবকে নিয়ে প্রশ্ন তোলার সাহস পায় কীভাবে?
হারারেতে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়েকে ৩ উইকেটের ব্যবধানে হারিয়ে ২-০ ব্যবধানে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ব্যাটে-বলে দূর্দান্ত ছিলেন সাকিব। প্রথমে বোলিংয়ে ১০ ওভারে ৪২ রানে নিয়েছিলেন ২ উইকেট। পরে ব্যাট হাতে দলের চরম বিপদে খেলেছেন ৯৬ রানের হার না মানা ইনিংস।
তবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এদিন জয়টা সহজ ছিল না বাংলাদেশের জন্য। দ্বিতীয় ইনিংসে টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ৭ উইকেট হারিয়ে প্রায় হারতে বসা দলকে জিতিয়েছেন সাকিব। নিজে অপরাজিত থেকেছেন ৯৬ রানে।
টাইগারদের জয়ের সাথে সাথে ব্যক্তিগত কারণে দেশে ফিরে আসা মুশফিকুর রহিম নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ এবং এই সিরিজ জয়ের জন্য অভিনন্দন জানাচ্ছি আমার সতীর্থদের।’ এরপরেই মুশফিক লিখেছেন ‘ফর্ম ইজ টেম্পরারি বাট ক্লাস ইজ পার্মান্যান্ট।’ বাক্যটা যে সাকিবকে নিয়েই লেখা তার প্রমাণ পরের কথাগুলোয়, ‘আমি বুঝতে পারি না, সামান্য কয়েকবার ব্যর্থ হলেই লোকে সাকিবকে নিয়ে প্রশ্ন তোলার সাহস কীভাবে পায়! সে একজন কিংবদন্তি এবং সে চিরকালই বাংলদেশের লিজেন্ড হয়েই থাকবে।’