a সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা, অথচ সৎ সাংবাদিকগণ আজ উপেক্ষিত
ঢাকা শনিবার, ১৫ ভাদ্র ১৪৩২, ৩০ আগষ্ট, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা, অথচ সৎ সাংবাদিকগণ আজ উপেক্ষিত


রাসেল মিয়া, রিপোর্টার, হবিগঞ্জ:
মঙ্গলবার, ১৩ জুলাই, ২০২১, ১০:৫০
সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা, অথচ সৎ সাংবাদিকগণ আজ উপেক্ষিত

ফাইল ছবি। শেখ আব্দুল কাদির কাজল

আমি একজন অতি ক্ষুদ্র মানুষ এবং জন্মগতভাবে বাংলাদেশী। ১৯৮৬ সাল থেকে মহান ও মহৎ ব্যক্তিদের সাথেই আমার পথ চলা। তৎকালীন সাপ্তাহিক দৃষ্টিকোণ পত্রিকার সম্পাদক, সাংবাদিক নোমান চৌধুরীর সান্নিধ্যে আমার প্রথম পরিচয়। জনাব চৌধুরী আমাকে অতি স্নেহ করে মহান পেশায় সাংবাদিকতা শিক্ষা দিতে চেয়েছেন। কতটুকু শিক্ষা গ্রহণ করতে পেরেছি, তা আমি জানিনা। তবে বর্তমানে যে সম্পাদক সাহেবের অধীনে থেকে মাঝে মধ্যে দু'একটি লেখা পাঠাই। সম্পাদক মহোদয়ের স্নেহ ভালোবাসায় প্রমাণ করে- আমি একজন ভাল সাংবাদিক হতে না পারলেও সংবাদপত্রের একজন নিবেদিত সেবক হিসেবে কাজ করছি। 

আমার সম্পাদক একজন মহান ব্যক্তিত্ব, উচ্চ শিক্ষিত এবং সৎ মানুষ। এসমস্ত মানুষের সান্নিধ্যে আসলে মনটাই ভরে যায়। ফোনে এলাকার বিভিন্ন সমস্যার ব্যাপারে কথা বললে তাৎক্ষনিকভাবে তিনি সুন্দরভাবে সমাধানের ক্ষেত্র বের করে দেন। আমি যেখানে নিরাশ হয়ে যাই, সেখানে তিনি আশার আলো জ্বালিয়ে আশাবাদী করে তুলেন। তাই বাস্তব এই সত্যটুকু তুলে ধরে মনটাকে হালকা করার চেষ্টা করলাম মাত্র। সমাজে আজ রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুরাচার, পাপাচারে নিমজ্জিত। মাঝে মধ্যে এসব দেখে যখন হাঁপিয়ে উঠি, তখন এসব গুণী ব্যক্তিদের সাথে কথা বললে আবারও নতুন উদ্যমে কাজ করার আশা সঞ্চার হয়।

সাংবাদিক সমাজের দায়িত্ব কি? কালোকে কালো, সাদাকে সাদা বলা এবং সত্য সঠিক তথ্য সংগ্রহপূর্ব্বক তা যাচাই-বাছাই করে প্রকাশ করা। একটা পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে তা পকেটে রেখে সমাজে বিভিন্ন ইস্যুতে নিজের কার্ড তুলে ধরলেই তাকে সাংবাদিক বলা যায়না।  

১৯৮৬ থেকে দেখে আসছি মহান সাংবাদিকদের কলমের খোঁচায় বহু ঘোষখোর ঘোষের টাকা ফেরত দিতে, বহু সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সরকারী দায়িত্ব পালনে আন্তরিক হতে, সন্ত্রাসীরাও যতটুকু ভয় পেত কলম সৈনিক সাংবাদিককে দেখলে, সত্যিকার অর্থে ততটুকু ভয় পুলিশকেও পেতনা।  

আস্তে আস্তে এই পেশায় কেটে গেলো ৩৪ বছর। এই দীর্ঘ পথচলায় অনেক ভাল সাংবাদিকদের সান্নিধ্য পেয়েছি। তারা সর্বদায় দেশ ও জাতির কল্ল্যাণে নানান চড়াই উৎড়াই পেরিয়ে দিবানিশি কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের সততা ও কর্মের কারণে অনেক ক্ষেত্রে সাংবাদিক পরিচয় দিতে নিজেকে সাচ্ছন্দবোধ করি।

তবে, বর্তমানে মফস্বল এলাকায় বিভিন্ন কথিত মিডিয়ার প্রতিনিধিদের অবাধ বিচরণ লক্ষ্য করি। নাম সর্বস্ব পত্রিকার কার্ড বানিয়ে, কার্ড দেখিয়ে সাংবাদিক পরিচয় প্রকাশ করে থাকেন কিন্তু জনৈক সাংবাদিকের আসল কাজটা কি তা নিজেই জানেন না।

এটাতো বললাম সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালনের একাল-সেকালের কথা। পাশাপাশি রাজনৈতিক পেক্ষাপট তো আরও খারাপ অবস্থা। ছাত্রাবস্থায় কি দেখলাম, আর এখন কি দেখছি। এসব বিষয় নিয়ে বিস্তারিত বলার অপেক্ষা রাখেনা। কম বয়সের ছেলে-মেয়েরা হয়তোবা মনে করবে এদেশের রাজনৈতিক ধারা পূর্ব থেকেই এরকমই। আসলে কি তাই?

পাড়া-মহল্লা, গ্রামে-গঞ্জে সর্বত্রয় লুটেরা ও সন্ত্রাসীদের জয়-জয়কার। অসভ্য, অসত্য ব্যক্তিবর্গ আজ সমাজটাকে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে। এসমাজে ন্যায়-পরায়ণ, সভ্য-সুন্দর ব্যক্তিদের  কদর নেই বললেই চলে। তাই সমাজের এই বাতাবরনে অনেকে নিজেকে আড়ালে রাখার চেষ্টা করেন।

আজ আমি চিন্তা করি আমাদের পরবর্তী প্রজন্মদের নিয়ে। এতো রক্ত দিয়ে, ইজ্জত দিয়ে দেশটাকে স্বাধীন করে তার পরিণাম যদি এই হয়, এর চেয়ে দুর্ভাগা আর কি হতে পারে! বঙ্গবন্ধু দেশটাকে স্বাধীন করে এদেশের মানুষগুলোকেও স্বাধীনতা দিয়ে আসা করেছিলেন তারা উচ্চ মর্যদায় আসীন হয়ে সারা বিশ্বে একটা মডেল হিসেবে দেশের মান উজ্জ্বল করবেন। আমরা কি সে আশা পূরণ করতে পেরেছি? এরপরও আশাবাদী, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে যে যার অবস্থান থেকে যদি কাজ করি, তাহলে সমাজে অবশ্যই ঘুষখোর, দুর্নীতিবাজ, ঠকবাজ ও বিশৃংখলাকারীরা উৎখাত হবেই হবে।
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

সীমান্ত বন্ধের প্রথম দিনেই ভারতীয় গম ও পাথরের বিশাল চালান 



সোমবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২১, ০৮:৪৫
সীমান্ত বন্ধের প্রথম দিনেই ভারতীয় গম ও পাথরের বিশাল চালান 

দুই দেশের সীমান্ত বন্ধের প্রথম দিনেই সোমবার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে গম ও পাথরভর্তি দুটি বড় চালান  ভারত থেকে এসে পৌঁছেছে দর্শনা বন্দরে। দুই দেশের মধ্যে যাত্রী যাতায়াত গত বছর থেকে বন্ধ থাকলেও দর্শনা চেকপোস্ট দিয়ে স্থলপথে জরুরি খাদ্য পণ্য আমদানি অব্যাহত রয়েছে। তবে ভারতের গেদে ও দর্শনা সীমান্তের প্রবেশ দ্বারে পূর্ব নির্ধারিত নিয়ম ছাড়া জরুরি বা বিশেষ কোনো সতর্কতার ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে জানা গেছে মহামারি করোনা ভ্যারিয়েন্ট মোকাবেলায়।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও বন্দর কর্তৃপক্ষ জানান, যথাযথ স্বাস্থ্য বিধি মেনেই কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে বন্দরে। জানা যায় গত বছর দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে পাসপোর্ট যাত্রী যাতায়াত বন্ধ হয়ে যায় ঐ বছরের ২৬ মার্চ থেকে দর্শনা আন্তর্জাতিক স্থলপথে। অল্প  দর্শনা বন্দর বন্ধ থাকার কিছুদিন পরে ফের ভারত থেকে জরুরি খাদ্য চাল গম পেয়াজের বড় বড় চালানসহ অন্যান্য পণ্য আমদানি শুরু হয়। সরকার এ বছরে ১ জানুয়ারি মাস থেকে ১৮ এপ্রিল মাস পর্যন্ত ভারত থেকে ৮২হাজার ১শত মেট্রিক টন চাল আমদানি করেছে।

সোমবার (২৬ এপ্রিল) দুই দেশের সীমান্ত বন্ধ থাকলেও ২৩শ মেট্রিক টন গম ও ২২শ মেট্রিক টন (স্টোন) পাথর ভারত থেকে দর্শনা বন্দরে এসে পৌঁছেছে। সে ক্ষেত্রে পূর্ব নির্ধারিত অর্থাৎ যে স্বাস্থ্যবিধির নির্দেশনা ছিল করোনার প্রথম ঢেউয়ের সময়, সে ভাবেই দর্শনা আন্তর্জাতিক রেল বন্দরটি চলছে। ইতি মধ্যে পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র ভারতে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ও নতুন ভ্যারিয়েন্ট করোনা ভাইরাস ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে ভাইরাসটি বাংলাদেশে ছড়িয়ে যেতে পারে্ এই আশঙ্কায় সব সীমান্ত বন্ধের ঘোষণা এসেছেন সোমবার থেকে।

দর্শনা বন্দর রক্ষা কমিটির সদস্য সচিব ও সি এন্ড এফ এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আতিয়ার রহমান হাবু জানান, দর্শনা সীমান্ত থেকে মাত্র দেড় দুই কিলোমিটার ভারত, এ জন্য আমরাও ঝুঁকিমুক্ত নই এ জন্য এই ভ্যারিয়েন্ট মোকাবিলায় বিশেষ পদক্ষেপ নেয়া জরুরি। বিশেষ করে বন্দর গুলোতে সতর্কতা জারি করা জরুরি হয়ে পড়েছে বলে তিনি মনে করেন।

দর্শনা আন্তর্জাতিক রেল বন্দর কর্তৃপক্ষ ও ষ্টেশন মাস্টার মীর লিয়াকত আলি জানান, ভারত থেকে আজ সোমবার মালবাহী ২টি  র‌্যাক বন্দরে ঢুকেছে দর্শনা বন্ধরে ও মালামাল আমদানি করার পর ট্রেনে চালক গার্ড সহ মোট ৩ জন ব্যক্তি থাকেন। তাদের মধ্যে একজন নেমে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাগজ পত্রের কাজ শেষ করে পুনরায় দেশে ফিরে যান। এ ছাড়া পণ্য পরিবহনের সাথে যে সব শ্রমিক বা অন্যরা কাজ করে থাকে দর্শনা বন্দরে তাদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও করোনার প্রথম ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম মারুফ হাসান জানান, দর্শনা বন্দরে রেলযোগে ভারতীয় আমদানি করা মালামাল ঢুকলে ট্রেনের চালক  কাগজ পত্রের কাজ ট্রেনে বসেই শেষ করে ফিরে যেতে বলা হয়েছে, এখানে নামাই যাবেনা। তা ছাড়া ভারতের করোনার ভ্যারিয়েন্ট মোকাবেলায় প্রস্তুতি নেওয়া আছে।

চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মো. নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, দর্শনা চেকপোস্টটি বন্ধ করোনার শুরু থেকেই, এ কারণেই নতুন করে ব্যবস্থা নেওয়ার পত্র বা নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। তবে পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে আগের নিয়মেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ করা হচ্ছে দর্শনা বন্দরে।
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / Amin Hossain

সৌদি আরবে আটককৃত ১২জন রেমিট্যান্স যোদ্ধা ভিকটিম পরিবারের আহাজারি কি সরকার শুনতে পায়?


সাইফুল আলম, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৫, ০৪:৫০
সৌদি আরবে আটককৃত ১২জন রেমিট্যান্স যোদ্ধা ভিকটিম পরিবারের আহাজারি কি সরকার শুনতে পায়

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

সাইফুল আলম, ঢাকা: রেমিট্যান্স যোদ্ধারা দেশের স্বর্ণ সন্তান, দেশের জন্য তারা সবসময় মঙ্গল বয়ে আনেন। গত আট মাস ধরে সৌদি আরবের কারাগারে রেমিটেন্স যোদ্ধারা নীরবে দিন কাটাচ্ছে, জন মনে প্রশ্ন সরকার কি এই বিষয়টি দেখছে কিনা?

গত ৫ আগস্ট ২০২৪ শেখ হাসিনা সরকারের পতন ও ছাত্র-জনতার বিজয় উপলক্ষে সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশি রেমিটেন্স যোদ্ধাদের আনন্দ ও প্রীতিভোজ অনুষ্ঠান হতে পুলিশ কর্তৃক আটককৃতদের মুক্ত করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের অবহেলার প্রতিবাদ এবং রেমিটেন্স যোদ্ধাদের মুক্ত করতে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এর হস্তক্ষেপ কামনায় সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে ভিকটিম পরিবারের পক্ষ থেকে।

আজ ১৫-০৩-২০২৫ ইং তারিখ, রোজ শনিবার, সকাল ১০ ঘটিকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ হলে (৩য় তলা) এই সংবাদ সম্মেলনে ভিকটিমের পরিবারের সদস্যরা তাদের দুর্দশার কথা তুলে ধরেন। পরিবারের প্রধান কর্মক্ষম ব্যক্তি সৌদি আরবের কারাগারে। আর তাই তারা মানবেতর দিন কাটাচ্ছে। অসহায় হয়ে আজ তারা সরকারের সহযোগিতা কামনা করছে। 

তারা বলেন, গত ৫ আগস্ট ২০২৪ শেখ হাসিনার পতন ও ছাত্র-জনতার বিজয় উপলক্ষে সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশি রেমিটেন্স যোদ্ধাদের আনন্দ ও প্রীতিভোজ অনুষ্ঠান হতে পুলিশ কর্তৃক আটক হন, ১। মোঃ বাদল, পিতা: সিদ্দিকুর রহমান, গ্রাম-ইমামপুর, পো-মাহমুদপুর, থানা-মেলান্দহ, জেলা- জামালপুর। ২। ইসমাইল হোসেন, পিতা- ইব্রাহিম খলিল, গ্রাম- মোহাম্মদপুর, পো- মোহাম্মদপুর, থানা- চাটখিল, জেলা- নোয়াখালী। ৩। মোঃ কাউসার হোসেন স্বপন, পিতা- মোঃ আবুল হোসেন, সাং- লক্ষীপুর, পো-বহরিয়া বাজার, জেলা- চাঁদপুর সদর। ৪। এরশাদ, পিতা- ইসরাফিল, গ্রাম- ঘাটেশ্বরী দক্ষিণ পাড়া, ডাকঘর-বহেড়া তৈল-১৯৫০, সখিপুর, টাঙ্গাইল। ৫। জুয়েল রানা, পিতা- ফিরোজ মিয়া, গ্রাম- বড়তলা, পো- আশুগঞ্জ, থানা- আশুগঞ্জ, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া । ৬। মোঃ শাকির হোসেন, পিতা- কবির হোসেন, গ্রাম- কড়াইল, পো- মির্জাপুর, থানা-মির্জাপুর, জেলা- টাঙ্গাইল। ৭। মোঃ হাবিবুর রহমান, পিতা- হাজী হাফেজ আলী মিঝি, গ্রাম-মহজনপুর, পো-আলগী বাজার, থানা-হাইমচর, জেলা-চাঁদপুর। ৮। মোঃ আবুল হোসেন, পিতা- মোঃ নানু মিয়া, গ্রাম-মুক্তরামপুর, পো-সলিমগঞ্জ, থানা-নবীনগর, জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া। ৯। মোহাম্মদ জামিল হোসাইন, পিতা- মোঃ আবদুল মান্নান, সাং-নোয়া বাড়ি, অটেহরা, ডাকঘর- কালির হাট-৩৫০১, বরুড়া, কুমিল্লা। ১০। মোহাম্মদ ইয়াকুব, পিতা মৃত- মোঃ আক্তার, দক্ষিণ মালিভিটা, পো- দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ, আব্দুল্লাহপুর, ঢাকা। ১১। সাদ্দাম হোসাইন, পিতা- আবু তায়েব, গ্রাম- কালিকাচর, পো- কালিকাচর, থানা-সরাইল, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া। ১২। মাসুদ গাজী, পিতা- মুনাফ গাজী, গ্রাম-মহজমপুর, পো- আলগি বাজার, থানা- হাইমচর, জেলা- চাঁদপুর।বর্তমানে তারা সৌদি আরবের আল কাসিম বুরাইদা সফর জেলে মানবেতর জীবন যাপন করছেন৷

তাদের মুক্তির দাবিতে পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্নভাবে বিভিন্ন জায়গায় আবেদন, নিবেদন করা হয়েছে। কিন্তু ৮ মাস অতিবাহিত হওয়ার পরেও তাদের মুক্তির কোন সঠিক দিক নির্দেশনা পাওয়া যাচ্ছে না। তাদের বন্দী হওয়ার ফলে একদিকে বাংলাদেশ সরকার ব্যাপক পরিমাণ রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, অন্যদিকে এই ১২টি পরিবারের সদস্যরা তাদের গ্রেফতারের ফলে মানবেতর জীবন-যাপন করছে। তাদের একটাই অপরাধ ফ্যাসিবাদের পতনের পর পর বাংলাদেশের নাগরিক হওয়ার কারণে নিজেরা একত্রিত হয়ে একটি প্রীতিভোজ ও আনন্দ উৎসবের আয়োজন করেছিল। সেখানে সৌদি পুলিশ তাদেরকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে। সেখানকার রাষ্ট্রদূত এ ব্যাপারে তেমন কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। 

বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হলেও সৌদি আরবে ঘাপটি মেরে থাকা রাষ্ট্রদূত আওয়ামী দোসর হওয়ার কারণে নিরবতা পালন করছে। এই ব্যাপারে প্রধান উপদেষ্টা, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা, প্রবাসী উপদেষ্টাসহ সংশ্লিষ্টরা যদি উদ্যাগ গ্রহণ করে আমরা বিশ্বাস করি ঈদের আগেই পরিবারের কাছে তাদের মুক্তির সুখবর আসবে। আমরা ইতিমধ্যেই জেনেছি বাংলাদেশে বর্তমানে জাতিসংঘের মহাসচিব এক সংক্ষিপ্ত সফরে এসেছেন। আমাদের মাননীয় উপদেষ্টা জাতিসংঘের মহাসচিবের হস্তক্ষেপ কামনা করলেও বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তি হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি ।

আজকের এই সংবাদ সম্মেলনে ভিকটিম পরিবারের স্ত্রী, সন্তান, ভাইসহ পরিবারের অন্যান্যরা উপস্থিত হয়েছেন। ঈদের আগে যদি তাদের মুক্তির ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হয় তাহলে এই ভিকটিম পরিবারের সদস্যরা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে তাদের মুক্তির দাবিতে আমরণ অনশনে কর্মসূচি নিতে বাধ্য হবে। আমরা আশা করছি আপনাদের মাধ্যমে বিষয়টি দ্রুত প্রধান উপদেষ্টাসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে পৌছে যাবে। 

সৌদি প্রবাসী ১২ জন বাংলাদেশী রেমিটেন্স যোদ্ধার পরিবারের পক্ষ থেকে মোহাম্মদ লাকিন সর্বাত্মক সহযোগিতা করেন। উক্ত অনুষ্ঠানে মূল্যবান বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান, বিশেষ অতিথি মোহাম্মদ অলিদ তালুকদার সিদ্দিক, জাতীয় জনতা ফোরামের সভাপতি। আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির নেতৃবৃন্দ, সমাজ এবং মানবাধিকার কর্মী, প্রেস ক্লাবের বিশিষ্ট সাংবাদিক বৃন্দ। এছাড়া বিভিন্ন জেলা থেকে আগত ভিক্টিমের পরিবারের সদস্যরা বক্তব্য রাখেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - সারাদেশ