a সিলেটের জকিগঞ্জে নতুন গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯ মাঘ ১৪৩২, ১২ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

সিলেটের জকিগঞ্জে নতুন গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান


সিলেট প্রতিনিধি:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ০৯ আগষ্ট, ২০২১, ০৪:৫৫
সিলেটের জকিগঞ্জে নতুন গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান

ফাইল ছবি

সিলেটের জকিগঞ্জে নতুন গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান পেয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি (বাপেক্স)। এটি দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র।

সোমবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, সিলেটের জকিগঞ্জে দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান পেয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি (বাপেক্স)। 

উত্তোলনযোগ্য মজুদ ৫০ বিলিয়ন ঘনফুট, দৈনিক ১০ মিলিয়ন করে যুক্ত হবে গ্রিডে। ১০ থেকে বারো বছর গ্যাস উত্তোলন সম্ভব, যার দাম ১২৭৬ কোটি টাকা।

এর আগে জুনে জকিগঞ্জে আরেকটি গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান পেয়েছিল বাপেক্স।

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ২৮টি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে। এসব ক্ষেত্রে প্রমাণিত মজুতের পরিমাণ ২১ দশমিক ৪ টিসিএফ। আরও ৬ টিসিএফ সম্ভাব্য মজুত রয়েছে।

এর মধ্যে প্রায় সাড়ে ১৮ টিসিএফ উত্তোলন করা হয়েছে। সে হিসাবে প্রমাণিত মজুত রয়েছে মাত্র ৩ টিসিএফ। সম্ভাব্য মজুত রয়েছে আরও ৭ টিএসএফর মতো।

১১৩টি কূপ দিয়ে প্রতি বছরে উত্তোলিত হচ্ছে প্রায় ১ টিসিএফর মতো। এর মধ্যে দেশীয় কোম্পানির ৭০টি কূপের (দৈনিক) ১ হাজার ১৪৫ এমএমসিএফডি, আইওসির ৪৫টি কূপের উৎপাদন সক্ষমতা রয়েছে ১ হাজার ৬১৫ এমএমসিএফ (মিলিয়ন ঘনফুট)। দৈনিক কমবেশি ২ হাজার ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলিত হচ্ছে। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

শরীয়তপুরে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২১, ১২:৪৮
শরীয়তপুরে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

ফাইল ছবি

শরীয়তপুর সদর উপজেলায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মো. দাদন খলিফা (৩০) নামে এক যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। 

গতকাল বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার গয়ঘর খলিফাকান্দি (নুরুল হক খলিফার বাড়ির মসজিদের সামনে) এ হত্যার ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহতাবস্থায় তাকে ঢাকা নেয়ার পথে মৃত্যু হয়। নিহত মো. দাদন খলিফা উপজেলার শৌলপাড়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের গয়ঘর গ্রামের সেকেন্দার খলিফার ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার জেরে গয়ঘর গ্রামের ইদ্রিস খার সাথে নিহত দাদনের বাবা সেকেন্দার খলিফার দন্দ্ব চলে আসছিল। তারই সূত্রধরে গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে গয়ঘর খলিফাকান্দি নুরুল হক খলিফার বাড়ির মসজিদে নামাজ পড়ে দাদন বের হলে আগে থেকেই ওঁৎ পেতে থাকা ইদ্রিস খা, এসকান্দার সরদারসহ ১০/১৫ জন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে দাদনকে এলোপাথারীভাবে কোপাতে থাকে।
স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত পালিয়ে যায়। দাদনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দাদনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। ঢাকা নেয়ার পথে পোস্তগোলা এলাকায় দাদনের মৃত্যু হয়।

দাদন খলিফার বাবা সেকেন্দার খলিফা বলেন, ইদ্রিস খার নের্তৃত্বে আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। আমি হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই।

শরীয়তপুর সদরের পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আক্তার হোসেন জানান, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। হত্যার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

সঠিক দিক নির্দেশনা একটি জাতির বিকাশ ও অগ্রগতিতে অতীব গুরুত্বপূর্ণ: কর্ণেল(অব.) আকরাম


কর্নেল(অব.) আকরাম, লেখক ও গবেষক, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ২০ জুন, ২০২৫, ০২:০১
সঠিক দিক নির্দেশনা একটি জাতির বিকাশ ও অগ্রগতিতে অতীব গুরুত্বপূর্ণ কর্ণেল অব আকরাম

ছবি সংগৃহীত


ঢাকা প্রতিনিধি: একটি জাতির বিকাশ ও অগ্রগতিতে সঠিক দিকনির্দেশনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, অন্যদিকে ভুল নির্দেশনা একটি জাতির পতনের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। পূর্ববাংলার, অর্থাৎ বর্তমান বাংলাদেশের নিরীহ বাঙালি মুসলিম জনগণ দীর্ঘদিন ধরে তাদের দুর্বল নেতৃত্বের কারণে বিভ্রান্তির শিকার হয়ে আসছে। মনে হয়, তারা যেন দুর্ভাগ্যের জন্যই নির্ধারিত, আর তাদের এই কষ্ট থেকে মুক্তির কোনো আশু সম্ভাবনাও দেখা যাচ্ছে না।

বাংলাদেশের মানুষ দীর্ঘ ইতিহাসজুড়ে, বিশেষ করে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতনের পর থেকে ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির আগ পর্যন্ত, একটি বলের মতো টস-মস হয়েছে। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনামলে "চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত" নামক একটি নীতির দ্বারা তারা সমাজের দরিদ্র কৃষকশ্রেণিতে পরিণত হয়, অথচ পলাশীর যুদ্ধের আগে তারা সমাজের একটি সমৃদ্ধ শ্রেণি ছিল।

ব্রিটিশ শাসকদের ‘বিভাজন ও শাসন’ নীতির ফলে পূর্ববাংলার মুসলমানরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং তারা রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে পড়ে। হাজী শরীয়তউল্লাহ ও পীর দুধু মিয়া ফারায়েজি আন্দোলনের মাধ্যমে ইসলামের মূল চেতনা দিয়ে মুসলিম সমাজে সংস্কার আনার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন। তিতুমীর হিন্দু জমিদারদের অত্যাচার থেকে মুসলমানদের রক্ষার জন্য এগিয়ে আসেন এবং মুসলমানদের মধ্যে জাতীয় চেতনা ও রাজনৈতিক সচেতনতা সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। নবাব আবদুল লতিফ ও স্যার সায়েদ আমীর আলী মুসলমানদের মাঝে আধুনিক শিক্ষার প্রসারে কাজ করেন, যেমনটি উত্তর ভারতের জন্য স্যার সায়েদ আহমদ করেছিলেন।

১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ, ১৯০৬ সালে ঢাকায় মুসলিম লীগের জন্ম এবং ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা মুসলমানদের মধ্যে একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক অভিজাত শ্রেণির জন্ম দেয়। এটি সম্ভব হয়েছিল নবাব আবদুল লতিফ, স্যার সায়েদ আমীর আলী ও নবাব স্যার সলিমুল্লাহর সঠিক দিকনির্দেশনার কারণে। শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, খাজা নজিমুদ্দিন, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মওলানা আকরাম খাঁ, এবং আবুল মনসুর আহমদ এই সময়েরই ফল। তারা সবাই মুসলিম বাঙালি জাতীয়তাবাদের উত্থানে প্রকৃত পথপ্রদর্শক ছিলেন। তারা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর নেতৃত্বে পাকিস্তান সৃষ্টিকে সমর্থন করেন এবং সফল হন, তবে কলকাতার অভিজাত হিন্দু শ্রেণি ও কংগ্রেস নেতাদের ষড়যন্ত্রে পশ্চিম বাংলা হারিয়ে ফেলেন।

পাকিস্তানের কেন্দ্র সরকার যখন পূর্ব পাকিস্তানে আন্তরিকভাবে কাজ শুরু করে, তখন একটি নতুন মধ্যবিত্ত শ্রেণি গড়ে ওঠে। নতুন বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, বুয়েট, ক্যাডেট কলেজ, আদমজী, কর্ণফুলী কাগজ কল, খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিল এবং ইস্টার্ন রিফাইনারি – এইসব উন্নয়ন জনগণের মধ্যে আশা জাগায়। এই সময় জনগণকে বিভ্রান্ত করা হয়নি, কিন্তু ভারত তাদের স্থানীয় এজেন্টদের মাধ্যমে ভাষা ও সংস্কৃতিকে হাতিয়ার বানিয়ে একটি রাজনৈতিক দল গড়ে তোলে। হতাশ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী মুসলিম লীগ নেতাদের দিয়ে আওয়ামী লীগ তৈরি করা হয়, যা অনেকে মনে করেন শুরু থেকেই ভারত-সমর্থিত দল ছিল। এদের উদ্দেশ্য ছিল সদ্য স্বাধীন পাকিস্তানে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করা, যেমন ১৯৭২ সালের শুরুতেই জাসদের সৃষ্টি করে শেখ মুজিবের নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করা হয়।

পাকিস্তানের রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভুল দিকনির্দেশনার ফলে সেনাবাহিনী ভুল সিদ্ধান্ত নেয় এবং পাকিস্তান ভেঙে যায়। অন্যদিকে শেখ মুজিব, যিনি বাঙালির সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে বিবেচিত ছিলেন, সেই সংকটময় সময়ে স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতৃত্ব না দিয়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেন। চরমপন্থীরা গেরিলা যুদ্ধ সংগঠিত না করে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন এবং গোটা জাতিকে বিভ্রান্তিতে ফেলে দেন।

এই সময় জাতিকে পথ দেখান মেজর জিয়াউর রহমান, যিনি ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং জনগণের ডাকে সাড়া দিয়ে জাতীয় নেতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে রাতারাতি নায়কে পরিণত হন।

ভারত এ সুযোগটি দীর্ঘদিন ধরে খুঁজছিল, এবং বন্ধুত্বের ছদ্মবেশে আওয়ামী লীগ নেতাদের ভুল পথে পরিচালিত করে। বিজয়ের মুহূর্তে ভারত মঞ্চে আসে এবং পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিজয়কে নিজেদের অর্জন হিসেবে ঘোষণা করে। স্বাধীনতার নামে নিরীহ বাঙালি মুসলমান জনগণ ভারতের দাসে পরিণত হয় এবং ভারত তাদের প্রধান কর্তৃত্ব হয়ে ওঠে। শেখ মুজিব স্বাধীন বাংলাদেশের সর্বোচ্চ নেতা হলেও জাতিকে সঠিকভাবে পরিচালনা করতে ব্যর্থ হন এবং ১৯৭৫ সালের আগস্টে তার পতন ঘটে।

একটি রাজনৈতিক সমঝোতার আগেই আবারও এক উচ্চাকাঙ্ক্ষী সামরিক নেতার বিভ্রান্তিকর পদক্ষেপে গোটা দেশ অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে যায়। ৭ নভেম্বর ১৯৭৫-এ সৈনিক-জনতা বিপ্লব সেই অনিশ্চয়তার অবসান ঘটায় এবং জিয়াউর রহমানের ক্ষমতায় আরোহনের মধ্য দিয়ে মানুষ নতুন আশা দেখতে শুরু করে।

বাংলাদেশের ইতিহাসে জিয়াউর রহমানই একমাত্র নেতা যিনি নিজেকে রাষ্ট্রনায়কে পরিণত করে জাতিকে শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে পরিচালিত করেন। তিনি একটি আধুনিক বাংলাদেশের ভিত্তি স্থাপন করেন এবং ভারতীয় আধিপত্য থেকে দেশকে রক্ষা করেন, যদিও নিজের জীবন রক্ষা করতে পারেননি।

এরপর জাতি বারবার বিভ্রান্ত হয়েছে নেতাদের আত্মস্বার্থের কারণে। কেবল ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত খালেদা জিয়ার প্রথম শাসনামল কিছুটা ব্যতিক্রম। তিনি প্রশাসনে ন্যায়নিষ্ঠ আচরণ করেছিলেন, যদিও আত্মীয়দের অগ্রাধিকার এবং সেনাপ্রধান বাছাইয়ে ভুল সিদ্ধান্ত তার এবং দেশের জন্য ক্ষতিকর ছিল। তবে জাতীয় স্বার্থবিরোধী কোনো কাজ বা বিভ্রান্তি তিনি সৃষ্টি করেননি। কখনো কখনো কাছের আত্মীয় বা অপরিণত দলের নেতাদের দ্বারা বিভ্রান্ত হয়েছেন ঠিকই, কিন্তু নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থে জাতিকে ঠকাননি।

বর্তমানে জাতি শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনে পুরোপুরি বিভ্রান্ত। ভারতের হস্তক্ষেপ ও দখলদারিত্বকে তিনি উন্মুক্ত চেক দিয়েছেন। এমনকি দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনাবাহিনীও স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেনি। সদ্য এক সেনাপ্রধান সেনাবাহিনীর ভেতরের অনেক অনিয়মের কথা প্রকাশ করেছেন, যা ফ্যাসিস্ট শাসনামলে ঘটেছে। প্রশ্ন হচ্ছে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে একটি পেশাদার বাহিনীতে পরিণত না করার জন্য দায়ী কারা? শুধু কি রাজনৈতিক নেতারা? সেনাপ্রধানদের ভূমিকা কী? অতীতের সব সেনাপ্রধানদের জাতিকে বিভ্রান্ত করার দায় থেকে অব্যাহতি দেয়া যায় না।

বাস্তবতার নিরিখে বাংলাদেশ এক প্রকার ভারতের অধীনস্ত রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছিল, কিন্তু ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লব সেই আধিপত্যের অবসান ঘটায়। তবে বিপ্লবের পরবর্তী রাজনীতি এখনো মানুষকে শঙ্কামুক্ত করতে পারেনি, বরং অনিশ্চয়তা ও বিভ্রান্তি আরও গভীর হয়েছে। মানুষ আশা করেছিল রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন আসবে, কিন্তু বাস্তবতা তাদের হতাশ করেছে।

বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে নির্বাচন নিয়ে যে রাজনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে, তা ভবিষ্যতের অস্থিরতার ইঙ্গিত দেয়। লন্ডনে ড. ইউনূস ও তারেক রহমানের মধ্যে যে সৌহার্দ্যপূর্ণ একান্ত বৈঠক হয়েছে, তা একটি রাজনৈতিক সমঝোতার জন্ম দিয়েছে এবং সম্ভবত ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। উভয় নেতা দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এরফলে সম্ভাব্য রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে জাতি কিছুটা মুক্তি পেয়েছে।

এটি নিঃসন্দেহে খালেদা জিয়ার পরিপক্ব ও দূরদর্শী নেতৃত্বের ফলাফল, যিনি আবারও জাতির প্রকৃত অভিভাবক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। আর কেউ যেন জাতিকে আর বিভ্রান্ত না করে। সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে, যেন জাতি বিভ্রান্তি থেকে মুক্ত থাকে। আমরা একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ দেখতে চাই, আর রাজনৈতিক নেতাদের উচিত সততার সঙ্গে জাতিকে সঠিক পথে পরিচালনা করা।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - সারাদেশ