a
ফাইল ছবি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রহিমকে রংপুর রেঞ্জে বদলি করা হয়েছে। হেফাজতে ইসলামের তাণ্ডবের এক মাসের মাথায় ওসি রহিমকে বদলি করা হয়।পুলিশ সদর দফতর থেকে পাঠানো এক আদেশে সোমবার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে তাকে রংপুর রেঞ্জে সংযুক্ত করা হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রইছ উদ্দিন ওসি রহিমের বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করলেও কি কারণে তাকে বদলি করা হয়েছে তা তিনি নিশ্চিত করে বলতে পারেননি।
প্রসঙ্গত, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধিতা করে হেফাজতে ইসলামের কর্মী-সমর্থকরা গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক তাণ্ডব চালায়।
এরই প্রেক্ষাপটে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মানুষের মাঝে। তাণ্ডবের ঘটনায় মোট ৫৬ মামলা দায়ের হয়েছে। সোমবার সকাল পর্যন্ত ৩৬৯ জনকে গ্রেফতার করলেও বড় ধরনের সাফল্য দেখাতে পারেনি সদর থানা পুলিশ।
ছবি: সংগৃহীত
মামলায় গত বুধবার দুপুরে শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার উদয়ন আবাসিক এলাকায় তার বাসা থেকে প্রেমিক আরমান লস্করকে (২৫) গ্রেফতার করে শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশ। শায়েস্তাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হক কামাল বলেন, ধর্ষণের অভিযোগে মেয়েটির দায়ের করা মামলায় প্রেমিক আরমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মেয়েটিকে পুলিশ হেফাজতে চিকিৎসার জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হবে। নবজাতকের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনাস্থল যেহেতু হবিগঞ্জ সদর থানা এলাকায় তাই এ ঘটনায় হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, বানিয়াচং উপজেলার আমীরখানি গ্রামের শামীম লস্করের ছেলে আরমান লস্কর শায়েস্তাগঞ্জের দাউদনগর বাজারের আচার বিক্রি করত। এর সুবাদে পরিচয় হয় ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রীর সঙ্গে। পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক হয়। তাদের মধ্যে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক হলে ওই কলেজছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। বিষয়টি জানার পর থেকে আরমান মিয়া ওই কলেজ ছাত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। এক পর্যায়ে সোমবার হবিগঞ্জে একটি প্রাইভেট হাসপাতালে সন্তান প্রসব করেন। স্থানীয়রা জানান, সন্তান প্রসবের পর পিতার পরিচয় না পাওয়ায় ক্ষোভে এবং লোকলজ্জার ভয়ে ওই কলেজছাত্রী ও তার মা নবজাতকটিকে সদর উপজেলার আব্দাখাই এলাকার একটি ডোবায় ফেলে দিতে যাচ্ছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে নবজাতকটিকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। ময়নাতদন্ত শেষে নবজাতকটি দাফন হয়। পরে কলেজছাত্রী প্রেমিক আরমানের নামে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
ফাইল ছবি
মদিনার মসজিদে কুবার সাবেক ইমাম শায়খ ড. মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ জুরবান আল গামিদি ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
শনিবার (৭ আগস্ট) মসজিদে নববিতে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে জান্নাতুল বাকিতে তাকে দাফন করা হয়।
বিখ্যাত কুবা মসজিদে ইমাম ও দায়ি হিসেবে অনেক বছর দায়িত্ব পালন করেন শায়খ মুহাম্মদ। পাশাপাশি তিনি মদিনার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি সবার কাছে অত্যন্ত প্রিয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন। খুবই বিচক্ষণ ও গভীর জ্ঞানের অধিকারী একজন ইসলামী ব্যক্তিত্ব ছিলেন। সামাজিক কাজে নেতৃত্বচর্চার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আবেগঘন ভাষায় বক্তৃতা প্রদান করতেন তিনি।
তার মৃত্যুতে মসজিদে কুবার বর্তমান ইমাম অধ্যাপক ড. সুলাইমান বিন সলিমুল্লাহ আল রাহিলি এক টুইট বার্তায় বলেন, ‘আমার প্রিয় গুরু ও শিক্ষক শায়খ মুহাম্মদ বিন জুরবান আল গামিদি মারা গেছেন। তিনি উচ্চমাধ্যমিক স্তরে আমাদের প্রিয় শিক্ষক ছিলেন।’