a
ফাইল ছবি
বাংলাদেশের বিপক্ষে ৫ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে ঢাকায় পৌঁছেছে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে চার্টার বিমান যোগে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন অজিরা।
স্বাগতিক বাংলাদেশের বিপক্ষে আগামী ৩ আগস্ট শুরু হওয়ার কথা সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি। বাকি ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ৪, ৬, ৭ ও ৯ আগস্ট।
সন্ধ্যা ৬টা থেকে দিবা-রাত্রির সবগুলো ম্যাচই মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।
ফাইল ছবি
গত ১ মে রাতে আইপিএলের ২৭তম ম্যাচে মুখোমুখি হয় মুম্বাই ও চেন্নাই। প্রথম ইনিংসে ব্যাট করে মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান আম্বাতু রাইডুর ২৭ বলে ৭২ রানের বিস্ফোরক ইনিংসের উপর ভর করে ২১৯ রানের বিশাল পুজিপায় চেন্নাই। জবাব দিতে নেমে কিছুটা নড়বড়ে শুরু করে মুম্বাই দলীয় ১৭০ রানে ৪র্থ উইকেটের পতন হয়। তখন চেন্নাই এর জয় অনুমেয় ছিল। আর তখন হাতে বল ছিল ২১টি, রান প্রয়োজন ছিল ৪৯ রান।
মাঠে নামেন ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যান কাইরন পোলার্ড, একে একে বল শুধু সীমানা পার করছেন, দর্শকরা বুঝে উঠার আগেই চার ছয়ের ফুলঝুরিতে রানের বন্যা বইয়ে দিলেন তিনি। ইনিংসের যখন শেষ ওভার তখন ৬ বলে দরকার ১৬ রান। বোলিংয়ে আছেন প্রোটিয়া পেসার লুনগি এনগিডি। প্রথম বল প্রায় বাউন্ডারির কাছে চলে গেলেও কোন রান নেননি পোলার্ড। দ্বিতীয় ও তৃতীয় বলে ৪ মেরে প্রয়োজন নিয়ে আসেন ৮। হাতে বল ৩টি, আর রান দরকার ৮। যে কোনও দল তখন চাপে পড়ে যাবে সেটাই স্বাভাবিক।
কিন্তু মুম্বই ইন্ডিয়ান্স দলটা কখন কি করে বসে তা বলা মুশকিল। তারা ত এমনি এমনি পাঁচবারের শিরোপা জিতেনি। পরিস্থিতি যাই হোক, চ্যাম্পিয়নরা জয় নিয়েই কিভাবে বের হবে সে উপায় তাদের জানা আছে। এদিকে ৪র্থ বল যখন ডট দেন সবাই ভাবছে হেরে গেলো মুম্বাই কিন্তু না, পরের বলেই মারেন বিশাল ছক্কা। শেষ বলে ২রান দরকার হলে তা অনায়াসেই সংগ্রহ করে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন এ হার্ডহিটার ব্যাটসম্যান।
এদিন দলের ক্যাপ্টেন রোহিত শর্মা ম্যাচ শেষে এক প্রতিক্রিয়ায় জানালেন নিজের আইপিএল ক্যারিয়ারে দেখা পোলার্ডের এই ইনিংস অন্যতম সেরা। শুধু বিশাল ছক্কা মেরে জেতালেন বলে নয়, যেভাবে হিসেব কষে নিজের ইনিংস সাজালেন সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলছেন মুম্বাই এই অধিনায়ক।
ছবি সংগৃহীত
নিউজ ডেস্ক: জনগণ চেয়েছিল ছাত্ররা সংস্কার ও বিচার বাস্তবায়নের জন্য প্রেসার গ্রুপ হিসেবে কাজ করবে কিন্তু সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে তাদেরকে মন্ত্রণালয় বা সচিবালয় ও অফিস আদালতে অর্থ আয়ের সুযোগ করে দিয়েছে।
গত ৮ মাস ধরে সংস্কার বা নতুন সংবিধান বা বিধিমালা পরিবর্তনের কোন অগ্রগতি নেই বরং গণহত্যার বিচার যাতে বিলম্বিত হয় সেই চেষ্টা করা হচ্ছে,অর্থ লেনদেনের খবর প্রকাশিত। তাই সংস্কার ও বিচার প্রক্রিয়া জনমনে সন্দেহ সৃষ্টি করছে, আদৌ কি সংস্কার বা বিচার হবে?
অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস তাঁর নিয়োগকর্তা ছাত্রদের রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপিকে সুবিধা করে দেওয়ার জন্য নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে কালক্ষেপণ করছেন। জামাত শিবির এই ক্ষেত্রে সরকারকে সহযোগিতা করছেন বা করবে। সূত্র: ফেরদৌস খান, ফেসবুক