a
ফাইল ছবি
আজ শুক্রবার (১১ জুন) চলতি ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) মুখোমুখি হয়েছিল আবাহনী বনাম মোহামেডান। সেই ম্যাচেই আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে খুশি না হতে পেরে রাগে লাথি মেরে স্ট্যাম্প ভেঙেছেন টাইগার অলরাউন্ডার ও মোহামেডানের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।
এদিন ম্যাচের শুরু থেকে সাকিবকে বেশ আগ্রাসী দেখা গিয়েছিল। ব্যাট হাতে নিজের সর্বোচ্চটা নিঙড়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন তিনি। তার ব্যাটে চেপেই আবাহনীকে ১৪৬ রানের লক্ষ্য দেয় মোহামেডান। সেই টার্গেট টপকাতে নেমে বিপাকে পড়ে আবাহনী।
৩ উইকেট শুরুতেই হারিয়ে বসে। ইনিংসের প্রথম ওভারে মূল ঘটনা। প্রথমারের মতো বল করতে আসেন সাকিব নিজেই। ওভারের শেষ বলে মুশফিকের বিপক্ষে লেগ বিফোরের আবেদন করেন মোহামেডান অধিনায়ক। সেটি নাকচ করে দেন আম্পায়ার ইমরান পারভেজ। এতেই ক্ষিপ্ত হন সাকিব। লাথি দিয়ে ভাঙেন স্টাম্প। এতে উত্তেজনা ছড়াল ম্যাচে। ভিডিও ফুটেজে অবশ্য স্পষ্ট। আউট ছিলেন মুশফিক।
সেখানেই থামেনি ঘটনা। ম্যাচের শুরু থেকেই বৃষ্টির পূর্বাভাস ছিল। আবাহনীর ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে হালকাপাতলা বৃষ্টি পড়তে শুরু করে। আম্পয়ায়ার চাইলেই ওভার শেষ করতে পারতেন, তবে ১ বল বাকি থাকতেই উইকেট ঢেকে ফেলার সিদ্ধান্ত জানালেন ফিল্ড আম্পয়ায়ার। তখন আরও ক্ষিপ্ত দেখা গেল সাকিবকে। এগিয়ে এসে ৩টি স্টাম্প উপড়ে ফেলে মাটিতে আছড়ে মারলেন তিনি। সেই উত্তাপ পৌছাল দুই দলের ড্রেসিংরুম পর্যন্ত।
সাকিব আল হাসানের মেজাজ এমনিতেই চড়া ছিল। ড্রেসিং রুমে যাওয়ার পথে তিনি আরও একবার হলেন ক্ষিপ্ত। তার সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়েছে আবাহনীর কোচ খালেদ মাহমুদ সুজনের। দুজনের একজনও মেজাজ ধরে রাখতে পারেননি।
ছবিতে দেখা গেছে আঙুল উঁচিয়ে শাসাচ্ছেন সুজনকে। আবাহনী কোচও ক্ষিপ্ত হয়ে ছুটে যেতে চাচ্ছেন সাকিবের দিকে। যদিও এতটুকুতেই ঘটনা থেমে গেছে। ঘটেনি গায়ে হাত দেওয়ার মতো অপ্রীতিকর ঘটনা। মোহামেডানে সাকিবের সতীর্থ শামসুর রহমান শুভ ও বেশ কয়েকজন স্টাফ মিলে শান্ত করেন সুজনকে। সাকিবকেও ঠাণ্ডা করেন অন্য স্টাফরা।
ফাইল ছবি
এক সপ্তাহ না যেতেই পাকিস্তানের কাছে হারতে হলো ভারতকে। চলতি এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বে চরম হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে ৫ উইকেটে পাকিস্তানকে হারায় ভারত। তবে সেই হারের তিক্ততা ভুলে প্রতিশোধ নিয়েই সুপার ফোরে ঘুরে দাঁড়ালো পাকিস্তান।
শক্তিশালী ভারতকে রণকৌশলের খেলা খেলেই হারিয়েছে পাকিস্তান। ভারতের লেগ স্পিন ভেলকি সামাল দিতে নিজেদের ব্যাটিং অর্ডারে পরিবর্তন আনে ভারত। লেগিদের সামনে বাঁহাতি ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ নওয়াজকে ছুঁড়ে দেয়। আর তাতেই দলের তুরুপের তাস হয়ে ওঠেন এই অলরাউন্ডার।
ক্যারিয়ারজুড়ে সাত-আট নম্বরে ব্যাট করা নওয়াজ টপ অর্ডারে সুযোগ পেয়েই তা দুহাত দিয়ে লুফে নিয়েছেন। ২০ বল খেলেছেন ৪২ রানের বিধ্বংসী ইনিংস। ৬ চার এবং ২ ছয়ে ইনিংস সাজানো নওয়াজ ব্যাটিং করেছেন চোখ কপালে তোলা ২১০ স্ট্রাইক রেটে!
ইনিংসের নবম ওভারে দলের দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে ফখর জামান সাজঘরে ফিরে যাওয়ার পরই নওয়াজকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় পাকিস্তান। ম্যাচ জয়ের পর নওয়াজের ব্যাটিং পজিশনে হঠাৎ বদলে দেওয়ার রহস্য খোলাসা করেন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম, ‘নওয়াজ ও রিজওয়ানের জুটিটা দারুণ ছিল। নওয়াজ প্রত্যাশার চেয়েও ভালো করেছে। ওদের দু’জন লেগ স্পিনার বল করছিল, আর আমরা এ সুযোগটাই নিতে চেয়েছিলাম।’
মোহাম্মদ রিজওয়ানের সঙ্গে নওয়াজের তৃতীয় উইকেট জুটি থেকে আসে ৪১ বলে ৭৩ রান। আর সেটাই ছিল ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের রানতাড়ার টার্নিং পয়েন্ট।
নতুন ভূমিকায় ব্যাট করতে নামার আগে কী পরিকল্পনা করেছিলেন নওয়াজ, ম্যাচসেরার পুরস্কার নিতে এসে সেটা নিজেই জানালেন, ‘তখন আমাদের ওভারপ্রতি ১০ রান প্রয়োজন ছিল। প্রতিটি সুযোগ কাজে লাগানোর সংকল্প করেই মাঠে নেমেছিলাম। ভাবনার জায়গাটা পরিষ্কার ছিল, জায়গামতো বল পেলেই মারব। আর চাপের মধ্যে এই পরিকল্পনা কাজে লেগেছে।’
রবিবার (৪ সেপ্টেম্বর) সুপার ফোরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে ৫ উইকেটে হেরে গেছে ভারত। মঙ্গলবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সুপার ফোরের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হবে ভারত। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
সংগৃহীত ছবি
এক পুলিশ কর্মকর্তার বাড়িতে চুরি করতে ঢুকে এসি চালিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন এক চোর। এরপর সকালে ঘুম থেকে উঠে ওই কর্মকর্তা চোরটিকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে গ্রেফতার করেন। ঘটনাটি ঘটেছে থাইল্যান্ডে।
রোববার (২৮ মার্চ) ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস পত্রিকা এ খবর নিশ্চিত করে জানায়, থাইল্যান্ডে ওই ২২ বছর বয়সী সন্দেহভাজন এক যুবক বেশ খানিকক্ষণ ধরেই স্থানীয় ফেচাবুন এলাকায় চুরির মতলবে ঘুরছিলেন। অবশেষে রাত ২টার দিকে তিনি এক পুলিশ অফিসারের বাসায় চুরির উদ্দেশ্যে প্রবেশ করেন। তবে, বাড়িতে ঢুকে চুরির আগে এসি চালিয়ে বিশ্রাম করতে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন।
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস আরও জানায়, চোরটি যেই ঘরে ঘুমিয়েছিল সেই ঘরটি ওই অফিসারের মেয়ের। ওই সময় ঘরে তার মেয়ে ছিলেন না বিধায় সকালে উঠে তাঁর মেয়ের ঘরের এসি চালু দেখে অবাক হন ওই অফিসার। এরপর ঘরে প্রবেশ করে লেপ তুলতেই ধরা পড়ে চোর। ঘুম থেকে জোরে ডেকে তুলতেই কিছুক্ষণের জন্য স্তম্ভিত হন ওই যুবক। কালবিলম্ব না করে যুবকের হাতে হাতকড়া পরিয়ে দেন পুলিশের ওই কর্মকর্তা।
এক পুলিশ কর্মকর্তার বাড়িতে চুরি করতে ঢুকে এসি চালিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন এক চোর। এরপর সকালে ঘুম থেকে উঠে ওই কর্মকর্তা চোরটিকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে গ্রেফতার করেন। ঘটনাটি ঘটেছে থাইল্যান্ডে।
রোববার (২৮ মার্চ) ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস পত্রিকা এ খবর নিশ্চিত করে জানায়, থাইল্যান্ডে ওই ২২ বছর বয়সী সন্দেহভাজন এক যুবক বেশ খানিকক্ষণ ধরেই স্থানীয় ফেচাবুন এলাকায় চুরির মতলবে ঘুরছিলেন। অবশেষে রাত ২টার দিকে তিনি এক পুলিশ অফিসারের বাসায় চুরির উদ্দেশ্যে প্রবেশ করেন। তবে, বাড়িতে ঢুকে চুরির আগে এসি চালিয়ে বিশ্রাম করতে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন।
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস আরও জানায়, চোরটি যেই ঘরে ঘুমিয়েছিল সেই ঘরটি ওই অফিসারের মেয়ের। ওই সময় ঘরে তার মেয়ে ছিলেন না বিধায় সকালে উঠে তাঁর মেয়ের ঘরের এসি চালু দেখে অবাক হন ওই অফিসার। এরপর ঘরে প্রবেশ করে লেপ তুলতেই ধরা পড়ে চোর। ঘুম থেকে জোরে ডেকে তুলতেই কিছুক্ষণের জন্য স্তম্ভিত হন ওই যুবক। কালবিলম্ব না করে যুবকের হাতে হাতকড়া পরিয়ে দেন পুলিশের ওই কর্মকর্তা।