a ১১ হাজার কোটি টাকা রেমিট্যান্স এলো ১৬ দিনে
ঢাকা বুধবার, ২৮ মাঘ ১৪৩২, ১১ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

১১ হাজার কোটি টাকা রেমিট্যান্স এলো ১৬ দিনে


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বৃহস্পতিবার, ১৮ আগষ্ট, ২০২২, ১১:৩৬
১১ হাজার কোটি টাকা রেমিট্যান্স এলো ১৬ দিনে

ফাইল ছবি

করোনার অভিঘাত আর ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের কারণে বিশ্ব অর্থনীতির অবস্থা খারাপ অবস্থা। এরমধ্যেও বাংলাদেশ প্রবাসী আয় আলোর মুখ দেখাচ্ছে।

২০২২-২৩ নতুন অর্থবছরের প্রথম মাস (জুলাই) থেকেই প্রবাসী আয়ে ঢল নেমেছে। সেই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে চলতি আগস্ট মাসেও। এই মাসের প্রথম ১৬ দিনে ১১৭ কোটি ১০ লাখ ডলার দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।

বর্তমান বিনিময় হার হিসাবে (প্রতি ডলার ৯৫ টাকা) এই অর্থের পরিমাণ ১১ হাজার ১২৪ কোটি টাকা। যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ১৬ দশমিক ৩০ শতাংশ বেশি। গত বছরের এই সময়ে ১০০ কোটি ৭০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। প্রতিদিন এসেছে ৭ কোটি ২৬ লাখ ডলার বা প্রায় ৭০০ কোটি টাকা।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, ১ জুলাই থেকে শুরু হওয়া নতুন অর্থবছরের প্রথম দেড় মাসে (১ জুলাই থেকে ১৬ আগস্ট) ৩২৮ কোটি ৮০ লাখ (৩.২৭ বিলিয়ন) রেমিট্যান্স এসেছে। যা বাংলাদেশি টাকায় (প্রতি ডলার ৯৫ টাকা) ৩১ হাজার ৪৬ কোটি টাকা। যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৩ দশমিক ৫০ শতাংশ বেশি।

গত অর্থবছরের প্রথম দেড় মাসে (২০২১ সালের ১ জুলাই থেকে ১৬ আগস্ট) ২৮৭ কোটি ৮০ লাখ (২.৮৮ বিলিয়ন) ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। সূত্র: যুগান্তর

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

বিশ্বব্যাপী ব্যাংকগুলোর শেয়ারে দরপতন ও আতঙ্ক


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
মঙ্গলবার, ১৪ মার্চ, ২০২৩, ১১:০১
বিশ্বব্যাপী ব্যাংকগুলোর শেয়ারে দরপতন ও আতঙ্ক

ফাইল ছবি

র্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দুটি ব্যাংক মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে বন্ধ হয়ে যায়। সেগুলো হল- সিলিকন ভ্যালি ও সিগনেচার। এ ঘটনায় মার্কিনিদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

গ্রাহকদের এই আতঙ্ক-শঙ্কা দূর করতে সোমবার বক্তব্য দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি জানান, ব্যাংকে গচ্ছিত গ্রাহকদের অর্থ পুরোপুরি নিরাপদ। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্য পুরোপুরি বিশ্বাস করতে পারছেননা গ্রাহকরা। তার বক্তব্যের পরও বিশ্বব্যাপী ব্যাংকগুলোর শেয়ারে দরপতন হয়েছে।

মঙ্গলবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।  বিনিয়োগকারীদের মনে ভয় ঢুকেছে অন্যান্য ব্যাংকগুলোও হয়ত বর্তমান সংকটে ধাক্কা খাবে। আর এ শঙ্কা থেকেই ব্যাংকের শেয়ারে দরপতন ঘটিয়েছে।

সোমবার দিনের শুরুতে স্পেনের সানতানদার এবং জার্মানির কমার্জব্যাংকের শেয়ার একটা সময় ১০ শতাংশ পর্যন্ত নেমে যায়।

ইউরোপের ব্যাংকগুলোর চেয়ে আমেরিকার ছোট ব্যাংকগুলোর ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি ছিল। যদিও সোমবার মার্কিন সরকারের পক্ষ থেকে বারবার বলা হয়েছে এ সংকট সহজেই মোকাবিলা সম্ভব। দেশে কোনও তারল্য সংকট নেই।

এমন পরিস্থিতিতে শোনা যাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র ফেডারেল রিজার্ভ সুদ হার বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত আপাতত স্থগিত করবে। মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে মার্কিন ব্যাংকগুলোর নিয়ন্ত্রক সংস্থা অব্যাহতভাবে সুদ হার বৃদ্ধির পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল।

প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সোমবারের বক্তব্যে আরও জানান, সিলিকন ভ্যালি ব্যাংকে যাদের অর্থ গচ্ছিত ছিল তারা সবাই তাদের অর্থ ফেরত পাবেন।

গত শুক্রবার সিলিকন ভ্যালি ব্যাংকের পতন হওয়ার পর প্রায় সব গ্রাহকের অর্থ আটকে যায়। যেহেতু এ ব্যাংকটির সঙ্গে স্টার্টআপ এবং প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর লেনদেন বেশি ছিল, ফলে ব্যাংকে টালমাটাল পরিস্থিতি ও অর্থ আটকে যাওয়ার পর ওই কোম্পানিগুলোর কর্মীদের বেতনও আটকে যায়। সূত্র: বিবিসি, রয়টার্স

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

”টিম ১৭” ঘুরে আসা অপরূপ ধূপপানি ঝর্ণার অজানা কথা


অমৃত রায়, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন:
রবিবার, ২৩ মে, ২০২১, ০৮:৪৮
টিম ১৭ ঘুরে আসা অপরূপ ধূপপানি ঝর্ণার অজানা কথা

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

নৈসর্গিক সৌন্দর্যের অপার লীলাভূমি রাঙ্গামাটি। চারিদিকে পাহাড় আর ঝর্ণা। যেদিকে দু’চোখ যায় অপরূপ সৌন্দর্যে মন ভরে যায়। রাঙামাটির বিলাইছড়ির ধুপপানি ঝর্ণা এই মুহূর্তে বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর ঝর্ণাগুলোর মধ্যে একটি। 

সুবিশাল উচ্চতা, শুভ্র জলরাশির ঝর্ণা আর ঝর্ণার নিচের গুহার জন্য ট্রেকারদের কাছে এই ঝর্ণাটির আবেদন সব সময় অন্যরকম। ঝর্ণার স্বচ্ছ পানি এবং অনেক উচুঁ থেকে আছড়ে পড়া জলরাশি আপনাকে একরকম পাগল করে দিবে, ধুপপানি ঝর্ণার নিচের গুহায় চোখ বন্ধ করে বসলে মনে হবে অন্য কোন জগতে চলে গেছেন।

অনেক উচ্চতা থেকে প্রবল বেগে যখন নেমে আসে ঝর্ণার জলরাশি তখন শুভ্র জলধারা ছাড়া আর কিছুই দৃষ্টিগোচর হয় না, তাই রঙ বুঝেই এর নাম ধুপপানি ঝর্ণা। স্থানীয়রা দুপপানি ঝর্না নামেও ডেকে থাকে। ভুপৃষ্ঠ থেকে ধুপপানির উচ্চতা ১৫০ মিটার এবং ২ কিলোমিটার দূর থেকে ঝর্ণার চঞ্চল শব্দ কানে আসে। বর্ষায় আরও দূর থেকে টের পাওয়া যায় তার অস্তিত্ব। "পরিপূর্ণ এক ট্রেকিং এটি। ভয়, ঝুঁকি, শিহরণ, উচ্ছ্বাস, চমক, সৌন্দর্য কী নেই!"

ঝর্ণার সৌন্দর্য যেমন অপরূপ, এর ট্রেকিং এর পথও এতোটা সুগম নয়। ইতোমধ্যে এই ট্রেকিং সম্পূর্ণ করে এসে এর বিবরণ দেয় "টিম ১৭"।

এই ভ্রমণের সহচরেরা ছিলো আরিফুল ইসালম ইমন, তানভীর হৃদ, অমৃত রায়, রাফি, আবির, বেজওয়ান, নিলয়, ইকরামুল, রাকিবুল, সৈয়দা তাহমিদা, সুস্মিতা সাহা মন, শাহরিয়ার সুচি, উন্মে হাবিবা, আশফিকা আইশি, গাজী শাকিবুল ইসলাম প্রমুখ।

অপরূপ সৌন্দর্যের আধার হওয়া সত্তেও ঝর্ণাটি লোক চক্ষুর অন্তরালেই ছিলো। মনোহর সৌন্দর্য আর ভাব গাম্ভীর্যের এই ঝর্ণাটি মূলত একটি তীর্থস্থান। ২০০০ খ্রিস্টাব্দে কথা, এর আগে গহীন অরণ্যে এই ঝর্ণাটি সম্পর্কে কারো ধারণা ছিলো না। স্থানীয় এক বৌদ্ধ ভান্তে গভীর অরণ্যে গিয়ে এই ঝর্নার নিচে বসে ধ্যান শুরু করেন এবং টানা তিন মাস তিনি এখানে ধ্যান করেন। নিরিবিলি জনমানবহীন পরিবেশে ঈশ্বরের আরাধনা করাই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য।

কিছু দিনের মাঝে কাছাকাছি এলাকার অধিবাসীরা তাঁর কথা জানতে পারেন এবং তাঁর সেবা করার উদ্দেশ্যে এখানে আসতে থাকেন। স্থানীয় লোকজন সন্ন্যাসীকে সেবা করতে গেলে ঝর্নাটি জনসম্মুখে আসে। 

এই ঝর্ণার ওপরে সাধু তাঁর আশ্রমে ধ্যান করেন। স্থানীয় ভাষায় এই ধর্মযাজক সাধুকে বলা হয় ‘ভান্তে’। তিনি সপ্তাহের ছয় দিন ধ্যান করে শুধু রবিবারে খাবার খাওয়ার জন্য নিচে নেমে আসেন। এই ছয় দিনে ভান্তে কোনো চিৎকার-চেঁচামেচি পছন্দ করেন না। তাই শুধু রবিবারেই ঝর্ণাটায় লোকজনের যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হতো। তবে বর্তমানে এটি ভ্রমণ পিপাসুদের আগ্রহের স্থান হওয়ায় ঝর্ণার স্থানে অতিরিক্ত শব্দ না করার শর্তে স্থানটিতে সপ্তাহের অন্যান্য দিনও প্রবেশের অনুমতি দেয়া হয়।

সর্বশেষ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় না বললেই নয়! ধুপপানি পাড়া হতে নিচে নেমে ঝর্ণার সিঁড়িপথের শুরুতে একটি সতর্কতাবাণী লেখা রয়েছে। সতর্কতাবাণীটি হুবহু তুলে ধরা হলো,

“সম্মানীত ভ্রমণকারী, ধুপপানি ঝর্ণাটি কোনো পর্যটন কেন্দ্র নয়। এখানে বৌদ্ধ ভিক্ষু ও শ্রমণগণ ধ্যান সাধনা করেন। এ এলাকা ধুপপানি সার্বজনীন বৌদ্ধ বিহারের জন্য সংরক্ষিত এবং বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের তীর্থভূমি। তাই ধর্মীয় পবিত্রতা রক্ষা করুন এবং উচ্চস্বরে চিৎকার চেঁচামেচি হৈ-চৈ না করার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ রইলো।”

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - অর্থনীতি