a
ফাইল ছবি
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, ‘দুর্নীতি হয়েছে কি না, তা সরকারের বিভিন্ন সংস্থা খুঁজে বের করতে পারে। এর সঙ্গে আমার পরিবার জড়িত নয়।’
বৃহস্পতিবার চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ইস্যুতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলে তিনি।
চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠজনদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ব্যয়ে ভূমি অধিগ্রহণ নিয়ে গত কয়েকদিনে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়ে আসছে।
বিষয়টি নিয়ে আজ সন্ধ্যায় রাজধানীর হেয়ার রোডের সরকারি বাসভবনে ওই সংবাদ সম্মেলন করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘চাঁদপুরে আমার ক্রয় সূত্রে কোনো জমি নেই। পৈত্রিক সূত্রে থাকতে পারে। আমার কাছে যা তথ্যপ্রমাণ আছে, তা থেকে বলতে পারি, আমার বড় ভাই অধিগ্রহণের আগেই বিক্রি করে দেন।’
‘বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই জায়গায় আমার বা পরিবারের কারও জমি নেই। রাজনৈতিক কোনো সহককর্মীর জমি থাকতে পারে।’
তিনি বলেন, ‘আমার পরিবারের কেউ কোনো ধরনের দুনীতির সঙ্গে জড়িত নয়। তবে অন্য কেউ দুর্নীতি করেছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা উচিত এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সাইফুল আলম, ঢাকা: দেশের সর্বস্তরের মানুষ কোন না কোনভাবে বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। ৫ ই আগস্টের পর এই বৈষম্যগুলো যেন আরো বেশি দৃশ্যমান হচ্ছে। সকল পেশাজীবীদের মত সবচেয়ে বেশি বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন শিক্ষকরা।
আসন্ন ঈদে শতভাগ উৎসব ভাতার দাবি, শিক্ষায় বৈষম্য নিরসনে শতভাগ উৎসব ভাতা, সরকারি নিয়মে বাড়ি ভাড়া, মেডিকেল ভাতা, সর্বজনীন বদলি, ইবতেদায়ির নীতিমালা দ্রুত বাস্তবায়ন, ননএমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা, অবসরের ৬ মাসের মধ্যে অবসর ও কল্যানের অর্থ প্রদানের দাবিতে "শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকদের ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
আজ ১৫ মার্চ জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন হলে অধ্যক্ষ মোঃ মাঈনউদ্দিনের সভাপতিত্বে, উপাধ্যক্ষ মোঃ আবদুর রহমানের সঞ্চালনায় মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাতীয় শিক্ষক ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোঃ নাসির উদ্দিন খান।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ রুহুল আমিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোচনা করেন অধ্যাপক ড. এ.কে.এম মাহবুবুর রহমান, ড. মুহাম্মদ মহিউদ্দিন, ড. মোর্শেদ আলম ছালেহী, ড. মুহাম্মদ আবু ইউসুফ, মুফতি বদিউল আলম সরকার, ড. মোঃ আবু ছায়েম, ড. মুহাম্মদ মাসুদুর রহমান, সহকারী অধ্যাপক মোঃ লুৎফর রহমান, জনাব মোঃ রেজাউল হক, মাওলানা শেখ নজরুল ইসলাম, মো: নুরুল হুদা, মোসলেহউদ্দিন, কারি মোঃ রফিকুল ইসলাম, ড. মুহাম্মদ আহমদ উল্লাহ, সেতারা পারভীন, প্রফেসর ড. ইকবাল হোসাইন প্রমুখ।
সবার শেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন, মোঃ আবদুর রহমান, মহাসচিব, বৈষম্য বিরোধী শিক্ষক কর্মচারি জোট।
ফাইল ছবি
আজারবাইজানের সামরিক বাহিনীর জন্য নিজেদের আকাশপথ বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। মঙ্গলবার তেহরানের পক্ষ থেকে বাকুকে এ তথ্য জানানো হয়। ইরানের ওপর দিয়ে আজারবাইজানের স্বায়ত্তশাসিত প্রজাতন্ত্র নাখচিভানে সামরিক সরঞ্জামাদি বহন করত আজারবাইজান। সে পথটি বন্ধ করে দিয়েছে তেহরান। একটি সামরিক সূত্র তুর্কি ওয়ার্ল্ডকে বিষয়টি জানিয়েছে।
তেহরানের এমন সিদ্ধান্ত আর্মেনিয়ার প্ররোচণায় করা হয়েছে বলে আজারবাইজান মনে করে।
বাকুর সামরিক বাহিনী প্রতিনিয়ত সামরিক সরঞ্জাম আজারবাইজানের স্বায়ত্তশাসিত প্রজাতন্ত্র নাখচিভানে এ পথে বহন করত।
এদিকে ইরান বেশিরভাগ সময় আজারবাইজানের আকাশসীমা আন্তর্জাতিক উত্তর-দক্ষিণ পরিবহণ করিডোর ব্যবহার করে।
একটি সামরিক সূত্র জানায়, নাখচিভানে আজারবাইজানের সামরিক সরঞ্জাম পাঠাতে ইরানের এই প্রচেষ্টা সাময়িক বাধার সৃষ্টি করবে। কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, পরিবহণের জন্য এই রুট কম ব্যবহার করা হয়। সাধারণত অন্যপথে পরিবহণ পছন্দ করে দেশটি।
বেশ কয়েকটি ঘটনায় আজারবাইজান ও ইরানের মধ্যে সম্পর্ক বর্তমানে তালানিতে ঠেকেছে।
নাখচিভান স্বায়ত্তশাসিত প্রজাতন্ত্র আজারবাইজানের একটি স্বশাসিত ছিটমহল। নাখচিভান একটি অর্ধ মরূভূমি অঞ্চল। অঞ্চলটি আজারবাইজানে মূল অংশ থেকে আর্মেনিয়ার দ্বারা বিচ্ছিন। জানগেজুর পর্বত দ্বারা নাখচিভানের সঙ্গে আর্মেনিয়ার সীমান্ত এবং আরাস নদী দ্বারা ইরানের সঙ্গে সীমান্ত হয়েছে। নাখচিভান অঞ্চলটি খুবই শুষ্ক এবং এটি পাহাড়ি এলাকা। সূত্র: যুগান্তর