a
ফাইল ছবি
মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার সংশোধিত সময়সূচি প্রকাশ করেছে। পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের কারণে আগামী ২৫ জুনের পরীক্ষা একদিন এগিয়ে আগামী ২৪ জুন (শুক্রবার) নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম আমিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত সংশোধিত রুটিন প্রকাশ করা হয়েছে। ২৫ জুন নির্ধারিত ইংরেজি (আবশ্যিক) দ্বিতীয় পত্র বিষয়ের পরীক্ষা ২৪ জুন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।
প্রকাশিত রুটিন অনুযায়ী, আগামী ২৫ জুন সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসির ইংরেজি (আবশ্যিক) দ্বিতীয় পত্র, মাদরাসা বোর্ডের দাখিলের বাংলা দ্বিতীয় পত্র এবং কারিগরি বোর্ডের ভোকেশনালের এসএসসি ও দাখিলের গণিত পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। ওই পরীক্ষাগুলো আগের দিন অর্থাৎ ২৪ জুন অনুষ্ঠিত হবে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার মূল প্রস্তুতি হয়ে যাবে অ্যাসাইনমেন্টে। এই দুই পরীক্ষার মধ্যে এসএসসির প্রশ্নপত্র ইতোমধ্যে ছাপানো হয়ে গেছে। সেখান থেকেই শিক্ষার্থীদের দেওয়া হবে অ্যাসাইনমেন্ট। অন্যদিকে এইচএসসির প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও পরিশোধন কাজ শেষ হয়েছে। শুধু মুদ্রণ বাকি আছে। এই স্তরেও অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়ার ক্ষেত্রে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস এবং প্রণীত প্রশ্নপত্র অগ্রাধিকার পাবে। মূলত কাঙ্খিত ‘শিখনফল’ অর্জনের লক্ষ্যে সরকার এই প্রথা চালু করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী, আজ রোববার সারা দেশে প্রায় ২২ লাখ এসএসসি পরীক্ষার্থীকে অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া শুরু হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) ওয়েবসাইটে অ্যাসাইনমেন্ট আপলোড করা হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সেখান থেকে ডাউনলোড করে তা শিক্ষার্থীদের দেবে।
বাংলা, ইংরেজি, গণিত, সামাজিক বিজ্ঞান, কৃষি শিক্ষা, সাধারণ বিজ্ঞান, ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষার মতো আবশ্যিক এবং চতুর্থ বিষয়ে কোনো অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হবে না। এসব বিষয়ে পরীক্ষাও দিতে হবে না। বিভাগভিত্তিক তিনটি নৈর্বাচনিক করে মোট ৯ বিষয়ে অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হবে। ১২ সপ্তাহ চলবে এই কার্যক্রম।
প্রতিটি বিষয়ে আটটি করে ২৪টি অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হবে। মধ্য অক্টোবরে এই কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর এক মাস থাকবে পরীক্ষার প্রস্তুতির সময়। এর মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হলে মধ্য নভেম্বরে নেওয়া হবে এসএসসি পরীক্ষা। এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ৬০ এবং এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ৮৪ কর্মদিবস ক্লাস করিয়ে এই দুই পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল।
বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি বলেছেন, অ্যাসাইনমেন্ট ঠিকঠাকভাবে করলে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ভালো হবে। অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম শেষে নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে এসএসসি আর ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া হবে। পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না হলে সব বিষয়ের ফল দেওয়া হবে ‘সাবজেক্ট ম্যাপিং’-এর মাধ্যমে। আর পরীক্ষা নেওয়া গেলে নৈর্বাচনিক বাদে বাকি সব বিষয়ে গ্রেড দেওয়া হবে সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ে।
উল্লেখ্য, ফল তৈরিতে এইচএসসির ক্ষেত্রে জেএসসি ২৫ ও এসএসসির ৭৫ শতাংশ এবং এসএসসির জন্য জেএসসির ওপর শতভাগ গুরুত্ব।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ শনিবার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘কাস্টমাইজড’ (সংক্ষিপ্ত) সিলেবাসের আলোকে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র হয়ে গেছে। সেখান থেকেই শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হবে। প্রশ্নপত্র ছাপানো হওয়ায় বিকল্প সংখ্যা আগের মতোই থাকছে। এর ফলে আগের চেয়ে এখন ৫০ শতাংশ প্রশ্নের কম উত্তর লিখতে হবে। সব মিলে শিক্ষার্থীদের জন্য যতটা সহজ করা যায়, সেই দিকটি চিন্তায় রাখা হয়েছে। কিন্তু তাদের লেখাপড়া করতে হবে। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি: (ইইউ) মানবাধিকারবিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি ইমোন গিলমোর
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মানবাধিকারবিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি ইমোন গিলমোর আগামীকাল সোমবার ঢাকায় আসছেন। ৬ দিনের এই সফরে তিনি মানবাধিকারসহ নানা বিষয়ে আলোচনা করবেন। কথা বলবেন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী, কর্মকর্তা, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও শ্রমিকনেতাদের সঙ্গে।
ইইউর মানবাধিকারবিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি এমন এক সময় ঢাকায় আসছেন, যখন বাংলাদেশের আগামী সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে পশ্চিমা দেশগুলোর বিশেষ মনোযোগ এখন এই দিকে। তাঁর বাংলাদেশ সফরের ঠিক আগে ইইউর প্রাক্–নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশন ১৬ দিনের ঢাকা সফর শেষ করেছে। ফলে তাঁর এই সফরে শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ এবং নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হবে কি না, তা নিয়ে কৌতূহল রয়েছে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, আয়ারল্যান্ডের সাবেক উপপ্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকারী ইমোন গিলমোর বাংলাদেশ সফরের সময় রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কোনো বৈঠক করবেন না।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাংলাদেশ সফরের দ্বিতীয় দিনে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন ইমোন গিলমোর। প্রাসঙ্গিকভাবে এসব আলোচনায় রাজনীতি ও নির্বাচনের প্রসঙ্গ আসতে পারে।
কূটনৈতিক একটি সূত্রে জানা যায়, ইইউর মানবাধিকারবিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি বাংলাদেশ সফরের সময় সুশাসন পরিস্থিতি, নির্বাচন, নাগরিক অধিকারের চর্চা, সংখ্যালঘুদের অধিকার এবং রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে আলোচনা করবেন।
খসড়া সূচি অনুযায়ী জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন ইমোন গিলমোর।
এ ছাড়া তিনি নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি, ঢাকায় জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গেও মতবিনিময় করবেন। রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতি দেখতে ২৭ জুলাই রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে যাবেন তিনি।
ইইউর মানবাধিকারবিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে চার বছরের মধ্যে এটি ইমোন গিলমোরের দ্বিতীয় বাংলাদেশ সফর। তিনি ২০১৯ সালের জুনে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন। ওই সফর শেষে দেওয়া বিবৃতিতে ইমোন গিলমোর বাংলাদেশে শ্রম অধিকারসহ মানবাধিকারের বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নের তাগিদ দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, শ্রম অধিকারসহ মানবাধিকার হচ্ছে বাংলাদেশ–ইইউ সম্পর্ক এবং অস্ত্র ছাড়া সবকিছু বাণিজ্য কর্মসূচির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
ঢাকায় ইইউ রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াটলির সম্প্রতি গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ইইউ বাংলাদেশে সবার স্বার্থে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চায়। স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের পর ইইউর অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা জিএসপি প্লাস পেতে হলে বাংলাদেশকে যেসব শর্ত পূরণ করতে হবে, তার অন্যতম হচ্ছে নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার। আগামী নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হলে তা বাংলাদেশের জিএসপি প্লাস পাওয়ার ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। সূত্র: প্রথম আলো