a — একজন বঙ্গবন্ধু —
ঢাকা মঙ্গলবার, ৬ মাঘ ১৪৩২, ২০ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

— একজন বঙ্গবন্ধু —


ফেসবুক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ১০ জুন, ২০২১, ১০:১০
একজন বঙ্গবন্ধু

ফাইল ছবি

— একজন বঙ্গবন্ধু —
        মোসলেমা পারভীন

তুমি কখনও ভাবতে পারোনি 
        কোন বাঙালী কোনদিন,
           তোমার কোন ক্ষতি করতে পারে!
তোমার ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়ি
           সুরক্ষিত করার প্রস্তাব
           অকাতরে অগ্রাহ্য করে গেছ।
তোমার বাড়ি রেখে গেছ 
                     অবারিত
        বাংলার আপামর মানুষের জন্য।
একজন অবিসংবাদিত নেতার ও
            তবে বুঝি ভুল হয় —
সেই অরক্ষিত দরজাকে দিতে হল
                      ভুলের মাশুল!
ঘাতকেরা ঢুকে গেল বিনা বাঁধায়,
দ্বিধা হলনা, বাঙালীর প্রতি 
                 গভীর বিশ্বাস 
              জমা করে রাখা বুকে, 
                        বুলেট চালাতে!
তার খেসারত বুঝি বা বাঙালী, 
         বাংলাদেশী দিয়ে যাবে চিরকাল।
বাঙালী আজ আর একে অপরকে 
               বিশ্বাস করেনা।
যে বিশ্বাস, যে নির্ভরতা নিয়ে তুমি
                               বেঁচেছিলে,
যে বিশ্বাস, যে নির্ভরতা নিয়ে তুমি
                               দিয়েছিলে
              এই অকৃতজ্ঞ জাতিকে!
সেই  বিশ্বাস আজ 
       পয়তাল্লিশ বছর
       টুঙ্গিপাড়ার মাটির নীচে 
                         চাপা পড়া।
বাংলাদেশ আজ তোমার জন্মশতবার্ষিকি 
                    পালন করছে!
তুমি চোখ মেলে দেখোনা!
বিশ্বাসঘাতকের   দেশে তোমার 
            আড়ম্বরপূর্ণ জন্মতিথী পালন!
তুমি দেখোনা!
তোমার মৃত্যুতে খেসারত 
                       দিয়ে যাওয়া,
              ক্রমাগত খেসারত দিয়ে যাওয়া 
আমরা বাংলাদেশীরা দেখে যাই 
                               উৎসব!

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

মামুনুল হক হেফাজতের একজন, তবে মামুনুল হক মানেই হেফাজত নয়


নিউজ ডেস্ক:
শুক্রবার, ০৯ এপ্রিল, ২০২১, ০৪:০০
মামুনুল হক হেফাজতের একজন, তবে মামুনুল হক মানেই হেফাজত নয়

মারুফ কামাল খান সোহেল

নেতৃত্ব নিয়ে কথা উঠেছে। বিশেষ করে মাওলানা মামুনুল হক এপিসোডের পর। আরও বিশেষ করে বলা যায়, কথা উঠেছে ইসলামি সংগঠনগুলোর নেতৃত্ব নিয়ে। ইসলামি সংগঠনগুলোতে নেতৃত্বের প্রতি কর্মীদের আস্থা, বিশ্বাস ও আনুগত্য অকুণ্ঠ ও অগাধ। নতুন করে ফের তার প্রমাণ মিলেছে।

আমি হেফাজতের কেউ না হলেও হেফাজতের লাখ লাখ কর্মী-সমর্থক এবং তাদের সততা ও নিষ্ঠাকে সম্মান করি। তাদের অনুভূতিকে আহত করতে চাইনা। আমি মনে করি মামুনুল হক হেফাজতের একজন, তবে মামুনুল হক মানেই হেফাজত নয়। কিন্তু হেফাজতের কর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীরা তাদের 'মামুনুল হুজুর' আর হেফাজতকে একাকার করেই দেখছেন। তার ইজ্জতকে হেফাজতের ইজ্জত হিসেবে দেখেই তারা লড়ে যাচ্ছেন অনলাইন ও অফলাইন, সবখানে। আমি সেই সঙ্গে হেফাজতের কর্মীদের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়াও লক্ষ্য করেছি গভীর কৌতুহল ও অভিনিবেশ সহকারে। আমার মনে হয়েছে, নেতার প্রতি হেফাজত কর্মীদের যে অচলা ভক্তি ও প্রশ্নাতীত আনুগত্য তা অনেকটাই রেজিমেন্টেড সংগঠনের মতন।

মামুনুল হকের রিসোর্ট সংশ্লিষ্ট অঘটন, এরপর ক্রমাগত উদঘাটিত হতে থাকা তথ্য এবং সরকার ও প্রশাসনের পদক্ষেপ আমি পর্যবেক্ষণ করছিলাম। একজন নাগরিক হিসেবে মামুনুল হকের প্রাইভেসি লঙ্ঘন করে তাকে হেনস্তার প্রতিবাদ আমিও লিখে জানিয়েছি।

একথা সত্য যে, বর্তমানে বাংলাদেশে সরকার, প্রশাসন, আইন-শৃঙখলা বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা ও মেইনস্ট্রিম মিডিয়ার প্রতি সাধারণ মানুষের অনাস্থা ও অবিশ্বাস সীমাহীন। হেফাজতের প্রতিবাদ-বিক্ষোভের আবহের মধ্যেই ঘটে মামুনুল হকের রিসোর্ট কাণ্ড। এ ঘটনা চাউর হলে হেফাজত কর্মীরা দ্রুত বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারা পুরো বিষয়টিকেই মামুনুল হককে হেয় করে হেফাজতের আন্দোলন দমাতে সরকারের একটি সাজানো-পাতানো চক্রান্ত বলেই ধরে নেন। কিন্তু পরে যখন আরো অনেক কিছু উদঘাটিত হলো এবং মামুনুল হকের নিজের স্বীকারোক্তিতেই তার নৈতিক মান অনেকটাই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়লো, তখনও তার প্রতি হেফাজত কর্মীদের অন্ধ সমর্থন থেকেই আমাদের অনেকের মনেই প্রশ্ন উঠলো যে, এই আনুগত্য পুরোপুরি ইসলামসম্মত কিনা? সেক্যুলার, বুর্জোয়া ও গণতান্ত্রিক ধারার নেতৃত্বে নৈতিক  প্রসঙ্গটিকে ততোটা গুরুত্ব দেয়া না হলেও ইসলামে নেতৃত্বের নৈতিকতার দিকটিকে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ।

ইসলাম সম্পর্কে আমার জ্ঞান সীমিত। সেই সীমিত জ্ঞান থেকেই আমি জানি ইসলামে নেতৃত্বের প্রতি আনুগত্য নিঃশর্ত নয়। বিদায় হজের অভিভাষণে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ঘোষণা করেন, যদি একজন হাবসি ক্রীতদাসও তোমাদের নেতা হন, তবে তাকেও তোমরা ততক্ষণ পর্যন্ত মেনে চলবে যতক্ষণ পর্যন্ত সে সব কিছু আল্লাহ্'র হুকুম ও রাসুলের সুন্নাহ্ অনুযায়ী পরিচালনা করবে।

ইসলামের প্রথম খলিফা আমিরুল মুমেনীন হযরত আবু বকর সিদ্দীক (রা.) তাঁর অভিষেক উপলক্ষে দেয়া ভাষণে বলেছিলেন- "হে লোকসকল, আমাকে তোমাদের উপর নেতা করে দেওয়া হলেও আমি কিন্তু তোমাদের মধ্যকার শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি নই। সুতরাং যদি আমি সঠিক কাজ করি তবে তোমরা আমাকে সাহায্য করবে, আর যদি ভুল করি তবে আমাকে শুধরে দিবে। সততা একটি পবিত্র আমানত এবং মিথ্যা হচ্ছে বিশ্বাসঘাতকতা। .... যদি কোনো জাতির মধ্যে অশ্লীলতা ছড়িয়ে পড়ে তাহলে আল্লাহ্ অবশ্যই তাদেরকে পরীক্ষায় ফেলবেন। তোমরা আমাকে ততক্ষণ মেনে চলবে যতক্ষণ আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসুলকে মেনে চলি। যদি আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসুলকে মেনে না চলি, তাহলে আমার প্রতি তোমাদের আনুগত্যের কোনো বাধ্যবাধকতা থাকবে না।"

এই দিক-নির্দেশনা থেকে বুঝা যাচ্ছে- ১. নেতার আনুগত্য করতে হবে, তবে দেখতে হবে তিনি আল্লাহ্'র হুকুম ও রাসুলের সুন্নাহ্ অনুযায়ী নিজে চলছেন কিনা এবং সব কিছু পরিচালনা করছেন কিনা। ২. নেতার মধ্যে শ্রেষ্ঠত্বের অহঙ্কার থাকবেনা, তাঁকে বিনয়ী হতে হবে। ৩. নেতাকে সঠিক কাজে সাহায্য করতে হবে। ৪. নেতা ভুল করলে সমালোচনার মাধ্যমে সেই ভুল অনুসারীদেরকেই শোধরাতে হবে। ৫. নেতাকে সততা বজায় রাখতে হবে এবং কখনো মিথ্যার আশ্রয় নেয়া চলবে না। ৬. অশ্লীলতা আল্লাহ্'র পরীক্ষা বা বিপর্যয় নিয়ে আসে। তাই, নেতাকে অশ্লীলতা পরিহার করতে হবে। এবং ৭. নেতা যদি আল্লাহ্ ও রাসুলের (সা.) পথ থেকে বিচ্যুত হন৷ তখন আর তার প্রতি অনুগত থাকার প্রয়োজন নেই। 

প্রতিটি নেতা এবং তার অনুসারীদের এইসব বিষয় ও শর্ত খুবই গুরুত্বের সঙ্গে অনুধাবন ও মেনে চলা দরকার। হযরত আবু জর গিফারীর মতন প্রাজ্ঞ, জ্ঞানী ও ত্যাগী সাহাবীরা কিন্তু রাসুল(সা.)-এর কাছ থেকে 'জিন্নুরাইন' বা দু'চোখের মণি খেতাবপ্রাপ্ত আমিরুল মুমেনীন হযরত ওসমান(রা.)-এর পরিচালনা পদ্ধতি ও সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

লেখক:মারুফ কামাল খান সোহেল
(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)/সূত্র:বিডিপ্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ভাতা বাড়ানোর দাবিতে সারা দেশে ট্রেন চলাচল বন্ধ


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক::
বুধবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২২, ০৮:৫০
ভাতা বাড়ানোর দাবিতে সারা দেশে ট্রেন চলাচল বন্ধ

ফাইল ছবি

পূর্ব নির্ধারিত মাইল-এজ বা ভাতা বাতিল করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন বাতিলের দাবিতে সারা দেশে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে রেলওয়ে রানিং স্টাফ কর্মচারী ঐক্য পরিষদ। 

আজ বুধবার (১৩ এপ্রিল) সকাল ৬টা থেকে রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে কোনো ট্রেন ছেড়ে যায়নি। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের দায়িত্বরত মাস্টার আফসার উদ্দিন। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।

মাস্টার আফসার উদ্দিন বলেন, রেলওয়ে রানিং স্টাফ কর্মচারীদের দাবি-দাওয়া নিয়ে ড্রাইভাররা ট্রেন চালানো বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে সারা দেশেই ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। সকাল ৬টা থেকে দেশের সব জায়গায় একযোগে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ বিষয়ে আলোচনা চলছে। সমাধান হলে ট্রেন চলাচল শুরু হবে। 

এ সময় কমলাপুর রেলওয়ের মাইকে ঘোষণা দেওয়া হয়, অনিবার্য কারণে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। কখন ট্রেন চলাচল শুরু হবে তা বলা যাচ্ছে না। কেউ চাইলে টিকিট ফেরত দিয়ে কাউন্টার থেকে টাকা নিতে পারেন।
  
এদিকে ভাতা বাড়ানোর দাবিতে চট্টগ্রাম স্টেশন থেকেও কোনো ট্রেন ছেড়ে যায়নি। বুধবার সকাল থেকে হঠাৎ করেই ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়ায় শত শত যাত্রীকে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - ফেসবুক পাতা থেকে