a
ফাইল ছবি
— একজন বঙ্গবন্ধু —
মোসলেমা পারভীন
তুমি কখনও ভাবতে পারোনি
কোন বাঙালী কোনদিন,
তোমার কোন ক্ষতি করতে পারে!
তোমার ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়ি
সুরক্ষিত করার প্রস্তাব
অকাতরে অগ্রাহ্য করে গেছ।
তোমার বাড়ি রেখে গেছ
অবারিত
বাংলার আপামর মানুষের জন্য।
একজন অবিসংবাদিত নেতার ও
তবে বুঝি ভুল হয় —
সেই অরক্ষিত দরজাকে দিতে হল
ভুলের মাশুল!
ঘাতকেরা ঢুকে গেল বিনা বাঁধায়,
দ্বিধা হলনা, বাঙালীর প্রতি
গভীর বিশ্বাস
জমা করে রাখা বুকে,
বুলেট চালাতে!
তার খেসারত বুঝি বা বাঙালী,
বাংলাদেশী দিয়ে যাবে চিরকাল।
বাঙালী আজ আর একে অপরকে
বিশ্বাস করেনা।
যে বিশ্বাস, যে নির্ভরতা নিয়ে তুমি
বেঁচেছিলে,
যে বিশ্বাস, যে নির্ভরতা নিয়ে তুমি
দিয়েছিলে
এই অকৃতজ্ঞ জাতিকে!
সেই বিশ্বাস আজ
পয়তাল্লিশ বছর
টুঙ্গিপাড়ার মাটির নীচে
চাপা পড়া।
বাংলাদেশ আজ তোমার জন্মশতবার্ষিকি
পালন করছে!
তুমি চোখ মেলে দেখোনা!
বিশ্বাসঘাতকের দেশে তোমার
আড়ম্বরপূর্ণ জন্মতিথী পালন!
তুমি দেখোনা!
তোমার মৃত্যুতে খেসারত
দিয়ে যাওয়া,
ক্রমাগত খেসারত দিয়ে যাওয়া
আমরা বাংলাদেশীরা দেখে যাই
উৎসব!
মুক্তা দাশ
হঠাৎ ই একদিন দেখবে মেসেন্জারের সবুজ বাতি আর জ্বলছে না... একদিন, দুইদিন, তিনদিন, অনেক দিন...!
হোয়াটসঅ্যাপে ও নেই কোন শুভ সকালের শুভেচ্ছা বার্তা ...!
ভাইবারটাও বেকার পড়ে আছে...!!
কপালের দু-তিনটে ভাঁজে একটা প্রশ্নবোধক
এঁকে দিবে মনের উৎকন্ঠা ! উসকোখুসকো চুলে।
আনফ্রেন্ড মুছে লক প্রোফাইলে বাড়বে উঁকিঝুঁকি!
অতঃপর হয়তো একটা দীর্ঘশ্বাস মিলিয়ে যাবে...
অসীম সীমানা পেরিয়ে নক্ষত্রালোকে !!
আদৌও এসব কিছু হবে কি না ভবিষ্যতে কে জানে!?
সবটা নিছকই আমার কল্পনা।
আসলে এসব কিছুই হবে না।
হবে না মনের ভেতর একটা উথাল-পাথাল ঝড়
তছনছ হবে না প্রতিটি রক্তকণিকা!
যেমনটা এখন আমার হয়!
তোমার একটু অবহেলায়....
মেসেন্জারের কালো গোল ভরাট না হলে কিংবা মেসেজ দেখতে দেরী হলে...!
কালবোশেখী তছনছ করে!! মৃত্যু পরোয়ানা
জারি করে মুহূর্তে মুহুর্তে ।
এমনটা শুধু আমার একার ই হয়...!!!
তোমার এতো সময় কই আমায় নিয়ে মাথা ঘামানোর ?
তুমি এখন অন্য কোন সুদূরিকা য় নিমগ্ন প্রেমিক।
সবুজ বাতিটা একদিন সত্যি ই নিভে যাবে
আলোর দ্যুতি ছড়াবে না আর কোনদিন,
সকালের সূর্য উঁকি দেবে না আর
মিশে যাবে সব.. সব!
সাড়ে তিন হাত মাটির গভীর অন্ধকারে।।
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝালকাঠি: ঝালকাঠি জেলা তথ্য অফিস এর আয়োজনে "তারুণ্য নির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণে" আলোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৪ জুন (মঙ্গলবার) সকাল ১১টায় ঝাকাঠির রাজাপুর উপজেলার বড়ইয়া ডিগ্রী কলেজ মিলনায়তনে প্রভাষক তাওহীদ আল ইমরানের সঞ্চালনায় সহকারী অধ্যাপক মোঃ সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ও আলোকচিত্র প্রদর্শক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঝালকাঠি জেলা তথ্য অফিসার লেলিন বালা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বড়ইয়া ডিগ্রি কলেজের (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যক্ষ গাজী জসিম উদ্দিন ।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সহকারী অধ্যাপক মোঃ আমিনুল ইসলাম তালুকদার, প্রভাষক নীল কমল সানা, মোস্তফা কামাল, অবিনাশ দাড়িয়া, শহিদুল ইসলাম প্রমুখ ।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, কলেজের অন্যান্য শিক্ষক মন্ডলী ও ছাত্র-ছাত্রীরা। আলোচনা শেষে কুইজ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কারের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।